সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে উঠল গুরুতর অভিযোগ। জমির সরষে কাটার জন্য থ্রেসার মেশিন জমিতে নিয়ে যাওয়ার সময় এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগ উঠল ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা চার সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। যার প্রতিবাদে স্থানীয় আদিবাসীরা মিলে সোমবার পথ অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন মালদার হবিবপুর রাইস মিল এলাকায়। জানা গেছে, এদিন হবিবপুর রাইস মিল এলাকার জয়দেব পান্ডে নামে এক চাষী তার জমির সরষে কাটাই এবং ঝাড়াই-বাছাই করার জন্য জমিতে থ্রেসার মেশিন নিয়ে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ ওই সময় হবিবপুর রাইসমিল এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা চার সিভিক ভলান্টিয়ার মিলে তার কাছে টাকা দাবী করে এবং টাকা না দিলে জমিতে থ্রেসার মেশিন নিয়ে যেতে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। ওই সময় পাশ দিয়েই যাচ্ছিলেন বিজেপির দুই স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। তাদের কাছে এই বিষয়ে নালিশ জানান সরষে চাষী জয়দেব পান্ডে। যা শুনে বিজেপির দুই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সিভিক ভলান্টিয়ারের কাছে জানতে চান কেন টাকা চাওয়া হচ্ছে? আর এই জানতে চাওয়ার কারণেই চার সিভিক ভলান্টিয়ার মিলে বিজেপির দুই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের কলার ধরে টানা হেঁচড়া করে বলে অভিযোগ। যার প্রতিবাদে স্থানীয় আদিবাসীরা একজোট হয়ে পথ অবরোধ করেন। হবিবপুর রাইস মিল এলাকায় 'মালদা-নালাগোলা রাজ্য সড়ক অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভ দেখান। খবর পেয়ে হবিবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। সেই সঙ্গে হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুখীরানি সাহাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে এই ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়বাড়ন্তের অভিযোগ তুলে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দেন হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুখীরানি সাহা এবং হবিবপুরের বিধায়ক জোয়েল মুর্মু। তারা গোটা ঘটনায় অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের শাস্তির দাবী জানান।
সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে উঠল গুরুতর অভিযোগ। জমির সরষে কাটার জন্য থ্রেসার মেশিন জমিতে নিয়ে যাওয়ার সময় এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগ উঠল ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা চার সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। যার প্রতিবাদে স্থানীয় আদিবাসীরা মিলে সোমবার পথ অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন মালদার হবিবপুর রাইস মিল এলাকায়। জানা গেছে, এদিন হবিবপুর রাইস মিল এলাকার জয়দেব পান্ডে নামে এক চাষী তার জমির সরষে কাটাই এবং ঝাড়াই-বাছাই করার জন্য জমিতে থ্রেসার মেশিন নিয়ে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ ওই সময় হবিবপুর রাইসমিল এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা চার সিভিক ভলান্টিয়ার মিলে তার কাছে টাকা দাবী করে এবং টাকা না দিলে জমিতে থ্রেসার মেশিন নিয়ে যেতে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। ওই সময় পাশ দিয়েই যাচ্ছিলেন বিজেপির দুই স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। তাদের
কাছে এই বিষয়ে নালিশ জানান সরষে চাষী জয়দেব পান্ডে। যা শুনে বিজেপির দুই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সিভিক ভলান্টিয়ারের কাছে জানতে চান কেন টাকা চাওয়া হচ্ছে? আর এই জানতে চাওয়ার কারণেই চার সিভিক ভলান্টিয়ার মিলে বিজেপির দুই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের কলার ধরে টানা হেঁচড়া করে বলে অভিযোগ। যার প্রতিবাদে স্থানীয় আদিবাসীরা একজোট হয়ে পথ অবরোধ করেন। হবিবপুর রাইস মিল এলাকায় 'মালদা-নালাগোলা রাজ্য সড়ক অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভ দেখান। খবর পেয়ে হবিবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। সেই সঙ্গে হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুখীরানি সাহাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে এই ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়বাড়ন্তের অভিযোগ তুলে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দেন হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুখীরানি সাহা এবং হবিবপুরের বিধায়ক জোয়েল মুর্মু। তারা গোটা ঘটনায় অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের শাস্তির দাবী জানান।
- 2026 বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি রাজ্যজুড়ে যে পরিবর্তন যাত্রার ডাক দিয়েছিল, তা শুরু হয়েছিল ১ তারিখ আজ ১০ মার্চ মালদার বৈষ্ণবনগরে পরিবর্তন যাত্রা নিয়ে উপস্থিত নীতীশ প্রামাণিক ও দিলীপ ঘোষ একটি জনসভায় মধ্য দিয়ে বৈষ্ণবনগরে এসে তৃণমূল সরকারের পরিবর্তনের ডাক দিলেন ....1
- “আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এবং আমাদের চ্যানেল ফলো করুন। যোগাযোগ: 8617053922।”1
- Post by MALDA SANGBAD1
- মালদার হবিবপুর ব্লকের আকতৈল অঞ্চলের বিনোদপুর গ্রামের চিল্লাহার এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় গুচ্ছ গুচ্ছ আধারকার্ড, প্যানকার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার চিল্লাহার এলাকার সুশীল টুডুর বাড়ির সামনে দুটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। বস্তা খুলতেই তার মধ্যে অসংখ্য আধারকার্ড ও প্যানকার্ড দেখতে পান তারা। সুশীল টুডুর দাবি, বিনোদপুর পোস্ট অফিসের আগের এক পিওন তাকে অস্থায়ীভাবে কাজে রাখতেন এবং কিছু আধারকার্ড ও প্যানকার্ড বিলি করার জন্য তার কাছে দিয়েছিলেন। পরে তিনি আর না আসায় সেগুলি পোস্ট অফিসে জমা দেওয়ার জন্য বাড়ির সামনে রেখেছিলেন। এদিকে, তৎকালীন পিওন তথা বর্তমানে খড়িবাড়ি পোস্ট অফিসে কর্মরত হরেশ চন্দ্র রায় জানান, তিনি ওই ব্যক্তিকে কাজে সাহায্যের জন্য রেখেছিলেন এবং কিছু নথি বিলির দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তবে সেগুলি বাড়িতে রেখে দেওয়া হয়েছে তা তার জানা ছিল না। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হবিবপুরের বিধায়ক জোয়েল মুর্মু।1
- Post by Maruf Ali1
- তিনি অত্যন্ত গরিব দরিদ্র এনাকে আমি সাহায্য করতে গিয়েছিলাম তিনি প্রায় তিন বছর থেকে চলাফেরা করতে পারেনা মীর কামারী রতুয়া মালদা এই ভিডিওতে স্ক্যান দেওয়া আছে যারা যারা পারবেন সাহায্য করবেন কিছু টাকা দিয়ে সাহায্য করবেন2
- ধুলিয়ান পৌরসভার ২১ নম্বর প্লাস ১১ নম্বর ওয়ার্ড1
- গ্রামের মধ্যে এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় গুচ্ছ গুচ্ছ আধারকার্ড, প্যান কার্ড সহ অন্যান্য নথিপত্র উদ্ধার! ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য মালদার হবিবপুর ব্লকের আকতৈল অঞ্চলের বিনোদপুর গ্রামের চিল্লাহার এলাকায়। জানা গেছে, চিল্লাহার এলাকার সুশীল টুডু নামে এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে সোমবার দুটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। সেই বস্তা দুটি খুলতেই তারমধ্যে অসংখ্য আধারকার্ড, প্যানকার্ড সহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি পড়ে থাকতে দেখেন। যাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়। যার বাড়ির পাশে এই সমস্ত নথিপত্র পাওয়া যায় সেই ব্যক্তি সুশীল টুডু জানান, বিনোদপুর পোস্ট অফিসে আগের যিনি পিওন ছিলেন তিনি তাকে দিয়ে অস্থায়ীভাবে কাজ করাতেন। সেই সূত্রে কিছু আধারকার্ড, প্যানকার্ড তার কাছে রেখেছিলেন। ধীরে ধীরে তা বিলি করার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি না আসার কারণে সেই সমস্ত আধারকার্ড, প্যানকার্ড তিনি পোস্ট অফিসে জমা করার জন্য বাড়ির সামনে রেখেছিলেন। এই বিষয়ে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বিনোদপুর পোস্ট অফিসে পিওনের দায়িত্বে থাকা তথা বর্তমানে খড়িবাড়ি পোস্ট অফিসের পিওন হরেশ চন্দ্র রায় জানান,তিনি ওই ব্যক্তিকে তার কাজে সাহায্য করার জন্য রেখেছিলেন। তাকে কিছু আধারকার্ড, প্যানকার্ড বিলি করার জন্য দিয়েছিলেন। সে বাড়িতে রেখে দিয়েছে তা তার জানা ছিল না। এদিকে এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হবিবপুরের বিধায়ক জোয়েল মুর্মু। তার অভিযোগ, সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ নথি পোস্ট অফিস থেকে বিলি করার কথা। কিন্তু তা না করে কারও বাড়িতে রেখে দেওয়া হয়েছে। যা কখনই করা উচিত নয়।1