অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ছড়িয়ে থাকা নানা বিভ্রান্তি দূর করতে, ১লা জুন থেকে টাকা পাওয়ার আগে প্রকৃত তথ্য জেনে নেওয়া জরুরি। পাড়ার চায়ের দোকান বা হোয়াটসঅ্যাপের ভুল তথ্যে কান দিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে, এই নিয়মাবলী ভালো করে মিলিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে কোনো যোগ্য ব্যক্তি সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন। এই যোজনার জন্য শুধুমাত্র ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারাই যোগ্য। যাদের বয়স ২৫ বছরের কম বা ৬০ বছরের বেশি, তারা এই সুবিধা পাবেন না। স্বামীর বা পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের (বাবা, দাদা, ভাই, মা, বোন) আয় বা সরকারি/বেসরকারি চাকরি, এমনকি তাদের আয়কর দেওয়াও স্ত্রীর টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা হবে না। তবে, মূল শর্ত হলো, আবেদনকারী মহিলার নিজের যেন কোনো সরকারি ফিক্সড বেতনের চাকরি বা নিজস্ব আয়কর দেওয়ার মতো উপার্জন না থাকে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে মহিলারা এই অনুদান পাবেন না। যে মহিলারা বর্তমানে কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার, সরকারি স্কুল, পঞ্চায়েত বা মিউনিসিপ্যালিটির অধীনে কোনো ফিক্সড বেতনে চাকরি করেন, তারা অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। যারা সরকারি চাকরি থেকে সরাসরি পেনশন পান, তারাও টাকা পাবেন না। এছাড়াও, বেসরকারি চাকরি বা নিজস্ব ব্যবসা (যেমন দোকান, বুটিক) থেকে যাদের বছরে ১২ লক্ষ টাকার বেশি আয় হয় এবং যারা আয়কর (Income Tax) দেন, তারা ₹৩০০০ টাকা পাবেন না। তবে, ব্যবসা বা চাকরি থাকা সত্ত্বেও যদি কারও আয় করের স্ল্যাবের নিচে থাকে এবং তিনি আয়কর না দেন, তাহলে তিনি অবশ্যই টাকা পাওয়ার যোগ্য হবেন। পেনশন সংক্রান্ত নিয়মে বলা হয়েছে, যদি স্বামীর জীবিত অবস্থায় তিনি পেনশন পান এবং স্ত্রী গৃহবধূ হন, সেক্ষেত্রে স্ত্রী অবশ্যই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাবেন। কিন্তু স্বামীর অবর্তমানে স্ত্রী যদি তাঁর জায়গায় সরাসরি 'ফ্যামিলি পেনশন' নিজের নামে পান, তাহলে তিনি এই যোজনার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। নাগরিকত্ব এবং বিশেষ ছাড়ের ক্ষেত্রে, ২০২৬ সালের এসআইআর (SIR)-এ যাদের নাম বৈধ নাগরিক হিসেবে বাতিল হয়েছে, তারা টাকা পাবেন না। তবে দুটি বিশেষ ছাড় রয়েছে: যারা সিএএ (CAA)-তে আবেদন করেছেন (যদিও সার্টিফিকেট এখনও পাননি), তারা টাকা পাবেন; এবং যাদের নাম ভুলবশত এসআইআর-এ ওঠেনি বা বাতিল হয়েছে এবং তারা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, তারাও টাকা পাওয়ার যোগ্য। অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য নতুন করে আবেদন করা বাধ্যতামূলক। যারা এতদিন ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর টাকা পাচ্ছিলেন, তারাও ‘অন্নপূর্ণা যোজনা ভাণ্ডার’-এর ₹৩০০০ টাকা পেতে নতুন করে আবেদন করতে হবে। যারা আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাননি বা যাদের সবেমাত্র ২৫ বছর বয়স হলো, তারা অনলাইন পোর্টালে নিজে অথবা সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে নতুন প্রাপক হিসেবে আবেদন করতে পারবেন। ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে দুটি জরুরি কাজ সম্পন্ন করতে হবে: যে অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে, সেটির সাথে আধার কার্ড লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক, যাতে কোনো ভুতুড়ে অ্যাকাউন্ট আপনার টাকা না নিতে পারে। এছাড়াও, একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকলে, যে অ্যাকাউন্টে সরকারি সুবিধা পেতে চান, সেই অ্যাকাউন্টে ব্যাংকে গিয়ে ‘ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার’ বা ডিবিটি (DBT) অপশনটি চালু করে নিতে হবে, যা মাত্র কয়েক মিনিটের কাজ।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ছড়িয়ে থাকা নানা বিভ্রান্তি দূর করতে, ১লা জুন থেকে টাকা পাওয়ার আগে প্রকৃত তথ্য জেনে নেওয়া জরুরি। পাড়ার চায়ের দোকান বা হোয়াটসঅ্যাপের ভুল তথ্যে কান দিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে, এই নিয়মাবলী ভালো করে মিলিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে কোনো যোগ্য ব্যক্তি সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন। এই যোজনার জন্য শুধুমাত্র ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারাই যোগ্য। যাদের বয়স ২৫ বছরের কম বা ৬০ বছরের বেশি, তারা এই সুবিধা পাবেন না। স্বামীর বা পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের (বাবা, দাদা, ভাই, মা, বোন) আয় বা সরকারি/বেসরকারি চাকরি, এমনকি তাদের আয়কর দেওয়াও স্ত্রীর টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা হবে না। তবে, মূল শর্ত হলো, আবেদনকারী মহিলার নিজের যেন কোনো সরকারি ফিক্সড বেতনের চাকরি বা নিজস্ব আয়কর দেওয়ার মতো উপার্জন না থাকে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে মহিলারা এই অনুদান পাবেন না। যে মহিলারা বর্তমানে কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার, সরকারি স্কুল, পঞ্চায়েত বা মিউনিসিপ্যালিটির অধীনে কোনো ফিক্সড বেতনে চাকরি করেন, তারা অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। যারা সরকারি চাকরি থেকে সরাসরি পেনশন পান, তারাও টাকা পাবেন না। এছাড়াও, বেসরকারি চাকরি বা নিজস্ব ব্যবসা (যেমন দোকান, বুটিক) থেকে যাদের বছরে ১২ লক্ষ টাকার বেশি আয় হয় এবং যারা আয়কর (Income Tax) দেন, তারা ₹৩০০০ টাকা পাবেন না। তবে, ব্যবসা বা চাকরি থাকা সত্ত্বেও যদি কারও আয় করের স্ল্যাবের নিচে থাকে এবং তিনি আয়কর না দেন, তাহলে তিনি অবশ্যই টাকা পাওয়ার যোগ্য হবেন। পেনশন সংক্রান্ত নিয়মে বলা হয়েছে, যদি স্বামীর জীবিত অবস্থায় তিনি পেনশন পান এবং স্ত্রী গৃহবধূ হন, সেক্ষেত্রে স্ত্রী অবশ্যই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাবেন। কিন্তু স্বামীর অবর্তমানে স্ত্রী যদি তাঁর জায়গায় সরাসরি 'ফ্যামিলি পেনশন' নিজের নামে পান, তাহলে তিনি এই যোজনার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। নাগরিকত্ব এবং বিশেষ ছাড়ের ক্ষেত্রে, ২০২৬ সালের এসআইআর (SIR)-এ যাদের নাম বৈধ নাগরিক হিসেবে বাতিল হয়েছে, তারা টাকা পাবেন না। তবে দুটি বিশেষ ছাড় রয়েছে: যারা সিএএ (CAA)-তে আবেদন করেছেন (যদিও সার্টিফিকেট এখনও পাননি), তারা টাকা পাবেন; এবং যাদের নাম ভুলবশত এসআইআর-এ ওঠেনি বা বাতিল হয়েছে এবং তারা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, তারাও টাকা পাওয়ার যোগ্য। অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য নতুন করে আবেদন করা বাধ্যতামূলক। যারা এতদিন ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর টাকা পাচ্ছিলেন, তারাও ‘অন্নপূর্ণা যোজনা ভাণ্ডার’-এর ₹৩০০০ টাকা পেতে নতুন করে আবেদন করতে হবে। যারা আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাননি বা যাদের সবেমাত্র ২৫ বছর বয়স হলো, তারা অনলাইন পোর্টালে নিজে অথবা সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে নতুন প্রাপক হিসেবে আবেদন করতে পারবেন। ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে দুটি জরুরি কাজ সম্পন্ন করতে হবে: যে অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে, সেটির সাথে আধার কার্ড লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক, যাতে কোনো ভুতুড়ে অ্যাকাউন্ট আপনার টাকা না নিতে পারে। এছাড়াও, একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকলে, যে অ্যাকাউন্টে সরকারি সুবিধা পেতে চান, সেই অ্যাকাউন্টে ব্যাংকে গিয়ে ‘ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার’ বা ডিবিটি (DBT) অপশনটি চালু করে নিতে হবে, যা মাত্র কয়েক মিনিটের কাজ।
- সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ডিজে বাজালে মাইক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা করেছেন ঘাটাল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক মৃণাল কান্তি শিকদার। শব্দ দূষণের দানব থেকে এলাকার মানুষজনকে রক্ষা করতে পুলিশের এই উদ্যোগে ওসিকে 'দাবাং মুডে' দেখা গিয়েছে। পুলিশের এই কঠোর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান লাল্টু চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। পদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে চাকরি দেওয়ার নামে তিনি বহু মানুষের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা তুলেছেন বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, শুধু চাকরির নাম করে প্রতারণা নয়, টাকা ফেরত চাইতে গেলে অভিযোগকারীকে মারধরও করা হয়েছে। এই ঘটনায় দাসপুর থানার অভিযোগ দায়ের করেছেন দাসপুরের লাওদা গ্রামের বাসিন্দা রাজকুমার মাইতি। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত তৃণমূল প্রধান লাল্টু চক্রবর্তী উধাও হয়েছেন, এবং গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের প্রধানের চেয়ারটিও ফাঁকা রয়েছে।2
- অভিষেক ব্যানার্জি সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভার এক নিহত কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে গিয়েছিলেন।1
- সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার নিহত কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে দেখা করতে গেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জনতা ঘিরে ধরে। এসময় জনতার সঙ্গে তাঁর চরম ধস্তাদ্ধতি হয়। এই ঘটনা প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া শোনার কথা বলা হয়েছে।1
- সাধারণ মানুষের কাছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা আরও সহজে পৌঁছে দিতে হুগলি জেলার প্রশাসন একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। শনিবার জেলার গোঘাট বিধানসভার কুমুড়শা গ্রাম পঞ্চায়েতের পাতুলসাঁড়া গ্রামে একটি ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। সেখানে পঞ্চায়েত কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রকল্পের ফর্ম পৌঁছে দিচ্ছেন এবং আবেদনকারীদের ফর্ম পূরণে সরাসরি সহায়তা করছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু ফর্ম বিলিই নয়, কোনো মানুষ যাতে আবেদন করতে গিয়ে কোনো সমস্যায় না পড়েন, সেই দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে স্থানীয় বাসিন্দারা অত্যন্ত খুশি। তাদের মতে, এর ফলে সরকারি পরিষেবা পাওয়া আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে।1
- সারভাইক্যাল ক্যান্সার প্রতিরোধে রাজ্যজুড়ে HPV টিকা কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সী মেয়েদের টিকাকরণ। এই কর্মসূচী তিনমাস ধরে চলবে। এর অংশ হিসেবে, আজ কোলাঘাটের পাইকপাড়ি ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও টিকাকরণ কর্মসূচী পালিত হয়। এই অনুষ্ঠানে কোলাঘাটের বিএমওএইচ ডা. সাম্য ভৌমিক, কোলাঘাট ব্লকের বিডিও অমিত কুমার চাঁদ এবং পূর্ব পাঁশকুড়া বিধানসভার বিধায়ক সুব্রত মাইতি উপস্থিত ছিলেন। আজকের দিনে মোট দশ জন এই HPV টিকা গ্রহণ করেছেন।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান লাল্টু চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, পদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি এই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। দাসপুর থানায় এই সংক্রান্ত একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দাসপুরের লাওদা গ্রামের বাসিন্দা রাজকুমার মাইতি এই অভিযোগ দায়ের করেছেন। রাজকুমার মাইতি জানিয়েছেন যে, তাঁকে হাসপাতালের গ্রুপ ডি পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য মোট ১৪ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা হয়েছিল। এই চুক্তি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর তিনি অভিযুক্ত প্রধানকে ১ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা দেন। রাজকুমার মাইতির অভিযোগ, পরে যখন তিনি নিজের টাকা ফেরত চাইতে যান, তখন তাঁকে মারধরও করা হয়। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা লাল্টু বাবু নিখোঁজ রয়েছেন। বর্তমানে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের প্রধানের চেয়ারও ফাঁকা।1
- একটি জনসভা বা কর্মসূচির সময় হঠাৎই বিক্ষোভ ও বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশের এই বিক্ষোভের মাঝে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে, সেখানে উপস্থিত প্রবীণ সাংবাদিক উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়কে বুম হাতে সামনে এগিয়ে আসতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিগুলিতে দাবি করা হচ্ছে যে, উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার অথবা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আড়াল করার চেষ্টা করছিলেন। তবে ঘটনাটি সম্পর্কে বিভিন্ন পক্ষের ভিন্ন ভিন্ন দাবি রয়েছে, যা তুমুল বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কী কারণে এই উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, আদৌ কোনো হামলার চেষ্টা হয়েছিল কি না, এবং সাংবাদিকের ভূমিকা ঠিক কী ছিল—এসব বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এই পুরো ঘটনাটির সঠিক ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য বর্তমানে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।1