নিছকই হানি ট্রাপ কিম্বা ভিআইপি গতিবিধির উপর নজরদারীতেই সীমাবদ্ধ ছিল বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার হওয়া জঙ্গী হামিমের? নাকি আরও কোন দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল সে..উত্তর খুঁজবে তদন্তকারীরা সুজিত দত্ত, বর্ধমানঃ ভিআইপি নজরদারি ও ‘হানি ট্র্যাপ’-এর ছক করাই কি কাজ ছিল? নাকি আরও বড় ষড়যন্ত্রের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিল বর্ধমানের রেনেঁসা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া 'জঙ্গী' হামিমের? ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজত নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে চাইবে তদন্তকারীরা। এদিকে ১২ বছর আগে বর্ধমানের খাগড়াগড় কান্ডের পর ফের আতঙ্ক শুরু হয়েছে বর্ধমানে। তবে কি বর্ধমানকেও নিরাপদ আশ্রয়স্থল মনে করছে জঙ্গীরা। প্রশাসনিক নজরদারী এড়িয়ে পূর্ব বর্ধমানের গ্রাম থেকে তুলে আনা হচ্ছে সংখ্যালঘু যুবকদের? কিন্তু কিসের প্রলোভনে পা দিচ্ছে সংখ্যালঘু যুবকরা? মোটা টাকা কিম্বা অন্য কোন প্রলোভনে পা দিচ্ছে তারা? নাকি ধর্নান্ধতার জন্য দেশ ভুলে ধার্মিক মগজ ধোলাই এর শিকার তারা? উল্লেখ্য, বর্ধমানে জঙ্গী ধরা পরার পর কিন্তু নড়ে চড়ে বসেছে প্রশাসন। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার গোলাপবাগের একটি জিম কেন্দ্র থেকে বর্ধমানের রেনেসাঁ আবাসনের ভাড়াটিয়া মহম্মদ হামিম মণ্ডল ওরফে হামিম ফুয়েগোকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে একাধিক বিস্ফোরক দাবি করেছে পশ্চিমবঙ্গ স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। আদালতে জমা দেওয়া নথিতে তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, ধৃত যুবক পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-যোগযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সীমান্তপারের একটি গুপ্তচরবৃত্তি ও অপরাধচক্রের হয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছিল। আদালত ধৃতকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তবে তদন্তকারী সংস্থার আনা সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি। এসটিএফ সূত্রের দাবি, ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া একটি আইফোন ১৬ প্রো মোবাইল ফোনের এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, তিনি পাকিস্তান-ভিত্তিক 'রানা' নামে এক হ্যান্ডলারের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে একটি স্থানীয় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কাজে যুক্ত ছিলেন। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, ওই নেটওয়ার্কের উদ্দেশ্য ছিল ভিআইপি, রাজনৈতিক নেতা, সংরক্ষিত ব্যক্তি এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা চিহ্নিত করা এবং সেই তথ্য সীমান্তপারে পাঠানো। তদন্তে আরও উঠে এসেছে বলে এসটিএফের দাবি, বিষয়টি শুধুমাত্র নজরদারিতে সীমাবদ্ধ ছিল না। আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের অপহরণের পরিকল্পনা এবং রাজনৈতিক নেতাদের লক্ষ্য করে হামলার ছক নিয়েও আলোচনা চলছিল। ধৃতের মোবাইল ফোনে আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ সংক্রান্ত নির্দেশের উল্লেখ মিলেছে বলেও আদালতে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। আদালতে জমা দেওয়া নথিতে আরও দাবি করা হয়েছে, ঝাড়খণ্ডের এক মহিলাকে ‘হানি ট্র্যাপ’ অপারেশনে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল। তার মাধ্যমে প্রভাবশালী ব্যক্তি ও তাদের আত্মীয়দের টার্গেট করার চেষ্টা চলছিল বলেও এসটিএফের অভিযোগ। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ধৃতের প্রকৃত পরিচয় এখনও নিশ্চিত নয়। তিনি নিজেকে মহম্মদ হামিম মণ্ডল ওরফে হামিম ফুয়েগো বলে পরিচয় দিলেও এই পরিচয় ভুয়ো কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসটিএফের আরও দাবি, তিনি কাশ্মীরের বাসিন্দা এবং পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ-এর সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি পুলওয়ামা হামলার অন্যতম অভিযুক্ত সাজ্জাদ ভাটের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংস্থার দাবি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার রেনেসাঁ কমপ্লেক্সের একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, বর্ধমানে আসার আগে তিনি হাওড়ার পিলখানায় দর্জির কাজ করতেন এবং পরে কলকাতার নিউটাউনের একটি আবাসনে ভাড়া থাকতেন। তদন্তকারীদের দাবি, সেই আবাসনটি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বাসস্থানের খুব কাছাকাছি ছিল। ধৃতের মোবাইল ফোন থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, যাতায়াতের রুট এবং বিভিন্ন লোকেশন-সংক্রান্ত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে এসটিএফ সূত্রের দাবি। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজরদারি চালিয়ে সেই তথ্য কাশ্মীরে থাকা জঙ্গি চক্রের কাছে পাঠানো হতো এবং তার বিনিময়ে ধৃত নিয়মিত অর্থ পেত। এসটিএফের দাবি, হাওড়া ও বর্ধমান—দুই জায়গা থেকেই এই নেটওয়ার্ক পরিচালিত হতো। এই ঘটনায় হামিম ছাড়াও আরও কয়েকজনের যোগ থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তাদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। পাশাপাশি কাশ্মীরে ধৃতের সম্ভাব্য ঠিকানায় তদন্তকারী দল পাঠানোর প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিকে, ধৃতের জামিনের বিরোধিতা করে এসটিএফ আদালতে জানায়, তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং গোটা চক্রের পর্দাফাঁস করতে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা অত্যন্ত জরুরি। সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত তাঁকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
নিছকই হানি ট্রাপ কিম্বা ভিআইপি গতিবিধির উপর নজরদারীতেই সীমাবদ্ধ ছিল বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার হওয়া জঙ্গী হামিমের? নাকি আরও কোন দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল সে..উত্তর খুঁজবে তদন্তকারীরা সুজিত দত্ত, বর্ধমানঃ ভিআইপি নজরদারি ও ‘হানি ট্র্যাপ’-এর ছক করাই কি কাজ ছিল? নাকি আরও বড় ষড়যন্ত্রের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিল বর্ধমানের রেনেঁসা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া 'জঙ্গী' হামিমের? ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজত নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে চাইবে তদন্তকারীরা। এদিকে ১২ বছর আগে বর্ধমানের খাগড়াগড় কান্ডের পর ফের আতঙ্ক শুরু হয়েছে বর্ধমানে। তবে কি বর্ধমানকেও নিরাপদ আশ্রয়স্থল মনে করছে জঙ্গীরা। প্রশাসনিক নজরদারী এড়িয়ে পূর্ব বর্ধমানের গ্রাম থেকে তুলে আনা হচ্ছে সংখ্যালঘু যুবকদের? কিন্তু কিসের প্রলোভনে পা দিচ্ছে সংখ্যালঘু যুবকরা? মোটা টাকা কিম্বা অন্য কোন প্রলোভনে পা দিচ্ছে তারা? নাকি ধর্নান্ধতার জন্য দেশ ভুলে ধার্মিক মগজ ধোলাই এর শিকার তারা? উল্লেখ্য, বর্ধমানে জঙ্গী ধরা পরার পর কিন্তু নড়ে চড়ে বসেছে প্রশাসন। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার গোলাপবাগের একটি জিম কেন্দ্র থেকে বর্ধমানের রেনেসাঁ আবাসনের ভাড়াটিয়া মহম্মদ হামিম মণ্ডল ওরফে হামিম ফুয়েগোকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে একাধিক বিস্ফোরক দাবি করেছে পশ্চিমবঙ্গ স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। আদালতে জমা দেওয়া নথিতে তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, ধৃত যুবক পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-যোগযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সীমান্তপারের একটি গুপ্তচরবৃত্তি ও অপরাধচক্রের হয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছিল। আদালত ধৃতকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তবে তদন্তকারী সংস্থার আনা সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি। এসটিএফ সূত্রের দাবি, ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া একটি আইফোন ১৬ প্রো মোবাইল ফোনের এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, তিনি পাকিস্তান-ভিত্তিক 'রানা' নামে এক হ্যান্ডলারের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে একটি স্থানীয় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কাজে যুক্ত ছিলেন। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, ওই নেটওয়ার্কের উদ্দেশ্য ছিল ভিআইপি, রাজনৈতিক নেতা, সংরক্ষিত ব্যক্তি এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা চিহ্নিত করা এবং সেই তথ্য সীমান্তপারে পাঠানো। তদন্তে আরও উঠে এসেছে বলে এসটিএফের দাবি, বিষয়টি শুধুমাত্র নজরদারিতে সীমাবদ্ধ ছিল না। আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের অপহরণের পরিকল্পনা এবং রাজনৈতিক নেতাদের লক্ষ্য করে হামলার ছক নিয়েও আলোচনা চলছিল। ধৃতের মোবাইল ফোনে আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ সংক্রান্ত নির্দেশের উল্লেখ মিলেছে বলেও আদালতে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। আদালতে জমা দেওয়া নথিতে আরও দাবি করা হয়েছে, ঝাড়খণ্ডের এক মহিলাকে ‘হানি ট্র্যাপ’ অপারেশনে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল। তার মাধ্যমে প্রভাবশালী ব্যক্তি ও তাদের আত্মীয়দের টার্গেট করার চেষ্টা চলছিল বলেও এসটিএফের অভিযোগ। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ধৃতের প্রকৃত পরিচয় এখনও নিশ্চিত নয়। তিনি নিজেকে মহম্মদ হামিম মণ্ডল ওরফে হামিম ফুয়েগো বলে পরিচয় দিলেও এই পরিচয় ভুয়ো কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসটিএফের আরও দাবি, তিনি কাশ্মীরের বাসিন্দা এবং পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ-এর সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি পুলওয়ামা হামলার অন্যতম অভিযুক্ত সাজ্জাদ ভাটের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংস্থার দাবি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার রেনেসাঁ কমপ্লেক্সের একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, বর্ধমানে আসার আগে তিনি হাওড়ার পিলখানায় দর্জির কাজ করতেন এবং পরে কলকাতার নিউটাউনের একটি আবাসনে ভাড়া থাকতেন। তদন্তকারীদের দাবি, সেই আবাসনটি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বাসস্থানের খুব কাছাকাছি ছিল। ধৃতের মোবাইল ফোন থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, যাতায়াতের রুট এবং বিভিন্ন লোকেশন-সংক্রান্ত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে এসটিএফ সূত্রের দাবি। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজরদারি চালিয়ে সেই তথ্য কাশ্মীরে থাকা জঙ্গি চক্রের কাছে পাঠানো হতো এবং তার বিনিময়ে ধৃত নিয়মিত অর্থ পেত। এসটিএফের দাবি, হাওড়া ও বর্ধমান—দুই জায়গা থেকেই এই নেটওয়ার্ক পরিচালিত হতো। এই ঘটনায় হামিম ছাড়াও আরও কয়েকজনের যোগ থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তাদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। পাশাপাশি কাশ্মীরে ধৃতের সম্ভাব্য ঠিকানায় তদন্তকারী দল পাঠানোর প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিকে, ধৃতের জামিনের বিরোধিতা করে এসটিএফ আদালতে জানায়, তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং গোটা চক্রের পর্দাফাঁস করতে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা অত্যন্ত জরুরি। সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত তাঁকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
- ১ আগষ্ট থেকে শুরু জনগননা, সহযোগিতার আহ্বান জেলাশাসকেরঃ সুজিত দত্ত, বর্ধমান, ৩১ আগষ্টঃ ১ আগষ্ট অর্থাৎ শনিবার থেকে এই রাজ্যে শুরু হচ্ছে জনগননা। শনিবার টাউন হলে এই জনগননা কর্মসূচির সূচনা হবে। দুপুর ১২ টা নাগাদ হবে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এ বিষয়ে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়াল (আই এ এস) সকলকে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন।1
- দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর কলকাতার মাটিতে পা রাখলেন বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন1
- বিধাননগরে জনগণনা কর্মসূচির শুভ সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari বিধাননগরে জনগণনা কর্মসূচির শুভ সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari1
- কম খরচে বাড়ির গ্রিল বানান যোগাযোগ নম্বর 9932453027 এছাড়া গ্রিল গেট, সিটগেট,কলাপসিবল গেট ও সাটার গেটের যাবতীয় কাজ করা হয়। এবং ডেলিভারি ফ্রি দেওয়া হয়। তাই তাড়াতাড়ি যোগাযোগ করুন 9932453027 কম খরচে বাড়ির গ্রিল বানান যোগাযোগ নম্বর 9932453027 এছাড়া গ্রিল গেট, সিটগেট,কলাপসিবল গেট ও সাটার গেটের যাবতীয় কাজ করা হয়। এবং ডেলিভারি ফ্রি দেওয়া হয়। তাই তাড়াতাড়ি যোগাযোগ করুন 99324530271
- রাজ্য সরকারের নির্দেশে রানাঘাট জেলা পুলিশের উদ্যোগে ফুলিয়ায় আয়োজন করা হল একটি বিশেষ পথনাটিকা। *ফুলিয়ায়, পুলিশের উদ্যোগে সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেলের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সচেতনতার বার্তা* রাজ্য সরকারের নির্দেশে রানাঘাট জেলা পুলিশের উদ্যোগে ফুলিয়ায় আয়োজন করা হল একটি বিশেষ পথনাটিকা। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫০তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে এই সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিপুর থানার পুলিশ আধিকারিক এবং ফুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ কর্মীরা। ফুলিয়া রঙ্গমঞ্চে অনুষ্ঠিত এই পথনাটিকায় স্থানীয় স্কুলের পড়ুয়ারা অংশগ্রহণ করে। তাদের অভিনয়ের মাধ্যমে সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ, ঐক্য, শৃঙ্খলা ও সচেতনতার বার্তা তুলে ধরা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায় শান্তিপুর থানার উদ্যোগে ও ফুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ব্যবস্থাপনায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানের পরিচালনার দায়িত্বে ছিল ফুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ প্রশাসন। অনুষ্ঠানটি ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে এলাকার বিভিন্ন স্তরের বাসিন্দারা উপস্থিত থেকে পড়ুয়াদের অভিনয় উপভোগ করেন এবং তাদের উৎসাহিত করেন। পুলিশ প্রশাসনের এই উদ্যোগে সাংস্কৃতিক পরিবেশের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মূল্যবোধ ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।2
- পদত্যাগের পরও রেহাই নেই! প্রাক্তন কাউন্সিলরকে মারধর, ডিম ছোড়ার অভিযোগ পদত্যাগের পরও রেহাই নেই! প্রাক্তন কাউন্সিলরকে মারধর, ডিম ছোড়ার অভিযোগ নবদ্বীপ: কাউন্সিলর পদ থেকে পদত্যাগ করেও রেহাই মিলল না বলে অভিযোগ। স্কুলের অডিটের কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হলেন নবদ্বীপ পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর ঝন্টুলাল দাস। শনিবার দুপুরে প্রতাপনগরের সুদর্শন হাইস্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময় কয়েকজন তাঁর পথ আটকায় বলে অভিযোগ। এরপর তাঁকে মারধর করার পাশাপাশি ডিম ছোড়া হয় বলে দাবি আহত প্রাক্তন কাউন্সিলরের। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে নবদ্বীপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঝন্টুলাল দাসের অভিযোগ, হামলার সময় তাঁকে উদ্দেশ করে বলা হয়, “তৃণমূল করেছিস, অনেক খেয়েছিস।” তবে হামলাকারীদের কাউকেই তিনি চিনতে পারেননি। তাঁর দাবি, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদ থেকে ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন এবং রাজনীতি থেকে সরে থাকার কথাও জানিয়েছিলেন। তারপরেও কেন তাঁকে নিশানা করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন নবদ্বীপের বিধায়ক শ্রী শ্রুতিশেখর গোস্বামী। দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।1