ইন্দাসে লাউগ্রাম অঞ্চলে তৃণমূলের জোরদার প্রচার, কনকাবতী গ্রাম থেকে শুরু শ্যামলী রায় বাগদীর অভিযান ইন্দাস বিধানসভা কেন্দ্রের লাউগ্রাম অঞ্চলের কনকাবতী গ্রামে আজ জোরকদমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদি ইন্দাসে লাউগ্রাম অঞ্চলে তৃণমূলের জোরদার প্রচার, কনকাবতী গ্রাম থেকে শুরু শ্যামলী রায় বাগদীর অভিযান ইন্দাস বিধানসভা কেন্দ্রের লাউগ্রাম অঞ্চলের কনকাবতী গ্রামে আজ জোরকদমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদি। সকালে মা কনকাবতীর মন্দিরে পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। পূজা শেষে স্থানীয় মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে খোলা গাড়িতে চেপে গ্রামাঞ্চলে প্রচারে বেরিয়ে পড়েন প্রার্থী। এই প্রচার অভিযানে নজর কেড়েছে প্রায় ৪০০ বাইকের বিশাল র্যালি, যেখানে অংশ নেন তৃণমূল কংগ্রেস-এর কর্মী-সমর্থকরা। গোটা লাউগ্রাম অঞ্চল জুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়, যা প্রার্থীর পক্ষে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে এই লাউগ্রাম অঞ্চলকে ভারতীয় জনতা পার্টি-র শক্ত ঘাঁটি হিসেবেই ধরা হত। তবে এবারের চিত্র ভিন্ন বলে দাবি শ্যামলী রায় বাগদীর। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের যে উচ্ছ্বাস এবং কর্মীদের আবেগ আজ দেখা গেল, তাতে আমরা আশাবাদী যে এই অঞ্চলেও পরিবর্তন আসবে।” বর্তমান বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে সরব হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, গত কয়েক বছরে এলাকার উন্নয়নে তেমন কোনও কার্যকর কাজ হয়নি। তাঁর কথায়, “মানুষ উন্নয়ন চায়, কাজ চায়। সেই কারণে তারা এবার নতুন পথ বেছে নেবে।” তিনি আরও দাবি করেন, রাজ্যে তৃণমূল সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে মানুষ এবারও তৃণমূলকেই সমর্থন করবে। আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি বলেন, “আমরা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত, এই অঞ্চল এবার তৃণমূলের দখলে আসবে।”
ইন্দাসে লাউগ্রাম অঞ্চলে তৃণমূলের জোরদার প্রচার, কনকাবতী গ্রাম থেকে শুরু শ্যামলী রায় বাগদীর অভিযান ইন্দাস বিধানসভা কেন্দ্রের লাউগ্রাম অঞ্চলের কনকাবতী গ্রামে আজ জোরকদমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদি ইন্দাসে লাউগ্রাম অঞ্চলে তৃণমূলের জোরদার প্রচার, কনকাবতী গ্রাম থেকে শুরু শ্যামলী রায় বাগদীর অভিযান ইন্দাস বিধানসভা কেন্দ্রের লাউগ্রাম অঞ্চলের কনকাবতী গ্রামে আজ জোরকদমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদি। সকালে মা কনকাবতীর মন্দিরে পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। পূজা শেষে স্থানীয় মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে খোলা গাড়িতে চেপে গ্রামাঞ্চলে প্রচারে বেরিয়ে পড়েন প্রার্থী। এই প্রচার অভিযানে নজর কেড়েছে প্রায় ৪০০ বাইকের বিশাল র্যালি, যেখানে অংশ নেন তৃণমূল কংগ্রেস-এর কর্মী-সমর্থকরা। গোটা লাউগ্রাম অঞ্চল জুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়, যা
প্রার্থীর পক্ষে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে এই লাউগ্রাম অঞ্চলকে ভারতীয় জনতা পার্টি-র শক্ত ঘাঁটি হিসেবেই ধরা হত। তবে এবারের চিত্র ভিন্ন বলে দাবি শ্যামলী রায় বাগদীর। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের যে উচ্ছ্বাস এবং কর্মীদের আবেগ আজ দেখা গেল, তাতে আমরা আশাবাদী যে এই অঞ্চলেও পরিবর্তন আসবে।” বর্তমান বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে সরব হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, গত কয়েক বছরে এলাকার উন্নয়নে তেমন কোনও কার্যকর কাজ হয়নি। তাঁর কথায়, “মানুষ উন্নয়ন চায়, কাজ চায়। সেই কারণে তারা এবার নতুন পথ বেছে নেবে।” তিনি আরও দাবি করেন, রাজ্যে তৃণমূল সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে মানুষ এবারও তৃণমূলকেই সমর্থন করবে। আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি বলেন, “আমরা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত, এই অঞ্চল এবার তৃণমূলের দখলে আসবে।”
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- দুর্গাপুর আজ নিস্তব্ধ শোকের ভারে যেন থমকে গেছে সময়। মাত্র ১৫ বছরের এক স্বপ্নবাজ কিশোরকে হারানোর বেদনায় স্তব্ধ গোটা পাওয়ারলিফটিং পরিবার। অভিমন্যু চ্যাটার্জী ডাকনাম কৃষ্ণ, হাসিখুশি, প্রাণবন্ত, অদম্য ইচ্ছাশক্তির এক খুদে পাওয়ারলিফটার, যে খুব অল্প সময়েই নিজের কঠোর পরিশ্রম ও প্রতিভা দিয়ে জায়গা করে নিয়েছিল সবার হৃদয়ে। হঠাৎই নেমে আসে সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ২৫,০০০ ভোল্টের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতরভাবে আহত হয় সে। তারপর কয়েকদিন ধরে জীবন-মৃত্যুর লড়াই দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চলছিল তার চিকিৎসা। প্রতিটি মুহূর্ত কেটেছে প্রার্থনা, উৎকণ্ঠা আর আশায়। তবুও শেষরক্ষা হল না। ৭ই এপ্রিল, দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে নিঃশব্দেই থেমে গেল এক সম্ভাবনাময় জীবনের পথচলা। বুধবার দুপুর ১টায় দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে শেষবারের মতো প্রিয় অভিমন্যুকে বিদায় জানাতে ভিড় জমিয়েছেন খেলোয়াড়, বন্ধু ও অসংখ্য শুভানুধ্যায়ীরা। চোখে জল, মনে অবিশ্বাস চারদিকে যেন শুধু নীরবতা আর শোকের আবহ। অভিমন্যু শুধু একজন খেলোয়াড় ছিল না সে ছিল এক স্বপ্ন, এক অদম্য লড়াই, এক অমলিন অনুপ্রেরণা যে খুব অল্প বয়সেই শিখিয়ে গেল, স্বপ্ন দেখার আর লড়াই করার নামই জীবন1
- Post by User56541
- আপনাদের করজোড়ে অনুরোধ করছি সব ভুলে যান কিন্তু ১৯৫০ নম্বরটা মনে রাখুন। যেখানে যাই সমস্যা হোক না কেন একটিবার ফোন করুন সাথে সাথে হাজির হয়ে যাব। নির্বাচনের আগে পাড়ায় পাড়ায় পৌঁছে গিয়ে সাধারণ মানুষকে অভয় দিচ্ছেন ঘাটালের ঘাটাল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক মৃণাল কান্তি সিকদার।1
- রাজ্যে বেজে গিয়েছে নির্বাচনের দামামা। আগামী ২৩শে এপ্রিল থেকে শুরু হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে কোমর বেঁধে নামছে প্রশাসন।"1
- Post by সৈয়দ আব্বাস1
- 'এক জন বৈধ ভোটারকে বাদ দিয়ে ভোট হবেনা'- একথা বলার জন্য মমতা ব্যানার্জীকে সুপ্রিম কোর্টে দেখতে চাই', বললেন সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির প্রাক্তন সদস্য অমিয় পাত্র। বুধবার বাঁকুড়া শহরের রামপুর মনোহর তলা বাজারে দলের প্রার্থী অভয় মুখার্জীর সমর্থনে এক সভায় বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। একই সঙ্গে অমিয় পাত্র আরও বলেন, উনি আর যাবেননা, সেকারণেই আমার আপনার অধিকার রক্ষায় আমাদেরই লড়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, মানুষ পরিবর্তনের আশায় বাঁকুড়া সহ ৭৭ টি আসনে বিজেপিকে জিতিয়েছিল। কিন্থু কি পরিবর্তন হয়েছে সে নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অমিয় পাত্র। এদিন বিস্ফোরক দাবি করেন বর্ষীয়ান এই সিপিআইএম নেতা। তাঁর দাবি, 'চোরেদের দল তৃণমূল, চুরি করার সুযোগ না থাকলে ওই দলে কেউ থাকবেনা' বলেও তিনি দাবি করেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অমিয় পাত্র বলেন, এবারের নির্বাচন সম্পূর্ণ আলাদা। ২০১১ পর এবার প্রথম গ্রাম, গঞ্জ, শহর সর্বত্র জনসমর্থন বাড়ছে। মানুষ বলছেন তৃণমূলের হাত থেকে পরিত্রাণ চাই। মানুষের কথা শুনে যা মনে হচ্ছে এযাত্রায় তৃণমূল টিকবেনা বলেও তিনি দাবি করেন। বাঁকুড়া কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী অভয় মুখার্জীর দাবি, তৃণমূল বিজেপির সেটিং স্পষ্ট। তৃণমূল-বিজেপিকে ভোট দেবেননা। মাথা উঁচু করে বাঁচতে হলে বামপন্থীদের জয় যুক্ত করতে হবে বলে তিনি দাবি করেন।1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- রাঢ়বঙ্গের চারটি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি এবং কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী বীর ভূপেন্দ্র যাদব। বুধবার দুপুর সাড়ে বারোটায় দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের একটি বেসরকারি হোটেলে বুধবার সকাল থেকে চলে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। মূলত বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটাতে এই বৈঠক বলে সূত্রের খবর। বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি, বোলপুর সংগঠনিক জেলা সভাপতি, আসানসোল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য, বর্ধমান সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা। এই বৈঠকে যোগ দিতে এসে বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন,"রাঢ়বঙ্গের ছোট ছোট জেলা গুলিকে নিয়ে আলোচনা হয়। নানা রকমের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ হয়। রাঢ়বঙ্গের ৫৬ টা সিটে এবার তৃণমূলকে দূরবীন দিয়ে দেখতে হবে। মৃত ভোটারদের নাম বাদ গেছে। আর কিছু সাধারণ মানুষের নাম বাদ গেছে তারা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো অভিযোগ করুক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি করে জানলেন এক কোটি কোটি লক্ষ মানুষের নাম বাদ যাবে। পুরোটাই চক্রান্ত।1