Shuru
Apke Nagar Ki App…
গ্যাস সংকটে নৈহাটীর বড়ো মা'র মন্দিরে ভোগপ্রসাদ বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্যাস সিলিন্ডার অমিল।ভক্তদের পাত পেড়ে ভোগপ্রসাদ আর খাওয়ানো সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে আগামী সোমবার থেকে ভক্তদের জন্য প্রসাদ বিতরণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল নৈহাটী বড়ো মা ট্রাষ্টি বোর্ড। শুক্রবারই শেষ ভোগপ্রসাদ খাওয়ানো হয়। এদিন বড়ো মা কমিটির সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য বলেন, যে পরিমাণে ভোগ রান্না হয় তাতে মাসে কুড়ি থেকে পঁচিশটা বানিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার লাগে। গ্যাস সরবরাহকারিরা পাঁচটার বেশি দিতে পারবে না। ফলে বাধ্য হয়ে কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সোমবার থেকে ভক্তদের মধ্যে ভোগপ্রসাদ বিতরণ বন্ধ রাখা হবে। শুধুমাত্র অমাবস্যায় মাকে ভোগ নিবেদন করা হবে। পুনরায় গ্যাস পরিষেবা স্বাভাবিক হলে ভোগপ্রসাদ চালু হয়ে যাবে।
Sampa Dam Pal
গ্যাস সংকটে নৈহাটীর বড়ো মা'র মন্দিরে ভোগপ্রসাদ বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্যাস সিলিন্ডার অমিল।ভক্তদের পাত পেড়ে ভোগপ্রসাদ আর খাওয়ানো সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে আগামী সোমবার থেকে ভক্তদের জন্য প্রসাদ বিতরণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল নৈহাটী বড়ো মা ট্রাষ্টি বোর্ড। শুক্রবারই শেষ ভোগপ্রসাদ খাওয়ানো হয়। এদিন বড়ো মা কমিটির সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য বলেন, যে পরিমাণে ভোগ রান্না হয় তাতে মাসে কুড়ি থেকে পঁচিশটা বানিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার লাগে। গ্যাস সরবরাহকারিরা পাঁচটার বেশি দিতে পারবে না। ফলে বাধ্য হয়ে কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সোমবার থেকে ভক্তদের মধ্যে ভোগপ্রসাদ বিতরণ বন্ধ রাখা হবে। শুধুমাত্র অমাবস্যায় মাকে ভোগ নিবেদন করা হবে। পুনরায় গ্যাস পরিষেবা স্বাভাবিক হলে ভোগপ্রসাদ চালু হয়ে যাবে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- দেশ জুড়ে ক্রমশ বাড়তে থাকা রান্নার গ্যাসের সঙ্কট এবং মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। বিরোধীদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে আগাম কোনো পরিকল্পনা করতে পারেনি কেন্দ্রীয় সরকার। এই ইস্যুকে সামনে রেখেই শুক্রবার সকালে সংসদ ভবনের বাইরে প্রতিবাদে সামিল হন Kakoli Ghosh Dastidar সহ ইন্ডিয়া ব্লকের বিভিন্ন দলের সাংসদরা। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরাও এই বিক্ষোভে যোগ দেন এবং কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা আগেই ছিল। কিন্তু সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প আমদানির ব্যবস্থা বা দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নির্ধারণে ব্যর্থ হয়েছে Narendra Modi-র নেতৃত্বাধীন সরকার। সাংসদদের বক্তব্য, রান্নার গ্যাস সাধারণ মানুষের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রয়োজনীয় সামগ্রী। অথচ সরবরাহের ঘাটতির পাশাপাশি হঠাৎ করেই দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। বিরোধী সাংসদদের দাবি, কেন্দ্রের এই নীতির ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ। এই পরিস্থিতিতে সংসদ ভবনের বাইরে দাঁড়িয়েই কেন্দ্রের কাছে একাধিক প্রশ্ন তোলেন ইন্ডিয়া ব্লকের সাংসদরা। কেন আগাম বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস আমদানির ব্যবস্থা করা হল না? কেন সাধারণ মানুষের ঘাড়ে বাড়তি আর্থিক বোঝা চাপিয়ে গ্যাসের দাম বাড়ানো হল? প্রতিবাদকারীরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, এই বিষয়ে দেশের মানুষের কাছে জবাবদিহি করতেই হবে কেন্দ্রকে। তাদের দাবি, অবিলম্বে রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এই ঘটনাকে ঘিরে সংসদ চত্বরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।3
- AL ALAMIN SK1
- Post by JBP NEWS BANGLA1
- Post by Kolkata News Times1
- মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ফোন পেলেন বেহালার লেখক পিন্টু পোহান1
- চৈতন্য মহাপ্রভুর পাদুকা নিয়ে উৎসবে মাতোয়ারা রানাঘাট পূর্ব পাড়ের একাংশ1
- দীর্ঘদিনের অবহেলা, ভাঙাচোরা রাস্তা আর প্রতিদিনের দুর্ভোগ—অবশেষে সেই কঠিন সময় থেকে মুক্তি পেতে চলেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। উত্তর ২৪ পরগনার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পথ মসলন্দপুর–বসিরহাট রোড সংস্কারের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে, যার ফলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বহু বছর ধরে এই রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় পড়ে ছিল। বড় বড় গর্ত, ভাঙা পিচ এবং বর্ষার সময় জল জমে থাকা—সব মিলিয়ে প্রতিদিনের যাতায়াত হয়ে উঠেছিল অত্যন্ত কষ্টকর ও ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে স্কুল পড়ুয়া, কর্মজীবী মানুষ, রোগী নিয়ে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্স কিংবা ব্যবসায়ীদের জন্য এই রাস্তা ছিল চরম ভোগান্তির কারণ। স্থানীয়দের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। বহুবার প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল রাস্তাটি সংস্কারের জন্য। অবশেষে সেই দাবির ফল মিলতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই রাস্তায় সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে তৈরি হয়েছে আশার আলো। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই রাস্তা শুধু একটি সাধারণ পথ নয়, বরং মসলন্দপুর ও বসিরহাট সহ আশেপাশের একাধিক এলাকার মানুষের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। তাই রাস্তাটি ভালোভাবে সংস্কার হলে যাতায়াত যেমন সহজ হবে, তেমনি এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এলাকার মানুষের আশা, দ্রুতগতিতে কাজ শেষ করে নতুন করে তৈরি হবে একটি মসৃণ ও নিরাপদ রাস্তা। বহুদিনের ভোগান্তির পর অবশেষে শুরু হওয়া এই সংস্কার কাজ যেন সত্যিই এলাকার মানুষের জীবনে স্বস্তি ও উন্নয়নের নতুন অধ্যায় নিয়ে আসে—এটাই এখন সবার প্রত্যাশা।1
- Post by Kolkata News Times1
- Post by JBP NEWS BANGLA1