*শালবনীর রাজনীতির নতুন সমীকরণ? বিধায়কের ‘ব্যাকফুট’ বনাম রাম বাবুর ‘ফ্রন্টফুট’* সুমন পাত্র, পশ্চিম মেদিনীপুর :- মেদিনীপুরের লাল মাটির জনপদ শালবনী এখন এক অদ্ভুত রাজনৈতিক দোলাচলের সাক্ষী। তবে এই লড়াই কোনো প্রকাশ্য জনসভার নয়, বরং এই লড়াই অস্তিত্বের এবং জনভিত্তি প্রমাণের। একদিকে এলাকার বর্তমান বিধায়ক যখন বিভিন্ন দলীয় কোন্দল আর প্রশাসনিক চাপে কিছুটা ‘কোণঠাসা’, ঠিক সেই সময় নিঃশব্দে জমি শক্ত করছেন রামচন্দ্র পাল। এলাকার মোড়ে মোড়ে এখন একটাই গুঞ্জন তবে কি শালবনি জুড়ে নিরবে বদল ঘটছে আগামীর ভবিষ্যৎ। বিধায়কের ‘ব্যাকফুট’ বনাম রাম বাবুর ‘ফ্রন্টফুট’ আলোচনা গত কয়েক মাসে শালবনীর রাজনৈতিক সমীকরণ অনেকটাই বদলেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিভিন্ন ইস্যুতে বর্তমান বিধায়ক যেভাবে নিজের দলের অন্দরেই প্রশ্নের মুখে পড়েছেন, তাতে তাঁর দাপট আগের চেয়ে অনেকটাই ম্লান। অন্যদিকে, কোনো পদ বা প্রচারের আলোয় না থেকেও রামচন্দ্র পাল যেভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন, তা নজর কাড়ছে সবার। কোনো বড় হোর্ডিং নেই, নেই কোনো বাইক র্যালি। কিন্তু গ্রামের কারো অসুখ-বিসুখ হোক বা বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো রামচন্দ্র পালকে পাওয়া যাচ্ছে সবখানেই। পিচঢালা রাস্তা থেকে শুরু করে জঙ্গলমহলের ভেতরের গ্রামগুলোতেও এখন একটাই আলোচনা "বিধায়ক তো আছেনই, কিন্তু রামচন্দ্র বাবু তো ঘরের লোক হয়ে উঠছেন।" রাজনীতিতে কোনো কিছুই কারণ ছাড়া ঘটে না। রামচন্দ্র পালের এই ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং বিধায়কের কোণঠাসা হয়ে পড়া আগামী নির্বাচনের আগে একটি বড় সংকেত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। শালবনী বিধানসভার মাকলী গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা বিবেকানন্দ পাল জানিয়েছেন "আমরা বড় বড় বক্তৃতা চাই না। যে আমাদের দুঃখের দিনে হাতটা ধরে, আমরা তাকেই খুঁজি। রামচন্দ্র বাবু সেই কাজটাই নীরবে করে চলেছেন।" তার সুরে সুর শালবনী বিধানসভার ভীমপুরের লক্ষণ মাহাতোরও। একই সুরে সুর মিলিয়েছেন রসকুণ্ডু গ্রাম পঞ্চায়েতের অর্চনা দিগার। শালবনীর রাজনৈতিক অলিন্দে এখন একটাই প্রশ্ন—এই নীরব জনসেবা কি আগামী দিনে কোনো বড় পরিবর্তনের রূপরেখা তৈরি করছে? বিধায়ক কি পারবেন তাঁর হারানো জমি পুনরুদ্ধার করতে, নাকি রামচন্দ্র পালের এই ‘নীরব বিপ্লব’ তাঁকে অনেকটা এগিয়ে দেবে? উত্তর দেবে সময়। তবে আপাতত শালবনীর মানুষ এই দুই মেরুর লড়াই বেশ তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছেন।
*শালবনীর রাজনীতির নতুন সমীকরণ? বিধায়কের ‘ব্যাকফুট’ বনাম রাম বাবুর ‘ফ্রন্টফুট’* সুমন পাত্র, পশ্চিম মেদিনীপুর :- মেদিনীপুরের লাল মাটির জনপদ শালবনী এখন এক অদ্ভুত রাজনৈতিক দোলাচলের সাক্ষী। তবে এই লড়াই কোনো প্রকাশ্য জনসভার নয়, বরং এই লড়াই অস্তিত্বের এবং জনভিত্তি প্রমাণের। একদিকে এলাকার বর্তমান বিধায়ক যখন বিভিন্ন দলীয় কোন্দল আর প্রশাসনিক চাপে কিছুটা ‘কোণঠাসা’, ঠিক সেই সময় নিঃশব্দে জমি শক্ত করছেন রামচন্দ্র পাল। এলাকার মোড়ে মোড়ে এখন একটাই গুঞ্জন তবে কি শালবনি জুড়ে নিরবে বদল ঘটছে আগামীর ভবিষ্যৎ। বিধায়কের ‘ব্যাকফুট’ বনাম রাম বাবুর ‘ফ্রন্টফুট’ আলোচনা গত কয়েক মাসে শালবনীর রাজনৈতিক সমীকরণ অনেকটাই বদলেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিভিন্ন ইস্যুতে বর্তমান বিধায়ক যেভাবে নিজের দলের অন্দরেই প্রশ্নের মুখে পড়েছেন, তাতে তাঁর দাপট আগের চেয়ে অনেকটাই ম্লান। অন্যদিকে, কোনো পদ বা প্রচারের আলোয় না থেকেও রামচন্দ্র পাল যেভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন, তা নজর কাড়ছে সবার। কোনো বড় হোর্ডিং নেই, নেই কোনো বাইক র্যালি। কিন্তু গ্রামের কারো অসুখ-বিসুখ হোক বা বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো রামচন্দ্র পালকে পাওয়া যাচ্ছে সবখানেই। পিচঢালা রাস্তা থেকে শুরু করে জঙ্গলমহলের ভেতরের গ্রামগুলোতেও এখন একটাই আলোচনা "বিধায়ক তো আছেনই, কিন্তু রামচন্দ্র বাবু তো ঘরের লোক হয়ে উঠছেন।" রাজনীতিতে কোনো কিছুই কারণ ছাড়া ঘটে না। রামচন্দ্র পালের এই ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং বিধায়কের কোণঠাসা হয়ে পড়া আগামী নির্বাচনের আগে একটি বড় সংকেত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। শালবনী বিধানসভার মাকলী গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা বিবেকানন্দ পাল জানিয়েছেন "আমরা বড় বড় বক্তৃতা চাই না। যে আমাদের দুঃখের দিনে হাতটা ধরে, আমরা তাকেই খুঁজি। রামচন্দ্র বাবু সেই কাজটাই নীরবে করে চলেছেন।" তার সুরে সুর শালবনী বিধানসভার ভীমপুরের লক্ষণ মাহাতোরও। একই সুরে সুর মিলিয়েছেন রসকুণ্ডু গ্রাম পঞ্চায়েতের অর্চনা দিগার। শালবনীর রাজনৈতিক অলিন্দে এখন একটাই প্রশ্ন—এই নীরব জনসেবা কি আগামী দিনে কোনো বড় পরিবর্তনের রূপরেখা তৈরি করছে? বিধায়ক কি পারবেন তাঁর হারানো জমি পুনরুদ্ধার করতে, নাকি রামচন্দ্র পালের এই ‘নীরব বিপ্লব’ তাঁকে অনেকটা এগিয়ে দেবে? উত্তর দেবে সময়। তবে আপাতত শালবনীর মানুষ এই দুই মেরুর লড়াই বেশ তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছেন।
- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির আঁচ এবার পড়তে শুরু করেছে রান্নার গ্যাসের সরবরাহেও। আলিপুরদুয়ারে গ্যাস বুকিং ও সরবরাহকে ঘিরে বৃহস্পতিবার সকালে তীব্র ভোগান্তির মুখে পড়তে হল সাধারণ মানুষকে। জানা গিয়েছে, ভোর থেকেই আলিপুরদুয়ার এ গ্যাস সরবরাহকারী অফিসের সামনে উপভোক্তাদের দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। অভিযোগ, সকাল সাড়ে ৯টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে অফিস খোলা হয়নি। এর ফলে ক্ষোভ বাড়তে থাকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজনের মধ্যে। এদিন গ্যাস বুকিং ও সরবরাহের ‘লিংক’ না থাকায় কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানানো হয়। এর জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০০ মিটার পর্যন্ত পৌঁছে যায়, যা ঘিরে এলাকায় উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু উপভোক্তার অভিযোগ, বাড়িতে গ্যাস না থাকায় রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে পড়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে চরম সমস্যার মুখে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, “ঘরে গ্যাস নেই, রান্না বন্ধ। গ্যাস না পেলে খাব কী?” পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।1
- মাথাভাঙ্গা ২ ব্লকের লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের পুঁটিমারী গ্রাম এলাকায় সাত সকালে দাপাদাপি ৬ টি হাতির, ঘুম থেকে উঠে হাতি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পরে অনেকে শুরু হয় চিৎকার চেঁচামেচি। খবর পেয়ে ছুটে আসে ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ এবং বন দপ্তর। আপাতত পূর্ব পুটি মারি গ্রামের সানজাই নদীর তীরে খোকন বর্মণের কলা বাগানে ৬ হাতি অবস্থান করছে বলে জানা যায়। জানা গিয়েছে, লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের পুঁটিমারী গ্রামে ভোর ৫ টায় প্রথম ৬ টি হাতি দেখতে পান স্থানীয় বাবলু বর্মন নামের এক যুবক। এরপর সে চিৎকার শুরু করলে জড়ো হয় স্থানীয়রা এরপর হাতির দল স্থানীয়দের চিৎকারে সানজাই নদী তীরে একটি কলা বাগানে অবস্থান করে। খবর পেয়ে ছুটে আসে ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ, বন দপ্তরের মাথাভাঙ্গা রেঞ্জ, পাতলা খাওয়া রেঞ্জ, জলদাপাড়া রেঞ্জ এর কর্মীরা। আপাতত বন দপ্তরের নজর দারিতে রয়েছে হাতি গুলি। এ বিষয়ে স্থানীয় রফিকুল ইসলাম বলেন আমি সকাল ৫ টা নাগাদ গরু বের করছিলাম দেখলাম আমার বাড়ির পাশ দিয়ে ৬ টি হাতি বেরিয়ে যাচ্ছে। এরপর এলাকায় চিৎকার শুরু হয়। প্রায় পনেরো দিন ধরে এই হাতি গুলি এলাকায় আসছে এবং ভুট্টা, কলা খেত নষ্ট করছে । এতদিন তোর্ষা নদীর চর এলাকায় ঘোড়া ফেরা করে আবার পাতলা খাওয়া জঙ্গলে ফিরে যেতো আজ প্রথম আমাদের এলাকায় প্রবেশ করেছে। সবাই আতঙ্কে আছি আমরা চাই হাতি গুলিকে বন দপ্তর চিলাপাতা জঙ্গলে নিয়ে যাক। অন্য দিকে স্থানীয় স্বপন সাহা জানান,কয়েক দিন ধরে আমাদের এলাকায় হাতির দাপাদাপি চলছে তেমন ক্ষয় ক্ষতি না হলেও প্রচুর ফসল নষ্ট হয়েছে। তবে পাশেই প্রায় দের কিমি দূরে তোরসা নদী পার হলেই পাতলা খাওয়া জঙ্গল স্থানীয়দের অনুমান পাতলা খাওয়া জঙ্গল থেকে হাতি গুলি এসেছে। হাতি দের জঙ্গলে ফেরানোর চেষ্টায় বন দপ্তর।1
- মাথাভাঙ্গা দুই ব্লকের পুটিমারি এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছয়টি হাতির একটি দল1
- पश्चिम बंगाल के NH-19 (दुर्गापुर एक्सप्रेसवे) पर बने फ्लाईओवर की दीवार ढह गई। यह फ्लाईओवर 10 महीने पहले बनकर तैयार हुआ था और लगभग 6 महीने पहले चालू किया गया था।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- চিলাখানা পশ্চিম পালপাড়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আমরা তুলে ধরলাম2
- ২০২১ সালের ১০ ই এপ্রিল গত বিধানসভা নির্বাচনে শীতলকুচি বিধানসভা তথা মাথাভাঙ্গা ১ নং ব্লকের জোরপাটকী গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫ এর ১২৬ নং বুথে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান এলাকার চার ভোটার। এরপর রাজ্য সরকারের তরফে ওই পরিবার গুলোকে আর্থিক সহায়তা করার পাশাপাশি পরিবারের একজনকে স্পেশাল হোম গার্ডের চাকরি দেওয়া হয়। মর্মান্তিক সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ বছর হতে চলল। আজ সেই পরিবারগুলোর সাথে দেখা করে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী ও উপহার তুলে দিলেন উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান পার্থ প্রতিম রায়।1
- বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও শিক্ষা দপ্তরের কর্মচারীদের ডাকে বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ার জেলায় কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। এদিন জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা সংগঠনের ব্যানারে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদে সামিল হন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ভাতা, পদোন্নতি, শূন্যপদে নিয়োগ এবং পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক সমস্যা ঝুলে রয়েছে। একাধিকবার বিষয়গুলি প্রশাসনের নজরে আনা হলেও এখনো পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান মেলেনি। সেই কারণেই তারা বাধ্য হয়ে ধর্মঘট ও প্রতিবাদ কর্মসূচির পথে হাঁটছেন বলে দাবি করেন। এদিন বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হলে শিক্ষা ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত সমস্যার সমাধান এবং দাবিগুলি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানান তারা। প্রতিবাদকারীরা আরও জানান, তাদের দাবি দ্রুত পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামার কথাও ভাবা হবে। অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হয়েছে। এদিনের কর্মসূচির ফলে জেলার কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক কাজকর্ম আংশিকভাবে প্রভাবিত হয়েছে বলে জানা গেছে।1