ধুতি-গামছায় সাদামাটা প্রচার, বলরামপুরে দেয়াল লিখনে নামলেন এসইউসিআই প্রার্থী ভোলানাথ মুর্মু আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বলরামপুর ব্লক জুড়ে অভিনব কায়দায় প্রচারে নেমেছে এসইউসিআই। দলের মনোনীত প্রার্থী ভোলানাথ মুর্মু একেবারে সাধারণ মানুষের মতো সাদামাটা বেশে প্রচার চালিয়ে ইতিমধ্যেই এলাকায় নজর কেড়েছেন। পরনে ধুতি, কাঁধে গামছা এবং হাতে থলি নিয়ে নিজেই দেয়াল লিখনে অংশ নিচ্ছেন তিনি। চকচকে পোশাক বা জাঁকজমকপূর্ণ প্রচারের বদলে মাটির মানুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রার্থী ও তাঁর কর্মী-সমর্থকেরা। মনোনীত প্রার্থী নিজেই জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তোলাই এই প্রচারের মূল লক্ষ্য। তাই কোনও বাড়তি আড়ম্বর ছাড়াই নিজেদের হাতে দেয়াল লিখে ভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সরল, মাটির টানে ভরপুর প্রচার ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। অনেকেই এই ভিন্নধর্মী প্রচারকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন বলে জানা গিয়েছে।
ধুতি-গামছায় সাদামাটা প্রচার, বলরামপুরে দেয়াল লিখনে নামলেন এসইউসিআই প্রার্থী ভোলানাথ মুর্মু আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বলরামপুর ব্লক জুড়ে অভিনব কায়দায় প্রচারে নেমেছে এসইউসিআই। দলের মনোনীত প্রার্থী ভোলানাথ মুর্মু একেবারে সাধারণ মানুষের মতো সাদামাটা বেশে প্রচার চালিয়ে ইতিমধ্যেই এলাকায় নজর কেড়েছেন। পরনে ধুতি, কাঁধে গামছা এবং হাতে থলি নিয়ে নিজেই দেয়াল লিখনে অংশ নিচ্ছেন তিনি। চকচকে পোশাক বা জাঁকজমকপূর্ণ প্রচারের বদলে মাটির মানুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রার্থী ও তাঁর কর্মী-সমর্থকেরা। মনোনীত প্রার্থী নিজেই জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তোলাই এই প্রচারের মূল লক্ষ্য। তাই কোনও বাড়তি আড়ম্বর ছাড়াই নিজেদের হাতে দেয়াল লিখে ভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সরল, মাটির টানে ভরপুর প্রচার ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। অনেকেই এই ভিন্নধর্মী প্রচারকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন বলে জানা গিয়েছে।
- পশ্চিমবাংলা মালদা জেলার পাকুয়া তে আজকে ভয়ংকর বৃষ্টি হয়েছে এই বৃষ্টিতে অনেক জন আকাম হয়েছে এটা আকাশ থেকে বরফ পড়ছে বৃষ্টিতে তোমরা ভিডিওতে দেখতে পাচ্ছ1
- "পালটানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার": বিনপুরের গ্রামগুলোতে জনসংযোগে ব্যস্ত 'মানুষের নয়নের মণি' ডাঃ প্রণত টুডু।1
- Post by JHARGRAM NEWS UPDATE1
- নির্বাচনের আগে বিজেপিতে বড়সড় ভাঙ্গন ধরালো তৃণমূল, বিজেপি ছেড়ে প্রায় ৩০ টি পরিবার যোগ দিল তৃণমূলে। মঙ্গলবার পেটবিন্দি গ্রাম পঞ্চায়েতের খামার এলাকার প্রায় ৩০ টি পরিবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করল। তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেয় গোপীবল্লভপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী অজিত মাহাতো, তাছাড়া পেটবিন্ধি অঞ্চল সভাপতি, টিঙ্কু পাল, সহ অসংখ্য কর্মীবৃন্দ। গোপীবল্লভপুর বিধানসভার প্রার্থী অজিত মাহাতো বলেন " এরা ভুল বুঝে বিজেপিতে যোগদান করেছিল কিন্তু বর্তমানে এদের ভুল ভেঙ্গে যাওয়ায় পুনরায় তৃণমূলে যোগদান করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যবাসীর জন্য যেসব প্রকল্প চালু করেছে তাতে মানুষ উপকৃত হচ্ছে, তাই মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ভরসা রাখছে।1
- নয়াগ্রামের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী হয়ে আজ জোড়কদমে প্রচার নেমে পড়েন যুব মোর্চার কর্মীরা। এই প্রচারে নেতৃত্ব দেন ঝাড়গ্রাম সাংগঠনিক জেলার যুব মোর্চার সভাপতি রনজিত সেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার কর্মসূচি চালানো হয়। এবং মানুষ যাতে বিজেপির সিম্বল পদ্মফুলে ভোট দেন তারই প্রচার করেন যুব মোর্চা নেতাকর্মীরা1
- রবিবারের সকালে শরীরচর্চা, তারপর সৌজন্য সাক্ষাৎ—ঝাড়গ্রামে মুখোমুখি বিজেপি ও কংগ্রেস প্রার্থী। নির্বাচনী উত্তাপের মাঝেই এক অন্যরকম ছবি ধরা পড়ল ঝাড়গ্রামে। রবিবাসরীয় সকালে শরীরচর্চার মধ্য দিয়ে দিনের শুরু করেন বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মীকান্ত সাউ এবং কংগ্রেস প্রার্থী প্রসেনজিৎ দে। পরবর্তীতে তাঁদের মধ্যে ঘটে যায় এক সৌজন্য সাক্ষাৎ, যা রাজনৈতিক মহলে ইতিবাচক বার্তা বহন করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে নির্দিষ্ট স্থানে শরীরচর্চা করতে গিয়ে মুখোমুখি হন দুই প্রার্থী। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সত্ত্বেও পরস্পরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তাঁরা। কিছুক্ষণ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আলাপচারিতাও করতে দেখা যায় তাঁদের। সেই সময় উপস্থিত সাধারণ মানুষও এই দৃশ্য উপভোগ করেন এবং অনেকেই তা মোবাইলে বন্দি করেন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রায়শই তীব্র আকার ধারণ করে, সেখানে এই ধরনের সৌজন্যমূলক আচরণ এক ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। দুই প্রার্থীর এই আচরণে রাজনৈতিক সৌজন্য ও পারস্পরিক সম্মানের দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে বলে মত অনেকের। নির্বাচনের আগে এমন দৃশ্য এলাকায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও মনে করছেন স্থানীয়1
- Post by MOUSUMI KOLEY1
- Post by JHARGRAM NEWS UPDATE1
- Post by ঝাড়গ্রাম আপডেট1