উলুবেড়িয়ায় সৃষ্টিশ্রী মেলা উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী পুলক রায় মতিয়ার রহমান, উলুবেড়িয়া সৃষ্টির জন্য এক নতুন রাস্তা ,স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের দ্বারা তৈরী নানান হাতের কাজের বিভিন্ন পশরা সাজিয়ে বা বিভিন্ন স্টলে বিকিকিনির কাজ শুরু হলো যা মহিলাদের দ্বারা হাতের কাজের নৈপুণ্য প্রদর্শন তারই নাম এই "সৃষ্টিশ্রী" মেলা। জেলার এই মেলায় যেমন হাতের কাজের বিভিন্ন সুচিশিল্প, বিভিন্ন রস ও স্বাদের খাবার,ডালের তৈরি বড়ি, কাঁথা সেলাই, কচুরিপানা থেকে নানান হাতের কাজ যা এক উল্লেখযোগ্য। শুক্রবার বিকেলে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরী ও পূর্ত মন্ত্রী পুলক রায়, তিনি তার বক্তব্যে বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের জন্য একাধিক পরিকল্পনা গ্ৰহন করেছেন। আরো উপস্থিত ছিলেন হাওড়া জেলা শাষক পি দীপপ্রিয়া, জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাবেরী দাস,সহসভাধিপতি অজয় ভট্টাচার্য, বিধায়ক বিদেশ রঞ্জন বসু,বিধায়িকা প্রিয়া পাল, মহকুমা শাষক মানষ কুমার মন্ডল, হাওড়া জেলা গ্ৰামীন পুলিশ সুপার সুবিমল পাল,উলুবেড়িয়া পৌরসভার পৌর প্রধান অভয় কুমার দাস উপপৌরপ্রধান সেখ ইনামুর রহমান চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সেখ আকবর,উলুবেড়িয়া ১নং ব্লকের বিডিও এইচ এম রিয়াজুল হক প্রমুখ।এই মেলায় জেলার প্রতিটি ব্লক থেকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের তৈরি সম্ভার নিয়ে মোট ৮৬টি স্টল রয়েছে। সৃষ্টিশ্রী মেলা চলবে আগামী ১৮জানুয়ারী পর্যন্ত।
উলুবেড়িয়ায় সৃষ্টিশ্রী মেলা উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী পুলক রায় মতিয়ার রহমান, উলুবেড়িয়া সৃষ্টির জন্য এক নতুন রাস্তা ,স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের দ্বারা তৈরী নানান হাতের কাজের বিভিন্ন পশরা সাজিয়ে বা বিভিন্ন স্টলে বিকিকিনির কাজ শুরু হলো যা মহিলাদের দ্বারা হাতের কাজের নৈপুণ্য প্রদর্শন তারই নাম এই "সৃষ্টিশ্রী"
মেলা। জেলার এই মেলায় যেমন হাতের কাজের বিভিন্ন সুচিশিল্প, বিভিন্ন রস ও স্বাদের খাবার,ডালের তৈরি বড়ি, কাঁথা সেলাই, কচুরিপানা থেকে নানান হাতের কাজ যা এক উল্লেখযোগ্য। শুক্রবার বিকেলে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরী ও পূর্ত মন্ত্রী পুলক রায়, তিনি তার বক্তব্যে বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
উদ্যোগে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের জন্য একাধিক পরিকল্পনা গ্ৰহন করেছেন। আরো উপস্থিত ছিলেন হাওড়া জেলা শাষক পি দীপপ্রিয়া, জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাবেরী দাস,সহসভাধিপতি অজয় ভট্টাচার্য, বিধায়ক বিদেশ রঞ্জন বসু,বিধায়িকা প্রিয়া পাল, মহকুমা শাষক মানষ কুমার মন্ডল, হাওড়া জেলা গ্ৰামীন পুলিশ সুপার সুবিমল পাল,উলুবেড়িয়া পৌরসভার পৌর প্রধান অভয়
কুমার দাস উপপৌরপ্রধান সেখ ইনামুর রহমান চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সেখ আকবর,উলুবেড়িয়া ১নং ব্লকের বিডিও এইচ এম রিয়াজুল হক প্রমুখ।এই মেলায় জেলার প্রতিটি ব্লক থেকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের তৈরি সম্ভার নিয়ে মোট ৮৬টি স্টল রয়েছে। সৃষ্টিশ্রী মেলা চলবে আগামী ১৮জানুয়ারী পর্যন্ত।
- ব্যাওতা ২ নং অঞ্চলের ধর্মতলা পাচুড়িয়া বারোয়ারী পঞ্চানন্দ শীতলা কালীপূজাতে শীত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে।1
- বন্দুক ও তাজা বোমা উদ্ধার করল তারকেশ্বর থানার পুলিশ। গ্রেপ্তার ১। #newsupdate #hooghly #Tarakeswar #tdbangla1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা বিধানসভার অযোধ্যাপুরে,তৃণমূল সরকারের অপশাসন,বেকারত্ব,দুর্নীতি,লুট,নারী নির্যাতন,আইন শৃঙ্খলা তলানিতে তারই প্রতিবাদে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভা। এদিন পরিবর্তন সংকল্প সভায় বিরোধী দলনেতার হাত থেকে গেরুয়া পতাকা তুলে নেন সবং বিধানসভার হেভি ওয়েট তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন জেলা সভাপতি অমল পন্ডা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তিনি সবং বিধানসভা সহ জেলা রাজনৈতিক পটচিত্রে শাসকদলের একদা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনের জেলার চেয়ারপারসন সহ জেলা ও সবং বিধানসভার সাংগঠনিক নেতৃত্ব সামলেছেন। ঘাসফুল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান এদিনের পরিবর্তন সভায় আগামী নির্বাচনে বড়ো প্রভাব ফেলবে আশা গেরুয়া শিবিরের। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর স্বভাব সিদ্ধ ভঙ্গিতেই রাজ্য সরকারকে একের পর এক তোপ দাগেন। বিরোধী দলনেতা বলেন,তৃণমূলের চোরেরা আজ ডেবরার সভায় আসার আগে তারা কালো পতাকা দেখাবে ঠিক করেছিল,আমিও প্রস্তুত করে এসেছিলাম,কিন্তু সামনে কাউকে দেখতে পায়নি।আর এপ্রিল মাসের পরে এই পরিবারবাদী তোষনবাদী চোরের দল সম্পূর্ণ নির্মূল হবে। আপনারা জানেন যে দেশের যশোশ্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমাদের ফুল বেঁধে দিয়েছেন ছাব্বিশের পরিবর্তনে জয়ের লক্ষ্য পরিবর্তনের সংকল্প।গোটা রাজ্যে ইতিমধ্যে শতাধিক সভা হয়েছে।ভারতীয় জনতা পার্টির 15 কুড়ি জন নেতৃত্ব সাংসদ বিধায়ক, রাজ্য সভাপতি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমরা জনতার দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে এই ধরনের বিধানসভা ভিত্তিক সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই বাংলার পরিবর্তনকে সুনিশ্চিত করার কাজ করছি এবং নরেন্দ্র মোদীকে বাংলা ফিরিয়ে দেব।।1
- Post by News Arambagh Town1
- গড়বেতার চন্দ্রকোনা রোডে রাত সাড়ে আটটা নাগাদ হঠাৎ করে শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলা চালায় তৃণমূল বলে অভিযোগ, পাল্টা পথ অবরোধ করল বিজেপি দোষীদের গ্রেফতারির দাবিতে পুলিশ বীট হাউসে অবস্থানে বিরোধী দলনেতা স্থানীয় সূত্রে খবর পুরুলিয়ার জনসভা সেরে ফেরার পথে পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা থানার চন্দ্রকোনা রোডের সাতবাঁকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিলা গ্রামের গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতিদের হামলার মুখে পড়েন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা ভিডিও জারি করে তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য ওখানে উপস্থিত ছিল বিজেপিও, সিআরপিএফ জওয়ান বিজেপি নেতা গৌতম কৌড়ীকে মারধর করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। গাড়ি থেকে নেমে তিনি সরাসরি এই ঘটনার জন্য শাসকদলকে দায়ী করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি চন্দ্রকোনা রোডের পুলিশ বিট হাউসে আশ্রয় নেন এবং সেখানেই অবস্থান বিক্ষোভে বসেন। শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়েছেন, “যতক্ষণ না পর্যন্ত এই হামলার সাথে যুক্ত অপরাধীদের গ্রেফতার করা হবে, ততক্ষণ আমার এই অবস্থান বিক্ষোভ চলবে।” ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিরোধী দলনেতার নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গেও হামলাকারীদের বচসা বাঁধে বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে দাবি করেন বিরোধী দলনেতা। যদিও শাসকদলের পক্ষ থেকে এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবিতে অনড় রয়েছেন বিরোধী দলনেতা। চন্দ্রকোনা রোড এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।1
- জেলার সব থানায় ফুটবলের জোয়ার, শুরু জেলা পুলিশের ‘জার্মান কাপ’1
- তপন মন্ডল এর উদ্যোগে পৌষ মেলা উপলক্ষে নিউ টাউন শাপূর্জিতে মেলাতে রক্তদান শিবির।1
- Post by News Arambagh Town1
- দাসপুর থানা এলাকায় পুলিশের উদ্যোগে ফুটবলের মহা যুদ্ধ। এলাকার সরকারি হাই স্কুলের অনূর্ধ্ব–১৭ ফুটবল টিম অংশগ্রহণ করছে এই খেলায়। দাসপুর সবুজ সংঘ ময়দান ও কলড়া ফুটবল ময়দানে এই খেলা শুরু হয়েছে ১০ জানুয়ারি শনিবার থেকে। দাসপুর থানার অধীন মোট কুড়িটি স্কুলের ফুটবল টিম এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এখান থেকে দুটি দল মহকুমাস্তরে অংশগ্রহণ করবে। সেখান থেকে জেলা স্তরে বাছাই করা ফুটবল খেলোয়াড়দের উন্নতমানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ওই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্কুলের এই প্রতিভাবান ফুটবল খেলোয়াড়রা ভবিষ্যতে একাধিক জায়গায় এবং বড় টুর্নামেন্টে খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে এবং দাসপুর থানার ব্যবস্থাপনায় এই খেলা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগ ও বিভিন্ন থানার সহযোগিতায় স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে এই ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ। এলাকার সাধারণ মানুষের বক্তব্য, পড়াশোনার পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসন যেভাবে খেলাধুলাকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে, তাতে আগামী দিনে খেলাধুলার মাধ্যমেও যে ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব, তা স্পষ্ট।1