মুর্শিদাবাদে রাস্তার অপেক্ষা ৭৬ বছর পরেও অসম্পূর্ণ! ভোট নিন, প্রতিশ্রুতি দিন – রাধানগরের কাঁচা রাস্তায় এখন ক্ষোভ ফুটেছে!* ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের 'দাসত্বের মানসিকতা', বাবরি মসজিদের জন্য কোটি টাকা সংগ্রহে ব্যস্ত, কিন্তু গ্রামের রাস্তাঘাট জরাজীর্ণ! প্রশাসনের 'পথশ্রী' প্রতিশ্রুতি: শুধু আশ্বাস, কোনো পদক্ষেপ? স্বাধীনতার ৭৬ বছর পরেও মুর্শিদাবাদের ভরতপুর-১ ব্লকের রাধানগর গ্রামে কাঁচা ও জরাজীর্ণ রাস্তা গ্রামবাসীদের জীবন নরক করে তুলছে। দেশভাগের সময় বসতি গড়ে ওঠা এই গ্রামটি এখনও উন্নয়নের মৌলিক ছায়া থেকে বঞ্চিত। প্রধান সড়ক কাঁচা- বর্ষার আগমনে হাঁটু পর্যন্ত কাদা, বড় বড় গর্ত ও পিচ্ছিল রাস্তা সাধারণ মানুষের মরণফাঁদে পরিণত হয়। স্কুলের শিশু থেকে বৃদ্ধ-সবার চলাচল বিপর্যস্ত। এমনকি জরুরি পরিষেবা পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ভোট আসে আর যায়-রাস্তার উন্নতি হয় না! ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা এখন তোলপাড় সৃষ্টি করে। সম্প্রতি, তিনি BDO-এর কাছে জনস্বাক্ষর সহ একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন - গৌরীনগর থেকে রাধানগরের শেষ পর্যন্ত প্রায় 1600 মিটার রাস্তা অবিলম্বে একটি পাকা পিচ দিয়ে সংযুক্ত করতে হবে। কয়েক দশকের পুরনো প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাসে বিরক্ত গ্রামবাসীরা এখন তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছেন। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া? শুধু আশ্বাস! ভরতপুর-১ BDO দাওয়া শেরপা বলেন, "গ্রামবাসী লিখিত অভিযোগ করেছেন। পথশ্রী প্রকল্পের কারণে অনেক এলাকায় রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে। রাধানগরের সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। আমরা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করব।" কিন্তু গ্রামবাসীরা প্রশ্ন তুলছেন- প্রতিশ্রুতি কবে পূরণ হবে? যখন ভরতপুরের বিধায়ককে বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য কোটি কোটি অনুদান সংগ্রহে ব্যস্ত দেখা যায়, যখন 'দাস মানসিকতার' স্বীকারোক্তি, গ্রামের রাস্তাগুলি কাঁদছে! রাধানগরের বাসিন্দারা শেষ আশার আলোয় দিনযাপন করছেন। প্রশ্ন হচ্ছে- প্রতিশ্রুতি কি এবার সত্যি প্রমাণিত হবে, নাকি ভোটব্যাংকের রাজনীতিতে চাপা পড়ে থাকবে এই আহ্বান? মুর্শিদাবাদে রাস্তার অপেক্ষা ৭৬ বছর পরেও অসম্পূর্ণ! ভোট নিন, প্রতিশ্রুতি দিন – রাধানগরের কাঁচা রাস্তায় এখন ক্ষোভ ফুটেছে!* ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের 'দাসত্বের মানসিকতা', বাবরি মসজিদের জন্য কোটি টাকা সংগ্রহে ব্যস্ত, কিন্তু গ্রামের রাস্তাঘাট জরাজীর্ণ! প্রশাসনের 'পথশ্রী' প্রতিশ্রুতি: শুধু আশ্বাস, কোনো পদক্ষেপ? স্বাধীনতার ৭৬ বছর পরেও মুর্শিদাবাদের ভরতপুর-১ ব্লকের রাধানগর গ্রামে কাঁচা ও জরাজীর্ণ রাস্তা গ্রামবাসীদের জীবন নরক করে তুলছে। দেশভাগের সময় বসতি গড়ে ওঠা এই গ্রামটি এখনও উন্নয়নের মৌলিক ছায়া থেকে বঞ্চিত। প্রধান সড়ক কাঁচা- বর্ষার আগমনে হাঁটু পর্যন্ত কাদা, বড় বড় গর্ত ও পিচ্ছিল রাস্তা সাধারণ মানুষের মরণফাঁদে পরিণত হয়। স্কুলের শিশু থেকে বৃদ্ধ-সবার চলাচল বিপর্যস্ত। এমনকি জরুরি পরিষেবা পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ভোট আসে আর যায়-রাস্তার উন্নতি হয় না! ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা এখন তোলপাড় সৃষ্টি করে। সম্প্রতি, তিনি BDO-এর কাছে জনস্বাক্ষর সহ একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন - গৌরীনগর থেকে রাধানগরের শেষ পর্যন্ত প্রায় 1600 মিটার রাস্তা অবিলম্বে একটি পাকা পিচ দিয়ে সংযুক্ত করতে হবে। কয়েক দশকের পুরনো প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাসে বিরক্ত গ্রামবাসীরা এখন তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছেন। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া? শুধু আশ্বাস! ভরতপুর-১ BDO দাওয়া শেরপা বলেন, "গ্রামবাসী লিখিত অভিযোগ করেছেন। পথশ্রী প্রকল্পের কারণে অনেক এলাকায় রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে। রাধানগরের সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। আমরা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করব।" কিন্তু গ্রামবাসীরা প্রশ্ন তুলছেন- প্রতিশ্রুতি কবে পূরণ হবে? যখন ভরতপুরের বিধায়ককে বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য কোটি কোটি অনুদান সংগ্রহে ব্যস্ত দেখা যায়, যখন 'দাস মানসিকতার' স্বীকারোক্তি, গ্রামের রাস্তাগুলি কাঁদছে! রাধানগরের বাসিন্দারা শেষ আশার আলোয় দিনযাপন করছেন। প্রশ্ন হচ্ছে- প্রতিশ্রুতি কি এবার সত্যি প্রমাণিত হবে, নাকি ভোটব্যাংকের রাজনীতিতে চাপা পড়ে থাকবে এই আহ্বান?
মুর্শিদাবাদে রাস্তার অপেক্ষা ৭৬ বছর পরেও অসম্পূর্ণ! ভোট নিন, প্রতিশ্রুতি দিন – রাধানগরের কাঁচা রাস্তায় এখন ক্ষোভ ফুটেছে!* ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের 'দাসত্বের মানসিকতা', বাবরি মসজিদের জন্য কোটি টাকা সংগ্রহে ব্যস্ত, কিন্তু গ্রামের রাস্তাঘাট জরাজীর্ণ! প্রশাসনের 'পথশ্রী' প্রতিশ্রুতি: শুধু আশ্বাস, কোনো পদক্ষেপ? স্বাধীনতার ৭৬ বছর পরেও মুর্শিদাবাদের ভরতপুর-১ ব্লকের রাধানগর গ্রামে কাঁচা ও জরাজীর্ণ রাস্তা গ্রামবাসীদের জীবন নরক করে তুলছে। দেশভাগের সময় বসতি গড়ে ওঠা এই গ্রামটি এখনও উন্নয়নের মৌলিক ছায়া থেকে বঞ্চিত। প্রধান সড়ক কাঁচা- বর্ষার আগমনে হাঁটু পর্যন্ত কাদা, বড় বড় গর্ত ও পিচ্ছিল রাস্তা সাধারণ মানুষের মরণফাঁদে পরিণত হয়। স্কুলের শিশু থেকে বৃদ্ধ-সবার চলাচল বিপর্যস্ত। এমনকি জরুরি পরিষেবা পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ভোট আসে আর যায়-রাস্তার উন্নতি হয় না! ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা এখন তোলপাড় সৃষ্টি করে। সম্প্রতি, তিনি BDO-এর কাছে
জনস্বাক্ষর সহ একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন - গৌরীনগর থেকে রাধানগরের শেষ পর্যন্ত প্রায় 1600 মিটার রাস্তা অবিলম্বে একটি পাকা পিচ দিয়ে সংযুক্ত করতে হবে। কয়েক দশকের পুরনো প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাসে বিরক্ত গ্রামবাসীরা এখন তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছেন। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া? শুধু আশ্বাস! ভরতপুর-১ BDO দাওয়া শেরপা বলেন, "গ্রামবাসী লিখিত অভিযোগ করেছেন। পথশ্রী প্রকল্পের কারণে অনেক এলাকায় রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে। রাধানগরের সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। আমরা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করব।" কিন্তু গ্রামবাসীরা প্রশ্ন তুলছেন- প্রতিশ্রুতি কবে পূরণ হবে? যখন ভরতপুরের বিধায়ককে বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য কোটি কোটি অনুদান সংগ্রহে ব্যস্ত দেখা যায়, যখন 'দাস মানসিকতার' স্বীকারোক্তি, গ্রামের রাস্তাগুলি কাঁদছে! রাধানগরের বাসিন্দারা শেষ আশার আলোয় দিনযাপন করছেন। প্রশ্ন হচ্ছে- প্রতিশ্রুতি কি এবার সত্যি প্রমাণিত হবে, নাকি ভোটব্যাংকের রাজনীতিতে চাপা পড়ে থাকবে এই আহ্বান? মুর্শিদাবাদে রাস্তার
অপেক্ষা ৭৬ বছর পরেও অসম্পূর্ণ! ভোট নিন, প্রতিশ্রুতি দিন – রাধানগরের কাঁচা রাস্তায় এখন ক্ষোভ ফুটেছে!* ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের 'দাসত্বের মানসিকতা', বাবরি মসজিদের জন্য কোটি টাকা সংগ্রহে ব্যস্ত, কিন্তু গ্রামের রাস্তাঘাট জরাজীর্ণ! প্রশাসনের 'পথশ্রী' প্রতিশ্রুতি: শুধু আশ্বাস, কোনো পদক্ষেপ? স্বাধীনতার ৭৬ বছর পরেও মুর্শিদাবাদের ভরতপুর-১ ব্লকের রাধানগর গ্রামে কাঁচা ও জরাজীর্ণ রাস্তা গ্রামবাসীদের জীবন নরক করে তুলছে। দেশভাগের সময় বসতি গড়ে ওঠা এই গ্রামটি এখনও উন্নয়নের মৌলিক ছায়া থেকে বঞ্চিত। প্রধান সড়ক কাঁচা- বর্ষার আগমনে হাঁটু পর্যন্ত কাদা, বড় বড় গর্ত ও পিচ্ছিল রাস্তা সাধারণ মানুষের মরণফাঁদে পরিণত হয়। স্কুলের শিশু থেকে বৃদ্ধ-সবার চলাচল বিপর্যস্ত। এমনকি জরুরি পরিষেবা পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ভোট আসে আর যায়-রাস্তার উন্নতি হয় না! ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা এখন তোলপাড় সৃষ্টি করে। সম্প্রতি, তিনি BDO-এর কাছে জনস্বাক্ষর সহ
একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন - গৌরীনগর থেকে রাধানগরের শেষ পর্যন্ত প্রায় 1600 মিটার রাস্তা অবিলম্বে একটি পাকা পিচ দিয়ে সংযুক্ত করতে হবে। কয়েক দশকের পুরনো প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাসে বিরক্ত গ্রামবাসীরা এখন তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছেন। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া? শুধু আশ্বাস! ভরতপুর-১ BDO দাওয়া শেরপা বলেন, "গ্রামবাসী লিখিত অভিযোগ করেছেন। পথশ্রী প্রকল্পের কারণে অনেক এলাকায় রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে। রাধানগরের সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। আমরা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করব।" কিন্তু গ্রামবাসীরা প্রশ্ন তুলছেন- প্রতিশ্রুতি কবে পূরণ হবে? যখন ভরতপুরের বিধায়ককে বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য কোটি কোটি অনুদান সংগ্রহে ব্যস্ত দেখা যায়, যখন 'দাস মানসিকতার' স্বীকারোক্তি, গ্রামের রাস্তাগুলি কাঁদছে! রাধানগরের বাসিন্দারা শেষ আশার আলোয় দিনযাপন করছেন। প্রশ্ন হচ্ছে- প্রতিশ্রুতি কি এবার সত্যি প্রমাণিত হবে, নাকি ভোটব্যাংকের রাজনীতিতে চাপা পড়ে থাকবে এই আহ্বান?
- মালদার চাঁচলে বনদপ্তরের অফিসে ঢুকে রেঞ্জ অফিসারের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ মিল মালিক সহ গাছ মাফিয়াদের বিরুদ্ধে। বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি বনকর্তা দুলাল সরকার। ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। অভিযোগ, পিডব্লিউডি-র গাছ চুরির ঘটনায় বনদপ্তর কড়া ব্যবস্থা নেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয় মিল মালিক মনিরুল ও তার ছেলে। এরপরই চাঁচল বনদপ্তরের কার্যালয়ে চড়াও হয় তারা। অফিসের ভিতরেই রেঞ্জ অফিসার দুলাল সরকারকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। মারধরে ফেটে যায় তাঁর মাথা। রক্তাক্ত অবস্থায় সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান।1
- মালদা:গাছ চুরির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়াই কাল হল! মালদার চাঁচলে বনদপ্তরের অফিসে ঢুকে রেঞ্জ অফিসারের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ মিল মালিক সহ গাছ মাফিয়াদের বিরুদ্ধে। বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি বনকর্তা দুলাল সরকার। ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য।অভিযোগ, পিডব্লিউডি-র গাছ চুরির ঘটনায় বনদপ্তর কড়া ব্যবস্থা নেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয় মিল মালিক মনিরুল ও তার ছেলে। এরপরই চাঁচল বনদপ্তরের কার্যালয়ে চড়াও হয় তারা। অফিসের ভিতরেই রেঞ্জ অফিসার দুলাল সরকারকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। মারধরে ফেটে যায় তাঁর মাথা।রক্তাক্ত অবস্থায় সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান।2
- Post by MALDA SANGBAD2
- হতদরিদ্র বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ালেন জেলা পরিষদের সদস্য বুলবুল খান। খাদ্য সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করার পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতা করলেন তিনি। জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের পিপলা গ্রামের বয়স ৮৫ বছরের হেমা দাসের স্বামী ও দুই ছেলে বহু বছর আগে মারা গিয়েছে। অভাবের সংসার। জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস তার। বাড়িতে নেই বিদ্যুৎ। বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে। শরীরের চামড়া কুঁচকে গিয়েছে। ভিক্ষাবৃত্তি করে দুমুঠো আহার জোগাড় করে। কয়েকদিন থেকে ভিক্ষাবৃত্তি করতে পারে না। অর্ধাহারে ও অনাহারে কাটছিল তার দিন। এই খবর পাওয়া মাত্রই বুধবার সকালে বৃদ্ধার বাড়িতে ছুটে যান বুলবুল খান। খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ দিয়ে সাহায্য করেন তিনি। পরবর্তীতেও বৃদ্ধাকে আরও সাহায্য করবেন বলে তিনি জানান।1
- মালদায় চাকরী দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকার প্রতারনা। প্রায় সাড়ে চার হাজার বেকার যুবক যুবতীর সাথে প্রতারনা। প্রত্যেক চাকরী প্রার্থীর কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা নিয়ে চাকরী না দেওয়ার অভিযোগ।1
- রেজিস্ট্রেশন করতে এসে অসুস্থ যুবতী, তৎপর প্রশাসন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি ব্লকের কৃষক বাজারে দুয়ারে রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পে ফর্ম জমা দিতে এসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন করঞ্জি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক যুবতী। ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য চাঞ্চল্য ছড়ালেও প্রশাসনের তৎপরতায় দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প—যুব সাথী, লক্ষ্মীর ভান্ডার, কৃষক বন্ধু ও ভূমিহীন সংক্রান্ত সুবিধার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে এদিন বহু মানুষ কৃষক বাজারে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেই সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই যুবতী। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কুশমন্ডি থানা-র পুলিশ। পাশাপাশি উপস্থিত জনপ্রতিনিধিরা উদ্যোগ নিয়ে তাঁকে দ্রুত কুশমন্ডি গ্রামীণ হাসপাতাল-এ পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।1
- মন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের উপস্থিতিতে জগদীশপুর পঞ্চায়েতের রুনিয়ায় অনুষ্ঠিত হোল তৃনমুল কংগ্রেসের কর্মী সম্মেলন। বুধবার বিকালে এই সম্মেলন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃনমুল মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী চৈতালী ঘোষ সাহা, যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি কৌশিক গুন সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা। এদিন এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে জেলা তৃনমুল মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী চৈতালী ঘোষ সাহা কেন্দ্রীয় সরকার ও নরেন্দ্র মোদীর বিরদ্ধে সোচ্চার হন। অন্য দিকে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে ৪র্থ বার মুখ্যমন্ত্রী করতে সকলকে সম্মিলিত ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের বিষয়ে আলোকপাত করেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মন সহ তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী চৈতালী ঘোষ সাহা।1
- ব্রেকিং নিউজ*: *শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ভূমি মায়াপুর ইসকনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ধর্মীয় অনুষ্ঠান!* নদীয়া: 2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনও দলীয় কর্মসূচিতে নয়, একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলায় পৌঁছেছিলেন। আগমন এবং স্বাগত: অমিত শাহ বুধবার দুপুর আড়াইটায় একটি সেনা হেলিকপ্টারে মায়াপুর ইসকন হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। রাধা-মাধব কাফেলা করে মন্দিরে পৌঁছেন, হরিনাম সংকীর্তনে মগ্ন হন এবং দর্শন করেন। এরপর পদ্মা ভবনে ইসকন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেন, মঞ্চে সনাতন ধর্ম নিয়ে বক্তব্য রাখেন। মূল ঘটনা: ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী মহারাজের 152তম জন্মবার্ষিকীতে ধর্মীয় সমাবেশ। শাহ শ্রী কৃষ্ণ মন্ত্র পাঠ করেন, চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনকে তুলে ধরেন, ইসকনের বৈশ্বিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। মহারাজারা ফুল ও চন্দন দিয়ে বরণ করেন। নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ: রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ দুই দিনের জন্য কড়া কর্ডন, প্রধান মন্দির বন্ধ। ভক্তদের বিপুল ভিড়, মঞ্চে জেলা বিজেপি নেতা। নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশে ধর্মীয় তীর্থযাত্রা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।4