অন্নপূর্ণা যোজনার তালিকায় বিজেপি কাউন্সিলার ও তাঁর মেয়ের নাম, স্বামী রেলকর্মী অন্নপূর্ণা যোজনার তালিকায় বিজেপি কাউন্সিলার ও তাঁর মেয়ের নাম, স্বামী রেলকর্মী হওয়া নিয়ে প্রশ্ন ডেস্ক রিপোর্ট অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের তালিকায় বিজেপির এক কাউন্সিলার এবং তাঁর মেয়ের নাম ঘিরে মালদহে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অভিযোগ, পুরাতন মালদা পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলার বাসন্তী রায় এবং তাঁর মেয়ে সুস্মিতা রায়ের নাম ওই তালিকায় রয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই তালিকাটির ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া পোস্টে তাঁদের নাম লাল দাগ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। আরও বিতর্ক তৈরি হয়েছে কাউন্সিলারের স্বামী লব রায় রেলকর্মী হওয়ায়। স্থানীয়দের প্রশ্ন, পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্য সরকারি চাকরিতে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে কাউন্সিলার অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পেলেন? বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বাসন্তী রায় নিজেও। তাঁর দাবি, তিনি একবার অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন। পরে আর পাননি। তাঁর বক্তব্য, প্রথমে তিনি শুনেছিলেন, যেসব মহিলা চাকরি করেন তাঁরা এই সুবিধা পাবেন না। পরে জানতে পারেন, পরিবারের কর্তা চাকরি করলেও ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। বাসন্তীর আরও দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যদি তিনি এই সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হন, তাহলে সেই অর্থ এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করা যেত। অন্যদিকে, ভাতা না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মহিলাদের একাংশ। মালতী মণ্ডল নামে এক বধূর দাবি, তাঁদের বাড়িতে দুটি ঘর ও একটি রান্নাঘর রয়েছে। পুরসভার পক্ষ থেকে তথ্য যাচাই করা হলেও এখনও তাঁদের নাম ভাতাপ্রাপকদের তালিকায় আসেনি। তাঁর প্রশ্ন, “কাউন্সিলার নিজেই যদি ভাতা পান এবং তাঁর স্বামী রেলকর্মী হন, তাহলে সাধারণ মানুষ কেন বঞ্চিত?” একই অভিযোগ হেমলতা পাল-এরও। পরিচারিকার কাজ করে সংসার চালানো এই মহিলার দাবি, তাঁর স্বামীও শ্রমিকের কাজ করেন। আর্থিকভাবে সমস্যায় থাকা সত্ত্বেও তাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি। অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাওয়া নিয়ে রাজ্যজুড়ে ইতিমধ্যেই নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। বহু আবেদনকারী আবেদন করার পরও ‘আন্ডার প্রসেস’ বা ‘পেন্ডিং’ অবস্থায় রয়েছেন বলে অভিযোগ। কোথাও প্রথম দু’মাস টাকা পাওয়ার পর পরবর্তী সময়ে টাকা না পাওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে পুরাতন মালদার এই তালিকা নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা থেকে বিজেপি সমর্থকদের বঞ্চিত করা হচ্ছে—এই অভিযোগ তুলে অতীতে পুরাতন মালদা পুরসভার গেটে তালা দিয়ে বিক্ষোভও দেখিয়েছিল বিজেপি। তাদের অভিযোগ ছিল, তৃণমূল পরিচালিত পুরসভা পক্ষপাতিত্ব করছে এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে উপভোক্তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এবার সেই বিজেপিরই এক কাউন্সিলারের নাম ভাতাপ্রাপকদের তালিকায় থাকার বিষয়টি সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলেও প্রশ্ন উঠছে। তবে বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলা সভাপতি প্রতাপ সিংহ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের জন্য আলাদা কোনও নিয়ম নেই। তাঁর বক্তব্য, যোগ্যতা থাকলে যে কেউ এই সুবিধা পেতে পারেন, তবে যোগ্যতা না থাকলে পাওয়ার কথা নয়। এখন মূল প্রশ্ন—ভাইরাল হওয়া তালিকাটি কতটা সরকারি ও নির্ভুল, সংশ্লিষ্ট উপভোক্তাদের যোগ্যতা কীভাবে যাচাই করা হয়েছিল এবং কোন নিয়মের ভিত্তিতে কাউন্সিলার ও তাঁর মেয়ের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল? এই প্রশ্নগুলির উত্তর মিললেই স্পষ্ট হবে, ঘটনাটি প্রশাসনিক যাচাইয়ের ত্রুটি, নাকি নিয়ম মেনেই তাঁদের নাম তালিকায় উঠেছিল।
অন্নপূর্ণা যোজনার তালিকায় বিজেপি কাউন্সিলার ও তাঁর মেয়ের নাম, স্বামী রেলকর্মী অন্নপূর্ণা যোজনার তালিকায় বিজেপি কাউন্সিলার ও তাঁর মেয়ের নাম, স্বামী রেলকর্মী হওয়া নিয়ে প্রশ্ন ডেস্ক রিপোর্ট অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের তালিকায় বিজেপির এক কাউন্সিলার এবং তাঁর মেয়ের নাম ঘিরে মালদহে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অভিযোগ, পুরাতন মালদা পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলার বাসন্তী রায় এবং তাঁর মেয়ে সুস্মিতা রায়ের নাম ওই তালিকায় রয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই তালিকাটির ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া পোস্টে তাঁদের নাম লাল দাগ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। আরও বিতর্ক তৈরি হয়েছে কাউন্সিলারের স্বামী লব রায় রেলকর্মী হওয়ায়। স্থানীয়দের প্রশ্ন, পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্য সরকারি চাকরিতে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে কাউন্সিলার অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পেলেন? বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বাসন্তী রায় নিজেও। তাঁর দাবি, তিনি একবার অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন। পরে আর পাননি। তাঁর বক্তব্য, প্রথমে তিনি শুনেছিলেন, যেসব মহিলা চাকরি করেন তাঁরা এই সুবিধা পাবেন না। পরে জানতে পারেন, পরিবারের কর্তা চাকরি করলেও ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। বাসন্তীর আরও দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যদি তিনি এই সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হন, তাহলে সেই অর্থ এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করা যেত। অন্যদিকে, ভাতা না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মহিলাদের একাংশ। মালতী মণ্ডল নামে এক বধূর দাবি, তাঁদের বাড়িতে দুটি ঘর ও একটি রান্নাঘর রয়েছে। পুরসভার পক্ষ থেকে তথ্য যাচাই করা হলেও এখনও তাঁদের নাম ভাতাপ্রাপকদের তালিকায় আসেনি। তাঁর প্রশ্ন, “কাউন্সিলার নিজেই যদি ভাতা পান এবং তাঁর স্বামী রেলকর্মী হন, তাহলে সাধারণ মানুষ কেন বঞ্চিত?” একই অভিযোগ হেমলতা পাল-এরও। পরিচারিকার কাজ করে সংসার চালানো এই মহিলার দাবি, তাঁর স্বামীও শ্রমিকের কাজ করেন। আর্থিকভাবে সমস্যায় থাকা সত্ত্বেও তাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি। অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাওয়া নিয়ে রাজ্যজুড়ে ইতিমধ্যেই নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। বহু আবেদনকারী আবেদন করার পরও ‘আন্ডার প্রসেস’ বা ‘পেন্ডিং’ অবস্থায় রয়েছেন বলে অভিযোগ। কোথাও প্রথম দু’মাস টাকা পাওয়ার পর পরবর্তী সময়ে টাকা না পাওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে পুরাতন মালদার এই তালিকা নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা থেকে বিজেপি সমর্থকদের বঞ্চিত করা হচ্ছে—এই অভিযোগ তুলে অতীতে পুরাতন মালদা পুরসভার গেটে তালা দিয়ে বিক্ষোভও দেখিয়েছিল বিজেপি। তাদের অভিযোগ ছিল, তৃণমূল পরিচালিত পুরসভা পক্ষপাতিত্ব করছে এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে উপভোক্তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এবার সেই বিজেপিরই এক কাউন্সিলারের নাম ভাতাপ্রাপকদের তালিকায় থাকার বিষয়টি সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলেও প্রশ্ন উঠছে। তবে বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলা সভাপতি প্রতাপ সিংহ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের জন্য আলাদা কোনও নিয়ম নেই। তাঁর বক্তব্য, যোগ্যতা থাকলে যে কেউ এই সুবিধা পেতে পারেন, তবে যোগ্যতা না থাকলে পাওয়ার কথা নয়। এখন মূল প্রশ্ন—ভাইরাল হওয়া তালিকাটি কতটা সরকারি ও নির্ভুল, সংশ্লিষ্ট উপভোক্তাদের যোগ্যতা কীভাবে যাচাই করা হয়েছিল এবং কোন নিয়মের ভিত্তিতে কাউন্সিলার ও তাঁর মেয়ের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল? এই প্রশ্নগুলির উত্তর মিললেই স্পষ্ট হবে, ঘটনাটি প্রশাসনিক যাচাইয়ের ত্রুটি, নাকি নিয়ম মেনেই তাঁদের নাম তালিকায় উঠেছিল।
- TMC News: কৃষ্ণনগরে ডিম ছোঁড়া হলো মহুয়া মৈত্র কে, বিজেপির পক্ষ থেকে1
- অঙ্গিকা পরিবার গণেশপূজা উপলক্ষে অঙ্গিকা পরিবার গণেশপূজা উপলক্ষে অঙ্গিকা পরিবার গণেশপূজা উপলক্ষে1
- প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-র জন্মদিনের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari? দেখুন সেই এক্সক্লুসিভ ছবি সরাসরি1
- বাড়িতে ঢুকে ২৪ লক্ষ টাকা নগদ এবং প্রায় ২৫ ভরি সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দিল দু*ষ্কৃ*তী"রা। বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে, ইংরেজবাজার থানার গাবগাছি যদুপুর এলাকায়1
- পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে জেলা শাসকের দফতরে ঢুকলেন বিক্ষোভকারীরা, বাঁকুড়ায় উত্তেজনা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে জেলা শাসকের দফতরে ঢুকলেন বিক্ষোভকারীরা, বাঁকুড়ায় উত্তেজনা ১৯ দফা দাবিতে বাঁকুড়ায় আদিবাসী সংগঠনের বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি1
- জয়গাঁওয়ে ভুটানি নম্বরের গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সিগারেট ও শিখর গুটখা উদ্ধার গ্রেফতার ২1
- দুর্গাপূজা কমিটিগুলির সঙ্গে প্রশাসনিক সমন্বয় বৈঠক কোক ওভেন থানার আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে কোক ওভেন থানার উদ্যোগে দুর্গাপূজা কমিটিগুলিকে নিয়ে প্রশাসনিক সমন্বয় বৈঠক মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় অনুষ্ঠিত হল। দুর্গাপুরের স্থানীয় শ্রেয়সী লজে আয়োজিত এই বৈঠকে থানা এলাকার প্রায় সমস্ত দুর্গাপূজা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘড়ুই। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি দুর্গাপুর সুবীর রায়, কোক ওভেন থানার আধিকারিকরা, ট্রাফিক বিভাগ এবং দমকল বিভাগের প্রতিনিধিরা। আসন্ন পুজোকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যান চলাচল এবং অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে পুজো কমিটিগুলিকে একাধিক নির্দেশিকা দেওয়া হয়।1
- CPIM: কমরেডদের পার্টি অফিস গুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে।।1