“সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগব্যায়াম” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রবিবার সকালে সাব্রুম মহকুমা পর্যায়ে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। সকাল ৮টায় সাব্রুম রামঠাকুর সেবা মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক যোগপ্রেমী মানুষ, ছাত্র-ছাত্রী এবং বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশগ্রহণ করেন। মহকুমা যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের উদ্যোগে এবং মহকুমা শাসকের কার্যালয় ও সাব্রুম নগর পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সাব্রুম নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সন রমা পোদ্দার দে অনুষ্ঠানের পৌরহিত্য করেন। প্রাক্তন বিধায়ক শংকর রায়, ভারপ্রাপ্ত মহকুমা শাসক রতন দাস, যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের আধিকারিক জিমি দেববর্মা সহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন যোগাসন ও প্রাণায়াম অনুশীলন করেন। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাক্তন বিধায়ক শংকর রায় বলেন, নিয়মিত যোগচর্চা শরীর ও মনের সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, ভারপ্রাপ্ত মহকুমা শাসক রতন দাস যোগব্যায়ামের উপকারিতা তুলে ধরে সকলকে দৈনন্দিন জীবনে যোগচর্চা অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাপন, মানসিক প্রশান্তি এবং সুস্থ বার্ধক্য গঠনের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। যোগ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই কার্যক্রম অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
“সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগব্যায়াম” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রবিবার সকালে সাব্রুম মহকুমা পর্যায়ে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। সকাল ৮টায় সাব্রুম রামঠাকুর সেবা মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক যোগপ্রেমী মানুষ, ছাত্র-ছাত্রী এবং বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশগ্রহণ করেন। মহকুমা যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের উদ্যোগে এবং মহকুমা শাসকের কার্যালয় ও সাব্রুম নগর পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সাব্রুম নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সন রমা পোদ্দার দে অনুষ্ঠানের পৌরহিত্য করেন। প্রাক্তন বিধায়ক শংকর রায়, ভারপ্রাপ্ত মহকুমা শাসক রতন দাস, যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের আধিকারিক জিমি দেববর্মা সহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন যোগাসন ও প্রাণায়াম অনুশীলন করেন। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাক্তন বিধায়ক শংকর রায় বলেন, নিয়মিত যোগচর্চা শরীর ও মনের সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, ভারপ্রাপ্ত মহকুমা শাসক রতন দাস যোগব্যায়ামের উপকারিতা তুলে ধরে সকলকে দৈনন্দিন জীবনে যোগচর্চা অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাপন, মানসিক প্রশান্তি এবং সুস্থ বার্ধক্য গঠনের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। যোগ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই কার্যক্রম অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
- ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেবের ব্যক্তিগত জীবনকে ঘিরে নতুন অধ্যায় শুরুর জল্পনা সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। এসব দাবি অনুযায়ী, তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। এই খবর অনলাইনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং তা নিয়ে নেটদুনিয়ায় তোলপাড় চলছে। তবে এই গুঞ্জন সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। এই আলোচনাগুলো শুধুমাত্র সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত প্রতিবেদন এবং বিতর্কের উপর ভিত্তি করে তৈরি, এবং এর সত্যতা যাচাই করা হয়নি। দর্শকদের এমন গুজবকে যাচাইকৃত তথ্য হিসেবে গ্রহণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।1
- ধনপুর বিধানসভার অন্তর্গত ভবানীপুরে শাসক দল বিজেপি গত শনিবার একটি সাংগঠনিক কর্মশালার পর প্রকাশ্য বাজারে মিছিল সংঘটিত করে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দীর্ঘ কয়েক বছর পর ভবানীপুরে শাসক এবং বিরোধী উভয় দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি একই দিনে শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। এই কর্মসূচির প্রথম পর্বে ভবানীপুর কমিউনিটি হলে সাংগঠনিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় এবং দ্বিতীয় পর্বে একটি মিছিল ভবানীপুর বাণিজ্যিক এলাকা পরিক্রমা করে। বিজেপির এই সাংগঠনিক কর্মসূচিতে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক এবং বিধায়ক বিন্দু দেবনাথ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট এলাকার দলীয় কার্যকর্তারা অংশ নেন, যেখানে মহিলাদের উপস্থিতি বিশেষভাবে লক্ষণীয় ছিল। প্রতিমা ভৌমিক ও বিধায়ক বিন্দু দেবনাথ উভয়ই তাঁদের বক্তব্যে দলীয় কর্মীদের সুসংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহার প্রশংসা করেন। শনিবার উভয় দলের এই ছোটখাটো কর্মসূচি ঘিরে ভবানীপুরের গোটা পঞ্চায়েত এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়, যার একমাত্র কারণ ছিল দীর্ঘদিন ধরে শাসক ও বিরোধী উভয় দলের রাজনৈতিক কার্যক্রম ভবানীপুরবাসীর নজরে না আসা।1
- বিউটিশিয়ান প্রশিক্ষণের নাম করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এই গুরুতর অভিযোগটি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তুলে ধরেছেন কনিকা চৌধুরী।1
- আগরতলার আইটি ভবনে iLogitron Technologies Private Limited-এর অষ্টম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী প্রনজিত সিংহ রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, সংস্থার কর্মকর্তা, কর্মচারী ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এই কর্মসূচিতে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা রক্তদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং সমাজের কল্যাণে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই রক্তদান শিবিরে বহু স্বেচ্ছাসেবী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে রক্তদান করেন। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক এই ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।1
- নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকে এক বিধায়ক ‘নিখোঁজ’ রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই বিধায়ক, চিত্তরঞ্জন দেববর্মা, ভোটের পর থেকে তার ফোনও ধরছেন না বলে জানা গেছে। এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।1
- আজ, ২১ জুন, দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষ্যে দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুমের শ্রী শ্রী রামঠাকুর সেবা মন্দিরে এক বর্ণাঢ্য 'যোগ মহোৎসব' আয়োজিত হয়েছে। পতঞ্জলি যোগ পীঠের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই বিশেষ কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল— "সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ"। সকাল ৫টা থেকে ৬টা পর্যন্ত চলা এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় মানুষজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। যোগ শিক্ষক তপন রায় উপস্থিত থেকে যোগব্যায়াম পরিচালনা করেন। আয়োজক সংস্থা হিসেবে ভারত স্বাভিমান ট্রাস্ট, পতঞ্জলি যোগ সমিতি, মহিলা পতঞ্জলি যোগ সমিতি, পতঞ্জলি কৃষাণ সেবা সমিতি এবং যুবভারতের সম্মিলিত প্রয়াস বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সাব্রুম রামঠাকুর আশ্রমের সম্পাদক মৃদুল জনপতি সহ বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং অসংখ্য অনুগামী উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস বার্ধক্যের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দূর করে মানুষকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। সব বয়সের মানুষের মধ্যে যোগের এই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে এই যোগ মহোৎসব সফলভাবে সম্পন্ন হয়।1
- রাহুল গান্ধী দেশের শিক্ষাব্যবস্থার গুরুতর সমস্যাগুলি তুলে ধরেছেন, যা লক্ষ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের পরিবারের জন্য মানসিক চাপ এবং হতাশার কারণ হচ্ছে। তিনি পরিশ্রমী ছাত্র-ছাত্রী আকাঙ্ক্ষা এবং তার মতো অন্যান্যদের উদাহরণ দিয়ে বলেন যে, একটি অন্যায্য ব্যবস্থা তাদের স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছে। রাহুল গান্ধী এক মায়ের যন্ত্রণার কথা উল্লেখ করেছেন, যিনি বলেন, "আমরা রাত জেগে থাকি, এই ভয়ে যে, মানসিক চাপের মধ্যে সন্তান যেন কোনো ভুল পদক্ষেপ না নেয়।" এই কথাটি দেশের কোটি কোটি বাবা-মায়ের উদ্বেগকে সামনে এনেছে। এখন সময় এসেছে যে আমরা সবাই মিলে এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার দাবি জানাই, যেখানে প্রতিটি শিশুকে সমান সুযোগ দেওয়া হবে, মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে এবং কোনো পরিবারকে তাদের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য অসহনীয় যন্ত্রণা সহ্য করতে হবে না।1
- ত্রিপুরার বাধারঘাটে স্বাস্থ্যকর্মী কাবেরি সিনহার বাড়িতে গভীর রাতে ভয়ঙ্কর তাণ্ডব চালানো হয়েছে। এই ঘটনার পর জনমনে প্রশ্ন উঠেছে যে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়। এই হামলার জন্য শাসকদল ও পুলিশ উভয়কেই কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে, এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়েছে: 'আমাদের নিরাপত্তা কোথায় মুখ্যমন্ত্রী?'1
- গোমতী জেলায় মহিলাদের সুরক্ষা, আইনি সহায়তা এবং ন্যায়বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠিত ওয়ান স্টপ সেন্টারগুলি কিছু ব্যক্তির ব্যক্তিগত রোজগারের আখড়ায় পরিণত হয়েছে কিনা, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে। এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন ওয়ান স্টপ সেন্টারের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর তথা আইনজীবী দেবজিতা শিব। চন্দ্রপুর ৭ নম্বর কলোনির বাসিন্দা শুভম শীল অভিযোগ করেছেন যে, পারিবারিক সমস্যার সুযোগ নিয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের নামে তাঁর কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে। শুভম আরও দাবি করেছেন যে, এই টাকা চাওয়ার ফোনালাপের রেকর্ডিংও তাঁর কাছে রয়েছে। এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে যে, সরকারি অর্থে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানে যেখানে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকার বেতন দিচ্ছে, সেখানে একজন দিনমজুরের কাছ থেকে কোন আইন বা সরকারি নিয়মের বলে টাকা দাবি করা হলো? নাকি সরকারি পদকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ব্যবসা ফাঁদা হচ্ছে? সূত্রের দাবি, একদিকে ওয়ান স্টপ সেন্টার থেকে সরকারি বেতন এবং অন্যদিকে সেন্টারে আসা বিবাহ বিচ্ছেদ ও অন্যান্য মামলার পক্ষদের নিজের মক্কেল বানিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে দেবজিতা শিব 'এক ঢিলে দুই পাখি' মারছেন বলে অভিযোগ উঠছে। যদি এই অভিযোগ সত্য হয়, তবে এটি শুধুমাত্র অনৈতিক নয়, সরকারি দায়িত্বের চরম অপব্যবহার। শুভমের পরিবারের পক্ষ থেকে আর্থিক অসচ্ছলতার কথা জানিয়ে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা নাকচ করে দিয়ে বলা হয়, ১২ হাজার টাকার এক পয়সাও কম হবে না, যা আইনি সহায়তা নাকি দর কষাকষি করে টাকা আদায়ের প্রক্রিয়া, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, ওয়ান স্টপ সেন্টারে ২৪ ঘণ্টা উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও দেবজিতা শিব দিনের অধিকাংশ সময় আদালতে ব্যক্তিগত আইন পেশায় ব্যস্ত থাকেন, যা তাঁর সরকারি দায়িত্ব পালনে অনীহা প্রকাশ করে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, জেলাশাসক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি এই সমস্ত বিষয়ে অবগত? যদি তারা অবগত হন, তাহলে কেন এখনও পর্যন্ত তদন্ত শুরু হয়নি? আর যদি অবগত না হন, তাহলে প্রশাসনিক নজরদারি কোথায়? গোমতী জেলার সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে এই ঘটনা ধামাচাপা না দিয়ে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তাদের মতে, অভিযোগ মিথ্যা হলে সত্য সামনে আসুক, আর অভিযোগ সত্য হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক, কারণ জনগণের করের টাকায় পরিচালিত কোনো প্রতিষ্ঠানকে ব্যক্তিগত আয়ের যন্ত্রে পরিণত করার অধিকার কারও নেই।1