logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

এলপিজি গ্যাসের সংকটে মাথাভাঙ্গায় চাহিদা বাড়ছে মাটির উনুনের!গ্রামাঞ্চলে তৈরি হচ্ছে মাটির উনুন মধ্য প্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতে এলপিজি গ্যাসের সংকটের জেরে মাথাভাঙ্গা মহকুমা জুড়ে মাটির উনুনের চাহিদা হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। গ্যাস সিলিন্ডার সহজে না পাওয়ায় বহু পরিবার আবার পুরনো পদ্ধতিতে রান্নার দিকে ঝুঁকছেন। ফলে বাজারে মাটির উনুন বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় কুমোর ও উনুন প্রস্তুতকারীদের দাবি, গত কয়েকদিনে বিক্রি আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। কেউ কেউ একসঙ্গে দু’তিনটি উনুন কিনে রাখছেন ভবিষ্যতের কথা ভেবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কাঠ, খড় বা শুকনো পাতা দিয়ে রান্না করা সহজ হওয়ায় মাটির উনুনের ব্যবহার বাড়ছে। গ্যাসের অনিশ্চয়তার কারণে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে অনেকেই বলছেন, মাটির উনুনে রান্না করা সময়সাপেক্ষ এবং ধোঁয়ার সমস্যাও রয়েছে। তবু পরিস্থিতির চাপে বহু পরিবার আবার সেই পুরনো ব্যবস্থাতেই ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।আবার কেউ কিনছেন ইন্ডাংশন ওভেন।

2 hrs ago
user_TAPASH MALAKAR
TAPASH MALAKAR
Interior designer Mathabhanga Ii, Coochbehar•
2 hrs ago

এলপিজি গ্যাসের সংকটে মাথাভাঙ্গায় চাহিদা বাড়ছে মাটির উনুনের!গ্রামাঞ্চলে তৈরি হচ্ছে মাটির উনুন মধ্য প্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতে এলপিজি গ্যাসের সংকটের জেরে মাথাভাঙ্গা মহকুমা জুড়ে মাটির উনুনের চাহিদা হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। গ্যাস সিলিন্ডার সহজে না পাওয়ায় বহু পরিবার আবার পুরনো পদ্ধতিতে রান্নার দিকে ঝুঁকছেন। ফলে বাজারে মাটির উনুন বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় কুমোর ও উনুন প্রস্তুতকারীদের দাবি, গত কয়েকদিনে বিক্রি আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। কেউ কেউ একসঙ্গে দু’তিনটি উনুন কিনে রাখছেন ভবিষ্যতের কথা ভেবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কাঠ, খড় বা শুকনো পাতা দিয়ে রান্না করা সহজ হওয়ায় মাটির উনুনের ব্যবহার বাড়ছে। গ্যাসের অনিশ্চয়তার কারণে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে অনেকেই বলছেন, মাটির উনুনে রান্না করা সময়সাপেক্ষ এবং ধোঁয়ার সমস্যাও রয়েছে। তবু পরিস্থিতির চাপে বহু পরিবার আবার সেই পুরনো ব্যবস্থাতেই ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।আবার কেউ কিনছেন ইন্ডাংশন ওভেন।

More news from Coochbehar and nearby areas
  • গ্যাস বুকিং করেও মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার এরফলে হয়রানির শিকার হচ্ছেন গ্রাহকরা।সকাল থেকেই গ্যাস সিলিন্ডার পেতে লম্বা লাইন। পাশাপাশি কেওয়াইসি করতেও লম্বা লাইন।তবে গ্যাস বুকিং করে গ্যাস সিলিন্ডার না মেলায় ক্ষোভ প্রকাশ গ্রাহকদের।এদিনও দেখা গেলো একই চিত্র।গ্যাস সিলিন্ডার না পেয়ে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিলেন সিলিন্ডার পেয়ে সাধারণ মানুষ।
    1
    গ্যাস বুকিং করেও মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার এরফলে হয়রানির শিকার হচ্ছেন গ্রাহকরা।সকাল থেকেই গ্যাস সিলিন্ডার পেতে লম্বা লাইন। পাশাপাশি কেওয়াইসি করতেও লম্বা লাইন।তবে গ্যাস বুকিং করে গ্যাস সিলিন্ডার না মেলায় ক্ষোভ প্রকাশ গ্রাহকদের।এদিনও দেখা গেলো একই চিত্র।গ্যাস সিলিন্ডার না পেয়ে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিলেন সিলিন্ডার  পেয়ে সাধারণ মানুষ।
    user_Rajesh Das
    Rajesh Das
    Mathabhanga - I, Coochbehar•
    2 hrs ago
  • Post by News Reporter সাংবাদিক
    1
    Post by News Reporter সাংবাদিক
    user_News Reporter সাংবাদিক
    News Reporter সাংবাদিক
    সাংবাদিক কোচবিহার ২, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    2 hrs ago
  • মধ্য প্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতে এলপিজি গ্যাসের সংকটের জেরে মাথাভাঙ্গা মহকুমা জুড়ে মাটির উনুনের চাহিদা হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। গ্যাস সিলিন্ডার সহজে না পাওয়ায় বহু পরিবার আবার পুরনো পদ্ধতিতে রান্নার দিকে ঝুঁকছেন। ফলে বাজারে মাটির উনুন বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় কুমোর ও উনুন প্রস্তুতকারীদের দাবি, গত কয়েকদিনে বিক্রি আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। কেউ কেউ একসঙ্গে দু’তিনটি উনুন কিনে রাখছেন ভবিষ্যতের কথা ভেবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কাঠ, খড় বা শুকনো পাতা দিয়ে রান্না করা সহজ হওয়ায় মাটির উনুনের ব্যবহার বাড়ছে। গ্যাসের অনিশ্চয়তার কারণে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে অনেকেই বলছেন, মাটির উনুনে রান্না করা সময়সাপেক্ষ এবং ধোঁয়ার সমস্যাও রয়েছে। তবু পরিস্থিতির চাপে বহু পরিবার আবার সেই পুরনো ব্যবস্থাতেই ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।আবার কেউ কিনছেন ইন্ডাংশন ওভেন।
    1
    মধ্য প্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতে এলপিজি গ্যাসের সংকটের জেরে মাথাভাঙ্গা মহকুমা জুড়ে মাটির উনুনের চাহিদা হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। গ্যাস সিলিন্ডার সহজে না পাওয়ায় বহু পরিবার আবার পুরনো পদ্ধতিতে রান্নার দিকে ঝুঁকছেন। ফলে বাজারে মাটির উনুন বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে।
স্থানীয় কুমোর ও উনুন প্রস্তুতকারীদের দাবি, গত কয়েকদিনে বিক্রি আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। কেউ কেউ একসঙ্গে দু’তিনটি উনুন কিনে রাখছেন ভবিষ্যতের কথা ভেবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কাঠ, খড় বা শুকনো পাতা দিয়ে রান্না করা সহজ হওয়ায় মাটির উনুনের ব্যবহার বাড়ছে।
গ্যাসের অনিশ্চয়তার কারণে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে অনেকেই বলছেন, মাটির উনুনে রান্না করা সময়সাপেক্ষ এবং ধোঁয়ার সমস্যাও রয়েছে। তবু পরিস্থিতির চাপে বহু পরিবার আবার সেই পুরনো ব্যবস্থাতেই ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।আবার কেউ কিনছেন ইন্ডাংশন ওভেন।
    user_TAPASH MALAKAR
    TAPASH MALAKAR
    Interior designer Mathabhanga Ii, Coochbehar•
    2 hrs ago
  • কোচবিহার পৌরসভার বোর্ড মিটিংয়ে খেলাধুলা উন্নয়নে জোর, ১৫ তারিখে ডাকা হল স্পোর্টস একাডেমিগুলির বৈঠক কোচবিহার: বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ কোচবিহার পৌরসভায় বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে পৌর সদস্য রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বাদে প্রায় সকল কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। পৌরসভার বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয়ের পাশাপাশি এদিন মূলত কোচবিহারে খেলাধুলার পরিকাঠামো ও স্পোর্টসকে কীভাবে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তা নিয়েই আলোচনা হয়। কোচবিহার পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অভিজিৎ দে ভৌমিক জানান, শহরের ক্রীড়া চর্চাকে আরও উৎসাহিত ও সংগঠিত করতে পৌরসভার পক্ষ থেকে একটি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী ১৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টায় কোচবিহার শহরের সমস্ত রেজিস্টার্ড স্পোর্টস একাডেমি ও কোচিং সেন্টারগুলিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, ওই বৈঠকে বিভিন্ন একাডেমির প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করা হবে। খেলাধুলার উন্নয়ন, নতুন প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করা, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা উন্নত করা সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হবে। পৌরসভার এই উদ্যোগকে ইতিবাচক বলেই মনে করছেন অনেকেই। শহরের খেলাধুলার পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করতে এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
    1
    কোচবিহার পৌরসভার বোর্ড মিটিংয়ে খেলাধুলা উন্নয়নে জোর, ১৫ তারিখে ডাকা হল স্পোর্টস একাডেমিগুলির বৈঠক
কোচবিহার: বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ কোচবিহার পৌরসভায় বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে পৌর সদস্য রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বাদে প্রায় সকল কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
পৌরসভার বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয়ের পাশাপাশি এদিন মূলত কোচবিহারে খেলাধুলার পরিকাঠামো ও স্পোর্টসকে কীভাবে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তা নিয়েই আলোচনা হয়।
কোচবিহার পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অভিজিৎ দে ভৌমিক জানান, শহরের ক্রীড়া চর্চাকে আরও উৎসাহিত ও সংগঠিত করতে পৌরসভার পক্ষ থেকে একটি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী ১৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টায় কোচবিহার শহরের সমস্ত রেজিস্টার্ড স্পোর্টস একাডেমি ও কোচিং সেন্টারগুলিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ওই বৈঠকে বিভিন্ন একাডেমির প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করা হবে। খেলাধুলার উন্নয়ন, নতুন প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করা, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা উন্নত করা সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হবে।
পৌরসভার এই উদ্যোগকে ইতিবাচক বলেই মনে করছেন অনেকেই। শহরের খেলাধুলার পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করতে এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
    user_Sayantani Sinha
    Sayantani Sinha
    Cooch Behar - Ii, Coochbehar•
    4 hrs ago
  • Post by David Roy Sarkar
    1
    Post by David Roy Sarkar
    user_David Roy Sarkar
    David Roy Sarkar
    Tufanganj - I, Coochbehar•
    5 hrs ago
  • মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির আঁচ এবার পড়তে শুরু করেছে রান্নার গ্যাসের সরবরাহেও। আলিপুরদুয়ারে গ্যাস বুকিং ও সরবরাহকে ঘিরে বৃহস্পতিবার সকালে তীব্র ভোগান্তির মুখে পড়তে হল সাধারণ মানুষকে। জানা গিয়েছে, ভোর থেকেই আলিপুরদুয়ার এ গ্যাস সরবরাহকারী অফিসের সামনে উপভোক্তাদের দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। অভিযোগ, সকাল সাড়ে ৯টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে অফিস খোলা হয়নি। এর ফলে ক্ষোভ বাড়তে থাকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজনের মধ্যে। এদিন গ্যাস বুকিং ও সরবরাহের ‘লিংক’ না থাকায় কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানানো হয়। এর জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০০ মিটার পর্যন্ত পৌঁছে যায়, যা ঘিরে এলাকায় উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু উপভোক্তার অভিযোগ, বাড়িতে গ্যাস না থাকায় রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে পড়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে চরম সমস্যার মুখে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, “ঘরে গ্যাস নেই, রান্না বন্ধ। গ্যাস না পেলে খাব কী?” পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
    1
    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির আঁচ এবার পড়তে শুরু করেছে রান্নার গ্যাসের সরবরাহেও। আলিপুরদুয়ারে গ্যাস বুকিং ও সরবরাহকে ঘিরে বৃহস্পতিবার সকালে তীব্র ভোগান্তির মুখে পড়তে হল সাধারণ মানুষকে।
জানা গিয়েছে, ভোর থেকেই আলিপুরদুয়ার এ গ্যাস সরবরাহকারী অফিসের সামনে উপভোক্তাদের দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। অভিযোগ, সকাল সাড়ে ৯টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে অফিস খোলা হয়নি। এর ফলে ক্ষোভ বাড়তে থাকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজনের মধ্যে।
এদিন গ্যাস বুকিং ও সরবরাহের ‘লিংক’ না থাকায় কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানানো হয়। এর জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০০ মিটার পর্যন্ত পৌঁছে যায়, যা ঘিরে এলাকায় উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়।
লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু উপভোক্তার অভিযোগ, বাড়িতে গ্যাস না থাকায় রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে পড়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে চরম সমস্যার মুখে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, “ঘরে গ্যাস নেই, রান্না বন্ধ। গ্যাস না পেলে খাব কী?”
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
    user_Pradip kundu
    Pradip kundu
    Local News Reporter কোচবিহার ১, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    6 hrs ago
  • মাথাভাঙ্গা ২ ব্লকের লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের পুঁটিমারী গ্রাম এলাকায় সাত সকালে দাপাদাপি ৬ টি হাতির, ঘুম থেকে উঠে হাতি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পরে অনেকে শুরু হয় চিৎকার চেঁচামেচি। খবর পেয়ে ছুটে আসে ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ এবং বন দপ্তর। আপাতত পূর্ব পুটি মারি গ্রামের সানজাই নদীর তীরে খোকন বর্মণের কলা বাগানে ৬ হাতি অবস্থান করছে বলে জানা যায়। জানা গিয়েছে, লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের পুঁটিমারী গ্রামে ভোর ৫ টায় প্রথম ৬ টি হাতি দেখতে পান স্থানীয় বাবলু বর্মন নামের এক যুবক। এরপর সে চিৎকার শুরু করলে জড়ো হয় স্থানীয়রা এরপর হাতির দল স্থানীয়দের চিৎকারে সানজাই নদী তীরে একটি কলা বাগানে অবস্থান করে। খবর পেয়ে ছুটে আসে ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ, বন দপ্তরের মাথাভাঙ্গা রেঞ্জ, পাতলা খাওয়া রেঞ্জ, জলদাপাড়া রেঞ্জ এর কর্মীরা। আপাতত বন দপ্তরের নজর দারিতে রয়েছে হাতি গুলি। এ বিষয়ে স্থানীয় রফিকুল ইসলাম বলেন আমি সকাল ৫ টা নাগাদ গরু বের করছিলাম দেখলাম আমার বাড়ির পাশ দিয়ে ৬ টি হাতি বেরিয়ে যাচ্ছে। এরপর এলাকায় চিৎকার শুরু হয়। প্রায় পনেরো দিন ধরে এই হাতি গুলি এলাকায় আসছে এবং ভুট্টা, কলা খেত নষ্ট করছে । এতদিন তোর্ষা নদীর চর এলাকায় ঘোড়া ফেরা করে আবার পাতলা খাওয়া জঙ্গলে ফিরে যেতো আজ প্রথম আমাদের এলাকায় প্রবেশ করেছে। সবাই আতঙ্কে আছি আমরা চাই হাতি গুলিকে বন দপ্তর চিলাপাতা জঙ্গলে নিয়ে যাক। অন্য দিকে স্থানীয় স্বপন সাহা জানান,কয়েক দিন ধরে আমাদের এলাকায় হাতির দাপাদাপি চলছে তেমন ক্ষয় ক্ষতি না হলেও প্রচুর ফসল নষ্ট হয়েছে। তবে পাশেই প্রায় দের কিমি দূরে তোরসা নদী পার হলেই পাতলা খাওয়া জঙ্গল স্থানীয়দের অনুমান পাতলা খাওয়া জঙ্গল থেকে হাতি গুলি এসেছে। হাতি দের জঙ্গলে ফেরানোর চেষ্টায় বন দপ্তর।
    1
    মাথাভাঙ্গা ২ ব্লকের লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের পুঁটিমারী গ্রাম এলাকায় সাত সকালে দাপাদাপি ৬ টি হাতির, ঘুম থেকে উঠে হাতি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পরে অনেকে শুরু হয় চিৎকার চেঁচামেচি। খবর পেয়ে ছুটে আসে ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ এবং বন দপ্তর। আপাতত পূর্ব পুটি মারি গ্রামের সানজাই নদীর তীরে খোকন বর্মণের  কলা বাগানে ৬ হাতি অবস্থান করছে বলে জানা যায়। জানা গিয়েছে, লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের পুঁটিমারী গ্রামে ভোর ৫ টায় প্রথম ৬ টি হাতি দেখতে পান স্থানীয় বাবলু বর্মন নামের এক যুবক। এরপর সে চিৎকার শুরু করলে জড়ো হয় স্থানীয়রা এরপর হাতির দল স্থানীয়দের চিৎকারে সানজাই নদী তীরে একটি কলা বাগানে অবস্থান করে। খবর পেয়ে ছুটে আসে ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ, বন দপ্তরের মাথাভাঙ্গা রেঞ্জ, পাতলা খাওয়া রেঞ্জ, জলদাপাড়া রেঞ্জ এর কর্মীরা। আপাতত বন দপ্তরের নজর দারিতে রয়েছে হাতি গুলি। এ বিষয়ে স্থানীয় রফিকুল ইসলাম বলেন আমি সকাল ৫ টা নাগাদ গরু বের করছিলাম দেখলাম আমার বাড়ির পাশ দিয়ে ৬ টি হাতি বেরিয়ে যাচ্ছে। এরপর এলাকায় চিৎকার শুরু হয়। প্রায় পনেরো দিন ধরে এই হাতি গুলি এলাকায় আসছে এবং ভুট্টা, কলা খেত নষ্ট করছে । এতদিন তোর্ষা নদীর চর এলাকায় ঘোড়া ফেরা করে আবার পাতলা খাওয়া জঙ্গলে ফিরে যেতো আজ প্রথম আমাদের এলাকায় প্রবেশ করেছে। সবাই আতঙ্কে আছি আমরা চাই হাতি গুলিকে বন দপ্তর চিলাপাতা জঙ্গলে নিয়ে যাক। অন্য দিকে স্থানীয় স্বপন সাহা জানান,কয়েক দিন ধরে আমাদের এলাকায় হাতির দাপাদাপি চলছে তেমন ক্ষয় ক্ষতি না হলেও প্রচুর ফসল নষ্ট হয়েছে। তবে পাশেই প্রায় দের কিমি দূরে তোরসা নদী পার হলেই পাতলা খাওয়া জঙ্গল স্থানীয়দের অনুমান পাতলা খাওয়া জঙ্গল থেকে হাতি গুলি এসেছে। হাতি দের জঙ্গলে ফেরানোর চেষ্টায় বন দপ্তর।
    user_Abhishek Dey
    Abhishek Dey
    সাংবাদিক Mathabhanga Ii, Coochbehar•
    10 hrs ago
  • বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও শিক্ষা দপ্তরের কর্মচারীদের ডাকে বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ার জেলায় কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। এদিন জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা সংগঠনের ব্যানারে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদে সামিল হন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ভাতা, পদোন্নতি, শূন্যপদে নিয়োগ এবং পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক সমস্যা ঝুলে রয়েছে। একাধিকবার বিষয়গুলি প্রশাসনের নজরে আনা হলেও এখনো পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান মেলেনি। সেই কারণেই তারা বাধ্য হয়ে ধর্মঘট ও প্রতিবাদ কর্মসূচির পথে হাঁটছেন বলে দাবি করেন। এদিন বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হলে শিক্ষা ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত সমস্যার সমাধান এবং দাবিগুলি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানান তারা। প্রতিবাদকারীরা আরও জানান, তাদের দাবি দ্রুত পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামার কথাও ভাবা হবে। অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হয়েছে। এদিনের কর্মসূচির ফলে জেলার কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক কাজকর্ম আংশিকভাবে প্রভাবিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
    1
    বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও শিক্ষা দপ্তরের কর্মচারীদের ডাকে বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ার জেলায় কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। এদিন জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা সংগঠনের ব্যানারে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদে সামিল হন।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ভাতা, পদোন্নতি, শূন্যপদে নিয়োগ এবং পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক সমস্যা ঝুলে রয়েছে। একাধিকবার বিষয়গুলি প্রশাসনের নজরে আনা হলেও এখনো পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান মেলেনি। সেই কারণেই তারা বাধ্য হয়ে ধর্মঘট ও প্রতিবাদ কর্মসূচির পথে হাঁটছেন বলে দাবি করেন।
এদিন বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হলে শিক্ষা ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত সমস্যার সমাধান এবং দাবিগুলি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানান তারা।
প্রতিবাদকারীরা আরও জানান, তাদের দাবি দ্রুত পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামার কথাও ভাবা হবে।
অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হয়েছে। এদিনের কর্মসূচির ফলে জেলার কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক কাজকর্ম আংশিকভাবে প্রভাবিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
    user_Pradip kundu
    Pradip kundu
    Local News Reporter কোচবিহার ১, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    8 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.