Shuru
Apke Nagar Ki App…
অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জন্য ১২ পাতার একটি ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে এক মহিলা নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এই দীর্ঘ এবং বিপুল সংখ্যক পাতার ফর্ম পূরণ করার জন্য তিনি তাঁর অসন্তোষ ব্যক্ত করেন।
News10 Bangla
অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জন্য ১২ পাতার একটি ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে এক মহিলা নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এই দীর্ঘ এবং বিপুল সংখ্যক পাতার ফর্ম পূরণ করার জন্য তিনি তাঁর অসন্তোষ ব্যক্ত করেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- সরকারি নির্দেশিকা মেনে ঈদ-উল-আযহা উৎসব পালিত হয়েছে, যেখানে নামাজ কেবলমাত্র মসজিদের ভিতরেই আদায় করা হয়েছে। হাওড়ার বাঁকড়া জামে মসজিদে দুইটি দফায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এই পবিত্র উৎসবে সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরা হয়েছে।1
- দীপস্কর ভট্টাচার্যের বাড়ির সংলগ্ন একটি পাটক্ষেত থেকে মাটি খুঁড়ে বস্তা, ট্রলি ব্যাগ এবং ড্রাম ভর্তি নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।1
- হুগলির তারকেশ্বর থানার অন্তর্গত বালিগুড়ি ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ কর্মীর বাড়ি থেকে বেআইনি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, তারকেশ্বরের দাপুটে তৃণমূল নেতা রামেন্দু সিংহ রায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কর্মী সেকেন্দার সাউ ওরফে টুনটুনের বাড়ি থেকে এই আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধৃত সেকেন্দার সাউ এলাকায় একজন সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। তার যথেষ্ট রাজনৈতিক প্রভাব ছিল এবং তিনি স্থানীয় মহলে হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা রামেন্দু সিংহরায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর গোটা রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তারকেশ্বর থানার পুলিশ সেকেন্দার সাউয়ের বাড়িতে আচমকা তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল, যার ফলেই এই বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ধৃত অভিযুক্তকে আজই আদালতে পেশ করা হবে। তারকেশ্বর থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে এই অস্ত্র কোথা থেকে এল, কী উদ্দেশ্যে তা বাড়িতে মজুত করে রাখা হয়েছিল, এবং এর পেছনে অন্য কোনো বড়সড় চক্র জড়িত রয়েছে কিনা।1
- বিজেপি পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারী মুক্ত করবে বলে অঙ্গীকার করেছে। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, সমস্ত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করা হবে এবং তাদের রাজ্যের জেলে রাখা হবে না। পরিবর্তে, চিহ্নিত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (BSF) হাতে তুলে দেওয়া হবে।1
- সন্ত্রাসের অভিযোগে দুর্গাপুর ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি রাজীব ঘোষকে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে আদালত চত্বরে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আদালতের সামনে আগে থেকেই জড়ো হয়েছিলেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা, যার ফলে পরিস্থিতি মুহূর্তের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজীব ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাস, হুমকি, টাকা তোলা এবং রাজনৈতিক অত্যাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁকে বুধবার গভীর রাতে ইস্পাত নগরীর তানসেন এলাকায় গোপন বৈঠক করার সময় বিজেপি কর্মীদের হাতে পাকড়াও করা হয়। পরে খবর পেয়ে দুর্গাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে আটক করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজীব ঘোষকে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে দুপুর দেড়টা নাগাদ বিচারক দুদিনের পুলিশী হেফাজতের নির্দেশ দেন।1
- কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ঈদের নামাজের পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এই বিশেষ ঘটনাটি শহরজুড়ে সম্প্রীতি ও একতার দৃঢ় বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে, যা দেশের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যকে তুলে ধরেছে।1
- বুধবার রাত ১১টায় দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর তানসেন এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দেয়। অভিযোগ, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রাজীব ঘোষ গোপন বৈঠকের উদ্দেশ্যে সেখানে থাকাকালীন বিজেপি কর্মীরা তাঁকে ঘিরে ধরেন। পরে দুর্গাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাজীব ঘোষকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। বিজেপির অভিযোগ, রাজীব ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাস, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বিরোধী কর্মীদের হুমকি এবং টাকা তোলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের দাবি, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বহু বিজেপি সমর্থক আক্রান্ত ও ঘরছাড়া হন এবং সেই ঘটনাগুলিতে রাজীব ঘোষের নাম উঠে এসেছিল। বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব আরও জানায় যে পরিস্থিতি বদলানোর ইঙ্গিত পেয়ে রাজীব ঘোষ বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন। তবে, বিজেপি স্পষ্ট জানিয়েছে যে তাঁকে দলে নেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। এই পুরো ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।1
- রেড রোড এবং ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে খুশির ঈদ পালিত হয়েছে। এবার এই উৎসবকালে রেড রোড ও ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড দুটিই ফাঁকা ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষত, এই অনুষ্ঠানে মমতা এবং অভিষেক উপস্থিত হননি।1
- পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানার মনোহরপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, ২০২২ সাল থেকে উত্তম কুমার সাউ নামে এক ব্যক্তির নামে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের সরকারি অনুদান অনুমোদিত হলেও, সেই টাকা জমা পড়ছিল তাঁর স্ত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে।1