যুদ্ধের প্রভাবে গ্যাসের সংকট, কাঁচরাপাড়ায় দৈনিক মাত্র দুটি গাড়ি—ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে গ্যাস সরবরাহে দেখা দিয়েছে তীব্র সংকট। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়া এলাকায় বর্তমানে প্রতিদিন মাত্র দুটি করে গ্যাসের গাড়ি পৌঁছচ্ছে। ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। যেসব পরিবারের রান্নার গ্যাস শেষ হয়ে গেছে, তারা সকাল থেকেই স্থানীয় গ্যাস গোডাউনের সামনে এসে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। অনেকেই বুকিং করার পরেও সময়মতো গ্যাস পাচ্ছেন না। অভিযোগ, বুকিং করার পরেও ৭ থেকে ৮ দিনের আগে গ্যাস সিলিন্ডার মিলছে না। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে সকাল থেকেই গ্যাস গোডাউনের সামনে ভিড় জমাচ্ছেন গ্রাহকেরা। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্যাস পাওয়ার আশায়। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষের এই ভোগান্তি কিছুটা হলেও কমে। এই সমস্যার নিয়ে অনেকটাই চিন্তিত আছেন গ্যাস সাপ্লাইকরি কর্মচারীরা।
যুদ্ধের প্রভাবে গ্যাসের সংকট, কাঁচরাপাড়ায় দৈনিক মাত্র দুটি গাড়ি—ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে গ্যাস সরবরাহে দেখা দিয়েছে তীব্র সংকট। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়া এলাকায় বর্তমানে প্রতিদিন মাত্র দুটি করে গ্যাসের গাড়ি পৌঁছচ্ছে। ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। যেসব পরিবারের রান্নার গ্যাস
শেষ হয়ে গেছে, তারা সকাল থেকেই স্থানীয় গ্যাস গোডাউনের সামনে এসে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। অনেকেই বুকিং করার পরেও সময়মতো গ্যাস পাচ্ছেন না। অভিযোগ, বুকিং করার পরেও ৭ থেকে ৮ দিনের আগে গ্যাস সিলিন্ডার মিলছে না। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে সকাল থেকেই গ্যাস গোডাউনের সামনে
ভিড় জমাচ্ছেন গ্রাহকেরা। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্যাস পাওয়ার আশায়। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষের এই ভোগান্তি কিছুটা হলেও কমে। এই সমস্যার নিয়ে অনেকটাই চিন্তিত আছেন গ্যাস সাপ্লাইকরি কর্মচারীরা।
- যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে গ্যাস সরবরাহে দেখা দিয়েছে তীব্র সংকট। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়া এলাকায় বর্তমানে প্রতিদিন মাত্র দুটি করে গ্যাসের গাড়ি পৌঁছচ্ছে। ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। যেসব পরিবারের রান্নার গ্যাস শেষ হয়ে গেছে, তারা সকাল থেকেই স্থানীয় গ্যাস গোডাউনের সামনে এসে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। অনেকেই বুকিং করার পরেও সময়মতো গ্যাস পাচ্ছেন না। অভিযোগ, বুকিং করার পরেও ৭ থেকে ৮ দিনের আগে গ্যাস সিলিন্ডার মিলছে না। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে সকাল থেকেই গ্যাস গোডাউনের সামনে ভিড় জমাচ্ছেন গ্রাহকেরা। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্যাস পাওয়ার আশায়। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষের এই ভোগান্তি কিছুটা হলেও কমে। এই সমস্যার নিয়ে অনেকটাই চিন্তিত আছেন গ্যাস সাপ্লাইকরি কর্মচারীরা।3
- Post by Saifyad Saiul1
- বারুইপাড়া মেজো মা এন্ড দিয়ারা বক্স কম্পিটিশন#viral #shere #editing #instagramreels #baruiparastation #diyarastation1
- হুগলি জেলা গ্রামীণ পুলিশের উদ্যোগে সচেতনতামুলক অভিযান চললো বিভিন্ন ফেরী ঘাটে পরিদর্শনে যান পুলিশ প্রশাসন এর আধিকারিকরা যুদ্ধ তো বিদেশে কি এমন ঘটনা ঘটলো জলপথে এদেশে? কোন কোন বিষয়ে সতর্ক করলো পুলিশ প্রশাসন? ঘাট মালিক,ফেরী চালক,মাঝি দের কি বলা হলো? জানতে থাকুন, জানাতে থাকুন1
- সিঙ্গুরে রাস্তা ও লাইটের দাবিতে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি পঞ্চায়েতে #breakingnews #westbengalnews #singurnews #westbengalpolitics #hooghly1
- নলের সিটির ডিজাইন প্রকাশ করলেন পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী ভাইজান সম্পূর্ণ তৈরি হলে নলেজ সিটি কেমন হবে দেখে নিন কোম্পানির ডিজাইন টা বানিয়ে ভাইজান এর কাছে দিয়েছি #News#Jiotvnews1
- Post by Suggestion Go2
- জাতীয় সড়ক 19-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ আমাদের জামালপুর বিধানসভার আঝাপুর, জৌগ্রাম ও আবুজহাটি 1 অঞ্চলকে স্পর্শ করে গেছে। এই NH-19 শুধু একটি রাস্তা নয়—এটাই কলকাতার সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীবিকার অন্যতম প্রধান সেতুবন্ধন। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ এই সড়ক পথ ব্যবহার করেন। দুর্নীতিগ্রস্ত এই কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে নির্মিত এই রাস্তা তৈরি হওয়ার এক বছরও পূর্ণ হয়নি—তার মধ্যেই আজ রসুলপুরের কাছে সরসডাঙ্গা এলাকায় হঠাৎ করে সড়কের একটি বৃহৎ অংশ ভেঙে পড়েছে। তারই প্রতিবাদে আজ কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা জাতীয় সড়ক ১৯ অবরোধ করে এক বৃহৎ প্রতিবাদ কর্মসূচি করা হয় প্রসঙ্গত স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে— হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের এমন পরিণতি সত্যিই উদ্বেগজনক। 👉 কোটি কোটি টাকা খরচ করে তৈরি রাস্তা এত দ্রুত কীভাবে ভেঙে পড়ে? 👉 নির্মাণের গুণমান কোথায় ছিল? 👉 প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তার দায়িত্ব কে নেবে? আজ যখন Bharatiya Janata Party সারা রাজ্য জুড়ে Paribartan Yatra-র নামে পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে—সকালে বিকালে সারা বাংলায় বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা প্রচারে ব্যস্ত—তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, বাংলার মানুষের কাছে তারা কি এই ধরনেরই “পরিবর্তন”-এর ছবি তুলে ধরতে চাইছে? উন্নয়নের নামে যদি কোটি কোটি টাকার প্রকল্প কয়েক মাসের মধ্যেই ভেঙে পড়ে, তবে সেই উন্নয়নের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়কের এই পরিস্থিতি শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয় না, বরং মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বড় উদ্বেগও তৈরি করে। সাধারণ মানুষের স্বার্থে অবিলম্বে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং দ্রুত রাস্তা সংস্কারের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ মানুষের জীবন নিয়ে কোনো রকম অবহেলা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না।2