Shuru
Apke Nagar Ki App…
হুগলি জেলার ধনেখালিতে ভারতীয় জনতা পার্টির একটি বিশাল বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মিছিলে দলের কর্মী ও সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস চোখে পড়েছে।
Hooghly Digital”
হুগলি জেলার ধনেখালিতে ভারতীয় জনতা পার্টির একটি বিশাল বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মিছিলে দলের কর্মী ও সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস চোখে পড়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- হুগলির শ্রীরামপুর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের টেক্সটাইল কলেজের বিপরীতে অবস্থিত একটি পার্কে সন্ধ্যা নামলেই ছেলে ও মেয়েদের অশালীন কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, পার্কটিতে 'চুম্মা চাটি' থেকে শুরু করে আরও জঘন্যতম কাজ চলে। পার্কটিতে আলোর কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এটি সর্বদা অন্ধকারে ডুবে থাকে, যা এই ধরনের কার্যকলাপের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে বলে অভিযোগকারীরা মনে করছেন। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই এবং তারা সম্পূর্ণ নির্বিকার। এমনকি, পুলিশ সন্ধ্যাবেলা এসে একবার চক্কর দিয়ে চলে যাওয়ার পর অশালীন কার্যকলাপ পুনরায় শুরু হয়ে যায়। এই কারণে পরিবার এবং ছোট বাচ্চাদের নিয়ে পার্কে আসা সাধারণ মানুষকে চরম বিব্রত হতে হয় এবং তারা এই নোংরামোর জন্য তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছেন। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে আগামী দিনে থানায় লিখিত অভিযোগ জানানোর উদ্দেশ্যে আলোচনা করেছেন।1
- নৈহাটি পৌরসভা আয়োজিত এক 'প্রবুদ্ধ সম্মেলন' অনুষ্ঠানে ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলায় উৎসবের মেজাজ দেখা গেল। এই সম্মেলনে বহু বিজেপি কর্মী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন, যা অনুষ্ঠান হলটিকে দীর্ঘদিন পর এক মিলনমেলার রূপ দেয়। অনুষ্ঠানে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী, এবং নৈহাটির বিধায়ক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, নৈহাটির বিধায়ক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য। এছাড়াও ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ এবং অন্যান্য পদাধিকারীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের খাদ্য তালিকায় চা এবং ঝাল মুড়ি পরিবেশন করা হয়। এই সম্মেলনকে ঘিরে পুরো অনুষ্ঠানটিই একটি উৎসবের আকার ধারণ করে।1
- তারাতলা বিপর্যয়ের শিকার হয়ে জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বাসুদেবপুর কদমতলা এলাকার বাসিন্দা ৫৩ বছর বয়সী স্বপন মন্ডলের মৃত্যুর খবর এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নামিয়েছে। মৃতের তালিকায় এবার স্বপন মন্ডলের নাম যুক্ত হওয়ায় বাসুদেবপুর কদমতলা এলাকায় শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জগদ্দলের বিধায়ক ডক্টর রাজেশ কুমার স্বপন মন্ডলের বাড়িতে গিয়ে তাঁর শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। বিধায়ক পরিবারটিকে সবসময় তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও জানান যে, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী মন্ডল পরিবারকে সব রকম সহযোগিতা করা হবে এবং সরকার সর্বদা তাদের পাশে থাকবে।2
- পোস্টটিতে জোরালো প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে বাংলায় কি সত্যিই কোনো কার্যকর বিরোধী দলের অস্তিত্ব নেই, নাকি আসল বিরোধী হলো সাধারণ মানুষের নীরবতা। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে, সমস্ত দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে নিজেদের কথা বলতে এবং নিজেদের আওয়াজ তোলার জন্য একটি স্পষ্ট ও জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- এক বিজেপি বিধায়ক সোশ্যাল মিডিয়ায় খু*নে*র হুমকি দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।1
- অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) নিয়ে মুখ খুলেছেন ত্বহা সিদ্দিকী, যেখানে তিনি 'এক দেশ - এক আইন' ধারণার প্রয়োগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন। সিদ্দিকী সরাসরি জিজ্ঞাসা করেছেন যে, যদি সত্যিই দেশে 'এক দেশ - এক আইন' কার্যকর হয়, তাহলে কীভাবে বাংলায় কোরবানি নিষিদ্ধ করা হচ্ছে অথচ অন্য রাজ্যগুলিতে গো-হত্যা অব্যাহত রয়েছে। তাঁর এই মন্তব্য অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট অসঙ্গতি তুলে ধরেছে।1
- রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ স্পষ্টভাষায় ঘোষণা করেছেন যে তারাতলার ঘটনায় জড়িত সমস্ত দোষী ব্যক্তি শাস্তি পাবে এবং কেউই রেহাই পাবে না। তিনি তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আইন বিরুদ্ধ কাজ করার অভিযোগ তুলেছেন এবং দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, সমস্ত আইনবিরুদ্ধ কাজের সম্পূর্ণ তদন্ত করা হবে এবং কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে, তিনি সকল স্তরের মানুষকে একত্রিত হয়ে একটি নতুন পশ্চিম বাংলা গড়ার জন্য হাত লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন। এই মন্তব্যগুলি তিনি বৃহস্পতিবার নৈহাটি পৌরসভার ঐকতান মঞ্চে ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপি আয়োজিত প্রবুদ্ধ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে করেন।2
- মন্ত্রী দীপঙ্কর জানা বজবজের জিমস হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।1
- আউশগ্ৰামের এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা এবং তাঁর যুবনেতা ছেলেকে অবশেষে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তাদের থানা থেকে বের করার সময়েই 'ডিম থেরাপি' দেওয়া হয়, অর্থাৎ জনতা ডিম ছুঁড়ে মারে।1