কাবাডি খেলতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু ১৬ বছরের সঞ্জীব সরকারের, শোকের ছায়া এলাকায় কাবাডি খেলতে গিয়ে মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু হল ১৬ বছরের এক কিশোর খেলোয়াড়ের। মৃতের নাম সঞ্জীব সরকার। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দিনহাটা-২ ব্লকের চৌধুরীহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের কন্ট্রোলের হাট এলাকায়। কাবাডি টুর্নামেন্ট চলাকালীন আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন সঞ্জীব। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কন্ট্রোলের হাট এলাকায় আয়োজিত হয়েছিল একটি আট দলীয় কাবাডি টুর্নামেন্ট। সেই প্রতিযোগিতায় সঞ্জীব সরকারও তাঁর দলের হয়ে অংশ নিয়েছিলেন। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা। সঞ্জীবের দলের খেলোয়াড় প্রতাপ বর্মন জানান, প্রথম ম্যাচে তাঁদের দলের প্রতিপক্ষ ছিল কালমাটি দল। খেলা চলাকালীন কালমাটি দলের এক খেলোয়াড় দম দেওয়ার জন্য তাঁদের কোর্টে প্রবেশ করেন। সেই সময় সঞ্জীব তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করেন। আচমকাই খেলার মাঠে অসুস্থ হয়ে পড়েন সঞ্জীব। ঘটনার পর মাঠে থাকা খেলোয়াড় ও স্থানীয়রা তড়িঘড়ি সঞ্জীবকে উদ্ধার করে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আচমকা এই মৃত্যুর ঘটনায় টুর্নামেন্টের মাঠে নেমে আসে শোকের ছায়া। খবর পেয়ে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছয় সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। একজন তরতাজা ১৬ বছরের কিশোরের এভাবে খেলার মাঠেই প্রাণ হারানোর ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শোকস্তব্ধ পরিবার, বন্ধু-বান্ধব এবং গোটা এলাকার মানুষ। একইসঙ্গে উঠছে একাধিক প্রশ্ন—কাবাডির মতো শারীরিক সক্ষমতার খেলায় কি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও চিকিৎসা প্রস্তুতি থাকা জরুরি নয়? মাঠে এমন পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা বা জরুরি চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তবে ঠিক কী কারণে সঞ্জীবের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে, বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। খেলার মাঠে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় কন্ট্রোলের হাট এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের আবহ। প্রিয় খেলোয়াড়কে হারিয়ে শোকাহত সতীর্থরাও।
কাবাডি খেলতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু ১৬ বছরের সঞ্জীব সরকারের, শোকের ছায়া এলাকায় কাবাডি খেলতে গিয়ে মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু হল ১৬ বছরের এক কিশোর খেলোয়াড়ের। মৃতের নাম সঞ্জীব সরকার। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দিনহাটা-২ ব্লকের চৌধুরীহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের কন্ট্রোলের হাট এলাকায়। কাবাডি টুর্নামেন্ট চলাকালীন আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন সঞ্জীব। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কন্ট্রোলের হাট এলাকায় আয়োজিত হয়েছিল একটি আট দলীয় কাবাডি টুর্নামেন্ট। সেই প্রতিযোগিতায় সঞ্জীব সরকারও তাঁর দলের হয়ে অংশ নিয়েছিলেন। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা। সঞ্জীবের দলের খেলোয়াড় প্রতাপ বর্মন জানান, প্রথম ম্যাচে তাঁদের দলের প্রতিপক্ষ ছিল কালমাটি দল। খেলা চলাকালীন কালমাটি দলের এক খেলোয়াড় দম দেওয়ার জন্য তাঁদের কোর্টে প্রবেশ করেন। সেই সময় সঞ্জীব তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করেন। আচমকাই খেলার মাঠে অসুস্থ হয়ে পড়েন সঞ্জীব। ঘটনার পর মাঠে থাকা খেলোয়াড় ও স্থানীয়রা তড়িঘড়ি সঞ্জীবকে উদ্ধার করে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আচমকা এই মৃত্যুর ঘটনায় টুর্নামেন্টের মাঠে নেমে আসে শোকের ছায়া। খবর পেয়ে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছয় সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। একজন তরতাজা ১৬ বছরের কিশোরের এভাবে খেলার মাঠেই প্রাণ হারানোর ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শোকস্তব্ধ পরিবার, বন্ধু-বান্ধব এবং গোটা এলাকার মানুষ। একইসঙ্গে উঠছে একাধিক প্রশ্ন—কাবাডির মতো শারীরিক সক্ষমতার খেলায় কি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও চিকিৎসা প্রস্তুতি থাকা জরুরি নয়? মাঠে এমন পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা বা জরুরি চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তবে ঠিক কী কারণে সঞ্জীবের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে, বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। খেলার মাঠে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় কন্ট্রোলের হাট এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের আবহ। প্রিয় খেলোয়াড়কে হারিয়ে শোকাহত সতীর্থরাও।
- মাথাভাঙা ১ ব্লকের কুর্শামারির উত্তর মহিষচরু গ্রামটির নেন্দা নদীর উপর পাকা সেতুর দাবি স্থানীয়দের মাথাভাঙা ১ ব্লকের কুর্শামারির উত্তর মহিষচরু গ্রামটির একদিকে রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া আর তিনদিকে নেন্দা নদী।মহিষচরুর গাড়িয়ালের ঘাটে পাঁকা সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। পাকা রাস্তা থেকে বাড়ি পৌঁছতে হলে যেতে হয় বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে। বৈধ ভোটারও বটে। তা সত্ত্বেও যুগের পর যুগ কাটছে ওঁদের সমস্যার সমাধান হয়নি।সারাবছর এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যেতে হলে ভরসা সেই বাঁশের সাঁকোই।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ বাম আমল থেকেই তারা গাড়িয়ালের ঘাটে সেতু তৈরির প্রতিশ্রতি পাচ্ছেন ভোট মিটলেই নেন্দা নদীর ওপর সেতু তৈরি হবে। প্রতি বারই ভোটের আগে গ্রামে নেতাদের আনাগোনা বাড়ে ওঁদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, পাঁকা সেতু হবে। তার পরে অবশ্য সবই গতানুগতিক ভাবেই চলে।বহু আবেদন নিবেদনের পরও কাজ হওয়ায় একপ্রকার বাধ্য হয়েই প্রশাসনিক অনুমতিকে তোয়াক্কা না করেই প্রায় বছর দশেক আগে গ্রামের বাসিন্দারা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদা সংগ্রহ করে স্বেচ্ছাশ্রমে নেন্দা নদীর উপর ১২ টি কংক্রিটের স্তম্ভ তৈরি করে তাঁর উপর গ্রাম থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে সাঁকো তৈরি করে।সারাবছর মেরামত করে ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে।প্রতিবছর বাঁশের সাঁকো বানাতে হয় অভিযোগ এতেও জনপ্রতিনিধিদের কোনো সহযোগিতা জোটে না। গ্রামবাসীরা বলেন,গ্রামে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে এলাকা থেকে মুমূর্ষু রোগীকে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যেতে হলে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়ে রোগীর আত্মীয়-পরিজনের কপালে।বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়েই কোলে-কাঁধে চাপিয়ে নিয়ে গিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে তুলতে হয়। বিকল্প পথে হাসপাতালে পৌঁছতে রোগীর শারীরিক পরিস্থিতি বিগড়োতে পারে। আর ওই পথে যাওয়া বাড়তি খরচ সাপেক্ষেও বটে।গ্রামে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নিতে তাদেরকে কষ্ট পোহাতে হয় জানি না আমাদের আর কত অপেক্ষা করতে হবে।’1
- হাডুডু খেলতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু! পায়ের লাথির আঘাত, হাসপাতালে নিয়ে যেতেই মৃত্যু দিনহাটা: হাডুডু খেলতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃত যুবকের নাম সঞ্জীব সরকার। ঘটনাটি ঘটেছে দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের কনটোলেরহাট খিতাবের কুটি এলাকায়। জানা গিয়েছে, বুধবার ভাই ভাই সংঘের পরিচালনায় এলাকায় হাডুডু খেলা চলছিল। খেলা চলাকালীন এক খেলোয়াড় দৌড়ে পালানোর সময় অপর এক খেলোয়াড়ের পায়ের লাথি তাঁর শরীরে লাগে বলে জানা যায়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই যুবক। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে নয়ারহাট ফাঁড়ির পুলিশ। ঠিক কীভাবে ঘটনাটি ঘটল এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।1
- তুফানগঞ্জ আমরা তুলে ধরলাম1
- *রাতের অন্ধকারে এক বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল একদল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। *রাতের অন্ধকারে এক বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল একদল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।1
- তিব্বত-নেপাল সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা, মুহূর্তে তলিয়ে গেল ইমিগ্রেশন সেন্টার এলাকা তিব্বত-নেপাল সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা, মুহূর্তে তলিয়ে গেল ইমিগ্রেশন সেন্টার এলাকা তিব্বত-নেপাল সীমান্তে আচমকাই ভয়াবহ বন্যা। মুহূর্তের মধ্যে জলের স্রোতে তলিয়ে গেল সীমান্তবর্তী ইমিগ্রেশন সেন্টার সংলগ্ন এলাকা। প্রবল জলস্রোতে ভেসে গিয়েছে রাস্তা, সেতু ও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো। নেপালের রাসুওয়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ বলে জানা গিয়েছে। বুধবারের এই আকস্মিক বন্যায় নেপালে অন্তত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। বহু মানুষ নিখোঁজ। তিব্বতের গিরং এলাকাতেও হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, পাহাড়ি এলাকায় বরফধস বা নদীর উজানে হঠাৎ জল আটকে গিয়ে পরবর্তীতে তা প্রবল স্রোতে নেমে আসার ফলেই এই বিপর্যয় ঘটতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই উদ্ধারকাজ শুরু করেছে নেপাল প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী। ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে সীমান্ত যোগাযোগ কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে দুই দেশের প্রশাসন।1
- ‘নির্বাচনে পরিবর্তন হতেই পারে, কিন্তু চেয়ার দখলকারীদের পালিয়ে যাওয়া লজ্জার’, পৌরসভা নিয়ে নিশীথ প্রামাণিক ‘নির্বাচনে পরিবর্তন হতেই পারে, কিন্তু চেয়ার দখলকারীদের পালিয়ে যাওয়া লজ্জার’, পৌরসভা নিয়ে নিশীথ প্রামাণিক1
- নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রুখতে বুধবার হলদিবাড়ি শহরের বিভিন্ন মুদিখানা ও কাঁচামালের দোকানে অভিযান চালাল মেখলিগঞ্জ মহকুমা প্রশাসন ও হলদিবাড়ি থানার পুলিশ। অভিযানে দোকানগুলিতে পণ্যের দাম, মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হয়। ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম না নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন মেখলিগঞ্জের এসডিও অতনু কুমার মণ্ডল, এসডিপিও আশীষ পি সুব্বা, হলদিবাড়ি থানার আইসি-সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিক ও পুলিশকর্মীরা। প্রশাসনের এই অভিযানে ব্যবসায়ী মহলে তৎপরতা দেখা যায়। সাধারণ মানুষের স্বার্থে আগামী দিনেও এ ধরনের অভিযান চলবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।1
- * অবহেলায় অযত্নে দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ পড়ে আছে দিনহাটা তুত ফ্যাক্টরি। চালুর দাবি জানাচ্ছেন স্থানীয়রা * অবহেলায় অযত্নে দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ পড়ে আছে দিনহাটা তুত ফ্যাক্টরি। চালুর দাবি জানাচ্ছেন স্থানীয়রা1