Shuru
Apke Nagar Ki App…
সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে নিজেদের জীবিকা নির্বাহের জন্য মাছ, কাঁকড়া অথবা মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে যারা বাঘের আক্রমণের শিকার হয়ে আহত হন কিংবা প্রাণ হারান, সেইসব অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এক মানবাধিকার কর্মী জোরালো আবেদন জানিয়েছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতি প্রয়োজনীয় সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদানের আর্জি তুলে ধরেছেন।
খবর জয়নগর কুলতলি সুন্দরবন
সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে নিজেদের জীবিকা নির্বাহের জন্য মাছ, কাঁকড়া অথবা মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে যারা বাঘের আক্রমণের শিকার হয়ে আহত হন কিংবা প্রাণ হারান, সেইসব অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এক মানবাধিকার কর্মী জোরালো আবেদন জানিয়েছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতি প্রয়োজনীয় সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদানের আর্জি তুলে ধরেছেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) প্রার্থী দেবাংশু পন্ডা রেকর্ড ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন। ২২ রাউন্ড গণনা শেষে বিপুল ভোটে তাঁর জয় নিশ্চিত হওয়ার পর ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় গণনা কেন্দ্র চত্বর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উল্লাস, আবির খেলা ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। চূড়ান্ত ফলাফলে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পন্ডা মোট ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়েছেন এবং ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিপিআইএম প্রার্থী শম্ভুনাথ কুর্মি ৪০ হাজার ৬৪৫ ভোট এবং কংগ্রেস প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা ১০ হাজার ৮৪ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে, শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গির খান মাত্র ৭ হাজার ৭৮৩ ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থানে নেমে গেছেন। গণনা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসার পর দলীয় কর্মী-সমর্থকরা দেবাংশু পন্ডাকে মালা পরিয়ে সংবর্ধনা জানান। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জয়ী বিজেপি প্রার্থী বলেন যে এটি সাধারণ মানুষের জয় এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও ক্ষোভের জবাব মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন যে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের হিন্দু সনাতনী ভোটের বড় অংশ বিজেপির পক্ষে এসেছে, পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্য অংশ সিপিআইএমের দিকে ঝুঁকেছে। জয়ের পর দেবাংশু পন্ডা এলাকার একাধিক সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন, বিশেষ করে নদী বাঁধ ভাঙন, পানীয় জলের সংকট এবং যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান। এই ফলাফলকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে, বিশেষত শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর চতুর্থ স্থানে নেমে যাওয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। এই জয়কে নরেন্দ্র মোদীর জয় বলেও অভিহিত করা হয়েছে।1
- দক্ষিণ ২৪পরগনার জমিয়েতওলামা হিন্দি-এর সম্পাদক মুফতি আমিন উদ্দিন সরদার পবিত্র ঈদ উল আজাহা উপলক্ষে জনসাধারণের উদ্দেশ্যে এক শান্তির বার্তা প্রদান করেছেন। চালতাবেড়িয়া ঈদগাহ-এর পক্ষ থেকে দেওয়া এই বার্তায় তিনি দেশের শান্তি রক্ষার্থে মুসলিম সমাজকে শান্তির আহ্বান জানিয়েছেন।1
- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলের উদ্দেশ্যে একটি বার্তা দিয়েছেন, যেখানে তিনি বলেছেন যে বাংলা যেন মানবতা, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের পথেই এগিয়ে চলে। তিনি রাজ্যের অগ্রগতির জন্য এই তিনটি স্তম্ভের উপর জোর দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, ভিডিওতে বক্তার বক্তব্য সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত মতামত এবং এর জন্য চ্যানেল কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই দায়ী নয়।1
- কার্তিকের নতুন বিধায়ক দীপঙ্কর জানাকে সম্বর্ধনা জানাতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাটে হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মগরাহাট হকার্স ইউনিয়ন। নিজেদের জীবিকা রক্ষার দাবিতে এদিন রাস্তায় নামেন ইউনিয়নের সদস্যরা।1
- রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার শিল্পশহর হলদিয়া সফর করলেন শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার সন্ধ্যায় তিনি হলদি নদীর তীরে অবস্থিত হলদিয়া ভবনে একটি প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেন। এই বৈঠকের পাশাপাশি তিনি একটি রাজনৈতিক বৈঠকও করেন। রাজ্যে পালাবদলের পর হলদিয়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (HDA) কাজ কীভাবে চলবে, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। গত চার বছর ধরে হলদিয়া পুরসভা নির্বাচন না হওয়া এবং শিল্পাঞ্চলের একাধিক শিল্প সংস্থায় বেতন চুক্তি স্বাক্ষরিত না হওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিও আলোচনায় স্থান পায়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই সমস্ত বিষয়ে সরকারি আধিকারিক এবং বিধায়কদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। ভবিষ্যতে শিল্পশহরের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েও তিনি আলোচনা করেন।1
- ফলতার বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফলতায় এলে তাকে মাছ ভাত খাওয়ানো হবে, যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা।1
- সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে নিজেদের জীবিকা নির্বাহের জন্য মাছ, কাঁকড়া অথবা মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে যারা বাঘের আক্রমণের শিকার হয়ে আহত হন কিংবা প্রাণ হারান, সেইসব অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এক মানবাধিকার কর্মী জোরালো আবেদন জানিয়েছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতি প্রয়োজনীয় সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদানের আর্জি তুলে ধরেছেন।1