রাতের অন্ধকারে দেওয়াল লিখন, কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে শুরু রাজনৈতিক প্রস্তুতি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক প্রস্তুতি। রাতের নীরবতাকে সঙ্গী করেই তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী ও সমর্থকদের দেখা যাচ্ছে দেওয়াল লিখনে ব্যস্ত থাকতে। গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রান্তে দলীয় স্লোগান, উন্নয়নের বার্তা এবং রাজনৈতিক আহ্বান তুলে ধরা হচ্ছে দেওয়ালের ক্যানভাসে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত কয়েকদিন ধরেই রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় সক্রিয় হয়ে উঠছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা। রাস্তার ধারের দেওয়াল, মোড়ের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ও জনবহুল এলাকাগুলিকে বেছে নিয়ে সেখানে লেখা হচ্ছে দলীয় প্রচারের বার্তা। অনেক ক্ষেত্রেই গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে এই দেওয়াল লিখনের কাজ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেওয়াল লিখন বাংলার রাজনীতিতে বহুদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রচার মাধ্যম। গ্রাম থেকে শহর—সব জায়গাতেই রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দিতে এই পদ্ধতি এখনও সমানভাবে কার্যকর। কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতেও সেই চিত্রই ধরা পড়ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় কর্মীদের দাবি, মানুষের কাছে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের বার্তা পৌঁছে দিতেই এই প্রচার। অন্যদিকে বিরোধীদের একাংশের মতে, আগাম রাজনৈতিক প্রচারেরই অংশ হিসেবে শুরু হয়েছে এই দেওয়াল লিখন। সব মিলিয়ে কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রাতের অন্ধকারে দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে যে রাজনৈতিক আবহ তৈরি হচ্ছে, তা আগামী দিনে আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।
রাতের অন্ধকারে দেওয়াল লিখন, কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে শুরু রাজনৈতিক প্রস্তুতি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক প্রস্তুতি। রাতের নীরবতাকে সঙ্গী করেই তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী ও সমর্থকদের দেখা যাচ্ছে দেওয়াল লিখনে ব্যস্ত থাকতে। গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রান্তে দলীয় স্লোগান, উন্নয়নের বার্তা এবং রাজনৈতিক আহ্বান তুলে ধরা হচ্ছে দেওয়ালের ক্যানভাসে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত কয়েকদিন ধরেই রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় সক্রিয় হয়ে উঠছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা। রাস্তার ধারের দেওয়াল, মোড়ের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ও জনবহুল এলাকাগুলিকে বেছে নিয়ে সেখানে লেখা হচ্ছে দলীয় প্রচারের বার্তা। অনেক ক্ষেত্রেই গভীর রাত
পর্যন্ত চলেছে এই দেওয়াল লিখনের কাজ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেওয়াল লিখন বাংলার রাজনীতিতে বহুদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রচার মাধ্যম। গ্রাম থেকে শহর—সব জায়গাতেই রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দিতে এই পদ্ধতি এখনও সমানভাবে কার্যকর। কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতেও সেই চিত্রই ধরা পড়ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় কর্মীদের দাবি, মানুষের কাছে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের বার্তা পৌঁছে দিতেই এই প্রচার। অন্যদিকে বিরোধীদের একাংশের মতে, আগাম রাজনৈতিক প্রচারেরই অংশ হিসেবে শুরু হয়েছে এই দেওয়াল লিখন। সব মিলিয়ে কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রাতের অন্ধকারে দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে যে রাজনৈতিক আবহ তৈরি হচ্ছে, তা আগামী দিনে আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।
- মাসে ৩০ দিনের কাজসহ ৬০ বছরের স্থায়ীকরণের দাবিতে নবান্নের সামনে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের ও অসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তরের কর্মীদের মিছিল করা হয়। ২০১৯ সাল থেকে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগে এবং অসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তরের কর্মরত অস্থায়ী কর্মীরা মাসে ৩০ দিনের কাজ ও ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত কাজের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের জন্য লড়াই করছেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের দাবির কথা জানানোর জন্যে, নবান্ন, বিকাশভবনে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের উচ্চ-পদস্থ আধিকারিক, বিধানসভার স্পিকার, প্রাক্তন ও বর্তমান রাজ্যপাল সহ বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের দ্বারস্থ হয়েও ফল মেলেনি। তাই 10 মার্চ মিছিল করা হয়। ওয়েস্ট বেঙ্গল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স ফাইটার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে শিবপুর থানায় এবং হাওড়া কমিশনারের কাছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স ফাইটার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সম্পাদক প্রসেনজিৎ বসাক বলেন,কর্মীরা স্বীকৃতি সহ, পিএফ, পেনশন, ইএসআই'র দাবিতে এই মিছিল করা হচ্ছে ।1
- বুধবার গোবরডাঙ্গায় সংবাদমাধ্যমের সামনে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন পৌরপ্রধান শঙ্কর দত্ত!1
- হচ্ছে না খারাপ3
- এই তিনটে ছেলের বিয়ে হচ্ছে না কুলিক কেউ কি আছো? বিয়ে দেবার জন্য1
- ইসরাইলের গোয়েন্দা গুলো যারা গোপনে ইরানে বসে ড্রোন তৈরি করেছিল1
- মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বড়জোর কলকাতার রাস্তায় তিন মিনিটে গিয়েছে এয়ারপোর্ট থেকে বাম মহিলা ও অন্যান্য কর্মীদের কালো পত বিক্ষোভের মুখে পড়তে হলেও কমিশনারের সাংবিধানিক দায়িত্ব ভুলে রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করতে এ রাজ্যের ৬৮ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে ভোটার তালিকা থেকে কমিশনারকে জবাব দিতে হবে সবার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে নইলে ভোট ঘোষণা করা যাবে না1
- চুরি হলে রাস্তা প্রচন্ড খারাপ আলমপুরের ভেতরে কি জন্য হচ্ছে মেসেজ পাঠাচ্ছে1
- স্বপ্ন পূরণ: গোবরডাঙ্গা থেকে এবার সরাসরি দীঘায় এসি বাস পরিষেবা দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান। উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙ্গা থেকে এবার সরাসরি সমুদ্রের শহর দীঘায় চালু হলো এসি বাস পরিষেবা। আজ বুধবার গোবরডাঙ্গা পৌরসভার উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই নতুন বাস রুটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে পরিষেবার সূচনা করেন পৌরসভার চেয়ারম্যান শংকর দত্ত। উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর ইনচার্জ বাসুদেব কুন্ডু সহ অন্যান্য কাউন্সিলর এবং বাস মালিক বরুণ মজুমদার। এই নতুন পরিষেবা চালু হওয়ায় গোবরডাঙ্গা, হাবরা ও আশপাশের এলাকার মানুষের বহুদিনের যাতায়াতের সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। আগে দীঘা যেতে হলে বারাসাত বা কলকাতা পর্যন্ত গিয়ে বাস বদল করতে হতো। এখন সরাসরি বাসে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যাবে সমুদ্রের শহরে। গোবরডাঙ্গা থেকে বাসটি ছাড়বে প্রতিদিন রাত ৯টা ৩০ মিনিটে এবং দীঘা থেকে ফিরবে সকাল ১০টা ১০ মিনিটে। প্রায় ৬ ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছে যাবে বাসটি। রুটটি গোবরডাঙ্গা থেকে হাবরা, দত্তপুকুর, বারাসাত, এয়ারপোর্ট ২ নম্বর গেট হয়ে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে ধরে সরাসরি দীঘা পৌঁছাবে। যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাসে রয়েছে পুশব্যাক সিট, টিভি, ওয়াইফাই, সিসি ক্যামেরা, প্রতিটি সিটে মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট এবং প্রতিটি টিকিটের সঙ্গে বিনামূল্যে জলের বোতল। ভাড়া রাখা হয়েছে মাথাপিছু ৩০০ টাকা। গোবরডাঙ্গা, হাবরা ও মছলন্দপুর (নকুল মোড়) থেকে সরাসরি টিকিট পাওয়া যাবে। নতুন এই পরিষেবা চালু হওয়ায় পর্যটনপ্রেমীদের মধ্যে ইতিমধ্যেই দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ।3