Shuru
Apke Nagar Ki App…
আরামবাগের তৃণমূল কার্যালয় থেকে বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার হলেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পাদক রাকেশ আলি। কলকাতা থেকে দীর্ঘ তদন্তের পর তাঁকে পাকড়াও করে পুলিশ, এবং আজ দুপুরে আরামবাগ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
Asif Islam
আরামবাগের তৃণমূল কার্যালয় থেকে বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার হলেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পাদক রাকেশ আলি। কলকাতা থেকে দীর্ঘ তদন্তের পর তাঁকে পাকড়াও করে পুলিশ, এবং আজ দুপুরে আরামবাগ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- আরামবাগের মায়াপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ডিবাইরা গ্রামে বিজেপি বিধায়ক হেমন্ত বাগকে ঘিরে একটি জমকালো অভিনন্দন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উপলক্ষে গ্রামের রাস্তা জুড়ে এক বিশাল জনসমাগম দেখা যায়। দলীয় পতাকা, ব্যানার এবং ঢাক-ঢোলের তালে তালে গোটা এলাকা জুড়েই এক উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়। বিধায়ককে এক ঝলক দেখার জন্য সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দলীয় কর্মী-সমর্থকরা রাস্তায় ভিড় জমান। অনেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং মিষ্টিমুখ করিয়ে বিধায়ককে অভিনন্দন জানান। সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিনের এই অভিনন্দন যাত্রা ঘিরে ডিবাইরা গ্রামে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এই আয়োজনে বিধায়ক হেমন্ত বাগের প্রতি উপচে পড়া জনসমর্থন স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয়।1
- রবিবার দুপুরে আরামবাগের কালীপুর মোড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি এসি ই গাড়ি ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় গাড়ির চালক ও খালাসি গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় মানুষ ও আরামবাগ থানার পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।1
- Post by Md Sahid1
- হুগলি জেলার গোঘাটের ভাবসালা গ্রামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে এক বিশাল রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। রক্তের অভাব মেটাতে এই মহৎ উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। গোঘাট বিধায়ক প্রশান্ত অধিকারী ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে শিবিরকে সফল করেন।1
- 'লুকিয়ে পুষ্পা', ফলতার ফল নিয়ে কী বললেন Dilip Ghosh?1
- রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে যখন চারদিকে বিজয় মিছিলের উল্লাস চলছে, ঠিক তখনই পশ্চিম মেদিনীপুরের সুন্দিপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের কালিকাপুর গ্রাম ফুঁসছে প্রতিবাদের আগুনে। আবিরের রঙের মাঝেই এলাকার মহিলাদের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ফেটে বেরিয়েছে। খোদ শাসক দলের বিজয় মিছিলের সামনেই তারা ফেটে পড়েন, সাফ জানিয়ে দেন যে, সরকার যখন বদলেছে, এবার ব্রিজ তাদের দিতেই হবে। দীর্ঘদিনের বঞ্চনার খতিয়ান নিয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীরা, বিশেষ করে মহিলারা, বিজয় মিছিলে আসা নেতা-কর্মীদের কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তাদের একটাই দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবং দাবি— একটি স্থায়ী ব্রিজ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে একটি ব্রিজের অভাবে বর্ষায় গোটা গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যার ফলে মুমূর্ষু রোগী হাসপাতালে যেতে পারেন না এবং স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাদের বক্তব্য, প্রতিবার ভোটের আগে নেতারা এসে ব্রিজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান, কিন্তু ভোট মিটলেই সেই প্রতিশ্রুতি হিমাগারে চলে যায়। এবার তারা আর সেই চেনা গল্প শুনতে রাজি নন। এলাকার মহিলাদের এই রণচণ্ডী মূর্তি দেখে বিজয় মিছিলে আসা নেতৃত্বরা স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকফুটে চলে যান। চোখে জল এবং গলায় তীব্র ক্ষোভ নিয়ে কালিকাপুরের মা-বোনেরা এখন সোচ্চার। তারা প্রশ্ন তুলেছেন যে, যখন রাজ্য রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে, তখন কালিকাপুর গ্রামের এই ভগ্ন ভাগ্যের কি আদৌ পরিবর্তন হবে? নতুন সরকার কি এই গ্রামীণ দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করতে পারবে, নাকি আগের মতোই প্রতিশ্রুতির আড়ালে কালিকাপুরের এই স্বপ্নের ব্রিজ ঢাকা পড়ে থাকবে?1
- মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যদি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়ে, তাহলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে।1
- হুগলির খানাকুলে নন্দনপুর খালের ওপর গড়ে ওঠা একাধিক অবৈধ দোকানে বুলডোজার চালানো হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের হুঁশিয়ারির পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো, অভিযোগ তৃণমূল নেতাদের মদতেই এসব নির্মাণ তৈরি হয়েছিল।3