প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ, আবারও বিনষ্ট করা হলো অবৈধ আফিম চাষের জমি সম্প্রতি এক্সান ফর্মে এসে অবৈধ মাদক দ্রব্যের বিরুদ্ধে নড়ে চড়ে বসেছে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। মাদকদ্রব্য এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য মহিলাদের পাশে দাঁড়িয়ে গ্রামে গ্রামে গিয়ে তাঁদের বিশেষ বার্তা দিতে লক্ষ্য করা গিয়েছে। কখনো আবার বিভিন্ন দপ্তরে যৌথ প্রয়াসে মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে নামতে দেখা গিয়েছে। এরই মধ্যে সোমবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নড়ে চড়ে বসে বলরামপুর থানার পুলিশ। পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে বলরামপুরের পাহাড়তলী বেশ কয়েকটি দুর্গম এলাকায় গোপনে চলছে আফিম চাষ। বলরামপুর থানার পুলিশ, সাধারণ প্রশাসন, আবগারি, বনবিভাগ, ভূমি দফতর কে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে বলরামপুর ব্লকের অন্তর্গত প্রত্যন্ত পাহাড়তলী ভাঙ্গিডি, বাঘনা, বাঁধডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে কয়েক বিঘা জমির পোস্তু বা আফিম গাছ রোটার ট্রাক্টর দিয়ে বিনষ্ট করে ফেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যারাই এই অবৈধ কারবারের সাথে যুক্ত তাঁদের খুঁজে বের করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি বলরামপুর আবগারি সূত্রে জানা গিয়েছে জমি মালিকের বিরুদ্ধে এনডিপিএস ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, বলরামপুর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৌগত চৌধুরী, পুরুলিয়া ডেপুটি এক্স সাইজ কালেক্টর রবীন্দ্রনাথ জিৎ,বলরামপুর থানার আইসি অর্ণব গুহ, বলরামপুর আবগারি ওসি প্রশান্ত তন্তুবায়, আর আই অরূপ মাহাতো,বলরামপুর বনাঞ্চলের রেঞ্জার অর্পিতা কুন্ডু সহ অন্যান্য আধিকারিক ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মী সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী।
প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ, আবারও বিনষ্ট করা হলো অবৈধ আফিম চাষের জমি সম্প্রতি এক্সান ফর্মে এসে অবৈধ মাদক দ্রব্যের বিরুদ্ধে নড়ে চড়ে বসেছে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। মাদকদ্রব্য এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য মহিলাদের পাশে দাঁড়িয়ে গ্রামে গ্রামে গিয়ে তাঁদের বিশেষ বার্তা দিতে লক্ষ্য করা গিয়েছে। কখনো আবার বিভিন্ন দপ্তরে যৌথ প্রয়াসে মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে নামতে দেখা গিয়েছে। এরই মধ্যে সোমবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নড়ে চড়ে বসে বলরামপুর থানার পুলিশ। পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে বলরামপুরের পাহাড়তলী বেশ কয়েকটি দুর্গম এলাকায় গোপনে চলছে আফিম চাষ। বলরামপুর থানার পুলিশ, সাধারণ প্রশাসন, আবগারি, বনবিভাগ, ভূমি দফতর কে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে বলরামপুর ব্লকের অন্তর্গত প্রত্যন্ত পাহাড়তলী ভাঙ্গিডি, বাঘনা, বাঁধডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে কয়েক বিঘা জমির পোস্তু বা আফিম গাছ রোটার ট্রাক্টর দিয়ে বিনষ্ট করে ফেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যারাই এই অবৈধ কারবারের সাথে যুক্ত তাঁদের খুঁজে বের করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি বলরামপুর আবগারি সূত্রে জানা গিয়েছে জমি মালিকের বিরুদ্ধে এনডিপিএস ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, বলরামপুর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৌগত চৌধুরী, পুরুলিয়া ডেপুটি এক্স সাইজ কালেক্টর রবীন্দ্রনাথ জিৎ,বলরামপুর থানার আইসি অর্ণব গুহ, বলরামপুর আবগারি ওসি প্রশান্ত তন্তুবায়, আর আই অরূপ মাহাতো,বলরামপুর বনাঞ্চলের রেঞ্জার অর্পিতা কুন্ডু সহ অন্যান্য আধিকারিক ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মী সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী।
- বলরামপুর ব্লকের বড়উরমা অঞ্চল থেকে ১৬৪ নম্বর বুথে রাজনৈতিক সমীকরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেল। বড়উরমা অঞ্চলের অঞ্চল সভাপতি বিন্দাবন মাহাতোর নেতৃত্বে এবং বলরামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুমিত পান্ডার হাত ধরে বিজেপি ছেড়ে তৃনমূল কংগ্রেসে এ যোগদান করল প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি পরিবার। তৃণমূল সূত্রে জানা গেছে, এই যোগদান কর্মসূচিতে আনুমানিক ১৩০ থেকে ১৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলরামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুমিত পান্ডা সহ দলের অন্যান্য কর্মী ও নেতৃত্ব। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। অন্যদিকে, বিজেপির জেলা সেক্রেটারি বিরিঞ্চি কুমার এই যোগদানকে “পরিকল্পনাভাবে সাজানো ঘটনা” বলে দাবি করেছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই যোগদান আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির জন্য যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও এই রাজনৈতিক রদবদলের প্রকৃত প্রভাব কতটা পড়বে, তা বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই স্পষ্ট হবে বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।1
- যোগার কিছু মূহুর্ত চিত্র শেয়ার করলাম 🚩 🚩 🚩 🙏 🙏 🙏4
- জেলার প্রখ্যাত লোক শিল্পীদের মানপত্রসহ সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে। বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি সহ একাধিক ব্যক্তির উপস্থিতিতে বাড়িতে পৌঁছানো হচ্ছে মানপত্র। সে মতো বরাবাজার ব্লকের অন্তর্গত হে র বনা গ্রামের শংকর তন্তু বাইকে তার বাড়িতে গিয়ে মালপত্র এবং সংবর্ধনা প্রদান করে মানভূম কালচারাল একাডেমীর চেয়ারপারসন তথা। পুরুলিয়া জেলা পরিষদের পূর্ত কার্য ও পরিবহন স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ হংসেশ্বর মাহাতো। এদিন সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সুমিতা সিংহ মল্ল, সিন্দরী গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বিশ্বজিৎ মাহাতো, বরাবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মিনতি হাসদা ছাড়াও একাধিক ব্যক্তি1
- Post by Sangbadbangla24X71
- ২০২৬-২৭ বর্ষের ব্যাজেট পেশ হলো পুরুলিয়া জেলা পরিষদের, ২৫৮,৪৬,৭৭৪৩.৫১ টাকার কাজ হবে জেলার কুড়িটি ব্লকে, উপস্থিত জেলার নির্বাচিত জন প্রতিনিধিরা।1
- পুরুলিয়া জেলা পরিষদের প্রায় এ০ লক্ষ টাকা বরাদ্দে কমিউনিটি হলের উব্ধোধন হল সোমবার।1
- সোমবার দিন পুরুলিয়া জেলার মানবাজার বিধানসভার মানবাজারে আয়োজিত হল তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সভার অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মানবাজার বিধানসভার বিধায়িকা তথা পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়নমন্ত্রী সন্ধ্যা রানী টুডু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা সভাপতি গুরুপদ টুডু, সহ উপস্থিত ছিলেন মানবাজার এলাকার তিন নম্বর কংগ্রেসের অন্যান্য কর্মীরা।1
- কৃষকরা যাতে ন্যায্য মূল্যের বিনিময় তাদের ধান বিক্রি করতে পারে তার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে কৃষক বাজারে ধান বিক্রি করার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু অনেক সময় লক্ষ্য করা যায় কৃষকদের ধান বিক্রি করতে এসে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সম্প্রতি হঠাৎ ধান ক্রয় করার পরিমাণ কমে যাওয়ায় সমস্যার মুখে পড়েছে সাধারণ কৃষকেরা। বলরামপুর ব্লকের কৃষক বাজারে মঙ্গলবার ধান বিক্রি করতে এসে বেশ সমস্যার সম্মুখীন হয় কৃষকেরা। তাদের অভিযোগ, "আগে সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী আমাদের কাছ থেকে একবারে ৩০ কুইন্টাল ধান ক্রয় করা হতো। কিন্তু কোন নির্দেশিকা ছাড়াই ফোন মারফত গতকাল রাত্রিবেলা জানানো হয়, ৩০ কোনটেল এর জায়গায় এবার থেকে দশ কুইন্টাল ধান নেওয়া হবে। আমাদের ধান বিক্রয়ের জন্য দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। তাই আমরা ফোন পাওয়ার পূর্বেই আমাদের গাড়ি ধান নিয়ে কৃষক বাজারে চলে আসি। যার কারণে আমাদের বিশেষভাবে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়" অপরদিকে এ বিষয়ে বলরামপুর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৌগত চৌধুরী জানান,"গতকাল এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি মিটিং হয়। মিটিং এর পর এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে যে এবার থেকে এক দফায় ১০ কুইন্টাল করে ধান ক্রয় করা হবে। যদিও হঠাৎ সিদ্ধান্তের কারণে চাষিদের সমস্যা হয়েছে। তাই আজ যারা ধান নিয়ে এসেছেন, তাদের আবেদনের ভিত্তিতে আগের মতো ৩০ কুইন্টাল ধানই গ্রহণ করা হচ্ছে। কিন্তু এরপর আগামী সময়ে এক দফায় ১০ কুইন্টাল করেই ধান ক্রয় করা হবে, জমির পরিমাণ অনুসারে মেক্সিমাম ৯০ কুইন্টাল পর্যন্ত ধান ক্রয় করা হবে। আপাতত এই নিয়ম বহাল থাকবে।"1