পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নলহাটির পাইকপাড়ায় নামাজে সামিল গ্রামবাসী পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নলহাটির পাইকপাড়ায় নামাজে সামিল গ্রামবাসী এক মাসব্যাপী পবিত্র রমজান মাসের শেষে শনিবার খুশির ঈদ উদযাপনে মাতল গোটা দেশ। চিরাচরিত ধর্মীয় মর্যাদা ও ভক্তিভরে দেশজুড়ে পালিত হলো এই পবিত্র উৎসব। সকাল থেকেই ঈদের নামাজ আদায় করতে মসজিদ ও ঈদগাহে ভিড় জমায় মানুষ। নামাজ শেষে একে অপরকে আলিঙ্গন ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তোলে সকলেই। ঠিক একই চিত্র ধরা পড়ল বীরভূম জেলার নলহাটি থানার অন্তর্গত পাইকপাড়া গ্রামেও। এদিন সকাল আটটা নাগাদ পাইকপাড়া গ্রামের ঈদগাহ ময়দানে বিপুল সংখ্যক মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষ একত্রিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তাঁরা। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুধু পাইকপাড়াই নয়, সমগ্র ভারতজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা আনন্দ ও সম্প্রীতির আবহে এই উৎসব উদযাপন করছেন।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নলহাটির পাইকপাড়ায় নামাজে সামিল গ্রামবাসী পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নলহাটির পাইকপাড়ায় নামাজে সামিল গ্রামবাসী এক মাসব্যাপী পবিত্র রমজান মাসের শেষে শনিবার খুশির ঈদ উদযাপনে মাতল গোটা দেশ। চিরাচরিত ধর্মীয় মর্যাদা ও ভক্তিভরে দেশজুড়ে পালিত হলো এই পবিত্র উৎসব। সকাল থেকেই ঈদের নামাজ আদায় করতে মসজিদ ও ঈদগাহে ভিড় জমায় মানুষ। নামাজ শেষে একে অপরকে আলিঙ্গন ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তোলে সকলেই। ঠিক একই চিত্র ধরা পড়ল বীরভূম জেলার নলহাটি থানার অন্তর্গত পাইকপাড়া গ্রামেও। এদিন সকাল আটটা নাগাদ পাইকপাড়া গ্রামের ঈদগাহ ময়দানে বিপুল সংখ্যক মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষ একত্রিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তাঁরা। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুধু পাইকপাড়াই নয়, সমগ্র ভারতজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা আনন্দ ও সম্প্রীতির আবহে এই উৎসব উদযাপন করছেন।
- আগেরাস্তা পরে ভোট, এই নিয়ে বিক্ষোভ সাগরদীঘিতে। মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির বাড়ারা অঞ্চলের কুমতি থেকে হোসেনপুর বাড়ালা পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার রাস্তা বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে একাধিকবার বিধায়ক থেকে শুরু করে ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি । তাই 26 শে নির্বাচনের আগেই রাস্তার জন্য বিক্ষোভ এবং ভোট বয়কটের দাবি গ্রামবাসীর । তাদের দাবি এই রাস্তা যদি ভোটের আগে না হয় তাহলে আমরা ভোট বয়কট করতে বাধ্য হবো এছাড়া সাগরদিঘীতে উপনির্বাচনের পর স্থানীয় বিধায়ক কে এই অঞ্চলে দেখা যায়নি এমনটাই দাবি করছে গ্রামবাসীরা। এই রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হয় প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষকে ছোটখাটো দুর্ঘটনা প্রায় হতেই থাকে। রবিবার বিকেল বেলায় গ্রামবাসীরা মিলে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে এই রাস্তা নিয়ে তাদের একটাই মূল দাবি আগে রাস্তা পরে ভোট, এছাড়া আরো দাবি করেন এই রাস্তার জন্য আমরা ভোট বয়কট করতেও বাধ্য হবো।2
- Post by MALDA SANGBAD1
- পুরাতন মালদার উন্নয়ন করার জন্যই মুখ্যমন্ত্রী আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন। জিতলে মালদা বিধানসভা কেন্দ্রকে ঢেলে সাজাবো। প্রচারের ফাঁকে বললেন মালদা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ও মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ।1
- জোরকদমে ভোট প্রচার করলেন মালদার হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআইএম প্রার্থী বাসুদেব মুর্মু। এদিন বাম নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি হবিবপুর বিধানসভার অন্তর্গত বামনগোলা ব্লকের নালাগোলা বাসস্ট্যান্ড, বাজার ও হাট এলাকায় ব্যাপক প্রচার চালান। প্রচারের সময় সাধারণ মানুষের কাছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরে সমর্থন চান তিনি। পাশাপাশি বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআইএম প্রার্থী হিসেবে তাঁকে জয়ী করার আবেদন জানান বাসুদেব মুর্মু।1
- এই ভিডিওতে রাজ্যের নতুন একটি কর্মসংস্থান প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। এই স্কিমের মাধ্যমে যুবক-যুবতীদের জন্য কাজ ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এই প্রকল্প অনুযায়ী, একজন কর্মী যদি একটি কাজে ২০ দিন যুক্ত থাকেন, তাহলে তাকে অন্য একটি কাজে আরও ২০ দিনের জন্য কাজ দেওয়া হবে। এর ফলে নিয়মিত কাজের সুযোগ পাওয়া সহজ হবে। এছাড়াও, রাজ্যের প্রায় ৫০০টি কর্ম তীর্থ কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ১০ লক্ষ যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে দোকানের ব্যবস্থাও করা হবে, যাতে তারা নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা এবং শ্রমের মর্যাদা রক্ষা করা। 👉 এই ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক, শেয়ার ও সাবস্ক্রাইব করুন।1
- জঙ্গিপুরে এক লক্ষ টাকা কুড়িয়ে পেয়ে সততার পরিচয় দিলেন এক ট্রাফিক ওয়ার্ডেন সাবির শেখ।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে প্রশংসার ঝড় উঠেছে। জানা গেছে, এক ব্যবসায়ী তার মহাজনের কাছে টাকা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে প্রায় এক লক্ষ টাকা নিয়ে বেরিয়েছিলেন। সেই টাকা একটি কালো ক্যারিব্যাগে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু জঙ্গিপুরের একটি ব্রিজ পার হওয়ার সময় অসাবধানতাবশত তার পকেট থেকে ক্যারিব্যাগটি পড়ে যায়। বিষয়টি তিনি তখন বুঝতেই পারেননি এবং নিজের কাজে চলে যান। ঠিক সেই সময় ব্রিজের উপর দিয়ে ডিউটি করতে যাচ্ছিলেন এক ট্রাফিক ওয়ার্ডেন। হঠাৎ তার চোখে পড়ে ব্রিজের মাঝখানে পড়ে থাকা একটি কালো ক্যারিব্যাগ। সন্দেহ হওয়ায় তিনি গাড়ি থামিয়ে ব্যাগটি তুলে নেন এবং খুলে দেখতেই অবাক হয়ে যান। ব্যাগের ভিতরে ছিল ৫০০ টাকার নোটে ভর্তি প্রায় এক লক্ষ টাকা। ঘটনাটি বুঝতে পেরে তিনি এক মুহূর্ত দেরি না করে বিষয়টি জঙ্গিপুর ট্রাফিক পুলিশের অফিসারকে জানান। এরপর ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে তৎপরতা শুরু হয়। ডিউটিতে থাকা অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া হয় প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার জন্য। পুলিশের অনুসন্ধানে কিছু সময়ের মধ্যেই সেই ব্যবসায়ীর খোঁজ মেলে। পরে তিনি থানায় এসে যথাযথ প্রমাণ দেখিয়ে তার হারিয়ে যাওয়া এক লক্ষ টাকা ফেরত পান। নিজের হারানো টাকা ফিরে পেয়ে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ট্রাফিক ওয়ার্ডেন এবং ট্রাফিক পুলিশের প্রতি। এই ঘটনার পর ট্রাফিক পুলিশের সততা ও মানবিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন রঘুনাথগঞ্জ ব্যবসায়িক সমিতির সদস্য জনি শেখ। তিনি বলেন, পুলিশের এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজের কাছে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। স্থানীয় বাসিন্দারাও ট্রাফিক ওয়ার্ডেনের এই সততা ও দায়িত্ববোধের প্রশংসা করেছেন। অনেকেই বলেছেন, পুলিশের এমন মানবিক কাজ প্রমাণ করে যে সততা ও কর্তব্যবোধ এখনও সমাজে বেঁচে আছে। এই ঘটনা আবারও মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা বাড়িয়ে দিয়েছে।2
- Post by MALDA SANGBAD1
- মালদা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী লিপিকা বর্মন ঘোষ কে বেনজির আক্রমণ বিজেপি প্রার্থী গোপাল চন্দ্র সাহার।1
- আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে মালদা জেলা এসসি ও ওবিসি তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হল রবিবার। হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচন্ডী এলাকায় আয়োজিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি মনোজ রাম, ব্লক সভাপতি মিঠুন সরকার, জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক হেমন্ত শর্মা সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। এদিন সভা শুরুর আগে নবনিযুক্ত সাংগঠনিক পদাধিকারীদের সংবর্ধনা জানানো হয়। এরপর শুরু হয় মূল কর্মসূচি। সভায় আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় রণকৌশল নির্ধারণ করা হয় এবং কর্মীদের আরও সক্রিয় ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান নেতৃত্ব। তৃণমূল নেতৃত্ব জানান, সংগঠনকে মজবুত করে প্রতিটি বুথে শক্তিশালী উপস্থিতি গড়ে তোলাই এখন প্রধান লক্ষ্য। একইসঙ্গে কর্মীদের উজ্জীবিত করে নির্বাচনে ভালো ফল করার বার্তাও দেওয়া হয় সভা থেকে।2