হাওড়া জেলার পোদড়া ফেরিঘাটের আধুনিকীকরণের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে এবং এটি এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই নতুন ফেরিঘাটে যাত্রীদের জন্য আধুনিক জেটি, গ্যাংওয়ে, পন্টুন, সোলার আলো এবং বসার ব্যবস্থা সহ সমস্ত অত্যাধুনিক সুবিধা তৈরি করা হয়েছে। ফেরিঘাট নির্মাণের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার সংস্থা পাত্র শিপিং প্রাইভেট লিমিটেডের কর্ণধার হরেন পাত্র জানিয়েছেন যে, সরকারি নির্দেশ মেনেই সমস্ত নির্মাণ কাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে। পাত্র আরও বলেন যে এটি একটি অত্যাধুনিক ফেরিঘাট, যেখানে সম্পূর্ণ ঘাটে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই ফেরিঘাটে হাওড়া জেটিঘাটের আদলে একটি স্থায়ী সিমেন্টের জেটি নির্মাণ করা হয়েছে। এর বিশেষ নকশার কারণে গঙ্গার জলস্তর কমে গেলেও যাত্রীরা নীচের স্তর ব্যবহার করে সহজে লঞ্চে উঠতে পারবেন, এবং জলস্তর বৃদ্ধি পেলে উপরের স্তর ব্যবহার করা যাবে। এই অত্যাধুনিক পোদড়া ফেরিঘাট চালু হলে বহু মানুষ উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
হাওড়া জেলার পোদড়া ফেরিঘাটের আধুনিকীকরণের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে এবং এটি এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই নতুন ফেরিঘাটে যাত্রীদের জন্য আধুনিক জেটি, গ্যাংওয়ে, পন্টুন, সোলার আলো এবং বসার ব্যবস্থা সহ সমস্ত অত্যাধুনিক সুবিধা তৈরি করা হয়েছে। ফেরিঘাট নির্মাণের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার সংস্থা পাত্র শিপিং প্রাইভেট লিমিটেডের কর্ণধার হরেন পাত্র জানিয়েছেন যে, সরকারি নির্দেশ মেনেই সমস্ত নির্মাণ কাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে। পাত্র আরও বলেন যে এটি একটি অত্যাধুনিক ফেরিঘাট, যেখানে সম্পূর্ণ ঘাটে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই ফেরিঘাটে হাওড়া জেটিঘাটের আদলে একটি স্থায়ী সিমেন্টের জেটি নির্মাণ করা হয়েছে। এর বিশেষ নকশার কারণে গঙ্গার জলস্তর কমে গেলেও যাত্রীরা নীচের স্তর ব্যবহার করে সহজে লঞ্চে উঠতে পারবেন, এবং জলস্তর বৃদ্ধি পেলে উপরের স্তর ব্যবহার করা যাবে। এই অত্যাধুনিক পোদড়া ফেরিঘাট চালু হলে বহু মানুষ উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
- সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা সমাজের এক চরম অবক্ষয়ের চিত্র বারবার সামনে আনছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। দুদিন আগে এক অভিভাবক ছাত্রকে শাসন করার অপরাধে এক শিক্ষককে জেলে পাঠিয়েছেন। অন্যদিকে, এখন স্কুলে 'পশ্চিমবঙ্গ পালন' উপলক্ষে নাচ-গান চলতে দেখা যাচ্ছে। এই ধরনের ঘটনাগুলি দেখে সমাজের অবক্ষয়ের নগ্ন চেহারাটাই বারবার সামনে আসছে এবং এর জন্য কাকে দায়ী করা যায়, তা নিয়ে গভীর প্রশ্ন উঠেছে।1
- ত্বহা সিদ্দিকী শুভেন্দু সরকারের একটি ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। এই ঘোষণা অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতালের কাছে আর কোনো মদের দোকান থাকবে না।1
- খাতড়া জাতীয় যুব-রাজ কম্পিউটার একাডেমী একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছে যে তাদের মূল লক্ষ্য কেবল শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো নয়, বরং তাদের ভবিষ্যৎ গড়ার অঙ্গীকার পূরণ করা।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার বুদগে বুদগে ব্লক-১-এর নিশ্চিন্তাপুরে একটি প্রবুদ্ধ জনসভা এবং সাংগঠনিক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি গধূলি গার্ডেনে আয়োজিত হয়। জনসভায় দেবাংশু পান্ডা, অগ্নিশ্বর নস্কর এবং জেলা সভাপতি সোমা ঘোষ মহাশয় উপস্থিত ছিলেন।2
- শ্রীরামপুর পৌরসভার অন্তর্গত ১২ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে সময় মতো ময়লা-আবর্জনা অপসারণ না করায় ক্ষিপ্ত জনতা গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। দিনের পর দিন ও রাতের পর রাত ধরে ওই এলাকায় আবর্জনার স্তূপ জমে থাকছে। জনতা বারবার অভিযোগ জানালেও পৌরসভা থেকে ময়লা তুলে নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি এই বিষয়ে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিকে অবহিত করা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি।1
- ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী নিজেকে বীরেন্দ্র সেহওয়াগের মতো একজন 'স্লগ ওভারের খেলোয়াড়' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অন্যরা তাকে রাহুল দ্রাবিড়ের মতো ভেবেছিল, কিন্তু তিনি তাদের 'যোগ্য জবাব' দিয়েছেন। এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে, ব্যারাকপুর পৌরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের শঙ্খবনিক পাড়ায় যুবসংঘ ক্লাবের উদ্যোগে একটি দিবা-রাত্রির নকআউট ক্রিকেট প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।1
- রাত ঠিক বারোটার সময় রান্নাঘরের আলো নিভতেই দেওয়ালের ফাটল ও ওভেনের তলা থেকে বেরিয়ে এলেন ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’ (CJP)-র জাতীয় সভাপতি শ্রীযুক্ত ডানাঝাপটা লাহিড়ীর নেতৃত্বাধীন সদস্যরা। হাতে এক টুকরো পাঁউরুটি নিয়ে তিনি আমাদের বিশেষ প্রতিনিধির মুখোমুখি হন। এই রোমাঞ্চকর সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাঁদের দল যুগ যুগ ধরে শোষিত, বঞ্চিত এবং 'চটি-পেটা' খাওয়া এক দলিত সমাজ। তাঁদের আদর্শ অত্যন্ত পরিষ্কার—"রান্নাঘর আমাদের, রাতটাও আমাদের!" ডানাঝাপটা লাহিড়ী স্পষ্ট করেন যে তাঁদের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের তৈরি এই স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটানো। তাঁদের দাবি, রাত এগারোটার পর যখন মানুষ ঘুমিয়ে পড়বে, তখন পুরো বাড়িটার ওপর তাঁদের সার্বভৌম অধিকার থাকবে। তাঁদের 'জনমুখী' (থুড়ি, তেলাপোকামুখী) নির্বাচনী ইশতেহারে তিনটি প্রধান প্রতিশ্রুতির কথা বলা হয়েছে। প্রথমত, বাজার থেকে সব রকম রাসায়নিক অস্ত্র যেমন 'হিট' (HIT), 'ব্যাগন' (Baygon) এবং 'লক্ষণরেখা' চক অবিলম্বে নিষিদ্ধ করা হবে, যা তাঁদের মতে মানবতার খাতিরেই প্রয়োজনীয়। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি বাড়ির এঁটো বাসনের বেসিন এবং ডাস্টবিনকে 'জাতীয় ঐতিহ্য' ঘোষণা করা হবে, যাতে তেলাপোকা যুবসমাজ সেখানে নিশ্চিন্তে 'ফিস্টি' করতে পারে। তৃতীয়ত, 'কোটা সিস্টেম' চালু করে প্রতিটি আলমারির ড্রয়ার, পুরোনো বইয়ের তাক এবং সোফার নিচে তেলাপোকাদের জন্য ৫০% জায়গা সংরক্ষিত রাখা হবে, যেখানে কোনো ঝাড়ু চালানো যাবে না। শ্রীযুক্ত ডানাঝাপটা লাহিড়ী দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন, "আমরা যখন ডানা মেলে সোজা মানুষের মুখের দিকে ধেয়ে যাই, ওটা আমাদের আক্রমণ নয়, ওটা আমাদের 'উড়ন্ত শুভেচ্ছা'!" তাঁর দল ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’র সুপ্রিমো এই এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে হুঙ্কার দিয়ে জানান, "চটি পেটা করলেও আমরা উড়বই!"1
- দুর্গানগরের ঢালাই কারখানা রোডের বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, এই এলাকায় গাড়ি চালানো অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটিকে দুর্ঘটনার একটি বিশেষ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা চালকদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ।2