Shuru
Apke Nagar Ki App…
ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইদের বিশাল নামাজের আয়োজন করা হবে বলে দাবি করা হয়েছে। সুবেন্দু অধিকারীর এই দাবিকে ঘিরে বর্তমানে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। জানানো হয়েছে যে, এই আয়োজনের জন্য হাজার হাজার মানুষের জমায়েতের প্রস্তুতি চলছে এবং প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। ইদের দিনে ব্রিগেডের এই বিশেষ আয়োজনের দিকে এবার গোটা বাংলার নজর থাকবে।
Chanchal Siddhanta (Reporter)
ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইদের বিশাল নামাজের আয়োজন করা হবে বলে দাবি করা হয়েছে। সুবেন্দু অধিকারীর এই দাবিকে ঘিরে বর্তমানে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। জানানো হয়েছে যে, এই আয়োজনের জন্য হাজার হাজার মানুষের জমায়েতের প্রস্তুতি চলছে এবং প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। ইদের দিনে ব্রিগেডের এই বিশেষ আয়োজনের দিকে এবার গোটা বাংলার নজর থাকবে।
More news from Medinipur West and nearby areas
- পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা ও পাঁশকুড়ার মধ্যে রেলপথের দাবিতে স্মারকলিপি জমা পড়ল। এই রেললাইন স্থাপিত হলে এলাকার যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নতিতে বড় পরিবর্তন আসবে।1
- দাসপুর মামুদপুরে আয়োজিত অগ্রদূত সংঘের রক্তদান শিবিরের সার্বিক সাফল্য কামনা করেছেন দাসপুরের বিধায়ক তপন দত্ত।1
- রবিবার পুরুলিয়া শহরে ফুটপাত দখল করে থাকা দোকানপাট উচ্ছেদ করতে একটি অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানে পুরুলিয়া পৌরসভা এবং পুরুলিয়া জেলা পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে অংশ নেয়।1
- হোয়াইট হাউসের বাইরে একটি গুলির ঘটনা ঘটেছে, যা পোস্টটিতে একটি 'ভয়াবহ ছবি' এবং 'ভয়ঙ্কর দৃশ্য' হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এই দৃশ্যটি সরাসরি দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে, এবং তাদের সেই ছবি দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- মেদিনীপুর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিধায়ক শংকর গুছাইতের জয়ের পর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) উদ্যোগে একটি বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের বিপুল উপস্থিতিতে গোটা এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। বিজেপির এই জয়ের উচ্ছ্বাসে মেদিনীপুরের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সরগরম ছিল, যেখানে একটি বর্ণাঢ্য বিজয় মিছিলের আয়োজন করা হয়।1
- বাঁকুড়া জেলায় হিজলডিহা বিবেকানন্দ সেবা সমিতিতে মহাসমারোহে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল।1
- রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে যখন চারদিকে বিজয় মিছিলের উল্লাস চলছে, ঠিক তখনই পশ্চিম মেদিনীপুরের সুন্দিপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের কালিকাপুর গ্রাম ফুঁসছে প্রতিবাদের আগুনে। আবিরের রঙের মাঝেই এলাকার মহিলাদের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ফেটে বেরিয়েছে। খোদ শাসক দলের বিজয় মিছিলের সামনেই তারা ফেটে পড়েন, সাফ জানিয়ে দেন যে, সরকার যখন বদলেছে, এবার ব্রিজ তাদের দিতেই হবে। দীর্ঘদিনের বঞ্চনার খতিয়ান নিয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীরা, বিশেষ করে মহিলারা, বিজয় মিছিলে আসা নেতা-কর্মীদের কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তাদের একটাই দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবং দাবি— একটি স্থায়ী ব্রিজ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে একটি ব্রিজের অভাবে বর্ষায় গোটা গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যার ফলে মুমূর্ষু রোগী হাসপাতালে যেতে পারেন না এবং স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাদের বক্তব্য, প্রতিবার ভোটের আগে নেতারা এসে ব্রিজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান, কিন্তু ভোট মিটলেই সেই প্রতিশ্রুতি হিমাগারে চলে যায়। এবার তারা আর সেই চেনা গল্প শুনতে রাজি নন। এলাকার মহিলাদের এই রণচণ্ডী মূর্তি দেখে বিজয় মিছিলে আসা নেতৃত্বরা স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকফুটে চলে যান। চোখে জল এবং গলায় তীব্র ক্ষোভ নিয়ে কালিকাপুরের মা-বোনেরা এখন সোচ্চার। তারা প্রশ্ন তুলেছেন যে, যখন রাজ্য রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে, তখন কালিকাপুর গ্রামের এই ভগ্ন ভাগ্যের কি আদৌ পরিবর্তন হবে? নতুন সরকার কি এই গ্রামীণ দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করতে পারবে, নাকি আগের মতোই প্রতিশ্রুতির আড়ালে কালিকাপুরের এই স্বপ্নের ব্রিজ ঢাকা পড়ে থাকবে?1
- অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সুরাজ মন্ডল সম্প্রতি স্কুল ও স্কুল সংলগ্ন এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের দ্বারা প্রস্তুত করা সামার প্রজেক্টগুলি পর্যবেক্ষণ করেছেন। এই পরিদর্শনের সময়, তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের তৈরি প্রজেক্টগুলি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত পরামর্শও প্রদান করেন।1