Shuru
Apke Nagar Ki App…
পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারে বিজেপি নেতার পানের বোরজে গভীর রাতে আগুন লাগার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি এর পেছনে তৃণমূলের নির্বাচনী পরাজয়ের প্রতিহিংসা দেখছে, যদিও তৃণমূল দায় অস্বীকার করেছে। এই ঘটনায় লক্ষাধিক টাকার সম্পত্তি ভস্মীভূত হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
Prithis Banerjee
পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারে বিজেপি নেতার পানের বোরজে গভীর রাতে আগুন লাগার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি এর পেছনে তৃণমূলের নির্বাচনী পরাজয়ের প্রতিহিংসা দেখছে, যদিও তৃণমূল দায় অস্বীকার করেছে। এই ঘটনায় লক্ষাধিক টাকার সম্পত্তি ভস্মীভূত হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারে বিজেপি নেতার পানের বোরজে গভীর রাতে আগুন লাগার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি এর পেছনে তৃণমূলের নির্বাচনী পরাজয়ের প্রতিহিংসা দেখছে, যদিও তৃণমূল দায় অস্বীকার করেছে। এই ঘটনায় লক্ষাধিক টাকার সম্পত্তি ভস্মীভূত হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।1
- রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে যখন চারদিকে বিজয় মিছিলের উল্লাস চলছে, ঠিক তখনই পশ্চিম মেদিনীপুরের সুন্দিপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের কালিকাপুর গ্রাম ফুঁসছে প্রতিবাদের আগুনে। আবিরের রঙের মাঝেই এলাকার মহিলাদের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ফেটে বেরিয়েছে। খোদ শাসক দলের বিজয় মিছিলের সামনেই তারা ফেটে পড়েন, সাফ জানিয়ে দেন যে, সরকার যখন বদলেছে, এবার ব্রিজ তাদের দিতেই হবে। দীর্ঘদিনের বঞ্চনার খতিয়ান নিয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীরা, বিশেষ করে মহিলারা, বিজয় মিছিলে আসা নেতা-কর্মীদের কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তাদের একটাই দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবং দাবি— একটি স্থায়ী ব্রিজ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে একটি ব্রিজের অভাবে বর্ষায় গোটা গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যার ফলে মুমূর্ষু রোগী হাসপাতালে যেতে পারেন না এবং স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাদের বক্তব্য, প্রতিবার ভোটের আগে নেতারা এসে ব্রিজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান, কিন্তু ভোট মিটলেই সেই প্রতিশ্রুতি হিমাগারে চলে যায়। এবার তারা আর সেই চেনা গল্প শুনতে রাজি নন। এলাকার মহিলাদের এই রণচণ্ডী মূর্তি দেখে বিজয় মিছিলে আসা নেতৃত্বরা স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকফুটে চলে যান। চোখে জল এবং গলায় তীব্র ক্ষোভ নিয়ে কালিকাপুরের মা-বোনেরা এখন সোচ্চার। তারা প্রশ্ন তুলেছেন যে, যখন রাজ্য রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে, তখন কালিকাপুর গ্রামের এই ভগ্ন ভাগ্যের কি আদৌ পরিবর্তন হবে? নতুন সরকার কি এই গ্রামীণ দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করতে পারবে, নাকি আগের মতোই প্রতিশ্রুতির আড়ালে কালিকাপুরের এই স্বপ্নের ব্রিজ ঢাকা পড়ে থাকবে?1
- মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যদি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়ে, তাহলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে।1
- দাসপুর মামুদপুরে আয়োজিত অগ্রদূত সংঘের রক্তদান শিবিরের সার্বিক সাফল্য কামনা করেছেন দাসপুরের বিধায়ক তপন দত্ত।1
- রবিবার পুরুলিয়া শহরে ফুটপাত দখল করে থাকা দোকানপাট উচ্ছেদ করতে একটি অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানে পুরুলিয়া পৌরসভা এবং পুরুলিয়া জেলা পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে অংশ নেয়।1
- আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। এর প্রভাবে তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে, যা গরমে কিছুটা স্বস্তি দেবে।1
- মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল পশ্চিমবঙ্গে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে মুখ খুলেছেন। তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ এবং উপভোক্তাদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।1
- রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে সুন্দিপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের কালিকাপুর গ্রামে শাসক দলের বিজয় মিছিলকে ঘিরে তীব্র প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। যখন চারদিকে নতুন সরকারের আগমন ঘিরে উৎসব ও উল্লাস চলছে, তখনই কালিকাপুর গ্রামের মহিলারা তাদের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ নিয়ে খোদ বিজয় মিছিলের সামনে ফেটে পড়েন। আবিরের রঙের আড়ালে তাদের একটাই স্পষ্ট দাবি ছিল— "সরকার বদলেছে, এবার ব্রিজ দিতেই হবে!" গ্রামবাসীরা, বিশেষ করে এলাকার মহিলারা, দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অভিযোগ নিয়ে মিছিলে শামিল নেতা-কর্মীদের কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করান। তাদের মূল দাবি একটি স্থায়ী ব্রিজের, যার অভাবে বছরের পর বছর ধরে বর্ষায় গোটা গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া এবং স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতসহ দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রতি ভোটের আগে নেতারা ব্রিজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলেও, ভোট মিটলেই সেই প্রতিশ্রুতি হিমাগারে চলে যায়। এবার তারা এই চেনা গল্প শুনতে নারাজ, তাদের দাবি অবিলম্বে পূরণ করতে হবে। এলাকার মহিলাদের এই রণচণ্ডী মূর্তি দেখে বিজয় মিছিলে আসা নেতৃত্বরা স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকফুটে চলে যান। চোখে জল আর গলায় ক্ষোভ নিয়ে কালিকাপুরের মা-বোনেরা আজ সোচ্চার। তাদের প্রশ্ন, রাজ্য রাজনীতিতে পরিবর্তন এলেও কালিকাপুর গ্রামের এই ভগ্ন ভাগ্যের আদৌ কি পরিবর্তন হবে? নতুন সরকার কি পারবে এই গ্রামীণ দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করতে, নাকি আগের মতোই প্রতিশ্রুতির আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকবে কালিকাপুরের এই স্বপ্নের ব্রিজ?2