তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট থেকে আর্থিক লেনদেন বন্ধ হয়ে গেছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী বিধায়কদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই দলের তিনটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দিয়েছে, যেগুলিতে মোট ৪৪০ কোটি টাকা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা-পন্থী শিবির, বা কালীঘাট তৃণমূল, কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন এবং অ্যাডভোকেট কিশোর দত্ত হাইকোর্টে একটি 'ভুয়ো অভিযোগ' দায়ের হওয়ার কথা জানিয়েছেন। কিছুদিন আগে তৃণমূলের কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস বিধাননগর দক্ষিণ থানায় একটি চিঠি লিখে দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার দাবি জানিয়ে লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছিলেন। এই দাবিকে সমর্থন জানান বিদ্রোহী বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি বলেছিলেন ওই অ্যাকাউন্টে 'কাটমানি'র টাকা থাকতে পারে এবং তদন্ত হওয়া উচিত। এর পর তৃণমূলের আরও ১০ জন বিদ্রোহী বিধায়ক একই দাবি জানিয়ে চিঠি দেন। এরপর ব্যাঙ্কের তরফে রাজ্য পুলিশের সাইবার সেলে বিষয়টি জানানো হয়, যার ভিত্তিতে তদন্তে নেমে তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়। দলের সূত্রে খবর, বিধানসভায় নতুন ব্লক তৈরি হওয়ার পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর শিবিরের নেতারা এই বিপুল টাকার ওপর আইনি অধিকার জানানোর জন্য সক্রিয় হন। ঋতব্রতরা যাতে এই টাকার নিয়ন্ত্রণ না পান, সেই আশঙ্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তড়িঘড়ি দলের কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাসকে নির্দেশ দিয়েছিলেন অন্য একটি বন্ধু রাজনৈতিক দলকে সাময়িকভাবে গোটা টাকাটা ট্রান্সফার করে দিতে। এই খবর পাওয়ার পর ঋতব্রতরা পাল্টা চাল চেলে কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাসকে অবিলম্বে ব্যাঙ্কে চিঠি লিখে অ্যাকাউন্টের সমস্ত লেনদেন বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানোর কড়া বার্তা দেন। নতুন ব্লকের এই বার্তার পর অরূপ বিশ্বাস কার্যত নতিস্বীকার করেন এবং দলের গচ্ছিত অ্যাকাউন্ট ও টাকা সুরক্ষিত রাখতে আপাতত সব রকমের লেনদেন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার জন্য ব্যাঙ্কে চিঠি পাঠান। এরই মধ্যে দল অরূপ বিশ্বাসকে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে শো-কজ নোটিস পাঠায়, যার উত্তর তিনি দিয়েছেন। উত্তরে তিনি দলের অ্যাকাউন্টের লেনদেনের ইতিহাস নিয়েও সরব হয়েছেন এবং জানিয়েছেন যে তাঁরও কিছু প্রশ্ন রয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই কলকাতা হাইকোর্ট মামলাটি গ্রহণ করেছে এবং আগামী বুধবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, তৃণমূলের দলীয় অ্যাকাউন্টের ৪৪০ কোটি টাকা আসলে কার?
তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট থেকে আর্থিক লেনদেন বন্ধ হয়ে গেছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী বিধায়কদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই দলের তিনটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দিয়েছে, যেগুলিতে মোট ৪৪০ কোটি টাকা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা-পন্থী শিবির, বা কালীঘাট তৃণমূল, কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন এবং অ্যাডভোকেট কিশোর দত্ত হাইকোর্টে একটি 'ভুয়ো অভিযোগ' দায়ের হওয়ার কথা জানিয়েছেন। কিছুদিন আগে তৃণমূলের কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস বিধাননগর দক্ষিণ থানায় একটি চিঠি লিখে দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার দাবি জানিয়ে লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছিলেন। এই দাবিকে সমর্থন জানান বিদ্রোহী বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি বলেছিলেন ওই অ্যাকাউন্টে 'কাটমানি'র টাকা থাকতে পারে এবং তদন্ত হওয়া উচিত। এর পর তৃণমূলের আরও ১০ জন বিদ্রোহী বিধায়ক একই দাবি জানিয়ে চিঠি দেন। এরপর ব্যাঙ্কের তরফে রাজ্য পুলিশের সাইবার সেলে বিষয়টি জানানো হয়, যার ভিত্তিতে তদন্তে নেমে তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়। দলের সূত্রে খবর, বিধানসভায় নতুন ব্লক তৈরি হওয়ার পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর শিবিরের নেতারা এই বিপুল টাকার ওপর আইনি অধিকার জানানোর জন্য সক্রিয় হন। ঋতব্রতরা যাতে এই টাকার নিয়ন্ত্রণ না পান, সেই আশঙ্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তড়িঘড়ি দলের কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাসকে নির্দেশ দিয়েছিলেন অন্য একটি বন্ধু রাজনৈতিক দলকে সাময়িকভাবে গোটা টাকাটা ট্রান্সফার করে দিতে। এই খবর পাওয়ার পর ঋতব্রতরা পাল্টা চাল চেলে কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাসকে অবিলম্বে ব্যাঙ্কে চিঠি লিখে অ্যাকাউন্টের সমস্ত লেনদেন বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানোর কড়া বার্তা দেন। নতুন ব্লকের এই বার্তার পর অরূপ বিশ্বাস কার্যত নতিস্বীকার করেন এবং দলের গচ্ছিত অ্যাকাউন্ট ও টাকা সুরক্ষিত রাখতে আপাতত সব রকমের লেনদেন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার জন্য ব্যাঙ্কে চিঠি পাঠান। এরই মধ্যে দল অরূপ বিশ্বাসকে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে শো-কজ নোটিস পাঠায়, যার উত্তর তিনি দিয়েছেন। উত্তরে তিনি দলের অ্যাকাউন্টের লেনদেনের ইতিহাস নিয়েও সরব হয়েছেন এবং জানিয়েছেন যে তাঁরও কিছু প্রশ্ন রয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই কলকাতা হাইকোর্ট মামলাটি গ্রহণ করেছে এবং আগামী বুধবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, তৃণমূলের দলীয় অ্যাকাউন্টের ৪৪০ কোটি টাকা আসলে কার?
- রাজস্থানের জয়পুরে রাস্তাঘাটে জল জমে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি এমন যে, শহরের বিভিন্ন রাস্তায় জল জমে গেছে।2
- ভরতপুরের দেচাপড়া গ্রামে সিপিআই(এম)-এর একটি কর্মীসভাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক রাজনৈতিক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার বিকেলে সিপিআই(এম) তালগ্রাম অঞ্চল কমিটির অন্তর্গত দেচাপড়া শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিআই(এম)-এর জেলা সম্পাদক জামির মোল্লা সহ এক ঝাঁক প্রথম সারির নেতৃত্ব। সভার মূল আকর্ষণ হয়ে দাঁড়ায় একটি নাটকীয় দলবদল। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও ক্ষোভ উগরে দিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সক্রিয় কর্মী-সমর্থক জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার হাত থেকে কাস্তে-হাতুড়ি-তারা খচিত রক্তপতাকা তুলে নিয়ে সিপিআই(এম)-এ যোগদান করেন। তৃণমূল ত্যাগ করে লালঝাণ্ডার তলায় আসা এই কর্মীদের স্পষ্ট দাবি, তাঁরা এতদিন তৃণমূলেরই একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে কাজ করছিলেন, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির জেরে বাধ্য হয়েই বিকল্প হিসেবে সিপিআই(এম)-এর পথ বেছে নিয়েছেন। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, পঞ্চায়েত ভোটের আগে বা এই রাজনৈতিক আবহে শাসক শিবিরে এমন ফাটল এবং দেচাপড়া শাখার এই কর্মী সভায় বামেদের এমন শক্তিবৃদ্ধি স্বাভাবিকভাবেই এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণকে অনেকটাই বদলে দিল।1
- নদীয়া জেলার নবদ্বীপ ব্লকের বাবলারি রামসুন্দর হাই স্কুলে সম্প্রতি ছাত্রী নিবাস (হস্টেল) ঘিরে গুরুতর অভিযোগ সামনে আসার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার এই অভিযোগগুলি প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুলের হস্টেল ফান্ডের অর্থ তছরুপ, কর্মীদের বেতন নিয়ে বৈষম্য, ছাত্রীদের নিরাপত্তায় গাফিলতি এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোসহ একাধিক গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করায় শিক্ষকদের অন্যায়ভাবে শোকজ করা হচ্ছে। এছাড়াও, স্কুলের এক শিক্ষিকাকে রাজনৈতিক কারণে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই ধরনের অনিয়মের প্রতিবাদ করায় সহ-শিক্ষক অজয় দাসকে অন্যায়ভাবে শোকজ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সহ-শিক্ষক অজয় দাস তার বক্তব্যে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গ দিবসের দিন নির্দিষ্ট সময়ের আগে স্কুল ছাড়ার অভিযোগে তাকে শোকজ করা হয়েছে। অথচ, একই ধরনের ঘটনায় অন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অজয় দাসের অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করে আসায় তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।1
- নদিয়া জেলা পরিষদের সদস্যরা অনাস্থা প্রস্তাব তুলে নেওয়ার জন্য ১০ লক্ষ টাকা দাবি করেছেন, এমনটাই সাংবাদিকদের জানিয়েছেন মহুয়া মৈত্র। তিনি বলেন, তৃণমূলের বোর্ড ভেঙে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই সদস্যরা এই অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলেন এবং সেই প্রস্তাব প্রত্যাহার করার জন্য নাকি তাঁরা অর্থের দাবি করেছেন। মহুয়া মৈত্র তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, দলের পক্ষ থেকে তাদের কোনো টাকা দেওয়া হবে না, বোর্ড ভাঙলে ভাঙুক। তাঁর এই বক্তব্যের একটি ভিডিও সংগৃহীত হয়েছে।1
- জামাই ষষ্ঠীর রাতে কালনা থানার অন্তর্গত নতুনগ্রাম এলাকায় এক অভিনব কায়দায় চোরেরা বাড়ি থেকে খাসি চুরি করে পালিয়েছে। নিলুফা বিবি নামে এক গৃহবধূ রবিবার জানান, চুরির সময় ছাগলগুলি যাতে চিৎকার করতে না পারে, তার জন্য চোরেরা তিনটি ছাগলের মুখে কালো টেপ লাগিয়ে দেয়। এরপর দুটি খাসি চুরি করে নিয়ে চলে যায়, যার মধ্যে কালো টেপ লাগানো একটি ছাগল মারা যায়। একই রাতে, নূরনেসা বিবির ঘরেও চুরি হয়। তিনি অসুস্থতার কারণে তার বৌমার ঘরে শুয়েছিলেন, সেই সুযোগে চোরেরা ফাঁকা ঘর থেকে বিভিন্ন সামগ্রী এবং নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এছাড়াও, পাশাপাশি আরও একটি বাড়িতেও বেশ কিছু সামগ্রী ও টাকা-পয়সা চুরি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার সকালে কালনা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করে যায়। এই ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে।1
- নদীয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ডি এল রায় জেলা স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস অনুষ্ঠান পালিত হলো। এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সরকারি কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষ সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার এবং কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তারকনাথ চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে শহরবাসীর মধ্যে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।1
- ভাতাড়ে সিপিআইএম সহ বিভিন্ন বাম গণসংগঠনের কর্মী ও সমর্থকরা একাধিক দাবি আদায়ে এক প্রতিবাদ সভা ও ডেপুটেশন কর্মসূচী পালন করেছে। এই কর্মসূচীর অংশ হিসেবে, বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক ভাতাড় ব্লক অফিস চত্বরে সমবেত হন।1
- বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এর ভরতপুর খণ্ডের উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের ভরতপুরে একটি মহতী স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির আয়োজন করা হয়। ২১শে জুন রবিবার ভরতপুরের গাঙাড্ডা এলাকার সরকারপাড়ার একটি বেসরকারি অনুষ্ঠান বাড়িতে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের শুরুতেই আমন্ত্রিত অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে ও পুষ্পস্তবক দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে মূল রক্তদান কর্মসূচি শুরু হয়। এই রক্তদান শিবিরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল সমাজের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। জাত-পাত ও ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে বহু মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যরাও অত্যন্ত উৎসাহের সাথে এই কর্মসূচিতে যোগ দেন, যা সমগ্র এলাকায় এক অনন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা বহন করে আনে। উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই শিবিরে প্রায় ৫০ জন রক্তদাতার রক্ত সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। বেলা ১২টা পর্যন্ত অত্যন্ত সুনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রায় ১৭ জন রক্তদাতা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় নিজেদের রক্তদান সম্পন্ন করেছেন। মহতী এই উদ্দেশ্যে শামিল হওয়া প্রত্যেক রক্তদাতার হাতে উদ্যোক্তাদের তরফ থেকে একটি করে শংসাপত্র এবং পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে একটি করে গাছের চারা তুলে দিয়ে তাঁদের এই অবদানকে সম্মানিত করা হয়। সামগ্রিকভাবে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ, ভরতপুর খণ্ডের এই মানবিক ও সামাজিক প্রয়াসটি স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছে।1