আনন্দময়ী ওগো আমার ছোট্র কচি প্রিয়া! চিত্ত-ভরা বিত্ত তোমার- স্নিগ্ধ-মধুর হিয়া। মূর্ত্তিমতী স্ফূর্ত্তি তুমি আনন্দ যায় চরণ চুমি তোমায় আমি চিনিনি ক' আঁখির আলো দিয়া সাধন-পথের পথিক আমি, চলেছি পথ বেয়ে চিত্ত মম শুদ্ধ করি আলোক-ধারায় নেয়ে। শুনি কত গভীর বাণী, নিত্য নতুন তথ্য আনি, পুলক লাগে লক্ষ কবির হিয়ার পরশ পেয়ে। ভেবেছিলাম তোমার মাঝে প্রাণের দোসর নাই, আমার লাগি আমার মতই আলোর মানুষ চাই, জ্ঞান-গরিমা নাইক যেথায় আনন্দ কি মিলবে সেথায়! জঙ্গলী মেয়ের জঙ্গলী বুলি-মূল্য তাহার ছাই! আজকে দেখি ভুল সে কথা-ভুল সে যে বিলকুল, আনন্দ নাই বিশ্বে কোথাও তোমার সমতুল! তোমার মুখের কথার মাঝে বীণাপাণির আলাপ বাজে, আনন্দ সে তোমায় নিয়েই আনন্দে মশগুল! তোমার চোখের একটুখানি দৃষ্টি-আলোক-পাত সৃষ্টি করে আমার মাঝে বেহেশতী সওগাত! একটু হাসি, একটু কথা, দুষ্টুমি আর প্রগলবতা নিবিড় নীরব আনন্দ দেয় অন্তরে দিন-রাত! অর্থ-বিহীন তুচ্ছ যাহা তাহাও ভালো লাগে! দুই অধরের কুজন-বাণী নবীন অনুরাগে, কোথায় 'শেলী' 'সেক্ষপিয়ার' ভাল লাগে তাদের কি আর, তোমার মুখের অফুট ভাষায় সব কবিতাই জাগে। জ্ঞান-গরিমার আড়ালে সেই সহজ সরল প্রাণ লুকিয়েছিল, তাহারে আজ পেয়েছি সন্ধান! সমভুমির সেই সেখানে মিলেছে আজ প্রাণে প্রাণে! বয়সের আর জ্ঞানের গরব হেথায় অবসান। ==========
আনন্দময়ী ওগো আমার ছোট্র কচি প্রিয়া! চিত্ত-ভরা বিত্ত তোমার- স্নিগ্ধ-মধুর হিয়া। মূর্ত্তিমতী স্ফূর্ত্তি তুমি আনন্দ যায় চরণ চুমি তোমায় আমি চিনিনি ক' আঁখির আলো দিয়া সাধন-পথের পথিক আমি, চলেছি পথ বেয়ে চিত্ত মম শুদ্ধ করি আলোক-ধারায় নেয়ে। শুনি কত গভীর বাণী, নিত্য নতুন তথ্য আনি, পুলক লাগে লক্ষ কবির হিয়ার পরশ পেয়ে। ভেবেছিলাম তোমার মাঝে প্রাণের দোসর নাই, আমার লাগি আমার মতই আলোর মানুষ চাই, জ্ঞান-গরিমা নাইক যেথায় আনন্দ কি মিলবে সেথায়! জঙ্গলী মেয়ের জঙ্গলী বুলি-মূল্য তাহার ছাই! আজকে দেখি ভুল সে কথা-ভুল সে যে বিলকুল, আনন্দ নাই বিশ্বে কোথাও তোমার সমতুল! তোমার মুখের কথার মাঝে বীণাপাণির আলাপ বাজে, আনন্দ সে তোমায় নিয়েই আনন্দে মশগুল! তোমার চোখের একটুখানি দৃষ্টি-আলোক-পাত সৃষ্টি করে আমার মাঝে বেহেশতী সওগাত! একটু হাসি, একটু কথা, দুষ্টুমি আর প্রগলবতা নিবিড় নীরব আনন্দ দেয় অন্তরে দিন-রাত! অর্থ-বিহীন তুচ্ছ যাহা তাহাও ভালো লাগে! দুই অধরের কুজন-বাণী নবীন অনুরাগে, কোথায় 'শেলী' 'সেক্ষপিয়ার' ভাল লাগে তাদের কি আর, তোমার মুখের অফুট ভাষায় সব কবিতাই জাগে। জ্ঞান-গরিমার আড়ালে সেই সহজ সরল প্রাণ লুকিয়েছিল, তাহারে আজ পেয়েছি সন্ধান! সমভুমির সেই সেখানে মিলেছে আজ প্রাণে প্রাণে! বয়সের আর জ্ঞানের গরব হেথায় অবসান। ==========
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট এই সেতুটি ১২৫ বছরের পদার্পণ করলো, এরই পাশাপাশি এই সেতুর নতুন করে কাজের সূচনা তৈরি হবে বলে বহু মানুষের আশা,1
- নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামে প্রতিদিনই ওঠানামা। সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের বাজেট ঠিক রাখতে বাজারদরের দিকে নজর রাখা এখন অত্যন্ত জরুরি। দেখে নিন আজ বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা সংলগ্ন এলাকায় বাজারে আলু, পেঁয়াজ, শাকসবজি, মাছ ও মাংসের আনুমানিক খুচরো দাম— সবজি বাজার আলু: ₹১৫–১৮ টাকা প্রতি কেজি পেঁয়াজ: ₹২০–২৫ টাকা প্রতি কেজি টমেটো: ₹২০–২৫ টাকা প্রতি কেজি বেগুন: ₹৩০–৫০ টাকা প্রতি কেজি ফুলকপি: ₹১০–২০ টাকা প্রতি পিস বাঁধাকপি: ₹১০–২০ টাকা প্রতি পিস শাকসবজি পালংশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি পুঁইশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি লালশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি শাক মিশ্র: ₹১৫–২০ টাকা প্রতি আঁটি মাছের বাজার রুই: ₹৩০০–৩৫০ টাকা প্রতি কেজি কাতলা: ₹২৫০–৩০০ টাকা প্রতি কেজি তেলাপিয়া: ₹২০০–২২০ টাকা প্রতি কেজি পাবদা: ₹৫৫০–৬৫০ টাকা প্রতি কেজি চিংড়ি (ছোট): ₹৪৫০–৫৫০ টাকা প্রতি কেজি মাংসের বাজার মুরগি (ব্রয়লার): ₹১৮০–২০০ টাকা প্রতি কেজি দেশি মুরগি: ₹৪০০–৪৫০ টাকা প্রতি কেজি খাসি মাংস: ₹৮০০–৮৫০ টাকা প্রতি কেজি বিশেষ দ্রষ্টব্য: এলাকা ও বাজারভেদে দামে কিছুটা তারতম্য হতে পারে।1
- সরকারি উন্নয়নের দাবির আড়ালে শালবনী ব্লকের লোধা জনজাতি অধ্যুষিত গ্রামে ধরা পড়ছে অন্য ছবি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে আবাস যোজনা—একাধিক প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত গ্রামবাসীরা।1
- হাড়োয়ার সোনাপুকুর শঙ্করপুর অঞ্চল থেকে গু*/*লি ভর্তি বন্দুক সহ এক কুখ্যাত দুষ্কৃতী গ্রেফতার"" বাকিদের খোঁজে তল্লাশি পুলিসের1
- ঘাটালের নিমতলায় ট্রাফিক পুলিশের স্পেশাল চেকিং1
- শালবনীর একটি পত্যন্ত গ্রাম বুড়িশোল। উন্নয়নের ছিটে ফোঁটা নেই এই গ্রামে। এলাকার মানুষ পাননি কোনো প্রকল্পের সুবিধা। পাননি লক্ষীর ভান্ডার, পাননি বাড়ি। আজ মঙ্গলবার বেলা প্রায় ৩ তে নাগাদ এলাকায় গিয়ে দেখা গেলো গ্রামের দুর্দশার ছবি। ক্ষোভ দেখালেন স্থানীয়রা। দাবি পূরণ না হলে ভোট দেবেন না বলে জানালেন গ্রামবাসিরা।1
- ঘাটাল–পাঁশকুড়া রাজ্য সড়কে দাসপুরে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা1
- আজ বুধবার,আজকেও ১৬ ডিগ্রির ঘরেই সর্বনিম্ন। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ফের স্বাভাবিকের নিচে। রাতে ও সকালে হালকা শীতের অনুভূতি। দিনে শীতের আমেজ ক্রমশ কমছে। আগামী সপ্তাহে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮/১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে।1