মুর্শিদাবাদের নওদা থানার রায়পুর গ্রামে এক গৃহবধূর মৃতদেহ কবর থেকে তোলা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ওই গৃহবধূকে হত্যা করে কবর দেওয়া হয়েছিল। এই অভিযোগ তুলে মৃতের মা আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালতের নির্দেশে শনিবার ওই মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে তোলা হয়। এ সময় নওদা বিডিও, নওদা থানার ওসি অঞ্জন বর্মন, বহরমপুর সদর সার্কেল ইন্সপেক্টর প্রসেনজিৎ দত্ত এবং অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। মৃত ওই গৃহবধূর নাম আজিমুন খাতুন। তিনি হরিহরপাড়া থানার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা এবং নওদা থানার রায়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মীরপুর গ্রামে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। পরিবারের দাবি, শ্বশুরবাড়িতে আজিমুন খাতুনের উপর প্রায়ই অত্যাচার করা হতো। প্রায় ৫০ দিন আগে হঠাৎ করে তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন তখন জানিয়েছিল যে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে, মৃতের মা নাজমা বিবি এই কথা অস্বীকার করে বলেন যে তাঁর মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার বিচার চেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
মুর্শিদাবাদের নওদা থানার রায়পুর গ্রামে এক গৃহবধূর মৃতদেহ কবর থেকে তোলা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ওই গৃহবধূকে হত্যা করে কবর দেওয়া হয়েছিল। এই অভিযোগ তুলে মৃতের মা আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালতের নির্দেশে শনিবার ওই মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে তোলা হয়। এ সময় নওদা বিডিও, নওদা থানার ওসি অঞ্জন বর্মন, বহরমপুর সদর সার্কেল ইন্সপেক্টর প্রসেনজিৎ দত্ত এবং অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। মৃত ওই গৃহবধূর নাম আজিমুন খাতুন। তিনি হরিহরপাড়া থানার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা এবং নওদা থানার রায়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মীরপুর গ্রামে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। পরিবারের দাবি, শ্বশুরবাড়িতে আজিমুন খাতুনের উপর প্রায়ই অত্যাচার করা হতো। প্রায় ৫০ দিন আগে হঠাৎ করে তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন তখন জানিয়েছিল যে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে, মৃতের মা নাজমা বিবি এই কথা অস্বীকার করে বলেন যে তাঁর মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার বিচার চেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
- মুর্শিদাবাদের ছাতিমতলা এলাকায় সীমান্তে একটি আগ্নেয়াস্ত্র পাচার র্যাকেটের নাগাল পেয়েছে পুলিশ, যার ফলে ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই অভিযানে অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ কার্তুজ সহ চক্রের দুই মূল মাথাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত ওই দুই যুবকের নাম সাবির আলী বিশ্বাস এবং সেলিম মিস্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই অস্ত্র ব্যবসায়ীরা গোপনে একটি নির্দিষ্ট এলাকায় হাজির হয়ে অস্ত্র পাচারের চুক্তি করছিল। গোপন সূত্রের মাধ্যমে এই খবর পেয়ে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার পুলিশ ছাতিমতলা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় ঘোরাফেরা করতে দেখে দুই সন্দেহভাজন যুবককে আটক করা হয়। তাদের তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিপুল কার্তুজ উদ্ধার হয়। সাবিরের বাড়ি গজনীপুর এলাকায় এবং সেলিমের বাড়ি পাথরঘাটা এলাকায় বলে জানানো হয়েছে। এই সফল অভিযানের মাধ্যমে একটি বড় আগ্নেয়াস্ত্র পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছে।1
- নদিয়া জেলায় তীব্র দাবদাহ এবং ভ্যাপসা গরমের কারণে একটি বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদে বাংলাদেশের হুজুরদের চরিত্র ও মেয়েদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। স্থানীয়রা এই ধরনের অন্যায় 'মানবো না' বলে কঠোর বার্তা দিয়েছেন।1
- বীরভূমের এক গ্রামে নতুন বাড়ি তৈরি হলেও বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে বাসিন্দাদের বাঁশের খুঁটি দিয়ে তার টানতে হচ্ছে। ঝড়-বৃষ্টিতে ছিঁড়ে যাওয়া তার থেকে ঘটছে বিপদের আশঙ্কা, যা নিয়ে স্থানীয়রা চরম দুর্ভোগে। বিদ্যুৎ দফতরে বারবার জানিয়েও এখনও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।1
- জলঙ্গী নদী বাংলার নদী মানচিত্রে অন্যতম দীর্ঘ একটি জলধারা। এই নদীর উৎপত্তিস্থল হলো বাংলাদেশের পদ্মা নদী। দীর্ঘ ২২০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে জলঙ্গী নদী নদীয়া জেলার মায়াপুরের কাছাকাছি গঙ্গার সাথে মিলিত হয়েছে। নদীমাতৃক বাংলার অন্যতম প্রধান ও প্রাণবন্ত নদী হিসেবে এটি পরিচিত।1
- নদীয়ার কৃষ্ণনগরে বিজয়ী বিজেপি বিধায়ক শ্রী তারকনাথ চ্যাটার্জীর বিজয় মিছিল আজও অব্যাহত রয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায়, 26/05/2024 তারিখে, এই বর্ণাঢ্য মিছিল কৃষ্ণনগর-এক লোকসভা কেন্দ্রের 6, 7 ও 8 নম্বর ওয়ার্ড পরিক্রমা করে। মিছিলে পদযাত্রীদের পাশাপাশি মোটরসাইকেল ও টোটো আরোহীরাও অংশ নেন। ডিজে-তে গান এবং আলোর ঝলকানি সহ এক উৎসবমুখর পরিবেশে এই বিজয় উল্লাস চলছে।1
- মহাদেবের নামে চরক পূজার মহোৎসব শুরু হয়েছে। এই উৎসবকে বাংলার ঐতিহ্য এবং বাংলার গর্ব হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা ভক্তি ও উৎসবের আমেজে পরিপূর্ণ।1
- ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) আসন্ন নির্বাচনগুলিকে পাখির চোখ করে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি মজবুত করতে তৎপরতা বাড়িয়েছে। এই লক্ষ্যেই দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলার অন্তর্গত ফরাক্কা বিধানসভার মন্ডল-১ কমিটির পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এদিনের বৈঠকে মন্ডল এলাকার বিভিন্ন বুথের সভাপতি, শক্তি কেন্দ্রের প্রমুখ এবং স্থানীয় দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জেলা ও বিধানসভা স্তরের পদাধিকারীদের উপস্থিতিতে ফরাক্কা অঞ্চলের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। মূলত, এই বৈঠকের মাধ্যমে বুথ স্তরকে আরও শক্তিশালী করার বার্তা দেওয়া হয়েছে।1
- রবিবার বিকেলে বলাগড়ের গুপ্তিপাড়ার বিভিন্ন এলাকায় ভারতীয় জনতা পার্টির (ভাজপা) পক্ষ থেকে একটি অভিনন্দন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। জনগনকে ধন্যবাদ জানানোর উদ্দেশ্যেই এই যাত্রা আয়োজিত হয়েছিল। শুরু নিউজের ক্যামেরায় এই অভিনন্দন যাত্রার মুহূর্তগুলি তুলে ধরা হয়েছে।1