পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যুৎ পরিষেবা আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে আগামী জুলাই মাস থেকেই ধাপে ধাপে প্রায় ২ কোটি স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ শুরু হবে। কলকাতায় আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এই বড় ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর। প্রথম পর্যায়ে সাধারণ বাড়ি, সরকারি দফতর এবং বিভিন্ন সরকারি ভবনে এই স্মার্ট মিটার স্থাপন করা হবে। পরবর্তীতে, বড় বিদ্যুৎ গ্রাহকদেরও এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। স্মার্ট মিটার চালুর ফলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিয়েল-টাইমে গ্রাহক ও বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থার কাছে পৌঁছে যাবে, যার ফলে রিডিং নেওয়ার জন্য আর কর্মীদের বাড়ি বাড়ি যেতে হবে না। স্মার্ট মিটারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন। বিদ্যুৎ দফতরের প্রায় ৮০০ কোটি টাকার বকেয়া বিল দ্রুত মেটানোর নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি 'PM সূর্যঘর যোজনা' দ্রুত চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৯-৩০ সালের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে বিশেষ পরিকল্পনাও তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়াও, কলকাতা মেট্রোর বকেয়া প্রকল্পগুলি দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষের সুবিধার্থে নতুন মেট্রো সংযোগের সমীক্ষা করা হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে ধাপা ও বর্জ্য নিষ্কাশন নিয়ে পৃথক পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং, মিরিক ও শিলিগুড়ি—এই পাঁচ শহরের পরিচ্ছন্নতা উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সহায়তার আশ্বাসও তিনি দিয়েছেন। পর্যটন উন্নয়নে মাল্টিলেভেল পার্কিং এবং আধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণের জন্য একটি বিশেষ মাস্টার প্ল্যান তৈরির কথাও জানানো হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যুৎ পরিষেবা আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে আগামী জুলাই মাস থেকেই ধাপে ধাপে প্রায় ২ কোটি স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ শুরু হবে। কলকাতায় আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এই বড় ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর। প্রথম পর্যায়ে সাধারণ বাড়ি, সরকারি দফতর এবং বিভিন্ন সরকারি ভবনে এই স্মার্ট মিটার স্থাপন করা হবে। পরবর্তীতে, বড় বিদ্যুৎ গ্রাহকদেরও এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। স্মার্ট মিটার চালুর ফলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিয়েল-টাইমে গ্রাহক ও বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থার কাছে পৌঁছে যাবে, যার ফলে রিডিং নেওয়ার জন্য আর কর্মীদের বাড়ি বাড়ি যেতে হবে না। স্মার্ট মিটারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন। বিদ্যুৎ দফতরের প্রায় ৮০০ কোটি টাকার বকেয়া বিল দ্রুত মেটানোর নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি 'PM সূর্যঘর যোজনা' দ্রুত চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৯-৩০ সালের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে বিশেষ পরিকল্পনাও তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়াও, কলকাতা মেট্রোর বকেয়া প্রকল্পগুলি দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষের সুবিধার্থে নতুন মেট্রো সংযোগের সমীক্ষা করা হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে ধাপা ও বর্জ্য নিষ্কাশন নিয়ে পৃথক পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং, মিরিক ও শিলিগুড়ি—এই পাঁচ শহরের পরিচ্ছন্নতা উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সহায়তার আশ্বাসও তিনি দিয়েছেন। পর্যটন উন্নয়নে মাল্টিলেভেল পার্কিং এবং আধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণের জন্য একটি বিশেষ মাস্টার প্ল্যান তৈরির কথাও জানানো হয়েছে।
- আজ প্রধানমন্ত্রীর 'মন কি বাত' কর্মসূচিটি কোলাঘাটে বিজেপি কর্মী ও নেতৃত্বদের পক্ষ থেকে দেখবার আয়োজন করা হয়েছিল। এই কর্মসূচিতে বহু বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং পূর্ব পাঁশকুড়ার বিধায়ক সুব্রত মাইতি উপস্থিত ছিলেন। 'মন কি বাত' শেষ হওয়ার পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত একাধিক মহিলাকে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম তুলে দেওয়া হয়।1
- হলদিয়ার হাদিয়া গ্রামে একটি পরিবারকে পল্লী থেকে বয়কট করার জন্য স্থানীয় পল্লী কমিটির বিরুদ্ধে পোস্টার লাগানো হয়েছে, যা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। জানা গেছে, বনবিহারী সামন্ত নামের এক ব্যক্তি তাঁর শ্বশুরবাড়ির জমিতে বসবাস করার জন্য স্থানীয় পল্লী কমিটিকে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা অনুদান দিতে অস্বীকার করায় এই ঘটনা ঘটেছে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দিতে রাজি না হওয়ায় পল্লী কমিটির সদস্যরা বনবিহারী সামন্তের পরিবারের সঙ্গে হাদিয়া গ্রামের মাঝি পল্লীর সমস্ত পরিবারকে মেলামেশা এবং কথাবার্তা বলতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে পোস্টার লাগিয়েছেন। শুধু তাই নয়, কেউ গোপনে বনবিহারীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সেই পরিবারকেও পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। এমনকী, পল্লী কমিটির সদস্যরা ওই পরিবারকে ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছেন এবং তাদের পল্লী ছাড়া করার নিদান দিচ্ছেন। এই ঘটনার জেরে বনবিহারী সামন্তের গোটা পরিবার রীতিমতো আতঙ্কে রয়েছে।1
- দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় বৃষ্টির একটি স্পেল শুরু হতে চলেছে। এই সময় বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা বিশেষভাবে বেশি থাকবে।1
- মানুষের সেবায় নিবেদিত সাগরপুর চ্যারিটেবিল ট্রাস্টের উদ্যোগে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির আয়োজিত হয়েছে।1
- নির্বাচনে জয়ের পর শ্রীনগর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা এক বিজয় মিছিলে অংশ নেন, যেখানে তাদের হাতে ছিল দলীয় পতাকা এবং মুখে ছিল জয়ের স্লোগান। এই উৎসবের আবহে গোটা এলাকা রঙিন হয়ে ওঠে, হাজারো মানুষের সমাগমে এক জনজোয়ার তৈরি হয়। মিছিলে উপস্থিত নেতারা সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন যে, জনগণের সমর্থনই ছিল এই জয়ের মূল শক্তি। শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত এই বিজয় মিছিলকে ঘিরে এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।4
- বেলডাঙ্গা রেলস্টেশন চত্বর থেকে রেল কর্তৃপক্ষ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে। এই পদক্ষেপের ফলে সাধারণ দোকান ব্যবসায়ীরা গভীর সংকটে পড়েছেন। উচ্ছেদের কারণে ব্যবসায়ীরা তাদের আগামী দিনের জীবন নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এবং তাদের জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।1
- সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় চণ্ডীতলা থানায় একটি ডেপুটেশন জমা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন।1