Shuru
Apke Nagar Ki App…
এখন সগুনা বাজারে সরকার অনুমোদিত 'প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জন ঔষধি কেন্দ্র' চালু হয়েছে। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রয়োজনীয় সমস্ত জীবনদায়ী ওষুধ বাজার মূল্যের তুলনায় ৫০% থেকে ৯০% পর্যন্ত কম দামে সংগ্রহ করতে পারবেন, যা তাদের জন্য আশার আলো নিয়ে এসেছে। এখানে ২০০০-র বেশি গুণমানসম্পন্ন ওষুধ এবং ৩০০-র বেশি উন্নতমানের অস্ত্রোপচারের সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে। নিশ্চিত করা হয়েছে যে প্রতিটি ওষুধই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) দ্বারা সার্টিফাইড এবং উচ্চমানের ল্যাবরেটরি দ্বারা পরীক্ষিত।
Mousumi Halder
এখন সগুনা বাজারে সরকার অনুমোদিত 'প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জন ঔষধি কেন্দ্র' চালু হয়েছে। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রয়োজনীয় সমস্ত জীবনদায়ী ওষুধ বাজার মূল্যের তুলনায় ৫০% থেকে ৯০% পর্যন্ত কম দামে সংগ্রহ করতে পারবেন, যা তাদের জন্য আশার আলো নিয়ে এসেছে। এখানে ২০০০-র বেশি গুণমানসম্পন্ন ওষুধ এবং ৩০০-র বেশি উন্নতমানের অস্ত্রোপচারের সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে। নিশ্চিত করা হয়েছে যে প্রতিটি ওষুধই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) দ্বারা সার্টিফাইড এবং উচ্চমানের ল্যাবরেটরি দ্বারা পরীক্ষিত।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- কল্যাণীর গয়েশপুরে 'ডিম থেরাপি'র ঘটনা ঘটেছে, যেখানে তৃণমূল নেতা মিন্টু দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর নেপাল সাহা আক্রান্ত হয়েছেন।1
- তারাতলা বিপর্যয়ের শিকার হয়ে জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বাসুদেবপুর কদমতলা এলাকার বাসিন্দা ৫৩ বছর বয়সী স্বপন মন্ডলের মৃত্যুর খবর এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নামিয়েছে। মৃতের তালিকায় এবার স্বপন মন্ডলের নাম যুক্ত হওয়ায় বাসুদেবপুর কদমতলা এলাকায় শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জগদ্দলের বিধায়ক ডক্টর রাজেশ কুমার স্বপন মন্ডলের বাড়িতে গিয়ে তাঁর শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। বিধায়ক পরিবারটিকে সবসময় তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও জানান যে, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী মন্ডল পরিবারকে সব রকম সহযোগিতা করা হবে এবং সরকার সর্বদা তাদের পাশে থাকবে।2
- একজন যাত্রী পরিবহন পরিষেবা প্রদানকারী নিজেদের অঙ্গীকার তুলে ধরেছেন যে, যাত্রীকে সুরক্ষা দেওয়া তাঁদের ধর্ম। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য তাঁরা যাত্রী পরিবহন পরিষেবা দেন। সম্প্রতি, গড়িয়াহাট থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত একজন যাত্রীকে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই পরিষেবার জন্য P.H 9681485530 নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের কালনায় ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) অন্দরে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে, যা এক 'বিস্ফোরণ'-এর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এই অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার জেরে দলের কর্মীরা মণ্ডল সভাপতির অপসারণের দাবিতে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।1
- স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তাদের এলাকায় একটি পুকুর ছিল, যা বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই পুকুরটিকে পুনরায় পুকুরে পরিণত করার জন্য তাঁরা প্রাক্তন প্রধান গিরধারী সাহেবের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। বাসিন্দারা আরও জানিয়েছেন যে, তাঁরা এই বিষয়ে প্রাক্তন প্রধানকে চিঠি দেবেন।1
- ২৬ জুন, বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে একটি মাদকবিরোধী পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল। এই পদযাত্রায় শহরের বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষ এবং পুলিশ জেলার আধিকারিকরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। পদযাত্রাটি কৃষ্ণনগর শহরের রাজপথ পরিক্রমা করে, যা মাদকবিরোধী দিবস পালনের একটি অংশ হিসেবে আয়োজিত হয়।1
- রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ স্পষ্টভাষায় ঘোষণা করেছেন যে তারাতলার ঘটনায় জড়িত সমস্ত দোষী ব্যক্তি শাস্তি পাবে এবং কেউই রেহাই পাবে না। তিনি তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আইন বিরুদ্ধ কাজ করার অভিযোগ তুলেছেন এবং দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, সমস্ত আইনবিরুদ্ধ কাজের সম্পূর্ণ তদন্ত করা হবে এবং কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে, তিনি সকল স্তরের মানুষকে একত্রিত হয়ে একটি নতুন পশ্চিম বাংলা গড়ার জন্য হাত লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন। এই মন্তব্যগুলি তিনি বৃহস্পতিবার নৈহাটি পৌরসভার ঐকতান মঞ্চে ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপি আয়োজিত প্রবুদ্ধ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে করেন।2
- গয়েশপুর অঞ্চলে একসময় তৃণমূলের ত্রাস হিসেবে পরিচিত প্রাক্তন টাউন সভাপতি মিন্টু দে-কে তৃণমূলের যুব অফিসে বসে থাকতে দেখে সাধারণ মানুষ ও বিজেপি কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায়, চর-থাপ্পড় মারা হয়, মারধর করে তার গেঞ্জি খুলে নেওয়া হয় এবং শুরু হয় 'ডিম থেরাপি'। মিন্টু দে-র বিরুদ্ধে মানুষকে ভয় দেখানো, মারধর করা এবং সরকারি জমি বিক্রি করে লোক বসানোর মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তিনি গয়েশপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মরণ দে-র ভাই। এই ঘটনায় তৃণমূলের নেপাল নামে আরেকজনকেও সাধারণ মানুষ মারধর করে, তবে সে কোনোমতে সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচেন। অন্যদিকে, গতকাল রাতে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর টুম্পার বাড়িতে চড়াও হয় এলাকার প্রায় ৫০-৬০ জন লোক। পম্পার অভিযোগ, জনতা বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুর চালায়, জানালার কাঁচ ভেঙে দেয় এবং বাইরে রাখা মোটর বাইকও ভাঙচুর করে। সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও সেগুলিও ভেঙে ফেলা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।1