মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা ‘প্যাড ওমেন’ প্রীতি মিঞ্জ, আবারও আনন্দবাজার ‘কুর্নিশ’-এ সম্মানিত জলপাইগুড়ি জেলার মাল ব্লকের ওদলাবাড়ি পাওয়ার হাউস এলাকার এক সাধারণ মেয়ে আজ সমাজের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম—প্রীতি মিঞ্জ। সীমিত সামর্থ্য, অসংখ্য বাধা এবং সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই করেই তিনি গড়ে তুলেছেন নিজের আলাদা পরিচয়। আর সেই নিরলস সমাজসেবার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি আবারও সম্মানিত হলেন আনন্দবাজার পত্রিকার ‘কুর্নিশ’ মঞ্চে। ‘প্যাড ওমেন’ নামে পরিচিত প্রীতি মিঞ্জ দীর্ঘদিন ধরে নারীস্বাস্থ্য ও ঋতুস্রাব সংক্রান্ত সচেতনতা নিয়ে কাজ করে চলেছেন। গ্রামের পর গ্রাম ঘুরে মহিলাদের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া, স্বল্পমূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন পৌঁছে দেওয়া এবং কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই—এই সবকিছুই তাঁর প্রতিদিনের কাজের অংশ। সমাজের এমন এক বিষয় নিয়ে তিনি কাজ করছেন, যা এখনও অনেক ক্ষেত্রে লজ্জা ও অজ্ঞতার আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকে। একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে হয়েও এই পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। আর্থিক সীমাবদ্ধতা থেকে শুরু করে সামাজিক বাধা—সবকিছুকেই উপেক্ষা করে নিজের লক্ষ্যেই অবিচল থেকেছেন তিনি। তাঁর এই সাহসিকতা ও একাগ্রতাই তাঁকে আজকের এই সাফল্যের জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। আনন্দবাজারের ‘কুর্নিশ’ সম্মান প্রাপ্তির এই মুহূর্ত শুধুমাত্র তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি একটি বার্তা—সমাজের জন্য কাজ করলে, মানুষের পাশে দাঁড়ালে, সেই কাজ একদিন স্বীকৃতি পায়ই। মঞ্চে তাঁর এই সম্মান গ্রহণের দৃশ্য উপস্থিত সকলের মন ছুঁয়ে যায়। আজ প্রীতি মিঞ্জ শুধু ওদলাবাড়ি বা মাল ব্লকের গর্ব নন, তিনি সমগ্র বাংলার কাছে এক উজ্জ্বল উদাহরণ। তাঁর এই লড়াই ও সাফল্যের গল্প আগামী দিনে আরও বহু মানুষকে সমাজের জন্য কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে—এই আশা রাখাই যায়।
মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা ‘প্যাড ওমেন’ প্রীতি মিঞ্জ, আবারও আনন্দবাজার ‘কুর্নিশ’-এ সম্মানিত জলপাইগুড়ি জেলার মাল ব্লকের ওদলাবাড়ি পাওয়ার হাউস এলাকার এক সাধারণ মেয়ে আজ সমাজের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম—প্রীতি মিঞ্জ। সীমিত সামর্থ্য, অসংখ্য বাধা এবং সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই করেই তিনি গড়ে তুলেছেন নিজের আলাদা পরিচয়। আর সেই নিরলস সমাজসেবার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি আবারও সম্মানিত হলেন আনন্দবাজার পত্রিকার ‘কুর্নিশ’ মঞ্চে। ‘প্যাড ওমেন’ নামে পরিচিত প্রীতি মিঞ্জ দীর্ঘদিন ধরে নারীস্বাস্থ্য ও ঋতুস্রাব সংক্রান্ত সচেতনতা নিয়ে কাজ করে চলেছেন। গ্রামের পর গ্রাম ঘুরে মহিলাদের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া, স্বল্পমূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন পৌঁছে দেওয়া এবং কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই—এই সবকিছুই তাঁর প্রতিদিনের কাজের অংশ। সমাজের এমন এক বিষয় নিয়ে তিনি কাজ করছেন, যা এখনও অনেক ক্ষেত্রে লজ্জা ও অজ্ঞতার আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকে। একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে হয়েও এই পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। আর্থিক সীমাবদ্ধতা থেকে শুরু করে সামাজিক বাধা—সবকিছুকেই উপেক্ষা করে নিজের লক্ষ্যেই অবিচল থেকেছেন তিনি। তাঁর এই সাহসিকতা ও একাগ্রতাই তাঁকে আজকের এই সাফল্যের জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। আনন্দবাজারের ‘কুর্নিশ’ সম্মান প্রাপ্তির এই মুহূর্ত শুধুমাত্র তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি একটি বার্তা—সমাজের জন্য কাজ করলে, মানুষের পাশে দাঁড়ালে, সেই কাজ একদিন স্বীকৃতি পায়ই। মঞ্চে তাঁর এই সম্মান গ্রহণের দৃশ্য উপস্থিত সকলের মন ছুঁয়ে যায়। আজ প্রীতি মিঞ্জ শুধু ওদলাবাড়ি বা মাল ব্লকের গর্ব নন, তিনি সমগ্র বাংলার কাছে এক উজ্জ্বল উদাহরণ। তাঁর এই লড়াই ও সাফল্যের গল্প আগামী দিনে আরও বহু মানুষকে সমাজের জন্য কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে—এই আশা রাখাই যায়।
- Post by DTD News Bangla1
- ভোটের ময়দানে কংগ্রেসের সিনু মুন্ডা। নাগ্রাকাটার জন্য কী প্রতিশ্রুতি দিলেন।1
- Post by Utpal Roy MNG1
- গুরুংবস্তিতে নাবালিকার রহস্যমৃত্যু, চেন্নাই থেকে গ্রেফতার অভিযুক্ত দোষীর ফাঁসির দাবিতে পরিবার ও এলাকাবাসীর বিক্ষোভ #khabarsiliguri1
- मुंबई: मुंबई की लाइफलाइन कही जाने वाली लोकल ट्रेन में एक बार फिर दिव्यांग यात्रियों की सुरक्षा को लेकर गंभीर सवाल खड़े हो गए हैं। CSMT-करजत लोकल ट्रेन के दिव्यांग डिब्बे में हुए विवाद के बाद रेलवे प्रोटेक्शन फोर्स (RPF) ने अज्ञात लोगों के खिलाफ FIR दर्ज की है। जानकारी के अनुसार, 27 मार्च को एक दृष्टिहीन यात्री और एक अन्य दिव्यांग यात्री के बीच सीट को लेकर विवाद शुरू हुआ, जो देखते ही देखते बढ़ गया। इस दौरान एक महिला यात्री ने बीच-बचाव करने की कोशिश की, लेकिन मामला और गरमा गया। स्थिति तब और बिगड़ गई जब महिला का 12-14 वर्षीय बेटा भी इस विवाद में शामिल हो गया। घटना का वीडियो सोशल मीडिया पर वायरल होने के बाद कुर्ला RPF ने स्वतः संज्ञान लेते हुए मामला दर्ज किया, जबकि पीड़ित ने खुद कोई शिकायत दर्ज नहीं कराई। CCTV फुटेज के आधार पर आरोपियों की पहचान करने की कोशिश की जा रही है। RPF अधिकारियों के मुताबिक, यह मामला रेलवे एक्ट की धारा 145(बी) के तहत दर्ज किया गया है और जांच जारी है। इस घटना ने एक बार फिर यह सवाल खड़ा कर दिया है कि क्या मुंबई की लोकल ट्रेनें दिव्यांग यात्रियों के लिए सुरक्षित हैं? दिव्यांग अधिकार कार्यकर्ताओं का कहना है कि आरक्षित डिब्बों में अक्सर अनधिकृत लोग कब्जा कर लेते हैं, जिससे जरूरतमंद यात्रियों को परेशानी और खतरे का सामना करना पड़ता है। सामाजिक कार्यकर्ताओं ने रेलवे प्रशासन से मांग की है कि दिव्यांग डिब्बों में सख्त निगरानी और सुरक्षा व्यवस्था सुनिश्चित की जाए, ताकि ऐसे घटनाओं पर तुरंत रोक लगाई जा सके। “अब वक्त आ गया है कि रेलवे जागे और दिव्यांग यात्रियों की सुरक्षा को प्राथमिकता दे!”1
- Post by Amsarul Husain all news1
- ধুপগুড়িতে ইতিহাস: মহকুমা শাসকের দপ্তরে শুরু হলো বিধানসভার মনোনয়ন পর্ব ধুপগুড়ির রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। এই প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য আর জলপাইগুড়ি ছুটতে হলো না; ঘরের কাছেই নিজ এলাকায় মনোনয়ন জমা দিলেন প্রার্থীরা। সোমবার ধুপগুড়ি সুপার মার্কেট চত্বরে নবনির্মিত এসডিও অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়। ইতিহাসের পাতায় নাম তুলে এদিন প্রথম মনোনয়ন পত্র জমা দেন ঝারআলতা এক নং গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা এসইউসিআই মনোনীত প্রার্থী প্রিয়া রায়। মনোনয়ন জমা দিয়ে বেরিয়ে তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানান, "আগে আমাদের জলপাইগুড়ি গিয়ে এই প্রক্রিয়া সারতে হতো। এবার ধুপগুড়িতেই সেই সুবিধা মেলায় অনেক সময় ও শ্রম সাশ্রয় হলো ।আধিকারিকরা আমাদের সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন।" জয়ের ব্যাপারেও যথেষ্ট আশাবাদী তিনি।মনোনয়ন কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে এদিন এসডিও অফিস চত্বরে নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতো। পুলিশি টহল ও কড়া নজরদারিতে গোটা এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ধুপগুড়ি মহকুমা হওয়ার সুফল হাতেনাতে পেতে শুরু করেছেন তাঁরা। এই পদক্ষেপ প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের পথে এক বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।1
- Post by DTD News Bangla1