Shuru
Apke Nagar Ki App…
বাজেট পাস হওয়ার পর দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। দলের পক্ষ থেকে এই আনন্দ মিষ্টি বিতরণ এবং ফটকা ফাটিয়ে উদযাপন করা হয়।
Uttarbangla Sambad
বাজেট পাস হওয়ার পর দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। দলের পক্ষ থেকে এই আনন্দ মিষ্টি বিতরণ এবং ফটকা ফাটিয়ে উদযাপন করা হয়।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- সোমবার মালদার বামনগোলা ব্লকে একগুচ্ছ দাবি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন আইসিডিএস কর্মীরা। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে বামনগোলা সিডিপিও দপ্তরে বিক্ষোভ-ডেপুটেশন পালন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ আইসিডিএস কর্মী সমিতির নেত্রী শিল্পা চক্রবর্তী এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, রাজ্য সরকার আইসিডিএস কর্মীদের মোবাইল কেনার জন্য দশ হাজার টাকা করে দিলেও, এখনও পর্যন্ত তাদের সিমকার্ড সরবরাহ করেনি। এর ফলে কর্মীদের ব্যক্তিগত সিমকার্ড ব্যবহার করে সরকারি অ্যাপে কাজ করতে হচ্ছে, যা তারা করতে চান না। মোবাইল রিচার্জের জন্যও তাদের ব্যক্তিগতভাবে খরচ করতে হচ্ছে। এই সমস্যার পাশাপাশি আরও নানান দাবিতে আইসিডিএস কর্মীরা আন্দোলনে নেমেছেন, যেখানে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা মোবাইল রিচার্জের জন্য দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। বর্তমানে তারা সিডিপিও দপ্তরেই বিক্ষোভ-ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করছেন।1
- মালদার মানিকচকে তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পিংকি মন্ডলের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে ফের একবার তীব্র প্রতিবাদে নেমেছে বিজেপি। বিজেপি কর্মীরা তাঁর দপ্তরে প্রবেশ করে তাঁর টেবিলে তাঁর ছবি রেখে ডিম ছুঁড়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন মানিকচকের বিজেপি নেতা সুভাষ যাদব এবং যুব মোর্চা সভাপতি সৌরভ রজক সহ অন্যান্যরা। প্রথমে একটি মিছিল করে মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির অফিসের সামনে জড়ো হন বিজেপি নেতাকর্মীরা। সেখানে তাঁরা হাতে ডিম নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এরপর ডেপুটেশন জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির ঘরে ঢুকলেও তাঁরা পিংকি মন্ডলকে সেখানে খুঁজে পাননি, যার ফলে তাঁরা রীতিমতো তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন। এরপর বিজেপি কর্মীরা সভাপতির টেবিলে তাঁরই ছবি রেখে একের পর এক ডিম ছুঁড়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখান বলে জানা গেছে।1
- মালদার জালালপুর গ্রামে একটি রাস্তার নির্মাণ কাজ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, রাস্তাটির দু'পাশে মাটি দেওয়া হয়নি, কেবল প্রথম দিকে সামান্য মাটি ফেলা হয়েছে, যা কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। এই ত্রুটিপূর্ণ কাজ অবিলম্বে ঠিক করার জন্য প্রশাসনের কাছে জোরালো আবেদন জানানো হয়েছে। জানা গেছে, এই রাস্তা নির্মাণ কাজের ঠিকাদার হলেন আশরাফুল হক। জালালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে, জালালপুর গ্রামের ফজলুল হকের বাড়ি থেকে লম্বা বিল পর্যন্ত এই রাস্তাটি তৈরি করা হচ্ছে।1
- মালদার মানিকচকে ফের ডিম ছুঁড়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপি নেতাকর্মীরা। এবার তারা তৃণমূল পরিচালিত মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পিংকি মন্ডলের দপ্তরে ঢুকে পড়েন। সেখানে পিংকি মন্ডলের টেবিলে তারই ছবি রেখে ডিম ছুঁড়ে প্রতিবাদ জানান বিজেপি কর্মীরা।1
- রাজ্য সরকারের বাজেট অধিবেশনে উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘী ব্লকের টুঙ্গিদিঘীর জন্য একটি বড় চমক ঘোষণা করা হয়েছে। এই অধিবেশনে করণদিঘীতে একটি নতুন দমকল কেন্দ্র স্থাপন এবং টুঙ্গিদিঘীকে নতুন পৌরসভা হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।1
- অক্টোবর মাস থেকে গ্র্যাজুয়েট যুবকরা ৩,০০০ টাকা করে পাবেন।1
- সোমবার মালদার বামনগোলা ব্লকে একগুচ্ছ দাবি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন আইসিডিএস কর্মীরা। তাঁরা বামনগোলা সিডিপিও দপ্তরে একটি বিক্ষোভ-ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করছেন। পশ্চিমবঙ্গ আইসিডিএস কর্মী সমিতির নেত্রী শিল্পা চক্রবর্তী এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন যে, রাজ্য সরকার আইসিডিএস কর্মীদের মোবাইল কেনার জন্য দশ হাজার টাকা দিলেও, এখনও পর্যন্ত তাদের সিমকার্ড সরবরাহ করেনি। এর ফলস্বরূপ, কর্মীদের নিজেদের ব্যক্তিগত সিমকার্ড ব্যবহার করে সরকারি অ্যাপের কাজ সারতে হচ্ছে, যা তারা করতে ইচ্ছুক নন। এই পরিস্থিতি এবং মোবাইল রিচার্জ সংক্রান্ত নানান দাবিতে তাঁরা আন্দোলনে নেমেছেন, যেখানে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে।1
- মালদার গাজোলের তুলসীডাঙ্গা এলাকায় এক ব্যক্তির রায়ত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির এক সদস্য এবং তাঁর ছেলে, তৃণমূল কংগ্রেসের জয় হিন্দ বাহিনীর নেতা বিশাল সাহার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মিঠুন সাহা এবং চন্দনা সাহা, যারা গাজোলের তুলসীডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা, অভিযোগ করেছেন যে তাঁদের ৮ শতক জমি জোর করে দখল করে অভিযুক্তরা দোকান নির্মাণ করেছেন। অতীতের দোকান সরানোর কথা বললে তাঁরা একাধিকবার হুমকির মুখে পড়েছেন। এই ঘটনায় পুলিশের কাছে গাজোল থানায় বেশ কয়েকবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, উল্টে তৃণমূলের নেতারা তাদের হুমকি দিয়েছেন বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন। রাজ্য সরকার ক্ষমতা বদল হতেই ওই ব্যক্তি আবারও গাজোল থানায় তৃণমূলের জয় হিন্দ বাহিনীর নেতা বিশাল সাহার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। যদিও বিশাল সাহা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে জায়গাটি তাঁর এবং তাঁর কাছে এর দলিল রয়েছে। গাজোল থানার পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।1
- সরকারি সিদ্ধান্ত ও নীতিসমূহ কার্যকর করার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব ও ভূমিকার ওপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের পাশাপাশি, তোলাবাজি, কাটমানি, সিন্ডিকেট এবং চাঁদাবাজির মতো অনৈতিক কার্যকলাপ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করার সুদৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।1