মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের রতনপুরে একটি সোনার দোকানে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় বিহার থেকে এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার পুলিশ ধৃত মহিলাকে হেফাজতে চেয়ে জঙ্গিপুর কোর্টে পাঠায়। গত ১৪ই মে ভর দুপুরে গ্রাহক সেজে দোকানে ঢুকে এই লুটপাট চালানো হয়, যেখানে প্রায় সাড়ে ৫ কেজি সোনার গহনা চুরি যায়। ডাকাতির অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিহারের সমষ্টিপুর এলাকা থেকে সুধীর কুমার শর্মা এবং আমান সিংহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে ডাকাত দলের মহিলা সদস্য কাঞ্চন কুমারীকেও বিহার থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে ডাকাতির সময় এক মহিলার উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ডাকাতির সাথে জড়িত বাকিদের সন্ধান চালাচ্ছে।
মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের রতনপুরে একটি সোনার দোকানে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় বিহার থেকে এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার পুলিশ ধৃত মহিলাকে হেফাজতে চেয়ে জঙ্গিপুর কোর্টে পাঠায়। গত ১৪ই মে ভর দুপুরে গ্রাহক সেজে দোকানে ঢুকে এই লুটপাট চালানো হয়, যেখানে প্রায় সাড়ে ৫ কেজি সোনার গহনা চুরি যায়। ডাকাতির অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিহারের সমষ্টিপুর এলাকা থেকে সুধীর কুমার শর্মা এবং আমান সিংহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে ডাকাত দলের মহিলা সদস্য কাঞ্চন কুমারীকেও বিহার থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে ডাকাতির সময় এক মহিলার উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ডাকাতির সাথে জড়িত বাকিদের সন্ধান চালাচ্ছে।
- মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের রতনপুরে একটি সোনার দোকানে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় বিহার থেকে এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার পুলিশ ধৃত মহিলাকে হেফাজতে চেয়ে জঙ্গিপুর কোর্টে পাঠায়। গত ১৪ই মে ভর দুপুরে গ্রাহক সেজে দোকানে ঢুকে এই লুটপাট চালানো হয়, যেখানে প্রায় সাড়ে ৫ কেজি সোনার গহনা চুরি যায়। ডাকাতির অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিহারের সমষ্টিপুর এলাকা থেকে সুধীর কুমার শর্মা এবং আমান সিংহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে ডাকাত দলের মহিলা সদস্য কাঞ্চন কুমারীকেও বিহার থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে ডাকাতির সময় এক মহিলার উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ডাকাতির সাথে জড়িত বাকিদের সন্ধান চালাচ্ছে।1
- মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার পুলিশ আগ্নেয়াস্ত্র সহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃতদের নাম সাবির আলি বিশ্বাস ও সেলিম রেজা মিস্ত্রি। সাবিরের বাড়ি গজনিপুর এলাকায় এবং সেলিমের বাড়ি পাথরঘাটায়। শনিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ স্বরূপপুর ছাতিমতলা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার অভিযোগে ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাদের তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশি পিস্তল এবং দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার পর ধৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। রবিবার ধৃতদের বহরমপুর জেলা জজ আদালতে তোলা হয়। সেখানে পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের নওদা থানার রায়পুর গ্রামে এক গৃহবধূর মৃতদেহ কবর থেকে তোলা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ওই গৃহবধূকে হত্যা করে কবর দেওয়া হয়েছিল। এই অভিযোগ তুলে মৃতের মা আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালতের নির্দেশে শনিবার ওই মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে তোলা হয়। এ সময় নওদা বিডিও, নওদা থানার ওসি অঞ্জন বর্মন, বহরমপুর সদর সার্কেল ইন্সপেক্টর প্রসেনজিৎ দত্ত এবং অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। মৃত ওই গৃহবধূর নাম আজিমুন খাতুন। তিনি হরিহরপাড়া থানার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা এবং নওদা থানার রায়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মীরপুর গ্রামে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। পরিবারের দাবি, শ্বশুরবাড়িতে আজিমুন খাতুনের উপর প্রায়ই অত্যাচার করা হতো। প্রায় ৫০ দিন আগে হঠাৎ করে তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন তখন জানিয়েছিল যে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে, মৃতের মা নাজমা বিবি এই কথা অস্বীকার করে বলেন যে তাঁর মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার বিচার চেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।1
- আসন্ন ঈদ-উল-আযহা (ঈদ-উজ-জোহা) উৎসবকে সামনে রেখে নওদা ব্লকে একটি প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকে আইসি শান্তি ও সম্প্রীতির এক বড় বার্তা দিয়েছেন।1
- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটারদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।1
- মুর্শিদাবাদের নওদা থানার রায়পুর গ্রামে আদালতের নির্দেশে প্রায় ৫০ দিন পর এক গৃহবধূর মৃতদেহ কবর থেকে তোলা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ওই গৃহবধূকে হত্যা করে শ্বশুরবাড়ির লোকজন আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়েছিল। ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।1
- আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা বা কুরবানি ঈদ যাতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়, সেই লক্ষ্যে ভরতপুর থানা পুলিশ ও ব্লক প্রশাসন একটি বিশেষ প্রস্তুতি ও সমন্বয় বৈঠকের আয়োজন করেছে। শনিবার ভরতপুর-১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কমিউনিটি হলে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় এলাকার মসজিদের ইমাম, মসজিদ কমিটির সদস্য, ঈদগাহ কমিটির প্রতিনিধি এবং স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ভরতপুরের যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৈয়দ মহবুব রহমান, ভরতপুর এসডিপিও বরুন বৈদ্য, সালার সার্কেল ইন্সপেক্টর সমরেন্দ্র পাল, ভরতপুর থানার ওসি বিশ্বজিৎ মন্ডল এবং ব্লক প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আধিকারিকরাও বৈঠকে যোগ দেন। এই সময় উৎসবের দিনগুলোতে ব্লকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, উৎসব উদযাপনের ক্ষেত্রে সরকারি আইন ও বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। নির্দেশ অনুযায়ী, কোথাও কোনো রকম উচ্চশব্দের ডিজে বক্স বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে না এবং মাইক বাজানোর ক্ষেত্রেও শব্দের মাত্রা প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া নির্দিষ্ট ভলিউমের মধ্যে রাখতে হবে। মূলত, সকলের সহযোগিতায় একটি সুস্থ, সুন্দর ও আইনানুগ পরিবেশের মধ্য দিয়ে কোরবানি সম্পন্ন করাই ছিল এই সভার মূল উদ্দেশ্য। উপস্থিত সকলকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং সামাজিক শান্তি বজায় রাখতে সম্পূর্ণ সরকারি আইন মেনেই কুরবানী দিতে হবে।1
- মুর্শিদাবাদের ছাতিমতলা এলাকায় সীমান্তে একটি আগ্নেয়াস্ত্র পাচার র্যাকেটের নাগাল পেয়েছে পুলিশ, যার ফলে ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই অভিযানে অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ কার্তুজ সহ চক্রের দুই মূল মাথাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত ওই দুই যুবকের নাম সাবির আলী বিশ্বাস এবং সেলিম মিস্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই অস্ত্র ব্যবসায়ীরা গোপনে একটি নির্দিষ্ট এলাকায় হাজির হয়ে অস্ত্র পাচারের চুক্তি করছিল। গোপন সূত্রের মাধ্যমে এই খবর পেয়ে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার পুলিশ ছাতিমতলা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় ঘোরাফেরা করতে দেখে দুই সন্দেহভাজন যুবককে আটক করা হয়। তাদের তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিপুল কার্তুজ উদ্ধার হয়। সাবিরের বাড়ি গজনীপুর এলাকায় এবং সেলিমের বাড়ি পাথরঘাটা এলাকায় বলে জানানো হয়েছে। এই সফল অভিযানের মাধ্যমে একটি বড় আগ্নেয়াস্ত্র পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছে।1