বকেয়া বেতন ও কর্মসংস্থানের দাবিতে দুর্গাপুর কেমিক্যালস কারখানার গেটে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন শ্রমিকরা। তাঁদের অভিযোগ, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে কারখানাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে ১৮২ জন শ্রমিকের জীবন-জীবিকা চরম সংকটের মুখে পড়েছে এবং তাদের অনেকেরই আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। শ্রমিকদের দাবি, গত সাত মাস ধরে তাঁরা কোনো বেতন পাচ্ছেন না। এর পাশাপাশি, ইএসআই ও পিএফ-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সুরক্ষা সুবিধাও বন্ধ হয়ে গেছে। তাঁদের অভিযোগ, এই সমস্যা সমাধানের জন্য আগের সরকারের কাছে একাধিকবার আবেদন জানানো হলেও কোনো ফল মেলেনি। শ্রমিকদের বক্তব্য, নতুন সরকার গঠনের পর গত দু'মাসে স্থানীয় বিধায়ক লক্ষণ চন্দ্র ঘড়ুইয়ের কাছে বারবার আবেদন করা হয়েছে। বিধায়ক বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আশ্বাস দিয়েছিলেন, কিন্তু অধিবেশন শেষ হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপের কথা শ্রমিকদের জানানো হয়নি। শ্রমিকরা রাজ্য সরকারের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা আবেদন করেছেন যে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর যেন দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হন এবং বকেয়া বেতন, পিএফ ও ইএসআই সংক্রান্ত জটিলতার নিষ্পত্তি করেন।
বকেয়া বেতন ও কর্মসংস্থানের দাবিতে দুর্গাপুর কেমিক্যালস কারখানার গেটে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন শ্রমিকরা। তাঁদের অভিযোগ, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে কারখানাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে ১৮২ জন শ্রমিকের জীবন-জীবিকা চরম সংকটের মুখে পড়েছে এবং তাদের অনেকেরই আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। শ্রমিকদের দাবি, গত সাত মাস ধরে তাঁরা কোনো বেতন পাচ্ছেন না। এর পাশাপাশি, ইএসআই ও পিএফ-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সুরক্ষা সুবিধাও বন্ধ হয়ে গেছে। তাঁদের অভিযোগ, এই সমস্যা সমাধানের জন্য আগের সরকারের কাছে একাধিকবার আবেদন জানানো হলেও কোনো ফল মেলেনি। শ্রমিকদের বক্তব্য, নতুন সরকার গঠনের পর গত দু'মাসে স্থানীয় বিধায়ক লক্ষণ চন্দ্র ঘড়ুইয়ের কাছে বারবার আবেদন করা হয়েছে। বিধায়ক বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আশ্বাস দিয়েছিলেন, কিন্তু অধিবেশন শেষ হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপের কথা শ্রমিকদের জানানো হয়নি। শ্রমিকরা রাজ্য সরকারের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা আবেদন করেছেন যে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর যেন দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হন এবং বকেয়া বেতন, পিএফ ও ইএসআই সংক্রান্ত জটিলতার নিষ্পত্তি করেন।
- মঙ্গলবার দুপুর দুটোয় দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর একটি ভবনে মহরম উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশের উদ্যোগে একটি অগ্রিম প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকে মহরমের বিভিন্ন কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সভায় স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, মহরমের শোভাযাত্রায় ডিজে বাজানো যাবে না এবং কোনো ধরনের অস্ত্র নিয়ে বের হওয়া যাবে না। এছাড়াও, শান্তিপূর্ণভাবে এবং নিয়ম মেনে মহরম পালন করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- দুর্গাপুরের বেনাচিটির সুশীল সিং তাঁর ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে প্রভু যীশু খ্রিস্টের নামে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।1
- আজ আসানসোলে প্রচুর ঝড় উঠেছে এবং চারিদিকে বিদ্যুতের চমকানি দেখা গেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঝড়বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল, আর সেই পূর্বাভাস সত্যি করে বলতে না বলতেই দ্রুত শুরু হয়ে গেল ঝড় ও বৃষ্টি।1
- প্রশাসন মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের পাশে দীর্ঘদিনের একটি অবৈধ নির্মাণ ভেঙে সরিয়ে দিয়েছে। এই অভিযানে বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন।1
- অবৈধ বালি পরিবহনে রাশ টানার লক্ষ্যে বাঁকুড়ার ইন্দাস থানা একটি অভিযান চালিয়েছে। এই অভিযানে মোট তিন জন বালি পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।1
- টিকিয়াপাড়ায় রেলের জমিতে একটি উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানে অবৈধভাবে নির্মিত ঝুপড়িগুলি ভেঙে ফেলা হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উপর থাকা মোট ৮ লক্ষ কোটি টাকার দেনা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই মিটে যাবে।1
- দুর্গাপুরের চণ্ডীদাস বাজার এলাকায় মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় ইস্পাত কারখানা কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ চুরির বিরুদ্ধে একটি বড়সড় অভিযান চালিয়েছে। এই অভিযানে প্রায় ৫০টি দোকানের বেআইনি হুকিং লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়, যা ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে দীর্ঘদিন ধরে বাজারের একাংশে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ছিল, সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই কর্তৃপক্ষ এদিন এই পদক্ষেপ নেয়। ইস্পাত কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে বিদ্যুৎ চুরি রোধ, দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো এবং একটি নিরাপদ বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। একই সাথে, ব্যবসায়ীদের বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণ করে নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, হঠাৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী সমস্যার মুখে পড়েছেন। তবে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে বেআইনি বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।1