মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা থানায় আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আজহা এবং পরবর্তী উৎসবগুলো নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে একটি বিশেষ সর্বদলীয় সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। জাতি, ধর্ম ও সমস্ত রাজনৈতিক দলের উর্ধ্বে উঠে ফারাক্কার ঐতিহ্যবাহী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য এই সভা থেকে আহ্বান জানানো হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় ফারাক্কার বিধায়ক মোতাব সেখ, বিজেপি প্রার্থী সুনীল চৌধুরী, সিপিআইএম প্রার্থী মোজাফফর হোসেন, ফারাক্কা থানার আইসি অমিত মুখার্জি এবং ফারাক্কা এসডিপিও শেখ শামসুদ্দিন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কার্যকর্তা এবং স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও মৌলবীগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় পুলিশ ও ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোনো মাধ্যমে উৎসবকে কেন্দ্র করে উসকানিমূলক গুজব ছড়ালে প্রশাসন কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেবে। বিশেষ করে আজানের শব্দসীমা বা উৎসবের নিয়ম নিয়ে কোনো রকম বিভ্রান্তি না ছড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া, কোরবানির পর পশুর রক্ত ও বর্জ্য যত্রতত্র ছড়িয়ে না থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে এবং নদীর ঘাট ও সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জায়গাগুলো পরিষ্কার রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে। যুবসমাজকে ইন্টারনেট বা ফেসবুকে কোনো বিতর্কিত ছবি বা ভিডিও পোস্ট না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। ইমাম সাহেবদের অনুরোধ করা হয়েছে, তাঁরা যেন ঈদের খুতবায় এই সচেতনতামূলক বার্তা সকলের মধ্যে পৌঁছে দেন। ঈদের আনন্দে মেতে উঠে কম বয়সী ছেলেরা যাতে বেপরোয়াভাবে বাইক না চালায়, সে বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। সভায় উপস্থিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ একযোগে জানান যে ফারাক্কায় দীর্ঘদিন ধরে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে উৎসব পালন করে আসছেন। এই সম্প্রীতি বজায় রাখতে তাঁরা পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে সচেতনতা বাড়াবেন এবং প্রশাসনকে সব রকম সহযোগিতা করবেন।
মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা থানায় আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আজহা এবং পরবর্তী উৎসবগুলো নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে একটি বিশেষ সর্বদলীয় সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। জাতি, ধর্ম ও সমস্ত রাজনৈতিক দলের উর্ধ্বে উঠে ফারাক্কার ঐতিহ্যবাহী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য এই সভা থেকে আহ্বান জানানো হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় ফারাক্কার বিধায়ক মোতাব সেখ, বিজেপি প্রার্থী সুনীল চৌধুরী, সিপিআইএম প্রার্থী মোজাফফর হোসেন, ফারাক্কা থানার আইসি অমিত মুখার্জি এবং ফারাক্কা এসডিপিও শেখ শামসুদ্দিন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কার্যকর্তা এবং স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও মৌলবীগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় পুলিশ ও ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোনো মাধ্যমে উৎসবকে কেন্দ্র করে উসকানিমূলক গুজব ছড়ালে প্রশাসন কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেবে। বিশেষ করে আজানের শব্দসীমা বা উৎসবের নিয়ম নিয়ে কোনো রকম বিভ্রান্তি না ছড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া, কোরবানির পর পশুর রক্ত ও বর্জ্য যত্রতত্র ছড়িয়ে না থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে এবং নদীর ঘাট ও সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জায়গাগুলো পরিষ্কার রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে। যুবসমাজকে ইন্টারনেট বা ফেসবুকে কোনো বিতর্কিত ছবি বা ভিডিও পোস্ট না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। ইমাম সাহেবদের অনুরোধ করা হয়েছে, তাঁরা যেন ঈদের খুতবায় এই সচেতনতামূলক বার্তা সকলের মধ্যে পৌঁছে দেন। ঈদের আনন্দে মেতে উঠে কম বয়সী ছেলেরা যাতে বেপরোয়াভাবে বাইক না চালায়, সে বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। সভায় উপস্থিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ একযোগে জানান যে ফারাক্কায় দীর্ঘদিন ধরে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে উৎসব পালন করে আসছেন। এই সম্প্রীতি বজায় রাখতে তাঁরা পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে সচেতনতা বাড়াবেন এবং প্রশাসনকে সব রকম সহযোগিতা করবেন।
- মালদা জেলায় একটি হোল্ডিং সেন্টার চালু হয়েছে, যা ইংরেজবাজার শহরের চন্দনপার্কে অবস্থিত এবং এটি জেলার একমাত্র হোল্ডিং সেন্টার। এই কেন্দ্রে রবিবার ৯ জন চিহ্নিত বাংলাদেশী ব্যক্তিকে এনে রাখা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৩ জন মহিলা এবং ৬ জন নাবালক ও নাবালিকা রয়েছে। এদেরকে গাজোল থানার পান্ডুয়া এলাকা থেকে আনা হয়েছিল। এই হোল্ডিং সেন্টারটিকে কঠোর নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে এবং সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রের পরিচালনার জন্য ১২ জন পুলিশ সদস্য, ৩ জন সিভিল ডিফেন্স কর্মী, ৩ জন সিভিক ভলান্টিয়ার এবং রান্নার জন্য রাঁধুনি নিযুক্ত করা হয়েছে।2
- গাজোলে বিজেপির দ্বিতীয় বিজয় মিছিল এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মূর্তি উন্মোচন এক বিশেষ উৎসবে পরিণত হয়েছিল। এই আয়োজনের মাধ্যমে বিজেপি গাজোলে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করেছে।1
- মঙ্গলবার সকালে মুর্শিদাবাদের কান্দিতে প্রাক্তন কলকাতা পুলিশের ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতে আবারও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সুরক্ষা বেষ্টনীতে এদিন সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ ইডি কর্তারা সিল করা বাড়ির মূল দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। তাদের সঙ্গে আন্দুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মামনি রাজবংশী এবং তার স্বামী জগন্নাথ রাজবংশীও রয়েছেন। উল্লেখ্য, এই বাড়িতে শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ছাড়াও তার বোন কান্দি পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গৌরী সিনহা বিশ্বাস বসবাস করেন। এর আগে গত শুক্রবার সকালে ইডির একটি দল এই বাড়িতে হানা দিয়েছিল। দীর্ঘক্ষণ ধরে রাত পর্যন্ত তল্লাশি চালানোর পর আধিকারিকরা বাড়িটি সিল করে দিয়েছিলেন। মাত্র দুদিনের ব্যবধানে এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতে ইডির অভিযান চলল। আজ সকালে মূল গেটের পাশাপাশি বাড়ির পিছনের দিকে সিল করা গেটটিও খুলে দেন ইডি আধিকারিকরা। সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে গেলেও তারা এখনো বাড়ির ভেতরেই তল্লাশি চালাচ্ছেন। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে ফের তল্লাশি চালানোর কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।1
- দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে সরকারি জমিতে এক তৃণমূল নেতার অবৈধভাবে নির্মিত বাড়ি খালি করার কাজ শুরু হয়েছে। আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। অবৈধ নির্মাণ এবং দখলদারির অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা স্থানীয় স্তরে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের দৌলতাবাদের ছয়ঘড়ি এলাকার একটি বাঁশবাগান থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে সমগ্র এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের রায়গঞ্জের রূপাহারে সাপের ছোবলে এক বৃদ্ধ পুরোহিতের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত পুরোহিতের নাম রাজেন রায় (৭৬), যিনি কমলাবাড়ি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ঠুনঠুনি মোড় এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। জানা গেছে, রাজেন রায় রূপাহারের একটি মন্দিরে পুরোহিতের কাজ করতেন। অভিযোগ উঠেছে যে, সোমবার গভীর রাতে যখন তিনি ঘুমন্ত ছিলেন, তখন তাঁকে সাপে ছোবল দেয়। এই ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পদক্ষেপ নিলেও, প্রথমে তাঁকে একজন ওঝার কাছে নিয়ে যান, যার ফলে তাঁর চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ বিলম্ব ঘটে। অবশেষে তাঁকে রায়গঞ্জ মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হলে, কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনার পর মঙ্গলবার পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।1
- জ্যৈষ্ঠের তীব্র দাবদাহের কারণে ফরাক্কা ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পাম্প এবং জল সরবরাহ ব্যবস্থার বিপর্যয়ের ফলে ফরাক্কার বেশ কিছু অঞ্চলের সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে, গ্রামীণ এলাকার মানুষের জলের সমস্যা দ্রুত মেটানোর দাবিতে সোমবার ফরাক্কার নবনির্বাচিত জাতীয় কংগ্রেসের বিধায়ক মোতাব শেখ ফরাক্কা ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের (বিডিও) দ্বারস্থ হয়েছেন। এদিন বিধায়ক একটি প্রতিনিধি দলকে সঙ্গে নিয়ে ফরাক্কা বিডিও অফিসে পৌঁছান এবং ব্লক আধিকারিকের দপ্তরে দীর্ঘক্ষণ ধরে এলাকার জলসংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিধায়ক মোতাব শেখ বিডিও-র কাছে তুলে ধরেন যে ফরাক্কার কোন কোন পকেটে এই মুহূর্তে জলের সমস্যা সবচেয়ে বেশি এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরি (পিএইচই) দপ্তরের পাম্পের কী কী যান্ত্রিক ত্রুটি রয়েছে। আলোচনা চলাকালীন ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বিভিন্ন সরকারি স্কিমের বরাদ্দ টাকা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই খরচ করতে হয়, তবে জরুরি ভিত্তিতে জলের এই সমস্যা মেটাতে প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।1
- মালদা জেলায় একটি হোল্ডিং সেন্টার চালু হয়ে গেছে। ইংরেজবাজার শহরের চন্দনপার্ককে মালদা জেলার একমাত্র হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রবিবার, বাংলাদেশী হিসেবে চিহ্নিত ৯ জনকে এই সেন্টারে এনে রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ৩ জন মহিলা এবং ৬ জন নাবালক ও নাবালিকা রয়েছে। এদেরকে গাজোল থানার পান্ডুয়া এলাকা থেকে ধরে আনা হয়েছে। এই হোল্ডিং সেন্টারটিকে কঠোর নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে এবং সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এর কার্যপরিচালনার জন্য ১২ জন পুলিশ সদস্য, ৩ জন সিভিল ডিফেন্স কর্মী, ৩ জন সিভিক ভলান্টিয়ার এবং রান্নার কাজের জন্য রাঁধুনি নিযুক্ত করা হয়েছে।1
- তীব্র গরমের মধ্যে দামোদর নদীতে স্নান করতে নেমে এক পড়ুয়ার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে, আয়ুশ নামের ওই পড়ুয়া নদীতে ডুবে যায় এবং সে আর ফিরে আসেনি।1