৮ই মে পরিতোষ কুমার দে’র স্মরণে বালুরঘাটে মাল্যদান-স্মরণসভা ও মোমবাতি *৮ই মে পরিতোষ কুমার দে’র স্মরণে বালুরঘাটে মাল্যদান-স্মরণসভা ও মোমবাতি মিছিল, প্রস্তুতি জোরকদমে :-* *বালুরঘাট, ৩০ এপ্রিল:* ২০১১ সালের ৮ মে দুষ্কৃতীদের হামলায় নিহত মৎস্য আড়ৎদার ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী ভূমিপুত্র পরিতোষ কুমার দে’র ১৪তম প্রয়াণ দিবস পালনে তৎপর বালুরঘাট মৎস্য আড়ৎদার সমিতি। আগামী ৮ মে, শুক্রবার সকালে মাল্যদান-স্মরণসভা এবং সন্ধ্যায় মোমবাতি মিছিলের আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। সমিতির সম্পাদক নীহার রঞ্জন ঘোষ জানান, শুক্রবার সকালে বালুরঘাট মাছ বাজারে প্রয়াত পরিতোষ দে’র আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য নিবেদনের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন পর্ব শুরু হবে। এরপর সেখানেই অনুষ্ঠিত হবে স্মরণসভা। এদিন সন্ধ্যায় বালুরঘাট মৎস্য আড়ৎদার সমিতির কার্যালয় থেকে পরিতোষ কুমার দে’র স্মরণে মোমবাতি মিছিল বের হবে। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান পথ পরিক্রমা করবে। তিনি বলেন, “২০১১ সালের ৮ মে দুষ্কৃতীদের আক্রমণে আমরা আমাদের অভিভাবক পরিতোষ দা’কে হারাই। সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই প্রতি বছর সকালের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও রক্তদানের পাশাপাশি সন্ধ্যায় মোমবাতি মিছিলের আয়োজন করি আমরা।” সমিতির পক্ষ থেকে শহরের সর্বস্তরের নাগরিক, ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীদের সকালের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠান এবং সন্ধ্যার মোমবাতি মিছিলে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
৮ই মে পরিতোষ কুমার দে’র স্মরণে বালুরঘাটে মাল্যদান-স্মরণসভা ও মোমবাতি *৮ই মে পরিতোষ কুমার দে’র স্মরণে বালুরঘাটে মাল্যদান-স্মরণসভা ও মোমবাতি মিছিল, প্রস্তুতি জোরকদমে :-* *বালুরঘাট, ৩০ এপ্রিল:* ২০১১ সালের ৮ মে দুষ্কৃতীদের হামলায় নিহত মৎস্য আড়ৎদার ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী ভূমিপুত্র পরিতোষ কুমার দে’র ১৪তম প্রয়াণ দিবস পালনে তৎপর বালুরঘাট মৎস্য আড়ৎদার সমিতি। আগামী ৮ মে, শুক্রবার সকালে মাল্যদান-স্মরণসভা এবং সন্ধ্যায় মোমবাতি মিছিলের আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। সমিতির সম্পাদক নীহার রঞ্জন ঘোষ জানান, শুক্রবার সকালে বালুরঘাট মাছ বাজারে প্রয়াত পরিতোষ দে’র আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য নিবেদনের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন পর্ব শুরু হবে। এরপর সেখানেই অনুষ্ঠিত হবে স্মরণসভা। এদিন সন্ধ্যায় বালুরঘাট মৎস্য আড়ৎদার সমিতির কার্যালয় থেকে পরিতোষ কুমার দে’র স্মরণে মোমবাতি মিছিল বের হবে। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান পথ পরিক্রমা করবে। তিনি বলেন, “২০১১ সালের ৮ মে দুষ্কৃতীদের আক্রমণে আমরা আমাদের অভিভাবক পরিতোষ দা’কে হারাই। সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই প্রতি বছর সকালের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও রক্তদানের পাশাপাশি সন্ধ্যায় মোমবাতি মিছিলের আয়োজন করি আমরা।” সমিতির পক্ষ থেকে শহরের সর্বস্তরের নাগরিক, ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীদের সকালের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠান এবং সন্ধ্যার মোমবাতি মিছিলে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
- বেহুলা লখিন্দরের কাহিনী বিজড়িত পুরাতন মালদার দেবকুন্ডকে ঘিরে এবারও বুদ্ধ পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিতে ঢল নামল ভক্তদের।জমে উঠল দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলা। যাকে কেন্দ্র করে আনন্দ মুখরিত হয়ে উঠল পুরাতন মালদার নারায়ণপুর বিএসএফ-এর ৮৮নং ব্যাটেলিয়নের ক্যাম্প এলাকা। দীর্ঘ কয়েক দশকের ধর্মীয় ঐতিহ্য-পরম্পরা মেনে প্রতি বছর বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন পুরাতন মালদার নারায়ণপুরে বিএসএফ-এর ৮৮নং ক্যাম্প এলাকায় হয়ে আসছে দেবকুন্ডের পুজো ও মেলা। সেই মতো শুক্রবার গুরু পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে এই পুজো ও মেলা শুরু হয় নারায়ণপুর বিএসএফ ক্যাম্পে। এই উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই বিএসএফ ক্যাম্প প্রাঙ্গণে অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। আগত ভক্তরা বেহুলা নদী সংলগ্ন বেহুলা-লখিনন্দরের কাহিনী বিজড়িত দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সেরে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী মাতার মন্দিরে পুজো দেন। পুজো ও মেলা পর্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বতোভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বিএসএফ। দেবকুন্ডের পুজো ও মেলার প্রচলন সম্পর্কে নানান কল্পকাহিনী প্রচলিত রয়েছে। ভক্তদের কারও মতে বেহুলা তার মৃত স্বামী লক্ষিন্দরের প্রাণ ফিরাতে এই স্থানে পদার্পণ করেছিলেন। সেখানেই তিনি নাকি নেতো ধোপানীর সাক্ষাৎ পেয়ে তার সঙ্গে স্বর্গে দিয়ে লক্ষীন্দরের প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন। তাই ভক্তদের বিশ্বাস দেবকুন্ডে পুজো দিয়ে মানত করলে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী কালীমাতা ভক্তদের সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ করেন। সেই কারণেই প্রতি বছর এই মেলায় অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। সেই ছবিই ধরা পড়ে এবারও।দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলাকে ঘিরে অসংখ্য নব দম্পতির আগমণ চোখে পড়ে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যান্ডবাদ্দি বাজিয়ে মেলায় এসে দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সারেন। এবং দীর্ঘদিনের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী তারা বিয়ের ফুল, মালা, টোপর সহ যাবতীয় উপকরণ দেবকুন্ডের জলে ভাসিয়ে দেন।তাদের বিশ্বাস এই রীতি পালন করে পুণ্যস্নান সেরে শুদ্ধচিত্তে মা গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিলে নব দম্পতির বৈবাহিক জীবন সুখের হয়।1
- শুক্রবার বিকেলে প্রবল বর্ষণে জলমগ্ন হয়ে গেছে পতিরাম এলাকা। তিন ঘণ্টা ধরে টানা বৃষ্টিতে পতিরাম বাজার,শুক্রবার বিকেলে প্রবল বর্ষণে জলমগ্ন হয়ে গেছে পতিরাম এলাকা। তিন ঘণ্টা ধরে টানা বৃষ্টিতে পতিরাম বাজার, অরবিন্দপল্লী, লক্ষীপুর সহ বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। রাস্তা ডুবে যাওয়ায় যান চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে, আর বহু বাড়িতে জল ঢুকে পড়েছে। আবহাওয়া দফতর আগামী ৫ মে পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। স্থানীয়রা ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, বিশেষ করে কৃষিক্ষেত্রে বোরো ধান ও সবজি চাষে বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।"1
- আজ পহেলা মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে শুক্রবার সকাল ১০:০০ টা নাগাদ পুরাতন মালদার নারায়নপুর মিশন রোড এলাকায় উদযাপিত হলো বিশেষ অনুষ্ঠান। তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার বার্তা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ হালদার, শ্রমিক নেতা দিলীপ সাহা সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা। তাঁদের বক্তব্যে শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়।এদিন এলাকার শ্রমিকদের অংশগ্রহণে কর্মসূচি ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শ্রমিক দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান বক্তারা।1
- bad news 😔 আমাদের গ্রামে ক্রিকেট খেলতে খেলতে হারিয়ে গেল পুকুরে বল bad news1
- নোংরা জল আবর্জনা অনেক কিছু একটা জ্বরের ট্যাংকি লাগবে2
- কলকাতা: গতকাল রাত্রে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে স্টং রুমের ভেতর কেউ রয়েছে এই অভিযোগ কুনাল ঘোষ এবং শশী পাঁজা ধরনায় বসে ছিলেন, আজকে সেখানে কড়া নিরাপত্তা।।1
- পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান ভোট পরিস্থিতি এবং আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে তোপ দাগলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি রাজ্যের নির্বাচনী স্বচ্ছতা নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন তোলেন।1
- বেহুলা লখিন্দরের কাহিনী বিজড়িত পুরাতন মালদার দেবকুন্ডকে ঘিরে এবারও বুদ্ধ পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিতে ঢল নামল ভক্তদের।জমে উঠল দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলা। যাকে কেন্দ্র করে আনন্দ মুখরিত হয়ে উঠল পুরাতন মালদার নারায়ণপুর বিএসএফ-এর ৮৮নং ব্যাটেলিয়নের ক্যাম্প এলাকা। দীর্ঘ কয়েক দশকের ধর্মীয় ঐতিহ্য-পরম্পরা মেনে প্রতি বছর বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন পুরাতন মালদার নারায়ণপুরে বিএসএফ-এর ৮৮নং ক্যাম্প এলাকায় হয়ে আসছে দেবকুন্ডের পুজো ও মেলা। সেই মতো শুক্রবার গুরু পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে এই পুজো ও মেলা শুরু হয় নারায়ণপুর বিএসএফ ক্যাম্পে। এই উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই বিএসএফ ক্যাম্প প্রাঙ্গণে অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। আগত ভক্তরা বেহুলা নদী সংলগ্ন বেহুলা-লখিনন্দরের কাহিনী বিজড়িত দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সেরে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী মাতার মন্দিরে পুজো দেন। পুজো ও মেলা পর্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বতোভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বিএসএফ। দেবকুন্ডের পুজো ও মেলার প্রচলন সম্পর্কে নানান কল্পকাহিনী প্রচলিত রয়েছে। ভক্তদের কারও মতে বেহুলা তার মৃত স্বামী লক্ষিন্দরের প্রাণ ফিরাতে এই স্থানে পদার্পণ করেছিলেন। সেখানেই তিনি নাকি নেতো ধোপানীর সাক্ষাৎ পেয়ে তার সঙ্গে স্বর্গে দিয়ে লক্ষীন্দরের প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন। তাই ভক্তদের বিশ্বাস দেবকুন্ডে পুজো দিয়ে মানত করলে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী কালীমাতা ভক্তদের সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ করেন। সেই কারণেই প্রতি বছর এই মেলায় অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। সেই ছবিই ধরা পড়ে এবারও।দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলাকে ঘিরে অসংখ্য নব দম্পতির আগমণ চোখে পড়ে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যান্ডবাদ্দি বাজিয়ে মেলায় এসে দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সারেন। এবং দীর্ঘদিনের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী তারা বিয়ের ফুল, মালা, টোপর সহ যাবতীয় উপকরণ দেবকুন্ডের জলে ভাসিয়ে দেন।তাদের বিশ্বাস এই রীতি পালন করে পুণ্যস্নান সেরে শুদ্ধচিত্তে মা গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিলে নব দম্পতির বৈবাহিক জীবন সুখের হয়।1