ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারদের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপি বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর গোবরডাঙ্গা স্টেশন চত্বরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক দোকান। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের সঙ্গে দেখা করলেন গাইঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক Subrata Thakur। দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে তাদের ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নেন তিনি। বিধায়ক জানান, গোবরডাঙ্গা এলাকায় এমন ভয়াবহ ঘটনা তিনি আগে কখনও দেখেননি। স্টেশন চত্বরে আগুন লাগার ঘটনায় পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে ঠিক কীভাবে আগুন লাগল, সেই কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও রয়েছে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের দাবি উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর বলেন, এই বিপদের সময় তিনি দোকান মালিকদের পাশে থাকবেন এবং প্রয়োজনীয় সাহায্যের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবেন। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এবং দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব ও সহায়তার দাবি জানাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারদের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপি বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর গোবরডাঙ্গা স্টেশন চত্বরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক দোকান। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের সঙ্গে দেখা করলেন গাইঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক Subrata Thakur। দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে তাদের ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নেন
তিনি। বিধায়ক জানান, গোবরডাঙ্গা এলাকায় এমন ভয়াবহ ঘটনা তিনি আগে কখনও দেখেননি। স্টেশন চত্বরে আগুন লাগার ঘটনায় পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে ঠিক কীভাবে আগুন লাগল, সেই কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও রয়েছে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ
জানতে তদন্তের দাবি উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর বলেন, এই বিপদের সময় তিনি দোকান মালিকদের পাশে থাকবেন এবং প্রয়োজনীয় সাহায্যের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবেন। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এবং দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব ও সহায়তার দাবি জানাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
- Post by MR KOUSHIK DEBNATH1
- উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙ্গা শহরের এক পুরনো স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল নতুন করে আতঙ্কের ছায়া নিয়ে। সালটা সম্ভবত ১৯৯৫ কিংবা ১৯৯৬—ঠিক এমনই এক ফেব্রুয়ারি বা মার্চের সকাল। সেই সময় গোবরডাঙ্গার একই গলিতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল একাধিক দোকান। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল ধ্বংসস্তূপ আর অসহায় মানুষের আর্তনাদ। প্রায় তিরিশ বছর কেটে গেছে। কিন্তু সেই ভয়াবহ স্মৃতিকে যেন আবারও মনে করিয়ে দিল সাম্প্রতিক এই অগ্নিকাণ্ড। সকালের নীরবতা ভেঙে হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে আগুন লাগার খবর। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। স্থানীয়দের কথায়, আগুন এতটাই দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল যে বেশ কয়েকটি দোকান মুহূর্তের মধ্যেই দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে। আগুনের লেলিহান শিখা আর ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। খবর পেয়ে সকাল সকাল অনেকেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান। চারদিকে তখন শুধু ধোঁয়া, পোড়া গন্ধ আর পুড়ে যাওয়া দোকানের ধ্বংসাবশেষ। যাদের জীবিকা ছিল এই ছোট ছোট দোকানগুলো, তাদের চোখে তখন শুধু অসহায়তা আর হতাশা। স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, সকালবেলায় আগুন লাগায় বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। যদি একই ঘটনা গভীর রাতে ঘটত, তাহলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও ভয়াবহ হতে পারত। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকটি দোকানের পিছনে বড় অংশ জুড়ে প্লাস্টিকের স্তূপ জমা ছিল। যদি আগুন সেই প্লাস্টিকের স্তূপে পৌঁছে যেত, তাহলে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারত বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। আগুনের তীব্রতা তখন কয়েকগুণ বেড়ে যেত—যার পরিণতি কী হতে পারত, তা ভেবেই অনেকের বুক কেঁপে উঠছে। বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে গোবরডাঙ্গা থানার পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা। কীভাবে এই আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল—এক মুহূর্তের আগুন কত মানুষের বছরের পর বছর গড়ে তোলা স্বপ্নকে মুহূর্তে ছাই করে দিতে পারে। গোবরডাঙ্গার মানুষ আজও সেই পুরনো আগুনের স্মৃতি ভুলতে পারেনি। আর ত্রিশ বছর পর ফের একই জায়গায় আগুনের এই তাণ্ডব যেন নতুন করে সেই দুঃস্বপ্নকেই ফিরিয়ে দিলো।1
- এসআইআর-এ নাম বাদ ও ‘বিবেচনাধীন’ নিয়ে ক্ষোভ, গোবরডাঙ্গার নকপুল মোড়ে গ্রামবাসীদের রাস্তা অবরোধ। প্রায় ঘন্টাখানেক অবরোধের পর পুলিশি আশ্বাসে অবরোধকারীরা অবরোধ তুলে নেয়।1
- হুগলি জেলা পুনে ইজতেমা INDIA 🇮🇳🫂🥰🥰4
- দেগঙ্গা থেকে সারাদিন রোজা রেখে একটু ফল কেনার দরকার ৪০০ টাকা ৫০০ টাকা ইনকাম করে ফল কিনলে আর বাজার হয় না বাজার করলে আর ফল কেনা হয় না | মাওলানা সাদ্দাম হোসেন । সঠিক কথা বলেছ। ফলের দাম কোনা জন্য চিঠি করেছেন পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী ও অধীর রঞ্জন1
- চায়না এবার ইরানের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন আমেরিকার ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে1
- বিনীত নিবেদন এই যে, হরিংঘাটা ব্লকের অন্তর্গত ফতেপুর পঞ্চায়েত এলাকার গৌড়বঙ্গ রোডটির অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত খারাপ হয়ে পড়েছে। এই রাস্তা দিয়ে মোবারকপুর ও পাঁচ কাউনিয়া সহ আশেপাশের গ্রামের বহু মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় গর্ত ও ভাঙাচোরা থাকায় সাধারণ মানুষ এবং যানবাহনের চলাচলে মারাত্মক অসুবিধা হচ্ছে। অতএব, আপনাদের নিকট বিনীত অনুরোধ যে, সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে অনুগ্রহ করে দ্রুত এই রাস্তাটি মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।1
- শিয়ালদহ–বনগাঁ শাখার গোবরডাঙ্গা স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম সংলগ্ন রেল বাজারে হঠাৎই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল এলাকাজুড়ে। আগুনের লেলিহান শিখায় মুহূর্তের মধ্যেই পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায় বাজারের একাধিক দোকান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় গোবরডাঙ্গা স্টেশন চত্বরে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎই বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের শিখা দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের একাধিক দোকানে। বাজার এলাকায় দাহ্য সামগ্রী থাকার কারণে আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। আগুনের লেলিহান শিখা এবং ঘন ধোঁয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় মানুষজন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের চারটি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা প্রায় দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান। তাদের প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, যদিও ততক্ষণে বেশ কয়েকটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে শর্ট সার্কিটের কারণেই এই আগুন লাগতে পারে, তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। দমকল এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। বহু দোকানদারের জীবিকার প্রধান অবলম্বন ছিল এই দোকানগুলি। আগুনে সমস্ত মালপত্র পুড়ে যাওয়ায় তারা চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়েছেন। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বাজার এলাকায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ঘাটতি এবং বৈদ্যুতিক লাইনের অব্যবস্থাপনার কারণেই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে বারবার। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোবরডাঙ্গা স্টেশন চত্বরে এখনও আতঙ্কের পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। #LocalNews1