আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্জ জিতে ঝাড়গ্রামে ফিরলেন প্রাক্তন বিধায়ক চুনিবালা ঝাড়গ্রাম: আন্তর্জাতিক স্তরে পদক জিতে বাড়ি ফিরলেন বিনপুরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রবীণ ক্রীড়াবিদ চুনিবালা হাঁসদা। ঝাড়গ্রাম শহরের বিদ্যাসাগর পল্লীর বাসভবনে ফিরতেই তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান তাঁর মন্ত্রী-কন্যা বিরবাহা হাঁসদা সহ পরিবারের সদস্যরা। ফুল দিয়ে সংবর্ধনা ও মিষ্টিমুখ করিয়ে তাঁর সাফল্য উদযাপন করা হয়। মায়ের হাতে পদক দেখে আবেগাপ্লুত হন মন্ত্রী-কন্যা। বাড়ি ফিরে চুনিবালা হাঁসদা বলেন, দেশের বাইরের একাধিক প্রতিযোগীর সঙ্গে খেলায় তৃতীয় স্থান অর্জন করতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। ভারতের হয়ে পদক জেতা তাঁর কাছে গর্বের বিষয়। বাড়িতে ফিরে সকলের ভালোবাসা ও অভ্যর্থনা পেয়ে তিনি আরও অনুপ্রাণিত হয়েছেন এবং যুব সমাজকে ক্রীড়াক্ষেত্রে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। মন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা বলেন, “আজকের দিনটি আমাদের পরিবারের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মা বিদেশের মাটি থেকে পদক নিয়ে ফিরেছে—এটা আমাদের কাছে বড় আনন্দের। তিনি যেন সুস্থ থাকেন এবং আগামীদিনে আরও পদক জিতে ঝাড়গ্রামের নাম উজ্জ্বল করেন।” উল্লেখ্য, বয়স যে কেবল একটি সংখ্যা—তার প্রমাণ আবারও দিলেন চুনিবালা হাঁসদা। পশ্চিম এশিয়ার একটি আন্তর্জাতিক প্রবীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় হাই জাম্পে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন তিনি। তাঁর আদি বাড়ি বিনপুরের আক্রো গ্রামে হলেও বর্তমানে তিনি ঝাড়গ্রাম শহরে পরিবারের সঙ্গে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের মাস্টার্স ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ইতিমধ্যেই বহু সোনা, রুপো ও ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন তিনি। সম্প্রতি দুবাইয়ের Zayed Sports City Stadium প্রাঙ্গণে আয়োজিত ওপেন মাস্টার্স গেমস ২০২৬ প্রতিযোগিতায় ৩০ বছর ঊর্ধ্ব বিভিন্ন দেশের প্রায় ২৫ হাজার প্রতিযোগী অংশ নেন। ৬৫ বছর ঊর্ধ্ব বিভাগে হাই জাম্পে অংশ নিয়ে চুনিবালা হাঁসদা তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। তাঁর এই সাফল্যে জেলার ক্রীড়ামহল ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্জ জিতে ঝাড়গ্রামে ফিরলেন প্রাক্তন বিধায়ক চুনিবালা ঝাড়গ্রাম: আন্তর্জাতিক স্তরে পদক জিতে বাড়ি ফিরলেন বিনপুরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রবীণ ক্রীড়াবিদ চুনিবালা হাঁসদা। ঝাড়গ্রাম শহরের বিদ্যাসাগর পল্লীর বাসভবনে ফিরতেই তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান তাঁর মন্ত্রী-কন্যা বিরবাহা হাঁসদা সহ পরিবারের সদস্যরা। ফুল দিয়ে সংবর্ধনা ও মিষ্টিমুখ করিয়ে তাঁর সাফল্য উদযাপন করা হয়। মায়ের হাতে পদক দেখে আবেগাপ্লুত হন মন্ত্রী-কন্যা। বাড়ি ফিরে চুনিবালা হাঁসদা বলেন, দেশের বাইরের একাধিক প্রতিযোগীর সঙ্গে খেলায় তৃতীয় স্থান অর্জন করতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। ভারতের হয়ে পদক জেতা তাঁর কাছে গর্বের বিষয়। বাড়িতে ফিরে সকলের ভালোবাসা ও অভ্যর্থনা পেয়ে তিনি আরও অনুপ্রাণিত হয়েছেন এবং যুব সমাজকে ক্রীড়াক্ষেত্রে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। মন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা বলেন, “আজকের দিনটি আমাদের পরিবারের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মা বিদেশের মাটি থেকে পদক নিয়ে ফিরেছে—এটা আমাদের কাছে
বড় আনন্দের। তিনি যেন সুস্থ থাকেন এবং আগামীদিনে আরও পদক জিতে ঝাড়গ্রামের নাম উজ্জ্বল করেন।” উল্লেখ্য, বয়স যে কেবল একটি সংখ্যা—তার প্রমাণ আবারও দিলেন চুনিবালা হাঁসদা। পশ্চিম এশিয়ার একটি আন্তর্জাতিক প্রবীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় হাই জাম্পে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন তিনি। তাঁর আদি বাড়ি বিনপুরের আক্রো গ্রামে হলেও বর্তমানে তিনি ঝাড়গ্রাম শহরে পরিবারের সঙ্গে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের মাস্টার্স ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ইতিমধ্যেই বহু সোনা, রুপো ও ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন তিনি। সম্প্রতি দুবাইয়ের Zayed Sports City Stadium প্রাঙ্গণে আয়োজিত ওপেন মাস্টার্স গেমস ২০২৬ প্রতিযোগিতায় ৩০ বছর ঊর্ধ্ব বিভিন্ন দেশের প্রায় ২৫ হাজার প্রতিযোগী অংশ নেন। ৬৫ বছর ঊর্ধ্ব বিভাগে হাই জাম্পে অংশ নিয়ে চুনিবালা হাঁসদা তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। তাঁর এই সাফল্যে জেলার ক্রীড়ামহল ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
- Post by ঝাড়গ্রাম আপডেট1
- জেলাশাসকের তহবিল থেকে নয়াগ্রাম ব্লকে ভালিয়াচাটি গ্রামে ৬০০ মিটার ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন করলেন বিডিও শান্তনু সরকার1
- পড়িহাটি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মিদের উপস্থিতিতে 2026 নির্বাচনে দেয়াল লেখন শুরু হয়ে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ জয় বাংলা4
- সরকারি উন্নয়নের দাবির আড়ালে শালবনী ব্লকের লোধা জনজাতি অধ্যুষিত গ্রামে ধরা পড়ছে অন্য ছবি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে আবাস যোজনা—একাধিক প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত গ্রামবাসীরা।1
- শালবনীর একটি পত্যন্ত গ্রাম বুড়িশোল। উন্নয়নের ছিটে ফোঁটা নেই এই গ্রামে। এলাকার মানুষ পাননি কোনো প্রকল্পের সুবিধা। পাননি লক্ষীর ভান্ডার, পাননি বাড়ি। আজ মঙ্গলবার বেলা প্রায় ৩ তে নাগাদ এলাকায় গিয়ে দেখা গেলো গ্রামের দুর্দশার ছবি। ক্ষোভ দেখালেন স্থানীয়রা। দাবি পূরণ না হলে ভোট দেবেন না বলে জানালেন গ্রামবাসিরা।1
- Post by Sangbad Medinipur1
- নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামে প্রতিদিনই ওঠানামা। সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের বাজেট ঠিক রাখতে বাজারদরের দিকে নজর রাখা এখন অত্যন্ত জরুরি। দেখে নিন আজ বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা সংলগ্ন এলাকায় বাজারে আলু, পেঁয়াজ, শাকসবজি, মাছ ও মাংসের আনুমানিক খুচরো দাম— সবজি বাজার আলু: ₹১৫–১৮ টাকা প্রতি কেজি পেঁয়াজ: ₹২০–২৫ টাকা প্রতি কেজি টমেটো: ₹২০–২৫ টাকা প্রতি কেজি বেগুন: ₹৩০–৫০ টাকা প্রতি কেজি ফুলকপি: ₹১০–২০ টাকা প্রতি পিস বাঁধাকপি: ₹১০–২০ টাকা প্রতি পিস শাকসবজি পালংশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি পুঁইশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি লালশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি শাক মিশ্র: ₹১৫–২০ টাকা প্রতি আঁটি মাছের বাজার রুই: ₹৩০০–৩৫০ টাকা প্রতি কেজি কাতলা: ₹২৫০–৩০০ টাকা প্রতি কেজি তেলাপিয়া: ₹২০০–২২০ টাকা প্রতি কেজি পাবদা: ₹৫৫০–৬৫০ টাকা প্রতি কেজি চিংড়ি (ছোট): ₹৪৫০–৫৫০ টাকা প্রতি কেজি মাংসের বাজার মুরগি (ব্রয়লার): ₹১৮০–২০০ টাকা প্রতি কেজি দেশি মুরগি: ₹৪০০–৪৫০ টাকা প্রতি কেজি খাসি মাংস: ₹৮০০–৮৫০ টাকা প্রতি কেজি বিশেষ দ্রষ্টব্য: এলাকা ও বাজারভেদে দামে কিছুটা তারতম্য হতে পারে।1
- ১৮ তারিখ গভীর রাতে মেদিনীপুর সদর ব্লকের পিরাকাটা রেঞ্জের অন্তর্গত রঞ্জা বিট এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটল। বুধবার রাত ১টা নাগাদ মুসনা গ্রামে মাঠের মাঝে থাকা একটি কুয়োর মধ্যে একটি হস্তিশাবক আচমকাই পড়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮ তারিখ রাত ১টা নাগাদ মা হাতির সাথে শাবকটি মাঠের ভেতর দিয়ে যাচ্ছিল। অন্ধকারের কারণে মাঠের মাঝখানে থাকা কুয়োর গভীরতা বুঝতে না পেরে বাচ্চা হাতিটি সরাসরি ভেতরে পড়ে যায়। শাবকটিকে বিপদে পড়তে দেখে মা হাতিটি কুয়োর চারপাশে চিৎকার শুরু করে এবং উদ্ধারের চেষ্টা চালায়, যা শুনে গ্রামবাসী ও বনদপ্তরের কর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান পিরাকাটা রেঞ্জ ও রঞ্জা বিটের বনকর্মীরা। তবে মা হাতিটি ঠিক কুয়োর পাশেই দাঁড়িয়ে থাকায় প্রাথমিক অবস্থায় উদ্ধারকাজ শুরু করা ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পরে অনেক কৌশলে মা হাতিটিকে কিছুটা দূরে সরিয়ে ভোররাত থেকে পুরোদমে উদ্ধার কাজ শুরু হয়।দীর্ঘ ৪ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস প্রচেষ্টার পর, ভোর ৫টা নাগাদ বনদপ্তর ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় শাবকটিকে সুস্থ অবস্থায় কুয়ো থেকে টেনে তোলা সম্ভব হয়।1