প্রতি বছর জুলাই মাসের ২১ তারিখের দিকে বাঙালির মনে একটিই প্রশ্ন জাগে যে এবার দিদি কী চমক দেবেন। তবে এবার ছবিটা একেবারেই ভিন্ন, কারণ নবান্নের ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) এবারই প্রথম বিরোধী দল হিসেবে 'শহীদ দিবস' পালন করতে চলেছে। এ নিয়েই এখন পাড়ার মোড় থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্ত একটাই জল্পনা চলছে: "ধর্মতলা কি এবার ফাঁকা থাকবে?" দলের ক্ষমতা হারানোর আঘাতের পাশাপাশি যোগ হয়েছে আইনি জটিলতা। গত বছরের রাস্তা জ্যাম সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের পক্ষ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কনটেম্পট নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ হলো, রাস্তা আটকে মেগা র্যালি করা যাবে না। তাই এবার ধর্মতলায় আগেভাগে বড় স্টেজ বাঁধা বা লাখ লাখ লোকের সমাবেশ নিয়ে দলের ভেতরেই টানাপোড়েন চলছে। আগের বছরগুলোতে দু-তিন মাস আগে থেকেই কলকাতার রাস্তাঘাট হোর্ডিংয়ে ভরে যেত এবং মাইকের আওয়াজ শোনা যেত। কিন্তু এবার সব কিছুটা বেশি শান্ত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সেই পুরোনো উন্মাদনা কিছুটা কমেছে। এখনো পর্যন্ত কোনো বড় অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চোখে পড়ছে না, যা দেখে অনেকেই মনে করছেন, এবার হয়তো ধর্মতলার চেনা ভিড় উধাও হতে চলেছে। তৃণমূল যখন চিন্তায়, ঠিক তখনই সুযোগ বুঝে এবার ২১শে জুলাইকে ঘিরে মেগা পরিকল্পনা করছে প্রদেশ কংগ্রেস। উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাইয়ের পুলিশ ফায়ারিংয়ের ঘটনাটি মূলত যুব কংগ্রেসের আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিল। ক্ষমতা বদলের পর, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারা জানিয়েছেন যে তারা এবার শহীদ মিনারের পাদদেশে বড় অনুষ্ঠান করবেন। ফলে 'শহীদ দিবস'-এর আসল দাবিদার কে— তা নিয়েও এখন নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূল কর্মীরা অবশ্য এখনো এই আশায় রয়েছেন যে, দিদি এখনো হার মানেননি। ক্ষমতা থাকুক বা না থাকুক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধারালো ভাষণ শোনার জোরালো আগ্রহ সবারই থাকে। এবার 'বিরোধী' নেত্রী হিসেবে মঞ্চে দাঁড়িয়ে দিদি কী নতুন রণনীতি ঘোষণা করবেন, বা নতুন নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে কী তোপ দাগবেন, তা দেখতেই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের চোখ থাকবে। সব মিলিয়ে, এ বছরের ২১শে জুলাই বাংলার রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় সাসপেন্স থ্রিলার হতে চলেছে। ধর্মতলা কি সত্যিই ফাঁকা থাকবে, নাকি দিদি আবারও 'খেলা' ঘুরিয়ে দেবেন— এটাই এখন বড় প্রশ্ন।
প্রতি বছর জুলাই মাসের ২১ তারিখের দিকে বাঙালির মনে একটিই প্রশ্ন জাগে যে এবার দিদি কী চমক দেবেন। তবে এবার ছবিটা একেবারেই ভিন্ন, কারণ নবান্নের ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) এবারই প্রথম বিরোধী দল হিসেবে 'শহীদ দিবস' পালন করতে চলেছে। এ নিয়েই এখন পাড়ার মোড় থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্ত একটাই জল্পনা চলছে: "ধর্মতলা কি এবার ফাঁকা থাকবে?" দলের ক্ষমতা হারানোর আঘাতের পাশাপাশি যোগ হয়েছে আইনি জটিলতা। গত বছরের রাস্তা জ্যাম সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের পক্ষ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কনটেম্পট নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ হলো, রাস্তা আটকে মেগা র্যালি করা যাবে না। তাই এবার ধর্মতলায় আগেভাগে বড় স্টেজ বাঁধা বা লাখ লাখ লোকের সমাবেশ নিয়ে দলের ভেতরেই টানাপোড়েন চলছে। আগের বছরগুলোতে দু-তিন মাস আগে থেকেই কলকাতার রাস্তাঘাট হোর্ডিংয়ে ভরে যেত এবং মাইকের আওয়াজ শোনা যেত। কিন্তু এবার সব কিছুটা বেশি শান্ত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সেই পুরোনো উন্মাদনা কিছুটা কমেছে। এখনো পর্যন্ত কোনো বড় অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চোখে পড়ছে না, যা দেখে অনেকেই মনে করছেন, এবার হয়তো ধর্মতলার চেনা ভিড় উধাও হতে চলেছে। তৃণমূল যখন চিন্তায়, ঠিক তখনই সুযোগ বুঝে এবার ২১শে জুলাইকে ঘিরে মেগা পরিকল্পনা করছে প্রদেশ কংগ্রেস। উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাইয়ের পুলিশ ফায়ারিংয়ের ঘটনাটি মূলত যুব কংগ্রেসের আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিল। ক্ষমতা বদলের পর, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারা জানিয়েছেন যে তারা এবার শহীদ মিনারের পাদদেশে বড় অনুষ্ঠান করবেন। ফলে 'শহীদ দিবস'-এর আসল দাবিদার কে— তা নিয়েও এখন নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূল কর্মীরা অবশ্য এখনো এই আশায় রয়েছেন যে, দিদি এখনো হার মানেননি। ক্ষমতা থাকুক বা না থাকুক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধারালো ভাষণ শোনার জোরালো আগ্রহ সবারই থাকে। এবার 'বিরোধী' নেত্রী হিসেবে মঞ্চে দাঁড়িয়ে দিদি কী নতুন রণনীতি ঘোষণা করবেন, বা নতুন নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে কী তোপ দাগবেন, তা দেখতেই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের চোখ থাকবে। সব মিলিয়ে, এ বছরের ২১শে জুলাই বাংলার রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় সাসপেন্স থ্রিলার হতে চলেছে। ধর্মতলা কি সত্যিই ফাঁকা থাকবে, নাকি দিদি আবারও 'খেলা' ঘুরিয়ে দেবেন— এটাই এখন বড় প্রশ্ন।
- সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP) নামের একটি দলের ভিডিও এবং পোস্ট ব্যাপকভাবে ভাইরাল হচ্ছে, যা দেখে অনেকে এটিকে একটি নতুন ডিজিটাল ফাঁদ বা ভুয়ো ভিডিও বলে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। তবে এর পেছনের সত্যটি কোনো সাধারণ প্রতারণা নয়, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ব্যঙ্গ। এই আন্দোলনের শুরু ২০২৬ সালের মে মাসে, যখন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত একটি মামলার শুনানির সময় মন্তব্য করেছিলেন যে কিছু বেকার যুবক ও অ্যাক্টিভিস্টরা 'তেলাপোকা' (Cockroaches) এবং 'সামাজিক পরজীবী'-র মতো, যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সিস্টেমকে আক্রমণ করে। প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যে দেশের তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মনে তীব্র ক্ষোভ জন্ম নেয়। এই অপমানের প্রতিবাদ হিসেবে ১৬ মে, ২০২৬-এ ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজিস্ট অভিজিৎ দিপক প্রতীকীভাবে এই 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP) তৈরি করেন। তরুণরা তখন ব্যঙ্গ করে বলতে শুরু করে— "যদি দেশের বেকার যুবকদের তেলাপোকা বলা হয়, তবে আমরা গর্বিত তেলাপোকা (Main Bhi Cockroach)।" এটি কোনো সরকারিভাবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয় এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ECI) কাছে এর কোনো স্বীকৃতি নেই। তারা কোনো ভোটেও লড়ছে না। এটি মূলত একটি ডিজিটাল এবং সামাজিক প্রতিবাদ আন্দোলন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং কয়েকদিনের মধ্যেই লক্ষাধিক তরুণ এতে প্রতীকী সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। যদিও এটি একটি ব্যঙ্গাত্মক দল হিসেবে শুরু হয়েছিল, তবে এর পেছনের দাবিগুলো অত্যন্ত বাস্তব ও গুরুতর। এর মূল দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক নিট (NEET) পরীক্ষার পেপার ফাঁস ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে থালা-বাসন বাজিয়ে বড়সড় বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং দেশের শিক্ষিত যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সঠিক হিসাব ও স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থার দাবি। সংক্ষেপে, 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র ভিডিওগুলো মানুষকে ঠকানোর কোনো প্রতারণা বা ভুয়ো ফাঁদ নয়। এটি দেশের বর্তমান বেকারত্ব সমস্যা, পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস এবং তরুণদের প্রতি ব্যবস্থার উদাসীনতার বিরুদ্ধে ভারতীয় যুবসমাজের (বিশেষত জেন-জি) এক অভিনব ও তীব্র ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদ।2
- রাজ্য সভাপতি ও রাজ্যসভার সাংসদ শ্রী শমীক ভট্টাচার্য ভারত কেশরী ডঃ শ্যামা প্রসাদ মুখার্জীর শহিদ দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে ক্যানোদালা মহাশ্মশানে উপস্থিত ছিলেন।1
- কুণাল নতুন তৃণমূলকে উদ্দেশ্য করে তীব্র কটাক্ষ করেছেন, যেখানে তিনি বলেছেন যে "এরা নিজের মায়ের পিঠেও ছুরি মারতে পারে।" কুণালের এই চরম মন্তব্য দৈনিক সমাচারের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে আবাস যোজনা সংক্রান্ত টাকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ‘তৃণমূলের ভূতে’ এই আবাসের টাকা ‘খেয়ে ফেলেছে’, যা প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের বঞ্চিত করেছে। এই গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত নালিশ দায়ের করা হয়েছে।1
- নোয়াপাড়া মন্ডল ৪-এর উদ্যোগে তাদের নতুন কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত শ্রম পরিবহনমন্ত্রী অর্জুন সিং উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নোয়াপাড়া মন্ডল ৪-এর সভাপতি প্রকাশ দাস, শিউলি বিরোধী দলনেতা পার্থ ত্রিবেদী, অঞ্জনা সিংহ রায়, শান্তনু সরকার এবং মন্ডল ৪-এর সহ-সভাপতি অতনু চৌধুরী সহ অন্যান্য কার্যকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই আয়োজন ঘিরে মানুষের মধ্যে চোখে পড়ার মতো উন্মাদনা ও আবেগ দেখা যায়। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী মৃত্যুঞ্জয় গুহ সংগীত পরিবেশন করেন, যেখানে তারকনাথ সিং তবলায় সঙ্গত করেন। এছাড়াও, আদিবাসী নৃত্যাঙ্গনের শিল্পীরা ধামসা মাদল নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করেন এবং দেবাঙ্গন মৃত্যু একাডেমীর নৃত্যশিল্পীরাও উপস্থিত ছিলেন।1
- আজ আইএনএস সংশোধক, আইএনএস অগ্রয় এবং আইএনএস দুনাগিরি ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রস্তুত। 'ডিজাইন ইন ইন্ডিয়া', 'ইঞ্জিনিয়ার ইন ইন্ডিয়া' এবং 'মেক ইন ইন্ডিয়া'-র এই সাফল্য আত্মনির্ভর ভারতের অদম্য অগ্রযাত্রার আরও একটি গর্বের নিদর্শন। কিছু বছর আগে আইএনএস বিক্রান্ত জাতির উদ্দেশ্যে সমর্পিত হয়ে বিশ্বের সামনে ভারতের সামুদ্রিক শক্তির এক নতুন পরিচয় তুলে ধরেছিল, যা এই অগ্রযাত্রারই অংশ। শক্তিশালী নৌবাহিনী এবং আত্মনির্ভর ভারত—এটাই নতুন ভারতের পরিচয়।1
- খাতড়া জাতীয় যুব-রাজ কম্পিউটার একাডেমী একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছে যে তাদের মূল লক্ষ্য কেবল শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো নয়, বরং তাদের ভবিষ্যৎ গড়ার অঙ্গীকার পূরণ করা।1
- ফুরফুরার পীরজাদা ইব্রাহিম সিদ্দিকী বিজেপির প্রশংসা করেছেন। তাঁর মন্তব্য অনুযায়ী, "বিজেপি আসার পর বাংলা এখন ঠাণ্ডা হয়ে গেছে"। দৈনিক সমাচার সূত্রে এই খবর জানা গেছে।1
- দুর্গানগরের ঢালাই কারখানা রোডের বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, এই এলাকায় গাড়ি চালানো অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটিকে দুর্ঘটনার একটি বিশেষ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা চালকদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ।2