এলপিজি গ্যাসের সংকটে মাথাভাঙ্গায় চাহিদা বাড়ছে মাটির উনুনের!গ্রামাঞ্চলে তৈরি হচ্ছে মাটির উনুন মধ্য প্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতে এলপিজি গ্যাসের সংকটের জেরে মাথাভাঙ্গা মহকুমা জুড়ে মাটির উনুনের চাহিদা হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। গ্যাস সিলিন্ডার সহজে না পাওয়ায় বহু পরিবার আবার পুরনো পদ্ধতিতে রান্নার দিকে ঝুঁকছেন। ফলে বাজারে মাটির উনুন বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় কুমোর ও উনুন প্রস্তুতকারীদের দাবি, গত কয়েকদিনে বিক্রি আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। কেউ কেউ একসঙ্গে দু’তিনটি উনুন কিনে রাখছেন ভবিষ্যতের কথা ভেবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কাঠ, খড় বা শুকনো পাতা দিয়ে রান্না করা সহজ হওয়ায় মাটির উনুনের ব্যবহার বাড়ছে। গ্যাসের অনিশ্চয়তার কারণে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে অনেকেই বলছেন, মাটির উনুনে রান্না করা সময়সাপেক্ষ এবং ধোঁয়ার সমস্যাও রয়েছে। তবু পরিস্থিতির চাপে বহু পরিবার আবার সেই পুরনো ব্যবস্থাতেই ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।আবার কেউ কিনছেন ইন্ডাংশন ওভেন।
এলপিজি গ্যাসের সংকটে মাথাভাঙ্গায় চাহিদা বাড়ছে মাটির উনুনের!গ্রামাঞ্চলে তৈরি হচ্ছে মাটির উনুন মধ্য প্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতে এলপিজি গ্যাসের সংকটের জেরে মাথাভাঙ্গা মহকুমা জুড়ে মাটির উনুনের চাহিদা হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। গ্যাস সিলিন্ডার সহজে না পাওয়ায় বহু পরিবার আবার পুরনো পদ্ধতিতে রান্নার দিকে ঝুঁকছেন। ফলে বাজারে মাটির উনুন বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় কুমোর ও উনুন প্রস্তুতকারীদের দাবি, গত কয়েকদিনে বিক্রি আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। কেউ কেউ একসঙ্গে দু’তিনটি উনুন কিনে রাখছেন ভবিষ্যতের কথা ভেবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কাঠ, খড় বা শুকনো পাতা দিয়ে রান্না করা সহজ হওয়ায় মাটির উনুনের ব্যবহার বাড়ছে। গ্যাসের অনিশ্চয়তার কারণে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে অনেকেই বলছেন, মাটির উনুনে রান্না করা সময়সাপেক্ষ এবং ধোঁয়ার সমস্যাও রয়েছে। তবু পরিস্থিতির চাপে বহু পরিবার আবার সেই পুরনো ব্যবস্থাতেই ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।আবার কেউ কিনছেন ইন্ডাংশন ওভেন।
- নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেই এদিন ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। স্কুল চত্বরে মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী, পাশাপাশি ছিল রাজ্য পুলিশেরও নজরদারি। ভোটকর্মীদের জন্য আলাদা করে বুথের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়। সকাল থেকেই পর্যায়ক্রমে ভোটকর্মীরা লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেন। ভোটকর্মীদের অনেকেই জানান, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে তারা যথেষ্ট নিরাপদ বোধ করছেন এবং নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পদক্ষেপে নজরদারি রাখা হয়েছে বলেও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। সব মিলিয়ে, তুফানগঞ্জ বিবেকানন্দ স্কুলে ভোটকর্মীদের এই ভোটদান পর্ব শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে প্রশাসন।1
- কোচবিহারের ভবানীগঞ্জে ফের দুঃসাহসিক চুরি! গতকাল গভীর রাতে ভবানীগঞ্জ বাজারের নিউমার্কেটের সোনা পট্টিতে চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা। দুষ্কৃতীরা লক্ষাধিক টাকার সোনা ও রুপার সামগ্রী নিয়ে চম্পট দিয়েছে বলে অভিযোগ। বারবার শহরের ব্যস্ততম ও কেন্দ্রস্থল এলাকায় এমন চুরির ঘটনায় আতঙ্কে ব্যবসায়ী মহল। প্রশ্ন উঠছে— কোচবিহার শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আদৌ কতটা সুরক্ষিত? ব্যবসায়ীদের দাবি, দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করে বাজার এলাকায় নিরাপত্তা বাড়াতে হবে, নইলে আরও বড় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- ভোটের ডিউটি না কাটলে ১৩ মাসের সন্তানকে সেক্টর অফিসারের কাছে রেখে যেতে হবে1
- ভোটের ডিউটি বাতিল না হলে ১৩ মাসের শিশুসহ সন্তানকে সেক্টর অফিসারের কাছে রেখে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ভোটকর্মীর আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এক ভোটকর্মীর বক্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার কথা জানিয়েও ভোটের ডিউটি থেকে অব্যাহতি পাননি তিনি। ওই কর্মীর দাবি, তাঁর ১৩ মাসের ছোট সন্তান রয়েছে, যাকে রেখে দীর্ঘ সময় ডিউটি করা সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ডিউটি বাতিল না করা হলে শিশুসন্তানকে সেক্টর অফিসারের কাছেই রেখে দায়িত্ব পালন করতে যাবেন। ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাপে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।1
- দিনহাটা কলেজে ট্রেনিং শেষে ভোট দিতে এসে কি বললেন ভোট কর্মীরা শুনুন। আমরা শুনবো তাদের বক্তব্য।1
- *কোচবিহার জেলার বিভিন্ন সংবেদনশীল ও অতীতে হিংসাপ্রবণ বুথ এলাকায় ভোটের আগে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়াতে উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন।1
- এখন অভিযোগ-প্রতিঅভিযোগের লড়াইয়ে রীতিমতো সরগরম করে তুলেছে গোটা অঞ্চলকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এলাকায় ব্যাপকভাবে পতাকা লাগানো হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী পক্ষ আপত্তি তোলে এবং অভিযোগ করে, জোর করে ও পরিকল্পিতভাবে এলাকা দখলের চেষ্টা চলছে। পাল্টা শাসকদলের দাবি, সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার মেনেই তাদের দলীয় পতাকা লাগানো হয়েছে এবং বিরোধীরাই অযথা উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে একাধিকবার বচসা বাধে, এমনকি পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলেও অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ চাইছেন দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হোক। এদিকে, নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ধরনের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবমিলিয়ে, শামুকতলায় পতাকা বিতর্ক এখন রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে তুলেছে, যার প্রভাব পড়তে পারে আসন্ন নির্বাচনের পরিবেশেও।1