উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগরে অবস্থিত ধর্মনগর রেলওয়ে ডিভিশন ডিমান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমিটির ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা রবিবার ধর্মনগর পুরাতন মোটরস্ট্যান্ড সংলগ্ন টিজিটিএ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় গত এক বছরের কার্যকলাপ, আর্থিক হিসাব-নিকাশ, ভবিষ্যৎ কর্মসূচি এবং ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সম্পাদক হিমাংশু পাল তাঁর বার্ষিক সম্পাদকীয় প্রতিবেদনে সংগঠনের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রতিবেদনে সম্প্রতি প্রয়াত সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস.এন. ভট্টাচার্যের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রয়াত বিধায়ক স্পিকার বিশ্ববন্ধু সেন সহ সমাজ ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের অবদানের কথাও স্মরণ করা হয়। কমিটি জানিয়েছে, ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে তারা ধারাবাহিকভাবে গণআন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে, যার মধ্যে স্মারকলিপি প্রদান, জনসভা, পথসভা, প্রচারপত্র বিতরণ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের মতো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংগঠনের দাবি, উত্তর-পূর্ব ভারতের রেল মানচিত্রে ধর্মনগরের ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক অবস্থান রেল ডিভিশনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। আলোচনায় উঠে আসে যে, রেল মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড যেমন ১৪১ একর জমির প্রাপ্যতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভূমি অধিগ্রহণের সুবিধা, ভৌগোলিক অবস্থা এবং পরিবেশগত উপযোগিতা—সব ক্ষেত্রেই ধর্মনগর এগিয়ে রয়েছে। সংগঠনের মতে, পর্যাপ্ত সরকারি ও বেসরকারি জমি উপলব্ধ থাকায় রেল ডিভিশন স্থাপনে এখানে কোনো বড় বাধা নেই। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে শিলচর বা বদরপুরে নতুন রেল ডিভিশন গঠনের সম্ভাবনা নেই, তাই ধর্মনগরের দাবিই অধিকতর যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত বলে কমিটি মনে করে। সভায় সংগঠনের সাংগঠনিক দুর্বলতা, বিশেষ করে বিভিন্ন মহকুমা ও গ্রামীণ এলাকায় সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি, যুব সমাজকে আন্দোলনে যুক্ত করা এবং বৃহত্তর গণসমর্থন আদায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আগামী দিনে আরও ব্যাপক প্রচারাভিযান, জনসংযোগ এবং গণআন্দোলনের মাধ্যমে দাবিকে শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই সভায় সভাপতি কে ভট্টাচার্য সহ সকল পদের বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ এবং সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগরে অবস্থিত ধর্মনগর রেলওয়ে ডিভিশন ডিমান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমিটির ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা রবিবার ধর্মনগর পুরাতন মোটরস্ট্যান্ড সংলগ্ন টিজিটিএ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় গত এক বছরের কার্যকলাপ, আর্থিক হিসাব-নিকাশ, ভবিষ্যৎ কর্মসূচি এবং ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সম্পাদক হিমাংশু পাল তাঁর বার্ষিক সম্পাদকীয় প্রতিবেদনে সংগঠনের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রতিবেদনে সম্প্রতি প্রয়াত সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস.এন.
ভট্টাচার্যের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রয়াত বিধায়ক স্পিকার বিশ্ববন্ধু সেন সহ সমাজ ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের অবদানের কথাও স্মরণ করা হয়। কমিটি জানিয়েছে, ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে তারা ধারাবাহিকভাবে গণআন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে, যার মধ্যে স্মারকলিপি প্রদান, জনসভা, পথসভা, প্রচারপত্র বিতরণ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের মতো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংগঠনের দাবি, উত্তর-পূর্ব ভারতের রেল মানচিত্রে ধর্মনগরের ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক অবস্থান রেল ডিভিশনের জন্য
অত্যন্ত উপযোগী। আলোচনায় উঠে আসে যে, রেল মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড যেমন ১৪১ একর জমির প্রাপ্যতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভূমি অধিগ্রহণের সুবিধা, ভৌগোলিক অবস্থা এবং পরিবেশগত উপযোগিতা—সব ক্ষেত্রেই ধর্মনগর এগিয়ে রয়েছে। সংগঠনের মতে, পর্যাপ্ত সরকারি ও বেসরকারি জমি উপলব্ধ থাকায় রেল ডিভিশন স্থাপনে এখানে কোনো বড় বাধা নেই। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে শিলচর বা বদরপুরে নতুন রেল ডিভিশন গঠনের সম্ভাবনা নেই, তাই ধর্মনগরের দাবিই
অধিকতর যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত বলে কমিটি মনে করে। সভায় সংগঠনের সাংগঠনিক দুর্বলতা, বিশেষ করে বিভিন্ন মহকুমা ও গ্রামীণ এলাকায় সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি, যুব সমাজকে আন্দোলনে যুক্ত করা এবং বৃহত্তর গণসমর্থন আদায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আগামী দিনে আরও ব্যাপক প্রচারাভিযান, জনসংযোগ এবং গণআন্দোলনের মাধ্যমে দাবিকে শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই সভায় সভাপতি কে ভট্টাচার্য সহ সকল পদের বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ এবং সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
- পানিসাগর রেলওয়ে স্টেশন পরীক্ষামূলক বৈদ্যুতিক মেমো ট্রেনের আগমনের মধ্য দিয়ে এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছে। রেল পরিষেবা আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।4
- উত্তর ত্রিপুরার পানিসাগর এলাকার অগ্নিপাশায় একটি বাস ও টুকটুকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয়জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। শেরওয়ালি নামের একটি বাসের সজোরে ধাক্কায় হাইস্পিড অটোটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। আহত শ্রমিকদের উন্নত চিকিৎসার জন্য উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।3
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগর মহকুমার দেওয়ানপাশা এলাকায় গত শনিবার একটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক পথচারী আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, TR05ER3872 নম্বরের একটি দ্রুতগতিতে চলা ই-রিকশা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় দেওয়ানপাশা এলাকারই বাসিন্দা সত্যনারায়ন তেলি (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় লোকজন দ্রুত ধর্মনগর দমকল বিভাগে খবর দেন। খবর পেয়ে দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থার পর্যবেক্ষণ করছেন। এই দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করেছে।3
- উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগরে অবস্থিত ধর্মনগর রেলওয়ে ডিভিশন ডিমান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমিটির ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা রবিবার ধর্মনগর পুরাতন মোটরস্ট্যান্ড সংলগ্ন টিজিটিএ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় সংগঠনের বিগত এক বছরের কার্যক্রম, আর্থিক হিসাব-নিকাশ, ভবিষ্যৎ কর্মসূচি এবং ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় সম্পাদক হিমাংশু পাল তাঁর বার্ষিক সম্পাদকীয় প্রতিবেদনে সংগঠনের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রতিবেদনের শুরুতেই সম্প্রতি প্রয়াত সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস.এন. ভট্টাচার্যের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। একইসঙ্গে প্রয়াত বিধায়ক স্পিকার বিশ্ববন্ধু সেন সহ সমাজ ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের অবদানের কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে গণআন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এই দাবির সমর্থনে স্মারকলিপি প্রদান, জনসভা, পথসভা, প্রচারপত্র বিতরণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।1
- প্রাক্তন বিধায়ক নিরাজয় ত্রিপুরার প্রয়াণে গোটা এলাকা গভীর শোক ও স্তব্ধতায় ডুবে গেছে। তাঁর পরিবারকে সমবেদনা জানাতে এমডিসি হলিউড চাকমা-সহ টিসিএফ-এর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ প্রয়াত নেতার বাসভবনে উপস্থিত হয়েছেন। নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার মানুষ প্রয়াত আত্মার চিরশান্তি কামনা করেছেন।1
- কমলপুর, খোয়াই এবং আগরতলার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী ২০৮ নম্বর জাতীয় সড়কের অবস্থা অত্যন্ত বেহাল।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার উত্তর ত্রিপুরা জেলা যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের উদ্যোগে ধর্মনগরের গৌরীশেখর রায় স্পোর্টস ইনডোর হলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবারের যোগ দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “Yoga for Healthy Ageing”। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত যোগপ্রেমী, ক্রীড়াবিদ, ছাত্র-ছাত্রী, স্বেচ্ছাসেবক এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন রাজ্যের বন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা। তিনি তাঁর বক্তব্যে নিয়মিত যোগব্যায়ামের মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বর্তমান ব্যস্ত জীবনে সুস্থ ও সক্রিয় থাকতে যোগচর্চাকে দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করার আহ্বান জানান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক জহর চক্রবর্তী, যিনি যোগব্যায়ামকে কেবল শরীরচর্চা নয়, বরং একটি জীবনদর্শন হিসেবে অভিহিত করেন, যা মানুষকে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও ইতিবাচক জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করে। এই অনুষ্ঠানে উত্তর ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্না নাথ এবং ধর্মনগর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন মিতালী রাণী দাস সেন সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরাও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে শতাধিক মানুষ একযোগে বিভিন্ন যোগাসন ও প্রণায়াম অনুশীলনে অংশ নেন। এই গণযোগাভ্যাসের মাধ্যমে সুস্থ বার্ধক্য, মানসিক প্রশান্তি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্ব সম্পর্কে উপস্থিত সকলকে অবহিত করা হয়। জেলার সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের এই আয়োজন এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তোলার লক্ষ্যে যোগব্যায়ামের প্রসার ও সচেতনতা বৃদ্ধির বার্তা দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।4
- বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হওয়ার সাথে তাল মিলিয়ে ত্রিপুরাতেও এই বিশেষ দিনটি সাড়ম্বরে উদযাপন করা হয়েছে। রাজ্যের রাজধানী আগরতলার হাঁপানিয়া স্থিত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কেন্দ্রে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা যোগ দেন। এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি রাজ্যের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ মন্ত্রী টিংকু রায় সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এদিন প্রদর্শনী কেন্দ্রে উপস্থিত বহু উৎসাহী মানুষ মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য অতিথিদের সাথে যোগাসনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা সুস্থ জীবনের জন্য দৈনন্দিন জীবনে যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি স্পষ্ট বলেন যে, শরীর ও মনকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে যোগচর্চার কোনো বিকল্প নেই এবং নিয়মিত যোগাভ্যাস মানুষকে অনেক জটিল রোগ থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। আয়োজকরা মনে করছেন যে, হাঁপানিয়ার এই প্রদর্শনী কেন্দ্রটি আজ যেন এক সুস্থতার বার্তায় ভরে উঠেছিল এবং সব বয়সের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য আজ সার্থক হয়েছে।1