গোলাম মোস্তফা আমার মনের মাঝে এ কোন ক্রন্দসী নিসিদিন বসি কাঁদিতেছে অবিশ্রাম? কোন বেদনায় থেকে থেকে হিয়া তার মুরছিয়া যায়? প্রকৃতির আঙ্গিনায় প্রতিদিন বাজে আগমনী ভেসে আসে জীবনের জয়-যাত্রা উৎসবের ধ্বনি, তারি মাঝে হায় সে শুধুই বিদায়ের অশ্রুগীতি গায়! চির দিবসের যেন ব্যথাতুরা কোন বিরহিণী মনের বিজন বনে বাজাইছে বেদনা-রাগিণী! উদয়-প্রাতের নব আলোকের পুলক-ঝঙ্কার তার প্রাণে করে নাকো আনন্দের মাধুরী-সঞ্চার। ব্যথাহত প্রাণে-- সে শুধুই চেয়ে থাকে ম্লান মৌ অস্তাচাল পানে! যা পাইয়াছি আর যাহা পাই নাই-- সবাই তাহার প্রাণে শুধু যেন হানে বেদনাই! দারা-পুত্র-পরিজন-যারা কাছে কাছে পল্লবের মত সদা ঘিরে রহিয়াছে তাহাদের প্রাণে প্রাণে দিয়ে শত প্রীতির বন্ধন কাছে টেনে নিতে যত প্রাণপণ করি আয়োজন, অমনি সে তার মাঝে অকস্মাৎ ফেলি অশ্রুজল অনাহুত বেদনায় ভরে দেয় মোর হিয়াতল! আধি-ব্যাধি-শোক-তাপ দু'দন্ডের আঁখির আড়াল পারে না সহিতে কারো। সংশয়ের জাল অমনি ঘনায়ে আসে! চঞ্চলিয়া উঠে সারা বুক- বুঝিবা হারায়ে ফেলে জীবনে সে পেয়েছে যেটুকু। শুনে যেন নাই নাই নাই শুধু যেন 'হারাই হারাই' এই ভয় প্রাণে তার জাগে অনুক্ষণ তাই সে উক্ষা! বাহিরের পরিপূর্ণ এই হাসি-উৎসবের মাঝে তার প্রাণে নিশিদিন অতৃপ্তির ব্যথা কেন বাজে না-হারানো পাওয়া কবে পাব সুমধুর? কবে মোর অন্তরের অশ্রু হবে দূর? ==========
গোলাম মোস্তফা আমার মনের মাঝে এ কোন ক্রন্দসী নিসিদিন বসি কাঁদিতেছে অবিশ্রাম? কোন বেদনায় থেকে থেকে হিয়া তার মুরছিয়া যায়? প্রকৃতির আঙ্গিনায় প্রতিদিন বাজে আগমনী ভেসে আসে জীবনের জয়-যাত্রা উৎসবের ধ্বনি, তারি মাঝে হায় সে শুধুই বিদায়ের অশ্রুগীতি গায়! চির দিবসের যেন ব্যথাতুরা কোন বিরহিণী মনের বিজন বনে বাজাইছে বেদনা-রাগিণী! উদয়-প্রাতের নব আলোকের পুলক-ঝঙ্কার তার প্রাণে করে নাকো আনন্দের মাধুরী-সঞ্চার। ব্যথাহত প্রাণে-- সে শুধুই চেয়ে থাকে ম্লান মৌ অস্তাচাল পানে! যা পাইয়াছি আর যাহা পাই নাই-- সবাই তাহার প্রাণে শুধু যেন হানে বেদনাই! দারা-পুত্র-পরিজন-যারা কাছে কাছে পল্লবের মত সদা ঘিরে রহিয়াছে তাহাদের প্রাণে প্রাণে দিয়ে শত প্রীতির বন্ধন কাছে টেনে নিতে যত প্রাণপণ করি আয়োজন, অমনি সে তার মাঝে অকস্মাৎ ফেলি অশ্রুজল অনাহুত বেদনায় ভরে দেয় মোর হিয়াতল! আধি-ব্যাধি-শোক-তাপ দু'দন্ডের আঁখির আড়াল পারে না সহিতে কারো। সংশয়ের জাল অমনি ঘনায়ে আসে! চঞ্চলিয়া উঠে সারা বুক- বুঝিবা হারায়ে ফেলে জীবনে সে পেয়েছে যেটুকু। শুনে যেন নাই নাই নাই শুধু যেন 'হারাই হারাই' এই ভয় প্রাণে তার জাগে অনুক্ষণ তাই সে উক্ষা! বাহিরের পরিপূর্ণ এই হাসি-উৎসবের মাঝে তার প্রাণে নিশিদিন অতৃপ্তির ব্যথা কেন বাজে না-হারানো পাওয়া কবে পাব সুমধুর? কবে মোর অন্তরের অশ্রু হবে দূর? ==========
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট এই সেতুটি ১২৫ বছরের পদার্পণ করলো, এরই পাশাপাশি এই সেতুর নতুন করে কাজের সূচনা তৈরি হবে বলে বহু মানুষের আশা,1
- নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামে প্রতিদিনই ওঠানামা। সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের বাজেট ঠিক রাখতে বাজারদরের দিকে নজর রাখা এখন অত্যন্ত জরুরি। দেখে নিন আজ বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা সংলগ্ন এলাকায় বাজারে আলু, পেঁয়াজ, শাকসবজি, মাছ ও মাংসের আনুমানিক খুচরো দাম— সবজি বাজার আলু: ₹১৫–১৮ টাকা প্রতি কেজি পেঁয়াজ: ₹২০–২৫ টাকা প্রতি কেজি টমেটো: ₹২০–২৫ টাকা প্রতি কেজি বেগুন: ₹৩০–৫০ টাকা প্রতি কেজি ফুলকপি: ₹১০–২০ টাকা প্রতি পিস বাঁধাকপি: ₹১০–২০ টাকা প্রতি পিস শাকসবজি পালংশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি পুঁইশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি লালশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি শাক মিশ্র: ₹১৫–২০ টাকা প্রতি আঁটি মাছের বাজার রুই: ₹৩০০–৩৫০ টাকা প্রতি কেজি কাতলা: ₹২৫০–৩০০ টাকা প্রতি কেজি তেলাপিয়া: ₹২০০–২২০ টাকা প্রতি কেজি পাবদা: ₹৫৫০–৬৫০ টাকা প্রতি কেজি চিংড়ি (ছোট): ₹৪৫০–৫৫০ টাকা প্রতি কেজি মাংসের বাজার মুরগি (ব্রয়লার): ₹১৮০–২০০ টাকা প্রতি কেজি দেশি মুরগি: ₹৪০০–৪৫০ টাকা প্রতি কেজি খাসি মাংস: ₹৮০০–৮৫০ টাকা প্রতি কেজি বিশেষ দ্রষ্টব্য: এলাকা ও বাজারভেদে দামে কিছুটা তারতম্য হতে পারে।1
- সরকারি উন্নয়নের দাবির আড়ালে শালবনী ব্লকের লোধা জনজাতি অধ্যুষিত গ্রামে ধরা পড়ছে অন্য ছবি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে আবাস যোজনা—একাধিক প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত গ্রামবাসীরা।1
- হাড়োয়ার সোনাপুকুর শঙ্করপুর অঞ্চল থেকে গু*/*লি ভর্তি বন্দুক সহ এক কুখ্যাত দুষ্কৃতী গ্রেফতার"" বাকিদের খোঁজে তল্লাশি পুলিসের1
- ঘাটালের নিমতলায় ট্রাফিক পুলিশের স্পেশাল চেকিং1
- শালবনীর একটি পত্যন্ত গ্রাম বুড়িশোল। উন্নয়নের ছিটে ফোঁটা নেই এই গ্রামে। এলাকার মানুষ পাননি কোনো প্রকল্পের সুবিধা। পাননি লক্ষীর ভান্ডার, পাননি বাড়ি। আজ মঙ্গলবার বেলা প্রায় ৩ তে নাগাদ এলাকায় গিয়ে দেখা গেলো গ্রামের দুর্দশার ছবি। ক্ষোভ দেখালেন স্থানীয়রা। দাবি পূরণ না হলে ভোট দেবেন না বলে জানালেন গ্রামবাসিরা।1
- ঘাটাল–পাঁশকুড়া রাজ্য সড়কে দাসপুরে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা1
- আজ বুধবার,আজকেও ১৬ ডিগ্রির ঘরেই সর্বনিম্ন। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ফের স্বাভাবিকের নিচে। রাতে ও সকালে হালকা শীতের অনুভূতি। দিনে শীতের আমেজ ক্রমশ কমছে। আগামী সপ্তাহে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮/১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে।1