পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির তপন দত্তের কাছে ৩২ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী আশিষ হুদাইত। তবে এই বিপুল ব্যবধানে হারের পরও তিনি নিজের পরাজয় মানতে নারাজ। উল্টে, তিনি দলীয় কর্মীদের সামনে ক্ষোভ উগরে দিয়ে সরাসরি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)-এর দিকে আঙুল তুলেছেন। আশিষ হুদাইত দাবি করেছেন যে, আধুনিক প্রযুক্তি ও এআই (AI)-এর যুগে ইভিএম মেশিনে ‘সেটিংসের গন্ডগোল’ ছিল এবং কারচুপি করা হয়েছে। তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য অনুযায়ী, “আমার একবারের জন্যও মনে হয়নি যে আমি হেরেছি। এআই (AI) এবং প্রযুক্তির যুগে ইভিএম মেশিনে কারচুপি করা হয়েছে। মেশিনে সেটিংসের গন্ডগোল ছিল, যার ফলে ভোটাররা ভোট দিলেও কিছু ভোট পদ্মফুলে চলে গেছে, আর কিছু পড়েছে জোড়াফুলে।” পরাজিত প্রার্থীর এই ‘ইভিএম হ্যাকিং’-এর তত্ত্ব নিয়ে জেলার রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ভোটের ফলাফল বেরোনোর পর এমন অভিযোগ নতুন কিছু নয়। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইভিএমে কারচুপির মতো গুরুতর অভিযোগ তুলতে হলে পোক্ত প্রমাণ সামনে আনা জরুরি, কারণ মুখের কথায় সাধারণ মানুষ বা নির্বাচন কমিশন কেউই এই অভিযোগ বিশ্বাস করবে না। বিরোধীরা এই দাবিকে কটাক্ষ করে বলছেন যে, ভোটে হারলেই অনেক প্রার্থীই এমন নিয়ম-অনিয়মের তত্ত্ব খাড়া করে নিজেদের মুখরক্ষা করতে চান, আর আশিষবাবুর এই দাবিও আসলে পরাজয়ের গ্লানি ঢাকার একটি ‘প্রকাণ্ড’ অজুহাত ছাড়া আর কিছুই নয়। দাসপুরের এই হাইভোল্টেজ রাজনৈতিক চাপানউতোর এখন কোন দিকে মোড় নেবে, এবং তৃণমূল প্রার্থীর এই অভিযোগের জবাবে বিজেপি বা নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ নেবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির তপন দত্তের কাছে ৩২ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী আশিষ হুদাইত। তবে এই বিপুল ব্যবধানে হারের পরও তিনি নিজের পরাজয় মানতে নারাজ। উল্টে, তিনি দলীয় কর্মীদের সামনে ক্ষোভ উগরে দিয়ে সরাসরি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)-এর দিকে আঙুল তুলেছেন। আশিষ হুদাইত দাবি করেছেন যে, আধুনিক প্রযুক্তি ও এআই (AI)-এর যুগে ইভিএম মেশিনে ‘সেটিংসের গন্ডগোল’ ছিল এবং কারচুপি করা হয়েছে। তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য অনুযায়ী, “আমার একবারের জন্যও মনে হয়নি যে আমি হেরেছি। এআই (AI) এবং প্রযুক্তির যুগে ইভিএম মেশিনে কারচুপি করা হয়েছে। মেশিনে সেটিংসের গন্ডগোল ছিল, যার ফলে ভোটাররা ভোট দিলেও কিছু ভোট পদ্মফুলে চলে গেছে, আর কিছু পড়েছে জোড়াফুলে।” পরাজিত প্রার্থীর এই ‘ইভিএম হ্যাকিং’-এর তত্ত্ব নিয়ে জেলার রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ভোটের ফলাফল বেরোনোর পর এমন অভিযোগ নতুন কিছু নয়। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইভিএমে কারচুপির মতো গুরুতর অভিযোগ তুলতে হলে পোক্ত প্রমাণ সামনে আনা জরুরি, কারণ মুখের কথায় সাধারণ মানুষ বা নির্বাচন কমিশন কেউই এই অভিযোগ বিশ্বাস করবে না। বিরোধীরা এই দাবিকে কটাক্ষ করে বলছেন যে, ভোটে হারলেই অনেক প্রার্থীই এমন নিয়ম-অনিয়মের তত্ত্ব খাড়া করে নিজেদের মুখরক্ষা করতে চান, আর আশিষবাবুর এই দাবিও আসলে পরাজয়ের গ্লানি ঢাকার একটি ‘প্রকাণ্ড’ অজুহাত ছাড়া আর কিছুই নয়। দাসপুরের এই হাইভোল্টেজ রাজনৈতিক চাপানউতোর এখন কোন দিকে মোড় নেবে, এবং তৃণমূল প্রার্থীর এই অভিযোগের জবাবে বিজেপি বা নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ নেবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
- রাজ্যের চন্ডিতলা থানায় ডেপুটেশন জমা দিতে যাওয়ার সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা গেছে।1
- মানুষের সেবায় নিবেদিত সাগরপুর চ্যারিটেবিল ট্রাস্টের উদ্যোগে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির আয়োজিত হয়েছে।1
- নির্বাচনে জয়ের পর শ্রীনগর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা এক বিজয় মিছিলে অংশ নেন, যেখানে তাদের হাতে ছিল দলীয় পতাকা এবং মুখে ছিল জয়ের স্লোগান। এই উৎসবের আবহে গোটা এলাকা রঙিন হয়ে ওঠে, হাজারো মানুষের সমাগমে এক জনজোয়ার তৈরি হয়। মিছিলে উপস্থিত নেতারা সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন যে, জনগণের সমর্থনই ছিল এই জয়ের মূল শক্তি। শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত এই বিজয় মিছিলকে ঘিরে এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।4
- টিএমসিকে কড়া হুশিয়ারি দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা, যেখানে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দলে টিএমসি-র কারোর কোনো জায়গা নেই। প্রিয়াঙ্কা জোর দিয়ে বলেছেন যে তিনি টিএমসি-র প্রতিটি সদস্যকে চেনেন। তাঁর হুঁশিয়ারি ছিল যে, যত হামলাই হোক না কেন, তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) বাংলায় কোনোরকম অস্তিত্ব বা স্থান নেই।1
- দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় বৃষ্টির একটি স্পেল শুরু হতে চলেছে। এই সময় বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা বিশেষভাবে বেশি থাকবে।1
- আজ খড়গপুর শহরের তালবাগিচা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে একটি প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়। গতকাল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনার প্রতিবাদে এই মিছিল বের করা হয়। খড়গপুর শহরের প্রবীণ তৃণমূল নেতা জহর পালের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই মিছিলে দলের কর্মী-সমর্থকদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। মিছিল থেকে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি তোলা হয়েছে। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে হিংসার কোনো স্থান নেই বলে মন্তব্য করার পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁদের সংহতি প্রকাশ করেন।1
- মেদিনীপুরে জাল লটারি মামলায় হারু নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে যখন মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেই সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেন। সাংবাদিকদের উদ্দেশে হারু বলেন, “আমার না, ওনার ছবি করুন”। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে সমগ্র জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে, যা নিয়ে শোরগোল তৈরি হয়েছে।1
- গোপীবল্লভপুরে ঘটে যাওয়া গুলিকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ দ্রুত সাফল্য অর্জন করেছে। এই ঘটনায় জড়িত অভিযুক্তদের ৯ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মোট ৩ জন অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সকল অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া চলছে।1