Shuru
Apke Nagar Ki App…
সিতাইয়ের নেতাজী বাজারে তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী সঙ্গীতা রায়ের সমর্থনে বিশাল মিছিল সিতাই বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী সঙ্গীতা রায়ের সমর্থনে ব্রহ্মত্তর চাত্রা অঞ্চলের নেতাজী বাজারে বিশাল মিছিল
SITAI UPDATE সিতাই আপডেট
সিতাইয়ের নেতাজী বাজারে তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী সঙ্গীতা রায়ের সমর্থনে বিশাল মিছিল সিতাই বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী সঙ্গীতা রায়ের সমর্থনে ব্রহ্মত্তর চাত্রা অঞ্চলের নেতাজী বাজারে বিশাল মিছিল
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ঘুঘুমারিতে মহিলা তৃণমূলের কর্মী সম্মেলন, কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিকের সমর্থনে জোর1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জোরকদমে প্রচারে নেমেছে রাজনৈতিক দলগুলি। তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শ্রী উদয়ন গুহ গোবরাছড়া বাজার এলাকায় ব্যাপক জনসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচি পালন করেন। এদিন সকাল থেকেই গোবরাছড়া বাজার চত্বরে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। প্রার্থী উদয়ন গুহ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং আগামী দিনে উন্নয়নের ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন। দলীয় পতাকা ও ব্যানারে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্যের উন্নয়নের স্বার্থে এবং মানুষের স্বার্থরক্ষায় আবারও উদয়ন গুহকে জয়ী করার আহ্বান জানানো হয়েছে এই প্রচারে। উল্লেখ্য, আগামী ২৩ তারিখ প্রথম দফাতেই দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সেই কারণে ইতিমধ্যেই প্রচারের উত্তাপ তুঙ্গে উঠেছে, এবং শেষ মুহূর্তে ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে মরিয়া সব রাজনৈতিক দলই।1
- স্থানীয় সূত্রে খবর, বিজেপির পক্ষ থেকে একটি যোগদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যেখানে দলীয় পতাকা হাতে তুলে দিয়ে নতুন সদস্যদের স্বাগত জানানো হয়। এই যোগদানকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপির নেতৃত্বের দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় মানুষের সমর্থন বাড়ছে এবং উন্নয়নের স্বার্থেই সাধারণ মানুষ বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ, তাদের দাবি—এ ধরনের যোগদান নির্বাচনের আগে স্বাভাবিক এবং এর ফলে সংগঠনের ওপর বড় কোনও প্রভাব পড়বে না। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ধরনের দলবদল যে রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে, তা বলাই বাহুল্য।1
- 😊 এই নাও: "অবিলম্বে আমাদের গ্রামের রাস্তার অবস্থা উন্নয়ন করুন! Dinhata 2, নাজিরহাট 1, গ্রাম: পূর্ব শিকারপুর মানুষের চলাচল খুবই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। আমাদের গ্রামের রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। আমরা আশা করি মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়া আমাদের গ্রামের দিকে তাকাবেন এবং অবিলম্বে রাস্তা মেরামতের ব্যবস্থা করবেন। #রাস্তা_উন্নয়ন #গ্রাম_উন্নয়ন #মমতা_বন্দ্যোপাধ্যায়" তোমার কি মনে হয়, এই পোস্টটা ঠিক আছে? 👀1
- বৃহস্পতিবার রাতে মাথাভাঙ্গা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ড. সাবলু বর্মন নির্বাচনী প্রতিজ্ঞাপত্র প্রকাশ করেন।নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করে প্রার্থী বলেন তৃণমূল জয়ী হলে উল্লেখিত কাজগুলি দ্রুততার সঙ্গে করা হবে।1
- TMC party lok oto ba garam basi milen boetok1
- সিতাই বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী আশুতোষ বর্মার হাত ধরে তৃনমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন ভেটাগুড়ি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান দীপক বর্মন সহ মাতালহাটের এক পঞ্চায়েত সদস্য।1
- দিনহাটায় হাইভোল্টেজ তারের সংস্পর্শে আম গাছে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা।1
- নির্বাচনী আবহে ফালাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রে জোর প্রচার চালাল বিজেপি। এদিন মেজবিল ময়দানে দলের প্রার্থী দীপক বর্মনের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় উপস্থিত ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। সভাকে ঘিরে সকাল থেকেই কর্মী-সমর্থকদের ভিড় চোখে পড়ে। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে সরব হন মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি দাবি করেন, রাজ্যে বেকারত্বের হার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বেকার যুবক-যুবতীদের আর্থিক সাহায্য দেওয়া হলেও তা সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয় বলেই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, এই পরিস্থিতিই রাজ্যের বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে। শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, বহু সরকারি স্কুলে শিক্ষক সংকট রয়েছে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন ওঠেছে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্য পরিষেবার দুরবস্থার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, উন্নত চিকিৎসার জন্য এখনও অনেক মানুষকে রাজ্যের বাইরে যেতে হচ্ছে। কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প, বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত উদ্যোগগুলি রাজ্যে যথাযথভাবে কার্যকর হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। শিল্পায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বহু সংস্থা রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছে, ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমেছে। মিঠুন চক্রবর্তী আশ্বাস দেন, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে শিল্প ফেরানো, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে জোর দেওয়া হবে। সভায় দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচনের মুখে এই জনসভা এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিলো l1