Shuru
Apke Nagar Ki App…
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যদি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়ে, তাহলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে।
JBP NEWS BANGLA
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যদি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়ে, তাহলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যদি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়ে, তাহলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে।1
- আজ সিঙ্গুর বাজার পরিদর্শন করে সেখানকার ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যার কথা শোনা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা তাঁদের ব্যবসা সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ ও অসুবিধার কথা তুলে ধরেন। এই গ্রাউন্ড রিপোর্ট তাঁদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরেছে।1
- আজ পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি একটি প্রেস মিটিং করেছেন। এই প্রেস মিটিংয়ে তিনি কী বলেছেন, তা শোনার জন্য আগ্রহীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- হুগলি জেলা একটি সর্ববঙ্গ আমন্ত্রণমূলক টেবিল টেনিস টুর্নামেন্টের জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত, যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে এক জমজমাট লড়াই দেখতে পাওয়া যাবে।1
- বকরিদ উৎসবকে কেন্দ্র করে একটি মসজিদের ইমাম গরুকে নিয়ে একটি বড় মন্তব্য করেছেন। তার এই কথা সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় এসেছে।1
- আরামবাগের মায়াপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ডিবাইরা গ্রামে বিজেপি বিধায়ক হেমন্ত বাগকে ঘিরে একটি জমকালো অভিনন্দন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উপলক্ষে গ্রামের রাস্তা জুড়ে এক বিশাল জনসমাগম দেখা যায়। দলীয় পতাকা, ব্যানার এবং ঢাক-ঢোলের তালে তালে গোটা এলাকা জুড়েই এক উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়। বিধায়ককে এক ঝলক দেখার জন্য সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দলীয় কর্মী-সমর্থকরা রাস্তায় ভিড় জমান। অনেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং মিষ্টিমুখ করিয়ে বিধায়ককে অভিনন্দন জানান। সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিনের এই অভিনন্দন যাত্রা ঘিরে ডিবাইরা গ্রামে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এই আয়োজনে বিধায়ক হেমন্ত বাগের প্রতি উপচে পড়া জনসমর্থন স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয়।1
- রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে যখন চারদিকে বিজয় মিছিলের উল্লাস চলছে, ঠিক তখনই পশ্চিম মেদিনীপুরের সুন্দিপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের কালিকাপুর গ্রাম ফুঁসছে প্রতিবাদের আগুনে। আবিরের রঙের মাঝেই এলাকার মহিলাদের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ফেটে বেরিয়েছে। খোদ শাসক দলের বিজয় মিছিলের সামনেই তারা ফেটে পড়েন, সাফ জানিয়ে দেন যে, সরকার যখন বদলেছে, এবার ব্রিজ তাদের দিতেই হবে। দীর্ঘদিনের বঞ্চনার খতিয়ান নিয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীরা, বিশেষ করে মহিলারা, বিজয় মিছিলে আসা নেতা-কর্মীদের কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তাদের একটাই দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবং দাবি— একটি স্থায়ী ব্রিজ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে একটি ব্রিজের অভাবে বর্ষায় গোটা গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যার ফলে মুমূর্ষু রোগী হাসপাতালে যেতে পারেন না এবং স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাদের বক্তব্য, প্রতিবার ভোটের আগে নেতারা এসে ব্রিজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান, কিন্তু ভোট মিটলেই সেই প্রতিশ্রুতি হিমাগারে চলে যায়। এবার তারা আর সেই চেনা গল্প শুনতে রাজি নন। এলাকার মহিলাদের এই রণচণ্ডী মূর্তি দেখে বিজয় মিছিলে আসা নেতৃত্বরা স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকফুটে চলে যান। চোখে জল এবং গলায় তীব্র ক্ষোভ নিয়ে কালিকাপুরের মা-বোনেরা এখন সোচ্চার। তারা প্রশ্ন তুলেছেন যে, যখন রাজ্য রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে, তখন কালিকাপুর গ্রামের এই ভগ্ন ভাগ্যের কি আদৌ পরিবর্তন হবে? নতুন সরকার কি এই গ্রামীণ দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করতে পারবে, নাকি আগের মতোই প্রতিশ্রুতির আড়ালে কালিকাপুরের এই স্বপ্নের ব্রিজ ঢাকা পড়ে থাকবে?1
- হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে বাজার করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন এক গৃহবধূ। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে, যার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1