Shuru
Apke Nagar Ki App…
চন্দননগরের BJP প্রার্থী দীপাঞ্জন গুহ ঠিকমত প্রচার না করা এবং TMC এর সাথে হাত মিলিয় নেওয়া, কর্মীদের সাথে ঠিকমতো তালমেল বসিয়ে কাজ না করা, দেওয়াল লেখার টাকা প্রচারের টাকা আত্মসাৎ করা এই ধরনের নানান অভিযোগে চন্দননগরের বুথ লেভেল কর্মীদের বিরোধের সম্মুখিন হতে হলো চন্দননগরে প্রচারে এসে। বিপুল সংখ্যক কর্মীরা একত্রিত হন এই বিরোধে, তারা দীপাঞ্জন গুহকে দেখে পঁচা ডিম অবদি ছুড়ে মারেন,পরিস্থিতি বেসামাল দেখে পালিয়ে যান দীপাঞ্জন গুহ, এবং পরে থানায় ৩০৭ ধারায় চন্দননগরের BJP এর বুথ লেভেল কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান এবং নিজের কর্মীদেরই জেল হাজত করান। 2 জন তপশিলি জাতির ছেলেকে মিথ্যা মালমায় জেল হাজত করানো হয়েছে যারা চন্দননগর বিধানসভার BJP যুবমোর্চার পদে আছে
Kolkata News Times
চন্দননগরের BJP প্রার্থী দীপাঞ্জন গুহ ঠিকমত প্রচার না করা এবং TMC এর সাথে হাত মিলিয় নেওয়া, কর্মীদের সাথে ঠিকমতো তালমেল বসিয়ে কাজ না করা, দেওয়াল লেখার টাকা প্রচারের টাকা আত্মসাৎ করা এই ধরনের নানান অভিযোগে চন্দননগরের বুথ লেভেল কর্মীদের বিরোধের সম্মুখিন হতে হলো চন্দননগরে প্রচারে এসে। বিপুল সংখ্যক কর্মীরা একত্রিত হন এই বিরোধে, তারা দীপাঞ্জন গুহকে দেখে পঁচা ডিম অবদি ছুড়ে মারেন,পরিস্থিতি বেসামাল দেখে পালিয়ে যান দীপাঞ্জন গুহ, এবং পরে থানায় ৩০৭ ধারায় চন্দননগরের BJP এর বুথ লেভেল কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান এবং নিজের কর্মীদেরই জেল হাজত করান। 2 জন তপশিলি জাতির ছেলেকে মিথ্যা মালমায় জেল হাজত করানো হয়েছে যারা চন্দননগর বিধানসভার BJP যুবমোর্চার পদে আছে
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by সরলা কুসুমুনডি থানা1
- দেগঙ্গার বিভিন্ন প্রান্তে নির্বাচনী প্রচারে ISF প্রার্থী মফিদুল হক সাহাজি (মিন্টু ,সাহাজি) সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় জন সংযোগ গড়ে তুলেছেন #News #ISF #CPIM1
- আমতলা মির্জানগর1
- ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবরা থানার অন্তর্গত বেলঘড়িয়া মোড় এলাকায়। জানা যায় নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে চলছে নাকা চেকিং আর সেই চেকিং উদ্ধার হল লক্ষাধিক টাকা। গাড়িতে থাকা আরোহীরা টাকার উৎস কি তা সৎ উত্তর দিতে পারেনি প্রশাসনকে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে টাকাগুলোকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।1
- ভোটের নমিনেশন জমা দেওয়ার পর থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার হাবরা বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এবার সরাসরি আক্রমণের নিশানায় এলেন হাবরা পৌরসভার চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী দেবদাস মন্ডল। বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, হাবরা পৌরসভায় দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি চলছে, যার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত রয়েছেন চেয়ারম্যান। সাধারণ মানুষের উন্নয়নের নামে বরাদ্দ অর্থের সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি, এলাকায় স্বচ্ছ প্রশাসনের অভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন দেবদাস মন্ডল। তিনি আরও জানান, ক্ষমতায় এলে এই সমস্ত দুর্নীতির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার উদ্দেশ্যেই এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাবরা বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। #Habra #bjp #Tmc #Today1
- Post by Z News.1
- এদিন শিমুলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে জনসংযোগ করলেন গাইঘাটা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নরত্তম বিশ্বাস জনসংযোগে মহিলাদের ছিল উপচে পড়া ভিড়। স্থানীয়দের অভিযোগ তারা দীর্ঘদিন বিজেপি বিধায়ক তথা বর্তমানে গাইঘাটা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সুব্রত ঠাকুরকে এলাকায় দেখতে পাননি তাই তারা নরোত্তম বিশ্বাসের পাশে আছেন এমনই আশ্বাস দেন এলাকাবাসীরা।1
- কদমগাছি থেকে সরাসরি পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী ভাইজান SIR কি বললেন জেনে নিন । সংযুক্ত মোর্চা যেখানে যেখানে প্রার্থী দিয়েছে আত্মীয়-স্বজনকে বলে দিন সাপোর্ট করে পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী ভাইজানের হাতকে শক্ত করতে এবং দেগঙ্গা বিধানসভার ISF প্রার্থী মিন্টু সাহাজি #News#ISf #Cpim#Jiotvnews1
- হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি প্রার্থী দেবদাস মন্ডল। এক জনসভা থেকে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে মৌলবাদী শক্তির কাছে নতিস্বীকার করেছে এবং রাজ্য আজ “মৌলবাদীদের আখড়া”-য় পরিণত হয়েছে। দেবদাস মন্ডল বলেন, “এক সময় এই বাংলা সারা ভারতকে পথ দেখাতো। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল রাজ্য। কিন্তু বর্তমানে সেই গৌরব আর নেই। এখন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।” তিনি আরও দাবি করেন, রাজ্যে সুশাসন ফিরিয়ে আনতে পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে উন্নয়ন ও নিরাপত্তা—এই দুই দিকেই জোর দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। অন্যদিকে, এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পাল্টা দাবি করা হয়েছে, বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে এবং বিভাজনের রাজনীতি করছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই হাবড়া সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়ে উঠছে।1