সিপিআইএমের ভোট প্রচার নয়, এ যেন একেবারে বিজয় মিছিলের আবহ! জলঙ্গি বিধানসভার ঝাউদিয়া এলাকায় আজ যা দেখা গেল, তা শুধুই প্রচার নয়—উৎসবের মতো এক জনসমুদ্র সিপিআইএমের ভোট প্রচার নয়, এ যেন একেবারে বিজয় মিছিলের আবহ! জলঙ্গি বিধানসভার ঝাউদিয়া এলাকায় আজ যা দেখা গেল, তা শুধুই প্রচার নয়—উৎসবের মতো এক জনসমুদ্র। মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে শয়ে শয়ে কর্মী-সমর্থকের ঢল নেমেছে রাস্তায়। ছোট থেকে বড়, তরুণ থেকে প্রবীণ—সব বয়সের মানুষ একসাথে পা মিলিয়ে অংশ নিলেন এই বিশাল মিছিলে। প্রার্থী ইউনুস সরকারকে সামনে রেখে গোটা এলাকা যেন লাল রঙে রঙিন হয়ে উঠল। গান-বাজনা, ঢাকের তালে তালে নাচ, আর মানুষের সঙ্গে সরাসরি আলাপচারিতার মধ্য দিয়ে এক অন্যরকম আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। গ্রামের প্রতিটি রাস্তা, প্রতিটি মোড়ে সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে এই মিছিলে যোগ দেন, কেউ হাত নেড়ে সমর্থন জানান, আবার কেউ সরাসরি প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলেন। সব মিলিয়ে আজকের এই প্রচার যেন স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—এ শুধু ভোটের লড়াই নয়, মানুষের আবেগ আর অংশগ্রহণে ভরপুর এক বড় আন্দোলন।
সিপিআইএমের ভোট প্রচার নয়, এ যেন একেবারে বিজয় মিছিলের আবহ! জলঙ্গি বিধানসভার ঝাউদিয়া এলাকায় আজ যা দেখা গেল, তা শুধুই প্রচার নয়—উৎসবের মতো এক জনসমুদ্র সিপিআইএমের ভোট প্রচার নয়, এ যেন একেবারে বিজয় মিছিলের আবহ! জলঙ্গি বিধানসভার ঝাউদিয়া এলাকায় আজ যা দেখা গেল, তা শুধুই প্রচার নয়—উৎসবের মতো এক জনসমুদ্র। মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে শয়ে শয়ে কর্মী-সমর্থকের ঢল নেমেছে রাস্তায়। ছোট থেকে বড়, তরুণ থেকে প্রবীণ—সব বয়সের মানুষ একসাথে পা মিলিয়ে অংশ নিলেন এই বিশাল মিছিলে। প্রার্থী ইউনুস সরকারকে সামনে রেখে গোটা এলাকা যেন লাল রঙে রঙিন হয়ে উঠল। গান-বাজনা, ঢাকের তালে তালে নাচ, আর মানুষের সঙ্গে সরাসরি আলাপচারিতার মধ্য দিয়ে এক অন্যরকম আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। গ্রামের প্রতিটি রাস্তা, প্রতিটি মোড়ে সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে এই মিছিলে যোগ দেন, কেউ হাত নেড়ে সমর্থন জানান, আবার কেউ সরাসরি প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলেন। সব মিলিয়ে আজকের এই প্রচার যেন স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—এ শুধু ভোটের লড়াই নয়, মানুষের আবেগ আর অংশগ্রহণে ভরপুর এক বড় আন্দোলন।
- জলঙ্গিতে শক্তির প্রদর্শন! ইয়ানুস আলী সরকারের সমর্থনে মেগা বাইক র্যালি কাঁপালো গোটা এলাকা 🔥 জলঙ্গি বিধানসভা জুড়ে শক্তি প্রদর্শনে নজির গড়ল সিপিআইএম! প্রার্থী ইয়ানুস আলী সরকার-এর সমর্থনে হাজার হাজার বাইক ও চারচাকা গাড়ি নিয়ে বিশাল মেগা র্যালি—চোখে পড়ার মতো জনজোয়ার 🚩 এই ঐতিহাসিক র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সিপিআইএম সম্পাদক মোঃ সেলিম, অভিনেতা বাদশা মৈত্র এবং আফরিন বেগম সহ একাধিক নেতৃত্ব। হরেকৃষ্ণপুর বাজার থেকে শুরু হয়ে ভাদুড়িয়া পাড়া, জলঙ্গী জোরতলা, ঘোষপাড়া, নরসিংহপুর, সাগরপাড়া, নটিয়াল, ধনিরামপুর ঘুরে শেষ হয় শেখপাড়ায়—পুরো পথজুড়ে জনসমর্থনের ঢল! 🚩 কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো 🚩 লাল পতাকায় রাঙা রাস্তা 🚩 একটাই স্লোগান— “জয় নিশ্চিত!” 💥 ভোটের আগে জলঙ্গিতে শক্তি দেখাল সিপিআইএম—এবার কি বদলের ইঙ্গিত?1
- বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জির সমর্থনে টলিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী বহরমপুরে করলেন রোড শো, ভাকুড়ি এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত একাধিক এলাকায় গোল্ডেন অভিনেত্রী। তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জির সমর্থনে প্রায় ২০০র বেশি বাইক মিছিল করে ভাকুড়ির একাধিক এলাকা পরিক্রমা করে। সাধারণ মানুষের উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল আর চোখে পড়ার মতন।2
- ছাগলের লাদি নিয়ে বিবাদ, মারধরে স্বামী-স্ত্রীর মাথা ফাটাল প্রতিবেশী—হরিহরপাড়ায় চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার স্বরূপপুর এলাকায় ছাগলের লাদি ছিটিয়ে নোংরা করা নিয়ে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল। অভিযোগ, এই ঘটনায় বেধড়ক মারধরের শিকার হয়ে মাথা ফাটে স্বামী-স্ত্রীর। আহতদের নাম আজাদ হোসেন আনসারী ও আমিনা বিবি। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিবেশী আক্রোমা বিবি বাড়ির সামনে ছাগলের লাদি ছিটিয়ে নোংরা করেন। তা পরিষ্কার করতে বলতেই প্রথমে বচসা, পরে মারধরে জড়িয়ে পড়েন আক্রোমা বিবি ও লাল মোহাম্মদ সেখ। অভিযোগ, পাইপ দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয় দম্পতিকে। স্থানীয়দের উদ্যোগে আহতদের উদ্ধার করে হরিহরপাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হরিহরপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আহতরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।2
- হুমায়ুন কবিরের প্রচারে বাধা পুলিশের, রেগে গিয়ে কাকে চড় মারতে গেলেন!1
- এটা নওদা থানার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের রাস্তা গত তিন বছর ধরে এই অবস্থায় আছে ! আমি সরকারের কাছে আবেদন জানাই আমাদের গ্রামের রাস্তা টা বানানোর জন্য1
- ৩০ বছর ধরে রাস্তায় এই ভাবেই আছে1
- সোমবারের পর মঙ্গলবারও বহরমপুরে তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জীর সমর্থনে রোড শো অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী। ভোটের আগে শেষ প্রচারে এদিন নাড়ুগোপাল মুখার্জী রোড শো এর মধ্যে দিয়ে বহরমপুর শহরে প্রচার করছেন। এদিন কুঞ্জঘাটা মোড় থেকে হুডখোলা গাড়িতে অভিনেত্রীকে সাথে নিয়ে প্রচার শুরু করেন নাড়ুগোপাল মুখার্জী। হুডখোলা গাড়িতে এই রোড শো চৌরাস্তা মোড়, কল্পনা মোড়, জলট্যাঙ্কি মোড়, গীর্জার মোড়, টেক্সস্টাইল মোড় সহ বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে। তৃণমূল প্রার্থীর প্রচারে অভিনেত্রীকে দেখতে ভির ছিল রাস্তার দুধারে।1
- সিপিআইএম থেকে ৬০টি পরিবার নিয়ামত শেখের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান। আবারো হরিহরপাড়ায় তৃণমূলের শক্তি বৃদ্ধি, মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভোটের আগে রাজনৈতিক সমীকরণে বড়সড় পরিবর্তন। সিপিআইএম ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন ৬০টি পরিবার। সোমবার সন্ধ্যায়, হরিহরপাড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জসীমউদ্দীন সেখ ও চোয়া অঞ্চল তৃণমূলের নেতৃত্বে এদিন হরিহরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নিয়ামত শেখের হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগ দেন তারা। জানা গেছে, চোয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চোয়া পাঠানপাড়া এলাকার দীর্ঘদিনের সিপিআইএম এর কর্মী হজরুদ্দিন খান সহ ৬০টি সিপিআইএম এর পরিবার তৃণমূল শিবিরে নাম লেখান। যোগদানকারীদের দাবি, তৃণমূলের উন্নয়নমূলক কাজ দেখে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখ বলেন, “প্রতিদিনই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে কর্মী-সমর্থকরা তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। এতে দলের সংগঠন আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং আসন্ন নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে।” ভোটের আগে এই যোগদানকে ঘিরে হরিহরপাড়ার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। এদিন উপস্থিত ছিলেন হরিহরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নিয়ামত শেখ, হরিহরপাড়া ব্লক তৃণমূল সভাপতি জসিমউদ্দিন শেখ, মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি মোশারফ হোসেন, চোয়া অঞ্চল তৃণমূল নেতৃত্বরা সহ আরো অনেকে। হরিহরপাড়া থেকে রাকিবুল ইসলামের রিপোর্ট এইচপি নিউজ বাংলা1