সাংসদ শতাব্দী রায়ের সামনেই বীরভূমের মুরারইয়ে তৃণমূলের প্রার্থীকে নিয়ে ‘অসন্তোষ’। সভা শেষ না করেই কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান তিনি। বিজেপি থেকে তৃণমূল, ভোটের আগে প্রার্থীকে নিয়ে ‘অসন্তোষ’ নতুন কোনও ঘটনা নয়। কিন্তু এটি যদি মাথাচাড়া দিয়ে বসে তবে সমস্যায় পড়তে পারে দল। বীরভূমের মুরারইয়ে একটি সাংগঠনিক বৈঠকে যান সাংসদ শতাব্দী রায়। আর তাঁর সামনেই তৃণমূলের প্রার্থীকে নিয়ে ‘অসন্তোষ’ রীতিমতো চরমে পৌঁছে যায়, বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। সাংগঠনিক বৈঠকের সময় দলীয় কার্যালয়ে খোদ সাংসদ শতাব্দী রায়ের সামনেই দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এল। প্রার্থীকে নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। বিড়ম্বনায় পড়তে হয় তাঁকে। অবস্থা বেগতিক বুঝে সভা শেষ হওয়ার আগেই কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। জানা গিয়েছে, মুরারই বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মোশারফ হোসেনকে নিয়ে তৃনমূলের মধ্যেই ক্ষোভ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই প্রার্থীকে নিয়ে বহুদিন ধরেই ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন কর্মীদের একাংশ। সূত্রের খবর, স্থানীয় নেতাদের মধ্যে একটা অংশ চেয়েছিলেন, মুরারই বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হোক সঞ্জিবুর রহমান ওরফে বাপ্পাকে। কিন্তু শেষমেশ প্রার্থীতালিকা প্রকাশের দিন মুরারই বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে মোশারফের নাম ঘোষণা করে তৃণমূল নেতৃত্ব।
সাংসদ শতাব্দী রায়ের সামনেই বীরভূমের মুরারইয়ে তৃণমূলের প্রার্থীকে নিয়ে ‘অসন্তোষ’। সভা শেষ না করেই কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান তিনি। বিজেপি থেকে তৃণমূল, ভোটের আগে প্রার্থীকে নিয়ে ‘অসন্তোষ’ নতুন কোনও ঘটনা নয়। কিন্তু এটি যদি মাথাচাড়া দিয়ে বসে তবে সমস্যায় পড়তে পারে দল। বীরভূমের মুরারইয়ে একটি সাংগঠনিক বৈঠকে যান সাংসদ শতাব্দী রায়। আর তাঁর সামনেই তৃণমূলের প্রার্থীকে নিয়ে ‘অসন্তোষ’ রীতিমতো চরমে পৌঁছে যায়, বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। সাংগঠনিক বৈঠকের সময় দলীয় কার্যালয়ে খোদ সাংসদ শতাব্দী রায়ের সামনেই দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এল। প্রার্থীকে নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। বিড়ম্বনায় পড়তে হয় তাঁকে। অবস্থা বেগতিক বুঝে সভা শেষ হওয়ার আগেই কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। জানা গিয়েছে, মুরারই বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মোশারফ হোসেনকে নিয়ে তৃনমূলের মধ্যেই ক্ষোভ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই প্রার্থীকে নিয়ে বহুদিন ধরেই ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন কর্মীদের একাংশ। সূত্রের খবর, স্থানীয় নেতাদের মধ্যে একটা অংশ চেয়েছিলেন, মুরারই বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হোক সঞ্জিবুর রহমান ওরফে বাপ্পাকে। কিন্তু শেষমেশ প্রার্থীতালিকা প্রকাশের দিন মুরারই বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে মোশারফের নাম ঘোষণা করে তৃণমূল নেতৃত্ব।
- চন্দ্রকোনা ১ নং ব্লকের ক্ষীরপাইয়ে সন্তোষী পূজা উপলক্ষে সাধারণ মানুষের মাঝে খিচুড়ি বিতরণ করলেন চন্দ্রকোনার তৃণমূল পার্থী সূর্য্য কান্ত দোলই1
- অভিনেতা রাহুলের রহস্যময় মৃত্যু নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য টলিউডের শিল্পীরা রিজিন্ট পার্ক থানায় পৌঁছায়।1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- বিধানসভার ভোট আসতে না আসতেই প্রতিটি প্রার্থী তাদের প্রচারে চমক দেখাতে শুরু করে সেরকমই প্রতিদিনই একটির পর একটি চমক আমরা দেখতে পাচ্ছি সন্তু পাল তারকেশ্বর বিধানসভার বিজেপি মনোনীত প্রার্থী তিনি তার প্রতিদিনের প্রচারে নতুন নতুন চমক সামনে আনছেন।1
- Post by NEWS 24 BANGLA1
- News from Kharagpur, West Bengal, where the BJP candidate for the Kharagpur Sadar Assembly constituency, Dilip Ghosh, filed his nomination papers amidst a massive display of public support.1
- *“আগে ভোটার, পরে ভোট”- এই দাবিতে মুগবসানে গণমিছিল!* বিগ ব্রেকিং নিউজ পিবিএন বাংলায় কেশপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর: “আগে ভোটার, পরে ভোট” -এই স্পষ্ট দাবিকে সামনে রেখে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর ব্লকের মুগবসান গ্রামে শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হলো এক বিশাল গণমিছিল। গ্রামজুড়ে উত্তেজনা ও প্রতিবাদের আবহে কয়েকশ সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি মুগবসান গ্রামের বিভিন্ন প্রান্ত পরিক্রমা করে। হাতে ব্যানার, প্ল্যাকার্ড এবং মুখে জোরালো স্লোগান তুলে গ্রামবাসীরা তাদের দাবি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। তাদের মূল বক্তব্য—প্রথমে বৈধ ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে, তার পরেই ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া উচিত। অংশগ্রহণকারীদের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা ও ত্রুটির কারণে অনেক প্রকৃত নাগরিক এখনও ভোটার তালিকায় সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি। ফলে তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে সরব হয়েই তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান। মিছিলে উপস্থিত একাধিক গ্রামবাসী সেখ কমরউদ্দিন বলেন, “আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। কিন্তু যদি আমাদের নামই ভোটার তালিকায় না থাকে, তাহলে আমরা কীভাবে আমাদের অধিকার প্রয়োগ করব? আগে আমাদের ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি দিন, তারপর ভোট নিন।” মিছিলটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও, এতে অংশগ্রহণকারীদের আবেগ ও ক্ষোভ ছিল স্পষ্ট। স্থানীয়দের মতে, এই ধরনের আন্দোলন ভবিষ্যতে আরও বড় আকার নিতে পারে যদি দ্রুত সমস্যার সমাধান না হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে গ্রামবাসীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান ও সঠিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। সার্বিকভাবে বলা যায়, “আগে ভোটার, পরে ভোট” দাবিতে মুগবসানের এই গণমিছিল সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার এক জোরালো বার্তা হিসেবে উঠে এসেছে।1
- ঘাটাল, দাসপুর এবং চন্দ্রকোনা বিধানসভার মনোনীত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা করলেন আজ ঘাটাল মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে।1
- Post by মুখার্জী নিউজ1