কুমারগ্রামে বিজেপিতে ধস: ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখালেন তারা মায়া বর্মন ও ভুবন দাস বিধানসভা নির্বাচনের আগে বা সংগঠন বিস্তারের লড়াইয়ে কুমারগ্রাম ব্লকে বড়সড় ধাক্কা খেল ভারতীয় জনতা পার্টি। শুক্রবার বিজেপির হাত ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি সদস্য তারা মায়া বর্মন এবং ২ নং মন্ডলের কোষাধ্যক্ষ ভুবন দাস (কানু)। এদিন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি তথা রাজ্য সভার সাংসদ প্রকাশ চিক বরাইক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আই এন টি টি ইউ সি র জেলা সভাপতি বিনোদ মি, জেলা নেতা তুষার চক্রবর্তী, সঞ্জিত ধর সহ অন্যান্যরা। দলবদলু নেতাদের দাবি, বিজেপির নীতি ও বর্তমান কার্যকলাপে বীতশ্রদ্ধ হয়েই তাঁরা উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে সামিল হতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই দুই নেতার আগমনে কুমারগ্রাম এলাকায় দলের সংগঠন তৃণমূল স্তরে আরও মজবুত হবে।
কুমারগ্রামে বিজেপিতে ধস: ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখালেন তারা মায়া বর্মন ও ভুবন দাস বিধানসভা নির্বাচনের আগে বা সংগঠন বিস্তারের লড়াইয়ে কুমারগ্রাম ব্লকে বড়সড় ধাক্কা খেল ভারতীয় জনতা পার্টি। শুক্রবার বিজেপির হাত ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি সদস্য তারা মায়া বর্মন এবং ২ নং মন্ডলের কোষাধ্যক্ষ ভুবন দাস (কানু)। এদিন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি তথা রাজ্য সভার সাংসদ প্রকাশ চিক বরাইক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আই এন টি টি ইউ সি র জেলা সভাপতি বিনোদ মি, জেলা নেতা তুষার চক্রবর্তী, সঞ্জিত ধর সহ অন্যান্যরা। দলবদলু নেতাদের দাবি, বিজেপির নীতি ও বর্তমান কার্যকলাপে বীতশ্রদ্ধ হয়েই তাঁরা উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে সামিল হতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই দুই নেতার আগমনে কুমারগ্রাম এলাকায় দলের সংগঠন তৃণমূল স্তরে আরও মজবুত হবে।
- SIR-এর ফলে বাদ পড়া বৈধ ভারতীয় নাগরিকদের ভোটাধিকার সুরক্ষা নিয়ে জেলাশাসকের সাথে বৈঠক নস্যশেখ উন্নয়ন পরিষদের1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জোরকদমে প্রচারে নেমেছে রাজনৈতিক দলগুলি। তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শ্রী উদয়ন গুহ গোবরাছড়া বাজার এলাকায় ব্যাপক জনসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচি পালন করেন। এদিন সকাল থেকেই গোবরাছড়া বাজার চত্বরে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। প্রার্থী উদয়ন গুহ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং আগামী দিনে উন্নয়নের ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন। দলীয় পতাকা ও ব্যানারে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্যের উন্নয়নের স্বার্থে এবং মানুষের স্বার্থরক্ষায় আবারও উদয়ন গুহকে জয়ী করার আহ্বান জানানো হয়েছে এই প্রচারে। উল্লেখ্য, আগামী ২৩ তারিখ প্রথম দফাতেই দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সেই কারণে ইতিমধ্যেই প্রচারের উত্তাপ তুঙ্গে উঠেছে, এবং শেষ মুহূর্তে ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে মরিয়া সব রাজনৈতিক দলই।1
- 😊 এই নাও: "অবিলম্বে আমাদের গ্রামের রাস্তার অবস্থা উন্নয়ন করুন! Dinhata 2, নাজিরহাট 1, গ্রাম: পূর্ব শিকারপুর মানুষের চলাচল খুবই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। আমাদের গ্রামের রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। আমরা আশা করি মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়া আমাদের গ্রামের দিকে তাকাবেন এবং অবিলম্বে রাস্তা মেরামতের ব্যবস্থা করবেন। #রাস্তা_উন্নয়ন #গ্রাম_উন্নয়ন #মমতা_বন্দ্যোপাধ্যায়" তোমার কি মনে হয়, এই পোস্টটা ঠিক আছে? 👀1
- বৃহস্পতিবার রাতে মাথাভাঙ্গা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ড. সাবলু বর্মন নির্বাচনী প্রতিজ্ঞাপত্র প্রকাশ করেন।নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করে প্রার্থী বলেন তৃণমূল জয়ী হলে উল্লেখিত কাজগুলি দ্রুততার সঙ্গে করা হবে।1
- TMC party lok oto ba garam basi milen boetok1
- কোচবিহারের দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের ভিলেজ টু গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় জোরকদমে নির্বাচনী প্রচার চালালেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ তিনি ভিলেজ টু অঞ্চলের একাধিক এলাকায় প্রচারে অংশ নেন। প্রচারের সময় সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে বর্তমান রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেসের অপশাসন ও দুর্নীতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বিজেপির পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান অজয় রায়। এদিন তার সঙ্গে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। জোরদার নির্বাচনী প্রচারের মধ্য দিয়ে মাঠে-ময়দানে সক্রিয় রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী, এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলে।2
- আলিপুরদুয়ার জেলায় এক উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নিল । থানার পক্ষ থেকে হারিয়ে যাওয়া মোট ৪০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সেগুলি যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সময়ে জেলার নানা প্রান্ত থেকে মোবাইল হারানোর অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইলগুলির অবস্থান শনাক্ত করা হয় এবং ধারাবাহিক অভিযানে সেগুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এরপর যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত মালিকদের শনাক্ত করা হয়। থানায় ডেকে তাঁদের হাতে মোবাইল ফোনগুলি তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পর নিজের হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশি মালিকরা। অনেকেই পুলিশের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ফলেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।1
- ঘুঘুমারিতে মহিলা তৃণমূলের কর্মী সম্মেলন, কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিকের সমর্থনে জোর1
- *কোচবিহার জেলা শাসক দপ্তরে নস্য উন্নয়ন পরিষদের নেতৃত্বের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো।1