পরিবর্তনের সরকারের প্রথম বাজেটে ছড়রা বিমানবন্দর নিয়ে ঘোষণার পর স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত ও খুশি এলাকাবাসী। একরাশ স্বপ্ন ও আশা নিয়ে তারা এখন বুক বাঁধছেন, যদিও এটি কেবল ঘোষণা নাকি বাস্তবে রূপায়ণ হবে, তা নিয়ে এখনো সংশয় রয়েছে। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ জমানায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধবিমানের জ্বালানি সরবরাহের জন্য এই ছড়রা এয়ারপোর্ট তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীকালে, বাম আমলে তৎকালীন পরিবহন মন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তী এই মাটিতেই চন্দ্র-সূর্য সাক্ষী রেখে বিমানবন্দর তৈরির ঘোষণা করেছিলেন। এছাড়াও, দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফরে এসে বারবার প্রশাসনিক বৈঠকে এই বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন, যা এলাকাবাসীর মনে নতুন করে আশা জাগিয়েছিল। অতীতে এই আগাম পূর্বাভাসকে কেন্দ্র করে এলাকার জমি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে জমি মাফিয়ারা সক্রিয় হয়ে উঠেছিল। তবে, এত ঘোষণার পরেও প্রস্তাবিত ছড়রা বিমানবন্দরটি শুধুমাত্র ঘোষণায় সীমাবদ্ধ থাকবে নাকি বাস্তবে রূপায়ণ হবে, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মনে এখনো সংশয় রয়ে গেছে।
পরিবর্তনের সরকারের প্রথম বাজেটে ছড়রা বিমানবন্দর নিয়ে ঘোষণার পর স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত ও খুশি এলাকাবাসী। একরাশ স্বপ্ন ও আশা নিয়ে তারা এখন বুক বাঁধছেন, যদিও এটি কেবল ঘোষণা নাকি বাস্তবে রূপায়ণ হবে, তা নিয়ে এখনো সংশয় রয়েছে। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ জমানায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধবিমানের জ্বালানি সরবরাহের জন্য এই ছড়রা এয়ারপোর্ট তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীকালে, বাম আমলে তৎকালীন পরিবহন মন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তী এই মাটিতেই চন্দ্র-সূর্য সাক্ষী রেখে বিমানবন্দর তৈরির ঘোষণা করেছিলেন। এছাড়াও, দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফরে এসে বারবার প্রশাসনিক বৈঠকে এই বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন, যা এলাকাবাসীর মনে নতুন করে আশা জাগিয়েছিল। অতীতে এই আগাম পূর্বাভাসকে কেন্দ্র করে এলাকার জমি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে জমি মাফিয়ারা সক্রিয় হয়ে উঠেছিল। তবে, এত ঘোষণার পরেও প্রস্তাবিত ছড়রা বিমানবন্দরটি শুধুমাত্র ঘোষণায় সীমাবদ্ধ থাকবে নাকি বাস্তবে রূপায়ণ হবে, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মনে এখনো সংশয় রয়ে গেছে।
- রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাদের প্রথম বাজেটেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে। এই বাজেটে ছররা বিমানবন্দর চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ্য ভাতা (DA) সহ সমস্ত ক্ষেত্রেই বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে বিজেপি সরকার, যা তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণের ইঙ্গিত দেয়।1
- পুরুলিয়ায় ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে কংগ্রেস এবং সেবা দলের পক্ষ থেকে একটি সত্যাগ্রহ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির মূল বিষয় ছিল হকারদের পুনর্বাসন এবং NEET পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা।1
- পুরুলিয়া জেলার বলরামপুর থানার উদ্যোগে ঘাটবেড়া কেরুয়া অঞ্চলের লুকুচাটানি, হেডেলবেড়া ও সালনি গ্রামের বাসিন্দাদের নিয়ে একটি জনসংযোগ আলোচনা সভা আয়োজিত হয়। এই সভায় বলরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক আই সি অর্ণব গুহ এবং অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিপুল সংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন সমস্যা, এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পুলিশ আধিকারিকরা গ্রামবাসীদের মতামত ও অভিযোগ মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সেগুলি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এই সভার মূল লক্ষ্য ছিল পুলিশ-জনতা সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় শান্তি, নিরাপত্তা ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখা।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে পুরুলিয়ার এমএসএ ময়দান থেকে সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো কী বলেছেন, সেই বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে।1
- বাজেটে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার কর্মী নিয়োগের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়াও, ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাবও এই বাজেটেই পেশ করা হয়েছে।1
- আম্বাতি, সিমলাপাল, দোগিড়্যা এবং বাঁকুড়া অঞ্চলে আজ সকালে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আকাশ কালো মেঘে ঢাকা রয়েছে এবং এই সময়ে 'টিপাটিপি বিস্কিট' হচ্ছে।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে পুরুলিয়া জেলা শাসকের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ বার্তা প্রদান করা হয়েছে।1
- শাশপুর সংকল্প ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজন সামাজিক দায়বদ্ধতার এক নিদর্শন।1
- উখড়ার মিনিবাস কর্মী ইউনিয়ন অফিস ঘিরে বিতর্ক ক্রমশ রাজনৈতিক রূপ নিচ্ছে, যেখানে বিজেপির অন্দরেও মতভেদের ইঙ্গিত মিলেছে। এই বিতর্কের জেরে মিনিবাস কর্মীরা তাঁদের ইউনিয়ন অফিস পুনরুদ্ধারের দাবিতে রবিবার একদিনের প্রতীকী ধর্মঘট পালন করেন। কর্মীদের অভিযোগ, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর স্থানীয় কিছু বিজেপি নেতা জোর করে ওই ইউনিয়ন অফিস দখল করে নিয়েছেন। তবে, বিজেপির একাংশ এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীরা সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে দাবি করেন যে, বাস কর্মীদের এই আন্দোলনের নেপথ্যে বিজেপিরই এক বহিষ্কৃত নেতা রয়েছেন। রানিগঞ্জ মণ্ডলের সভাপতি ইন্দ্রসেন রায় অভিযোগ করেন যে, জেলা বিজেপি নেতা ছোটন চক্রবর্তীর প্ররোচনাতেই এই বিতর্কের সৃষ্টি। ইন্দ্রসেন রায় আরও দাবি করেছেন যে, তাঁরা বৈধভাবে জমির মালিকের কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট জমিটি ক্রয় করেছেন এবং এই সংক্রান্ত সমস্ত নথিপত্র তাঁদের কাছে আছে। ফলে ইউনিয়ন অফিস দখলের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই বলেই তিনি জানান। অন্যদিকে, ছোটন চক্রবর্তী সোমবার দুপুর তিনটায় সাংবাদিক বৈঠক করে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বাস কর্মীদের আন্দোলনের সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই। পাশাপাশি তিনি জানান, যে অফিসটিকে ঘিরে এই বিতর্ক, সেটি দীর্ঘদিন ধরেই বাস কর্মীরা ইউনিয়ন অফিস হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। ছোটন চক্রবর্তী আরও বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়টি তিনি দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের নজরে এনেছেন। এর বিপরীতে, ইন্দ্রসেন রায় পুনরায় দাবি করেন যে জমি ক্রয়ের সমস্ত বৈধ কাগজপত্র তাঁদের কাছে মজুত এবং ইউনিয়ন অফিস কোনোভাবেই দখল করা হয়নি।1