এক বছর ধরে বন্ধ এলআই পাম্প হাউস, সেচের অভাবে বিপাকে রাজনগরের ৩০০ পরিবার সেচের জলের অভাবে চরম সংকটে পড়েছেন উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর মহকুমার রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ৩০০ পরিবার। এলাকায় থাকা এলআই স্কিমের পাম্প হাউসটি দীর্ঘ এক বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় কৃষিকাজ প্রায় বন্ধ। ধান এবং বিভিন্ন ধরনের সব্জি চাষ করতে না পেরে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পাম্প হাউসটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল থাকলেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত এবং জলসম্পদ দপ্তরের আধিকারিকদের কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে বহু পরিবারকে জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে।এরপর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা যুবরাজনগর কেন্দ্রের বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথের দ্বারস্থ হন এবং দ্রুত পাম্প হাউসটি পুনরায় চালুর দাবি জানান। অভিযোগ পেয়ে বিধায়ক নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে পাম্প হাউস ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পরিদর্শন করেন।পরিদর্শন শেষে বিধায়ক জানান, পাম্প হাউস সংলগ্ন জল সংরক্ষণের সুইচগেটের নিচে বড় ধরনের ছিদ্র তৈরি হওয়ায় বর্ষার সময় জল থাকলেও অন্য সময় সেখানে জল জমছে না। এই ছিদ্রের কারণে প্রয়োজনীয় জল বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে এবং পাম্প চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও সুইচগেট থেকে পাম্প হাউস পর্যন্ত সংযোগকারী পাইপলাইনের একাধিক স্থানে লিক রয়েছে। একই সঙ্গে কৃষিজমিতে জল পৌঁছে দেওয়ার নিষ্কাশন পাইপও ভেঙে যাওয়ায় সেচ ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে।তিনি বলেন, সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত সুইচগেটটি পরিবর্তন করে নতুনভাবে নির্মাণ করতে হবে। পাশাপাশি লিক হওয়া পাইপলাইন এবং ভাঙা জল সরবরাহের পাইপও দ্রুত বদলানো প্রয়োজন। বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট জলসম্পদ দপ্তরের নজরে এনে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেবেন বলেও আশ্বাস দেন।বিধায়কের আশ্বাসে এলাকাবাসীর মধ্যে কিছুটা আশার সঞ্চার হলেও তাদের দাবি, অকেজো পাম্প হাউসের কাজ দ্রুত শুরু করে পাম্প হাউসটি সচল করা হোক। তাহলেই আসন্ন মৌসুমে কৃষকরা পুনরায় সেচের সুবিধা পেয়ে চাষাবাদ শুরু করতে পারবেন।
এক বছর ধরে বন্ধ এলআই পাম্প হাউস, সেচের অভাবে বিপাকে রাজনগরের ৩০০ পরিবার সেচের জলের অভাবে চরম সংকটে পড়েছেন উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর মহকুমার রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ৩০০ পরিবার। এলাকায় থাকা এলআই স্কিমের পাম্প হাউসটি দীর্ঘ এক বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় কৃষিকাজ প্রায় বন্ধ। ধান এবং বিভিন্ন ধরনের সব্জি চাষ করতে না পেরে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পাম্প হাউসটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল থাকলেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত এবং জলসম্পদ দপ্তরের আধিকারিকদের কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে বহু পরিবারকে জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে।এরপর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা যুবরাজনগর কেন্দ্রের বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথের দ্বারস্থ হন এবং দ্রুত পাম্প হাউসটি পুনরায় চালুর দাবি জানান। অভিযোগ পেয়ে বিধায়ক নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে পাম্প হাউস ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পরিদর্শন করেন।পরিদর্শন শেষে বিধায়ক জানান, পাম্প হাউস সংলগ্ন জল সংরক্ষণের সুইচগেটের নিচে বড় ধরনের ছিদ্র তৈরি হওয়ায় বর্ষার সময় জল থাকলেও অন্য সময় সেখানে জল জমছে না। এই ছিদ্রের কারণে প্রয়োজনীয় জল বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে এবং পাম্প চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও সুইচগেট থেকে পাম্প হাউস পর্যন্ত সংযোগকারী পাইপলাইনের একাধিক স্থানে লিক রয়েছে। একই সঙ্গে কৃষিজমিতে জল পৌঁছে দেওয়ার নিষ্কাশন পাইপও ভেঙে যাওয়ায় সেচ ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে।তিনি বলেন, সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত সুইচগেটটি পরিবর্তন করে নতুনভাবে নির্মাণ করতে হবে। পাশাপাশি লিক হওয়া পাইপলাইন এবং ভাঙা জল সরবরাহের পাইপও দ্রুত বদলানো প্রয়োজন। বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট জলসম্পদ দপ্তরের নজরে এনে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেবেন বলেও আশ্বাস দেন।বিধায়কের আশ্বাসে এলাকাবাসীর মধ্যে কিছুটা আশার সঞ্চার হলেও তাদের দাবি, অকেজো পাম্প হাউসের কাজ দ্রুত শুরু করে পাম্প হাউসটি সচল করা হোক। তাহলেই আসন্ন মৌসুমে কৃষকরা পুনরায় সেচের সুবিধা পেয়ে চাষাবাদ শুরু করতে পারবেন।
- পরিকাঠামোগত উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে শুক্রবার হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শন নিজস্ব প্রতিনিধি:-গোমতী জেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিষেবার মানোন্নয়ন ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে শুক্রবার এক গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন জেলার বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, গোমতী জেলার জেলা শাসক রিঙ্কু লাথের, জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা. কমল রিয়াং এবং জেলা হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপার ডা. কাজল দাসসহ অন্যান্য চিকিৎসক ও আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলটি হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ঘুরে দেখেন। ট্রমা কেয়ার সেন্টার, নবনির্মিত সিসিইউ ওয়ার্ড, সিটি স্ক্যান ও রেডিওলজি বিভাগ, আইপিএইচএস ল্যাব, ঔষধ বিতরণ কেন্দ্র এবং রোগীদের টিকিট কাউন্টারসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড সরেজমিনে খতিয়ে দেখা হয়। হাসপাতালের পরিষেবা আরও কীভাবে উন্নত করা যায়, সেই বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। পরিদর্শন শেষে উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, হাসপাতালের সিসিইউ, সন্ধ্যা ওপিডি কাউন্টার এবং নতুনভাবে স্থাপিত সি-এআরএম (C-Arm) মেশিন চালু হওয়ার ফলে চিকিৎসা পরিষেবায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। বিশেষ করে এই অত্যাধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে দুর্ঘটনাজনিত হাত বা পা ভাঙার মতো জটিল অপারেশন এখন জেলা হাসপাতালেই করা সম্ভব হবে। এর ফলে প্রায় ৪০ শতাংশ রোগীকে আগরতলায় রেফার করার প্রয়োজন অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।1
- এক বছর ধরে বন্ধ এলআই পাম্প হাউস, সেচের অভাবে বিপাকে রাজনগরের ৩০০ পরিবার। সুইচগেট ও পাইপলাইনে একাধিক ত্রুটি, বিধায়কের পরিদর্শনে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস। সেচের জলের অভাবে চরম সংকটে পড়েছেন উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর মহকুমার রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ৩০০ পরিবার। এলাকায় থাকা এলআই স্কিমের পাম্প হাউসটি দীর্ঘ এক বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় কার্যত ভেঙে পড়েছে সেচ ব্যবস্থা। এর জেরে ধান ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি চাষ করতে না পেরে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাম্প হাউসটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে থাকলেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত এবং জলসম্পদ দপ্তরের আধিকারিকদের কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু অভিযোগের পরও সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে কৃষিকাজ নির্ভর বহু পরিবার জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা যুবরাজনগর কেন্দ্রের বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথের দ্বারস্থ হয়ে দ্রুত পাম্প হাউসটি পুনরায় চালুর দাবি জানান। তাঁদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিধায়ক নিজে এলাকায় গিয়ে পাম্প হাউস ও সংশ্লিষ্ট সেচ পরিকাঠামো পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে বিধায়ক জানান, পাম্প হাউস সংলগ্ন জল সংরক্ষণের সুইচগেটের নিচে বড় ধরনের ছিদ্র তৈরি হয়েছে। ফলে বর্ষার সময় জল থাকলেও অন্যান্য সময় জল ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ওই ছিদ্র দিয়ে প্রয়োজনীয় জল বাইরে বেরিয়ে যাওয়ায় পাম্প চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও সুইচগেট থেকে পাম্প হাউস পর্যন্ত সংযোগকারী পাইপলাইনের একাধিক জায়গায় লিক রয়েছে বলে পরিদর্শনে উঠে এসেছে। একই সঙ্গে কৃষিজমিতে জল পৌঁছে দেওয়ার নিষ্কাশন পাইপও ভেঙে পড়েছে। ফলে গোটা সেচ ব্যবস্থাই কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। বিধায়ক বলেন, সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত সুইচগেটটি পরিবর্তন করে নতুনভাবে নির্মাণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি লিক হওয়া পাইপলাইন এবং ভেঙে যাওয়া জল সরবরাহের পাইপও দ্রুত সংস্কার বা পরিবর্তন করতে হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জলসম্পদ দপ্তরের নজরে এনে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। বিধায়কের আশ্বাসে এলাকাবাসীর মধ্যে কিছুটা আশার সঞ্চার হলেও তাঁদের দাবি, আর দেরি না করে দ্রুত কাজ শুরু করে অকেজো পাম্প হাউসটি সচল করা হোক। পাম্প হাউস চালু হলে আসন্ন কৃষি মরশুমে সেচের জল পেয়ে ফের চাষাবাদ শুরু করতে পারবেন এলাকার কৃষকরা। এখন সংশ্লিষ্ট দপ্তর কত দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন প্রায় ৩০০ পরিবার।3
- মন্ত্রী টিংকু রায়ের পরিদর্শনে ঊনকোটির নতুন জেলা কারাগারের নির্মাণে গতি, ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষের লক্ষ্য! মন্ত্রী টিংকু রায়ের পরিদর্শনে ঊনকোটির নতুন জেলা কারাগারের নির্মাণে গতি, ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষের লক্ষ্য!1
- মদের আসর কল্যাণপুর বিদ্যুৎ দপ্তরের ভেতর 🍷😂 কল্যাণপুর বিদ্যুৎ দপ্তরের ভেতরে মদের আসর কল্যাণপুর, খোয়াই ত্রিপুরা:- মদের আসর কল্যাণপুর বিদ্যুৎ দপ্তরের ভেতর 🍷😂 কল্যাণপুর বিদ্যুৎ দপ্তরের ভেতরে মদের আসর কল্যাণপুর।।1
- খোয়াই সরকারি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিভাগে ভীমরুলের হামলা, আহত ৩ ছাত্র — এক মাস আগেই সতর্ক করেছিলেন অভিভাবকরা।4
- এক বছর ধরে অচল এলআই পাম্প হাউস,সেচের অভাবে বিপাকে রাজনগরের ৩০০ পরিবার! সেচের জলের অভাবে চরম সংকটে পড়েছেন উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর মহকুমার রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ৩০০টি পরিবার। এলাকায় অবস্থিত লিফট ইরিগেশন অর্থাৎ এলআই স্কিমের পাম্প হাউসটি দীর্ঘ এক বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে সেচ ব্যবস্থা। ফলে ধানসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ ব্যাহত হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা।স্থানীয়দের অভিযোগ,দীর্ঘদিন ধরে পাম্প হাউসটি বিকল থাকলেও বিষয়টি নিয়ে পঞ্চায়েত ও জলসম্পদ দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে বহু কৃষক পরিবার জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।অবশেষে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা যুবরাজনগর কেন্দ্রের বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথের দ্বারস্থ হন এবং দ্রুত পাম্প হাউসটি পুনরায় চালুর দাবি জানান। অভিযোগ পাওয়ার পর বিধায়ক নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে পাম্প হাউস ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পরিদর্শন করেন।পরিদর্শন শেষে বিধায়ক জানান,পাম্প হাউস সংলগ্ন জল সংরক্ষণের সুইচগেটের নিচে বড় ধরনের ছিদ্র তৈরি হওয়ায় বর্ষাকাল ছাড়া অন্য সময় সেখানে জল ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রয়োজনীয় জল বেরিয়ে যাওয়ায় পাম্প চালু করা যাচ্ছে না। এছাড়া সুইচগেট থেকে পাম্প হাউস পর্যন্ত সংযোগকারী পাইপলাইনের একাধিক স্থানে লিক রয়েছে।কৃষিজমিতে জল পৌঁছে দেওয়ার সরবরাহ পাইপও ভেঙে যাওয়ায় পুরো সেচ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। তিনি জানান, সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত সুইচগেটটি নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। পাশাপাশি লিক হওয়া পাইপলাইন ও ভেঙে যাওয়া জল সরবরাহের পাইপ দ্রুত পরিবর্তন করা জরুরি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জলসম্পদ দপ্তরের নজরে এনে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।বিধায়কের আশ্বাসে এলাকাবাসীর মধ্যে কিছুটা আশার সঞ্চার হলেও তাদের দাবি, দ্রুত মেরামতের কাজ শুরু করে এলআই পাম্প হাউসটি সচল করা হোক। তবেই আসন্ন মৌসুমে কৃষকরা আবারও সেচের সুবিধা পেয়ে স্বাভাবিকভাবে চাষাবাদ শুরু করতে পারবেন।4
- *এক বছর ধরে অচল এলআই স্কিমের পাম্প হাউস, সেচের জলের অভাবে চরম সংকটে ৩০০ পরিবার* নিজস্ব প্রতিনিধি, ধর্মনগর, ৩১ জুলাই: উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর মহকুমার রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত এলআই স্কিমের পাম্প হাউস দীর্ঘ এক বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ৩০০ পরিবারের মানুষ। বিশেষ করে সেচের জলের অভাবে এলাকার কৃষকরা ধান ও বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করতে না পেরে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।1
- চুড়াইবাড়ি থানার সামনে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন পণ্যবাহী গাড়ির চালক,মানবিকতায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ‘পিএনজি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ’! আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কের চুড়াইবাড়ি থানার সামনে গতকাল রাত প্রায় সাড়ে ৯টা নাগাদ এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান শ্রীভূমি জেলার মধ্যবাজার এলাকার বাসিন্দা ও পণ্যবাহী গাড়ির চালক গৌতম নাথ।জানা গেছে,পুলিশ একটি পণ্যবাহী গাড়িতে তল্লাশি চালানোর পর গৌতম নাথ গাড়ির পেছনের ডালা বন্ধ করছিলেন। সেই সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা আরেকটি পণ্যবাহী গাড়ি তাঁকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় জড়িত গাড়িটির নম্বর এনএল-০১কে-৭৪১২। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন ঊনকোটি জেলার কৈলাশহর মহকুমার চণ্ডীপুর এলাকার বাসিন্দা প্রদীপ দেবনাথ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে,জাতীয় সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে ব্রেক কষলেও গাড়িটি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি চালক। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।এদিকে,দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পিএনজি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ-এর সদস্যরা মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তাঁরা পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করেন এবং মরদেহটি মর্যাদার সঙ্গে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।মৃতের পরিবারের সদস্যরা পিএনজি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য ও সকল চালকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের এই মানবিক উদ্যোগ এলাকাজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে।চুড়াইবাড়ি থানার সামনেই ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনা আবারও জাতীয় সড়কের নিরাপত্তা,যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং রাস্তার রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।4