Shuru
Apke Nagar Ki App…
অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম জমা দিতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছেন ধূপগুড়ির ২৪ বছর বয়সী গৃহবধূ রত্না রায়। পরিবারের দাবি অনুযায়ী, তাঁকে শেষবার ধূপগুড়ি বিডিও অফিস চত্বরে আয়োজিত একটি জনকল্যাণ শিবিরে দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকে তাঁর আর কোনও সন্ধান মেলেনি, যা তাঁর পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। পুলিশের তদন্তে জানা গেছে যে নিখোঁজ হওয়ার পর রত্না রায়ের মোবাইল ফোনের শেষ অবস্থান বিহারের কিশনগঞ্জে ধরা পড়েছে। কীভাবে তাঁর মোবাইল ফোন সেখানে পৌঁছল, তা নিয়ে একটি ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পুলিশ বর্তমানে এই ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে এবং বিহার পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ রেখে তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে।
মুখার্জী নিউজ
অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম জমা দিতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছেন ধূপগুড়ির ২৪ বছর বয়সী গৃহবধূ রত্না রায়। পরিবারের দাবি অনুযায়ী, তাঁকে শেষবার ধূপগুড়ি বিডিও অফিস চত্বরে আয়োজিত একটি জনকল্যাণ শিবিরে দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকে তাঁর আর কোনও সন্ধান মেলেনি, যা তাঁর পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। পুলিশের তদন্তে জানা গেছে যে নিখোঁজ হওয়ার পর রত্না রায়ের মোবাইল ফোনের শেষ অবস্থান বিহারের কিশনগঞ্জে ধরা পড়েছে। কীভাবে তাঁর মোবাইল ফোন সেখানে পৌঁছল, তা নিয়ে একটি ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পুলিশ বর্তমানে এই ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে এবং বিহার পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ রেখে তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উপর থাকা মোট ৮ লক্ষ কোটি টাকার দেনা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই মিটে যাবে।1
- ভরসা কর্মসূচির অধীনে বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হলে তা ৪০ থেকে ৪৫ বছর পর্যন্ত করা হবে। এই কর্মসূচির আওতায় স্নাতকরা প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা ভাতা পাবেন। অন্যদিকে, অন্যান্য অংশগ্রহণকারীরা মাসিক ২০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।1
- ইন্দাস অঞ্চলে বেআইনি মদের বিরুদ্ধে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যেখানে স্থানীয় প্রমিলা বাহিনী লাঠি হাতে একাধিক অবৈধ মদ ভাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই অভিযানে অবৈধ মদ ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রমিলা বাহিনী।1
- ইন্দাস পুলিশ অবৈধ বালি পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তিন জনকে নিজেদের জালে আটক করেছে। এই পাচারকারীরা অবৈধভাবে বালি পাচার করার সময়েই ইন্দাস পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।1
- ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বাজেট ঘোষণার পর রাজ্যের প্রথম বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া নিয়ে নব্য তৃণমূল শিবির প্রশ্ন তুলেছে। নব্য তৃণমূল শিবিরের মধ্যে এই নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে যে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বাজেট ঘোষণার পর আদৌ খুশি কিনা।1
- কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র সম্প্রতি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর পরিচিত স্পষ্টবক্তা ও আক্রমণাত্মক শৈলীতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর এই বক্তব্য আগামী দিনে বিরোধী শিবিরের রণকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাংসদ মৈত্র বরাবরের মতোই সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাস্তব সমস্যাগুলি থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতে এবং বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে এই সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও, তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর প্রতি সরকারের অতিরিক্ত পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ শানান। মহুয়া মৈত্র সংসদের গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এবং বিরোধী সাংসদদের অধিকার খর্ব করার চেষ্টার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, কোনো রকম চাপের মুখে মাথা নত না করে তিনি সাধারণ মানুষের পক্ষে সওয়াল করে যাবেন। তিনি বলেন, "ভয় দেখিয়ে বা কণ্ঠরোধ করে সত্যকে চেপে রাখা যাবে না। জনগণের অধিকারের জন্য এই লড়াই সংসদের ভেতরে এবং বাইরে জারি থাকবে।" বিশেষজ্ঞরা মহুয়া মৈত্রের এই সাংবাদিক সম্মেলনকে কেবল সরকারের সমালোচনা নয়, বরং তাঁর রাজনৈতিক দৃঢ়তার এক জোরালো বার্তা হিসেবে দেখছেন, যা রাজ্য তথা দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।1
- রাজ্য বাজেটে আরামবাগকে অবশেষে জেলার স্বীকৃতি দেওয়ায় দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে, যা সমস্ত জল্পনা ও প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছে। এই ঐতিহাসিক ঘোষণার পর থেকেই সমগ্র এলাকায় খুশির ঢেউ লেগেছে। আনন্দের এই আবহে বিজেপি নেতাকর্মীরা রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের সাথে মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন। আজ, সোমবার, বাজেট পেশের মাধ্যমে আরামবাগকে নতুন জেলা হিসেবে ঘোষণার পরপরই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব উৎসবে মেতে ওঠেন। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে, আরামবাগ হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন এলাকায় বিজেপি কর্মীরা পথচলতি সাধারণ মানুষ এবং টোটো চালকদের সহ শত শত মানুষের হাতে লাড্ডু তুলে দেন। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, আরামবাগকে জেলা করার এই দাবি বহুদিনের ছিল এবং আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, আরামবাগ জেলা হওয়ায় এবার প্রশাসনিক কাজকর্ম আরও সহজ হবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন গতি পাবে। এই খুশির খবর সাধারণ মানুষের সাথে ভাগ করে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই লাড্ডু বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। আরামবাগ জেলা ঘোষিত হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক উল্লাস দেখা গেছে, যেখানে বিজেপি কর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করে সকলের মুখ মিষ্টি করেছেন।1
- বিধানসভার অভ্যন্তরে কুণালকে লক্ষ্য করে 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার এক্সক্লুসিভ ছবি সরাসরি দেখা যাচ্ছে।1